ডেস্ক রিপোর্টার,১৩ফেব্রুয়ারি।।
” সাবধান। আমরাও এসেছি ইকুয়েশন করে।গণনা শুরু করবো ২১থেকে।”—নিজ নীড়ে ফিরে গিয়ে প্রতিপক্ষকে এই ভাষায় চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিয়েছেন রাজ্যের প্রাক্তন বিধায়ক সুদীপ রায় বর্মন। শনিবার রাজ্য কংগ্রেসের সদর দপ্তরে অনুষ্ঠিত সভায় একথা বলেছেন তিনি।
রাজনীতিকরা বলছেন, রাজ্যের শাসক দল বিজেপিকে উদ্দেশ্য করেই তিনি একথা বলেছেন।তবে রাজ্যে ২১-থেকে গণনা শুরু অঙ্কের এই হিসেব শুরু করেছিল বামেরা।এবং কমিউনিস্টরা তা করেও দেখিয়েছে।হয় তো বা টার্গেট সংখ্যা থেকে ১-২টি আসনের হেরফের ঘটে থাকতো। ১৮-র ভোটে শাসক দল বিজেপি’ ও তার জোট সঙ্গী আইপিএফটি যৌথভাবে পৌঁছে গিয়েছিলো “টার্গেট সংখ্যায়”।
রাজনীতিকদের বক্তব্য, কংগ্রেস ভবন প্রাঙ্গনে সুদীপ রায় বর্মন এক তীরে নাকি দুই পাখি শিকার করেছেন।বিজেপি-সিপিআইএম উভয়কেই বার্তা দিয়েছেন। এদিন সুদীপ রায় বর্মন, এডিসির শাসক দল তিপ্রামথার হয়েও ব্যাটন ধরেন।তিনি বলেন, রাজ্যের জনজাতিদের জন্য কংগ্রেস অনেক বেশি চিন্তা ভাবনা করে থাকে।প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী রাজ্যের জনজাতিদের এডিসি উপহার দিয়েছেন। সুদীপের অভিযোগ, তিপ্রামথাকে এডিসি পরিচালানার জন্য চাহিদা অনুযায়ী টাকা দিচ্ছে না রাজ্য সরকার। সময় পেরিয়ে গেছে ভিলেজ কাউন্সিলরের নির্বাচন।অথচ এই নির্বাচন নিয়ে কোনো হেলদোল নেই সরকারের।পাহাড়ের উন্নয়নের জন্য ভিলেজ কাউন্সিলের নির্বাচন খুব গুরুত্বপূর্ণ। কংগ্রেস নেতা সুদীপ রায় বর্মন বলেন, জনজাতিরা রোমান হরফে তাদের লিপির দাবি করছে।। সিপিআইএম সহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলও জনজাতিদের দাবিকে সমর্থন করছে।কিন্তু বিজেপি তা দিচ্ছে না।বিজেপি চাইছে দেবনগরী হরফে হোক জনজাতিদের লিপি।
রাজনীতিকরা বলছেন, সুদীপ রায় বর্মনের বক্তব্য রাজনৈতিক ভাবে যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ ।কারণ সুদীপের কথা বিশ্লেষণ করলে মনে হয় তিপ্রামথার সঙ্গে গোপন সমঝোতা করেই কংগ্রেসে যোগ দিয়েছেন।এবং মথাকে সঙ্গে নিয়েই ২৩-র যুদ্ধে লড়াই করবে কংগ্রেস।তবে এখনই পুরো চিত্র পরিস্কার হয়নি।তার জন্য অপেক্ষা করতে হবে আরও কিছুটা দিন।

Leave a Reply

Your email address will not be published.