ডেস্ক রিপোর্টার,৫এপ্রিল।।
কেরলের কননুরে অনুষ্ঠিত হবে সিপিআইএমের ২৩তম পার্টি কংগ্রেস। ৬এপ্রিল থেকে শুরু হবে পার্টি কংগ্রেস।চলবে আগামী ১০এপ্রিল পর্যন্ত। সিপিআইএমের এই ২৩তম পার্টি কংগ্রেসে ডেলিকেটের সংখ্যা ৮১১জন। সিপিআইএমের এবারের পার্টি কংগ্রেস দেশীয় রাজনীতির জন্য যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ।

২৪-র দেশের জাতীয় নির্বাচনে নরেন্দ্র মোদীর বিজেপিকে দিল্লির ক্ষমতা থেকে সরানোর পার্টি কংগ্রেস সিপিআইএমের জন্য একটা মঞ্চ হিসাবে কাজ করবে।এখন থেকে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হবে সিপিআইএম নেতৃত্ব। পার্টি কংগ্রেস কেন্দ্র করে সেজে উঠেছে কননুর। লাল কার্পেট দিয়ে সাজানো হয়েছে পার্টি কংগ্রেসের মঞ্চস্থল।

কননুরে অনুষ্ঠিত সিপিআইএমের কংগ্রেসে অংশ নিয়েছেন রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তথা পলিটব্যুরোর সদস্য মানিক সরকার ও ত্রিপুরার সিপিআইএম রাজ্য সম্পাদক জিতেন্দ্র চৌধুরী সহ অন্যান্যরা। রাজ্য সিপিআইএমের জন্যও ২৩তম পার্টি কংগ্রেস গুরুত্বপূর্ণ।

ত্রিপুরার রাজনীতিতে বারবার কংগ্রেস সিপিআইএমের কাছাকাছি আসার চেষ্টা করছে।কংগ্রেসের পক্ষ থেকে পরোক্ষ ভাবে সিপিআইএমকে দেওয়া হয়েছে জোটের বার্তা।তবে সিপিআইএমের পক্ষ থেকে এখনো কোনো রকম ইঙ্গিত দেওয়া হয়নি।তবে বাংলাতেও সিপিআইএম-কংগ্রেস এক জোটে লড়াই করেছিলো। আগামীদিনে দিল্লীতেও বিজেপিকে আটকানোর জন্য একই মঞ্চে থাকবে কংগ্রেস-সিপিআইএম। ত্রিপুরাতে যেহেতু এই মুহূর্তে কংগ্রেসের তুলনায় বামেদের শক্তি অনেক বেশি তাই কিছুটা ভাবনা চিন্তার বিষয় থাকবে।

তবে ২৩তম পার্টি কংগ্রেসেই বুঝা যাবে বিজেপিকে ঠেকাতে বামেদের রণ কৌশল কি হবে? আগামী দিনে সিপিআইএম কি অন্যান্য অবাম ও অবিজেপি দলের সঙ্গে সমদূরত্ব বজায় রাখবে না কি হাতে হাত মিলিয়ে কাজ করবে। স্বাভাবিক ভাবেই সিপিআইএমের ২৩তম পার্টি কংগ্রেসের দিকে তাকিয়ে রয়েছে ত্রিপুরার বাম-কর্মী-নেতারাও।

Leave a Reply

Your email address will not be published.