ডেস্ক রিপোর্টার,১৩জানুয়ারি।।
আনুষ্ঠানিক ভাবে কংগ্রেসে যোগ দেওয়ার আগেই নিজের ভিড় শক্ত করে নিচ্ছেন সুদীপ রায় বর্মন। এমন গুঞ্জন কংগ্রেসের অন্দর মহলে। সুদীপ নিজেই জানিয়ে দিয়েছেন আগামী ২৩-র বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপি থেকে প্রতিদ্বন্দ্বীতা করবেন না।সুদীপ রায় বর্মনের এই ঘোষণার পর চিত্র আরো পরিষ্কার হয়ে যায়।
পোস্ট অফিস চৌমুহনীর খবর অনুযায়ী, আগামী কয়েকদিনের মধ্যেই ঘোষণা হবে যুব কংগ্রেসের সভাপতির নাম। যুব কংগ্রেসের দৌড়ে এগিয়ে রয়েছেন কুমারঘাটের রাখু দাস।রাখু এক সময় বীরজিৎ সিংহ গোষ্ঠীর থাকলেও এখন সে ভিড়েছে সুদীপ রায় বর্মনের দিকে।এবং বেড়েছে সখ্যতা । তার প্রমান পাওয়া যায় রাখু দাসের ফেসবুক পেজে নজর রাখলে।এতো দিন ফেসবুক পেজে বীরজিৎ সিংহের সঙ্গে তার প্রোফাইল ছবি ছিলো।এখন আগের ছবির সঙ্গে সুদীপ রায় বর্মনের বাবা তথা প্রাক্তন কংগ্রেস মুখ্যমন্ত্রী সমীর রঞ্জন বর্মনের ছবিও রয়েছে।রাখু দাসকে যুব কংগ্রেসের সভাপতি করার জন্য দিল্লিতে নাকি কথা বলেছেন সুদীপ।খবর কংগ্রেসের অন্দর মহলে।
পোস্ট অফিস চৌমুহনীর সাদা বাড়ির খবর, যুব কংগ্রেসের সভাপতি হিসাবে প্রথমে দৌড়ে ছিলেন বীরজিৎ গোষ্ঠীর তন্ময় পাল।কিন্তু কংগ্রেসে সুদীপ রায় বর্মনের অদৃশ্য প্রভাব বাড়তেই পিছিয়ে যায় বীরজিৎ গোষ্ঠীর মনোনীত প্রার্থী তন্ময়।দিল্লিতে সুদীপ রায় বর্মন রাখু দাসের হয়ে ব্যাটন ধরেন।আর তাতেই সহমত পোষণ করে কংগ্রেসের হাই-কমান্ড। তারা সুদীপের সওয়াল করা নাম রাখু দাসকেই যুব কংগ্রেসের সভাপতি করার জন্য শীলমোহর দেয়। অর্থাৎ আনুষ্ঠানিক ভাবে সুদীপ রায় বর্মন কংগ্রেসে যোগ না দিলেও “প্রদেশ কংগ্রেসে”র শিরা-ধমনীতে যে তার প্রভাব বাড়ছে তা বলার অপেক্ষা রাখে না।
কংগ্রেসের নেতৃত্বের দাবি, সুদীপ রায় বর্মন দলে যোগ দিলে নিঃসন্দেহে শক্তি বাড়বে পোস্ট অফিস চৌমুহনীর। নতুন করে প্রাণ প্রতিষ্ঠা হবে সাদা বাড়ির।সুদীপ নিজেও চাইছেন,দলে যোগ দেওয়ার আগেই কংগ্রেসের শাখা সংগঠনগুলিতে নিজের লোকজনকে বসানোর জন্য।তাতে সাংগঠনিক কাজের ক্ষেত্রে সুবিধা পাবেন তিনি।ঝামেলাহীন ভাবেই কংগ্রেসকে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারবেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published.