তেলিয়ামুড়া ডেস্ক,৯মার্চ।।
তেলিয়ামুড়া চাকমাঘাটস্থিত খোয়াই নদীর ব্যারেজ প্রাঙ্গণে নদীর জল লালশিটে রঙ। আদৌ কি খোয়াই নদীর জলের রঙের পরিবর্তন হলো ! নাকি মাছের খাদ্য নদীতে দেওয়ার ফলেই জলের রঙের পরিবর্তন। খোয়াই নদীর জলে কি বেড়েছে দূষণের মাত্রা? এরকম নানান প্রশ্ন উঁকি দিচ্ছে স্থানীয় জনমনে। এ নিয়ে তারা আছে মহাদ্বন্দ্বে।
বিগত কিছু দিন ধরে আচমকা খোয়াই নদীর জলের রঙের পরিবর্তন ঘটেছে। হালকা লালশিটে ভাব নিয়েছে নদীর জল। বাস্তব অর্থে নদীর জলের উপর একটা লাল আস্তরণ পড়েছে। তাতেই স্থানীয় জনমনে আতঙ্ক দেখা দিয়েছে। গ্রামবাসীরা জানিয়েছেন, খোয়াই নদীর জলে লাল আস্তরণ পড়াতে জনজাতি অংশের মানুষকে নদীতে নৌকা চালাতে সমস্যা হচ্ছে।কারণ স্থানীয় লোকজন নদীর বুকে চিরে নৌ পথে আসা যাওয়া করে। নদীর জলে আস্তরণের ফলে বাঁশের চালি সহ অন্যান্য সামগ্রী নিয়ে আসতে বেগ পেতে হয় নদী পথে চলাচলকারী লোকজনের।
গ্রামের এক প্রবীণ বৃদ্ধের বক্তব্য, সম্প্রতি মৎস্য দপ্তর থেকে খোয়াই নদীতে মাছের খাদ্য দেওয়া হয়েছিল। এরপর থেকেই নদীর জলের উপর লালশিটে আস্তরণ(গ্রাম্য ভাষায় যাকে বলা হয় শেওলা) পড়ে যায়।
ধলাইয়ের গঙ্গানগর থেকে জলপথে আসা এক উপজাতি ব্যাক্তি জানিয়েছেন,, খোয়াই নদীর জল লালশিটে আস্তরণ পড়ে যাওয়ার পর থেকেই নৌকা কিংবা বাঁশের চালি নদীতে চলাচল করতে সমস্যায় পড়তে হচ্ছে। শুধু তাই নয়, নদীর পরিবর্তিত জল ব্যবহারের ফলে স্থানীয় লোকজনের চর্মরোগ জনিত সমস্যা দেখা দিচ্ছে।
চাকমাঘাটের মিশ্র জনবসতি এলাকার লোকজন খোয়াই নদীর জলের উপর নির্ভরশীল। স্বাভাবিক ভাবেই তাদের নিত্য দিনের ব্যবহার্য জলের সংকুলায়ন হচ্ছে না।প্রতিদিন বাড়ছে মানুষের সমস্যা।তবে এই বসন্ত কালে নদীর জলের এই পরিবর্তন হওয়ার কথা নয়।কিন্তু তাই হয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published.