ডেস্ক রিপোর্টার, আগরতলা
                       বছর ঘুরলেই বিধানসভা নির্বাচন।ভোটের মুখেই প্রদেশ বিজেপির সভাপতির দায়িত্ব পেলেন রাজীব ভট্টাচার্য্য।এটা রাজীবের জন্য অত্যন্ত চ্যালেঞ্জের বিষয়। নানান কারণে দলের সাংগঠনিক মেরুদণ্ডে যে ঘুনে ধরতে শুরু করেছে তা বিলক্ষণ বুঝতে পেরেছেন  নতুন সভাপতি রাজীব ভট্টাচার্য্য। এই কারণেই বিধানসভা ভোটের আগে দলের সংগঠনকে শক্তিশালী করতে নির্দিষ্ট পরিকল্পনা নিয়েছে বিজেপি। রাজীব ভট্টাচার্য্যর নির্দেশে খুব শীঘ্রই দলের মধ্যে শুরু হচ্ছে শুদ্ধিকরণ প্রক্রিয়া।
                       রাজ্য বিজেপির খবর অনুযয়ী, আগামী কিছুদিনের মধ্যেই দলের রাজ্য কমিটিতে শুরু হবে রদবদল। রাজ্য কমিটির অনেক তাবড় নেতাদের ঘাড়ে পড়তে পারে কোপ।তবে তাদের রাজ্য কমিটি থেকে  বাদ দেওয়া হবে না।কিন্তু পদ থেকে সরিয়ে দিয়ে সাধারণ সদস্য হিসাবে রাখা হবে।আবার অনেক সাধারণ সদস্যকে দেওয়া হতে পারে গুরুত্ব পুর্ণ পদ।দলের এই সিদ্ধান্তে অনেকের মাথা ইতিমধ্যে ঘুরতে শুরু করেছে। তাছাড়া জেলা কমিটি ও মন্ডল কমিটিতেও পরিবর্তন করা হবে।জেলা ও মণ্ডলের যেসকল নেতৃত্বের বিরূদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে তাদেরকে পত্রপাঠ বিদায় করে দেওয়া হবে।এই সমস্ত জায়গাতে আনা হবে নতুন মুখ। যারা এখনো নির্ভেজাল।কারণ দুর্নীতি মুক্ত ফ্রেস মুখ নিয়েই ২৩মহারণে মাঠে নামবে বিজেপি।এই কারণেই গণ হারে শুরু করবে   শুদ্ধিকরণ প্রক্রিয়া। ইতিমধ্যে দলের মধ্যে এই বার্তা দেওয়া হয়েছে।একেবারে রাজ্য কমিটি থেকে শুরু করে বুথ স্তর পর্যন্ত এই প্রক্রিয়া চালু থাকবে।সম্ভবত শারদ উৎসবের আগেই শুরু হবে শুদ্ধিকরণ।
                       প্রদেশ বিজেপি এই প্রক্রিয়াকে সম্পন্ন করতেই  প্রদেশ সভাপতি রাজীব ভট্টাচার্য্য শুরু করেছেন জেলা সফর।সোমবার দুইদিনের  সফরে গিয়েছিলেন উত্তর জেলায়। জেলা ও ছয়টি মণ্ডলের নেতৃত্বকে নিযয়ে বৈথ করেন। এরপরে ধারাবাহিক ভাবে তিনি প্রতিটি জেলা পরিদর্শন করবেন।এবং করবেন সাংগঠনিক বৈঠক।জেলা সফরে প্রদেশ সভাপতি সংলিস্ট জেলার সাংগঠনিক রিপোর্ট নিয়েছেন। এই তালিকা অনুযায়ী দুর্নীতিবাজ নেতাদের সনাক্ত করবেন।এই তালিকা অনুযায়ী শুরু হবে শুদ্ধিকরণ প্রক্রিয়া । তাছাড়া দলের অনেক পুরনো কর্মী রয়েছেন,যারা ইতিমধ্যে মূল স্রোত থেকে সরে গেছেন।কিন্তু ২৮- র ভোট তাদের অনেক অবদান ছিল। এই সমস্ত নেতাদের দলে টেনে আনার কাজ করবেন রাজীব ভট্টাচার্য্য।এবং বুথ থেকে মন্ডল এবং জেলা থেকে রাজ্য  স্তরের কমিটিতে তাদের দেওয়া হবে গুরু দায়িত্ব। এক্ষেত্রে ছেটে ফেলে দেওয়া হবে দুর্নীতিবাজ  নেতাদের। তাদের জায়গাতেই পুরনো নিষ্ঠাবান কর্মীদের স্থান দেওয়া হবে।প্রদেশ বিজেপি ইতিমধ্যে এই সংক্রান্ত বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিয়েছে। প্রদেশ সভাপতির জেলা সফর শেষে এই সমস্ত সিদ্ধান্ত কার্যকরী করা হবে।ইতিমধ্যে মুখ্যমন্ত্রী জেলা পরিক্রমা শেষ করেছেন। মুখ্যমন্ত্রীর জেলা পরিক্রমার রিপোর্ট নিয়েও পর্যালোচনা করবে ভাজপার হাই পাওয়ার কমিটি।

Leave a Reply

Your email address will not be published.