ডেস্ক রিপোর্টার, আগরতলা।।
           “সমাজের সমস্ত অংশের মানুষের আস্থা অর্জন করতে হবে রাজ্যের ক্লাব গুলিকে। কারণ সমাজ পরিবর্তনে ক্লাবের ভূমিকা অনস্বীকার্য।” বললেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ডা:মানিক সাহা। রবিবার রাজধানীর হারাধন সংঘের রক্তদান শিবিরের একথা বলেন তিনি।
           মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ক্লাবে অনেক ধরনের লোক থাকে।তারা সমাজের কাজে ভূমিকা নিয়ে থাকেন। তবে সমাজের প্রতি দায়বদ্ধ এমন লোককেই ক্লাবের দিকে বেশি করে আকৃষ্ট করতে হবে।তবেই আক্ষরিক অর্থে উন্নয়ন ঘটবে সমাজের। সেবামূলক দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে ক্লাব গুলিকে কাজ করার পরামর্শ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। রাজনীতিকরা বলছেন,এই রক্তদান অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী প্রকারন্তে ক্লাব গুলিকে একটা বার্তা দিয়েছেন।বর্তমানে এক শ্রেণীর দুষ্ট চক্রের লোক ক্লাবকে ব্যবহার করে নিজের আখের গোছানোর কাজ করে চলছে। ক্লাবের ব্যানারকে সামনে রেখে গড়ে তুলছে জমির দালালের সিন্ডিকেট।আবার এলাকা থেকে ক্লাবের নামে তোলা আদায়। শহরের একাংশ ক্লাবের কর্তাদের এই সমস্ত ভূমিকায় বীতশ্রদ্ধ মানুষ।এদিন মুখ্যমন্ত্রী বকলমে বিভিন্ন ক্লাব কর্তাদের ঘুরিয়ে শুধরানোর বার্তা দিয়েছেন।
            এই মুহূর্তে নেশার করাল গ্রাসে রাজ্য।তাই নেশা বিরোধী অভিযানে ক্লাবগুলোকে আরো সদর্থক ভূমিকা নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।তিনি বলেন, নেশাগ্রস্থ যুবকদের স্বাভাবিক পথে আনার জন্য ক্লাব গুলিকে ভূমিকা নিতে হবে।এবং নেশা কারবারিদের বাণিজ্য বন্ধ করতে ক্লাবের ভূমিকা দরকার।তাহলেই নেশার উপদ্রব কমানো যাবে।রাজ্য সরকার নেশা বাণিজ্যের বিরুদ্ধে কোনো আপোষ করবেন। রাজ্যের আইন শৃঙ্খলা যেন বিঘ্ন না ঘটে তার দিকেও লক্ষ্য রাখছে সরকার। আইনশৃঙ্খলা ভঙ্গকারীদের বিরুদ্ধে সরকার কঠোর পদক্ষেপ নেবে।এই বার্তা সরকার পৌঁছে দিয়েছে অপরাধীদের কাছে। মুখ্যমন্ত্রীর দাবি,এখন রাজ্যের আইন শৃঙ্খলা যথেষ্ট ভালো।মানুষ নিশ্চিন্তে চলাফেরা করতে পারে। সাজাক দৃষ্টিতে রয়েছে আরক্ষা প্রশাসন। এদিন মুখ্যমন্ত্রী ঠারে ঠুরে বুঝিয়ে দেন, রাজ্যের আইন শৃঙ্খলা সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে তাঁর সরকার যথেষ্ট সতর্ক।কেননা প্রতি মুহূর্তে এক শ্রেণীর কচক্রীরা  রাজ্যের আইন শৃঙ্খলাকে বিনষ্ট করার চেষ্টা করছে। সুড়সুড়ি দিচ্ছে সাম্প্রদায়িকতার। ভোটের মুখে এই ধরনের বিষয় যথেষ্ট স্পর্শ কাতর।

Leave a Reply

Your email address will not be published.