ডেস্ক রিপোর্টার,১০এপ্রিল।।
কেরলের কন্নুরে অনুষ্ঠিত সিপিআইএমের ২৩তম পার্টি কংগ্রেসে ৮৫ সদস্যের নতুন কেন্দ্রীয় কমিটি গঠন করা হয়েছে।এই কেন্দ্রীয় কমিটিতে ত্রিপুরা থেকে নতুন ভাবে জায়গা পেয়েছেন সিপিআইএম নারায়ণ কর। তাছাড়া জিতেন্দ্র চৌধুরী, রমা দাস,তপন চক্রবর্তী ও অঘুর দেববর্মা রয়েছে কেন্দ্রীয় কমিটিতে। তারা আগেই কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য হয়েছিলেন। পার্টি কংগ্রেসে সর্ব সম্মতি ক্রমে ফের সিপিআই এমের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন সীতারাম ইয়েচুরি।

।সীতারাম ইয়েচুরি।

২৩তম পার্টি কংগ্রেসে কেন্দ্রীয় কমিটি থেকে বাদ পড়েছেন কমিউনিস্ট নেতা বাদল চৌধুরী। সিপিআইএমের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ছিলেন প্রয়াত দুই কমিউনিস্ট নেতা বিজন ধর ও গৌতম দাস। কিন্তু তাদের পরিবর্তে কাউকে কেন্দ্রীয় কমিটিতে জায়গা দেয় নি সর্ব ভারতীয় সিপিআইএম। অর্থাৎ কেন্দ্রীয় কমিটিতে বাড়েনি রাজ্য সিপিআইএমের সদস্য সংখ্যা। রাজনৈতিক ভাবে এটা অবশ্যই তাৎপর্যপূর্ণ। রাজনীতিকরা বলছেন, তাহলে কি সিপিআইএমের কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের কাছে কদর কমতে শুরু করেছে রাজ্য সিপিআইএমের?

।নারায়ণ কর।

বাদল চৌধুরী অসুস্থ। তাঁর পরিবর্তে নারায়ণ করকে জায়গা দেওয়া হয়েছে কেন্দ্রীয় কমিটিতে।কিন্তু প্রয়াত দুই সিপিআইএম নেতা বিজন ধর ও গৌতম দাসের পরিবর্তে ত্রিপুরার থেকে কোনো নেতাকে স্থান দেওয়া হয়নি কেন্দ্রীয় কমিটিতে। তা নিয়ে অবশ্যই রাজ্যের বাম রাজনীতিতে গুঞ্জন শুরু হয়ে গিয়েছে। ক্ষমতা হাত ছাড়া হওয়ার পর সর্ব ভারতীয় সিপিআইএম নেতৃত্বের কাছেও কিছুটা গুরুত্বহীন হয়ে ওঠেছে রাজ্য সিপিআইএম! এই জন্যই কি কেন্দ্রীয় কমিটিতে বাড়ানো হয়নি ত্রিপুরার সদস্য সংখ্যা?

।বাদল চৌধুরী।

রাজ্যের একাংশ বাম নেতৃত্বের কথায়, এই মুহূর্তে কেন্দ্রীয় কমিটিতে স্থান পাওয়ার মতো বেশ কয়েকজন সিনিয়র নেতা ছিলেন।কিন্তু তাদেরকে প্রয়াত বিজন-গৌতমের পরিবর্তে স্থান দেওয়া হয়নি। তবে এই বিষয়ে সিপিআইএম রাজ্য কমিটিরও একটা ভূমিকা থাকতে পারে।হয়তো বা রাজ্য কাছে তেমন গ্রহণ যোগ্য কোনো নেতাকে মনে হয়নি! তাই রাজ্য কমিটির পক্ষ থেকে তেমন ভাবে জোরালো কোনো সওয়াল ছিলো না পার্টি কংগ্রেসে। এই কারণেই প্রয়াত বিজন-গৌতমের পরিবর্তে ত্রিপুরা থেকে কোনো কমিউনিস্ট নেতাকে জায়গা দেওয়া হয়নি কেন্দ্রীয় কমিটিতে।

Leave a Reply

Your email address will not be published.