ডেস্ক রিপোর্টার,১৭অগাস্ট:
” আমি কখনো নগদ টাকা বহন করিনা। যদি আমার খিদে পায়,তাহলে যে কোনো বাড়িতে গিয়ে খেতে পারি।আমার যদি জামা-কাপড়ের প্রয়োজন হয়,তাহলে মানুষ আমাকে বস্ত্র দান করবে।রাজ্যের ৩৭লক্ষ মানুষ আমার সম্পদ।”—-বক্তা রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব কুমার দেব। সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের উত্তরে একথা বলেছেন মুখ্যমন্ত্রী।
মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব কুমার দেবের সরলতাকে পুঁজি করে একাংশ মানুষ বিভিন্ন সময়ে নানান কথা বলে থাকেন। মুখ্যমন্ত্রীর বিভিন্ন বক্তব্য সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল করে দিয়ে থাকে একাংশের লোকজন।মুখ্যমন্ত্রীর ঘনিষ্ঠরা জানিয়েছেন,তিনি উদার মানসিকতার লোক।সর্বদা রাজ্য ও রাজ্যের মানুষের উন্নয়ন নিয়ে চিন্তা করেন।কিভাবে রাজ্যকে এগিয়ে নেওয়া যাবে তনিয়ে তিনি ভাবেন সর্বক্ষণ।
বিপ্লব কুমার দেবকে খুব কাছ থেকে যারা দেখেছেন তাদের বক্তব্য, মুখ্যমন্ত্রীর সরলতার অনেক দৃষ্টান্ত রয়েছে।তিনি কখনই কোনো জায়গাতে খেতে দ্বিধা করেন না। একবার তেলিয়ামুড়াতে এক বাড়িতে খেতে গিয়ে সহজ-সরল ভাবে মুখ্যমন্ত্রী “ঝোল” চেয়েছিলেন।মুখ্যমন্ত্রীর এই সরলতাকে হাতিয়ার করে একাংশ লোকজন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ট্রোল করেছিলো। খাওয়ার সময় মুখ্যমন্ত্রী শুধু একটু গ্রেভি চেয়েছিলেন।আর তাতেই রোল পড়ে যায়।অট্টালিকা হোক,আর ঝোপ ঝাড় মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব কুমার দেব সব জায়গাতেই সাবলীল।তিনি আকাশেও থাকতে পারেন,আবার মাটিতে থাকতে পারেন।
মুখ্যমন্ত্রীর ঘনিষ্ঠদের দাবি,দিল্লি ভ্রমণের সময়ও, তিনি সর্বদা বিমানে ইকোনমি ক্লাসে চড়েন এবং
সঙ্গে নিয়ে যান ন্যূনতম কর্মী।
বিপ্লব কুমার দেব ২০১৮ সাল থেকে রাজ্যে মুখ্যমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করছেন।তাঁর জীবন-যাপন নিয়ে মানুষের মধ্যে নানান কৌতুহল রয়েছে।কেউ-কেউর ধারণা মুখ্যমন্ত্রী বিলাসবহুল জীবন যাপন করেন।বাস্তবে তা নয়।দাবি তাঁর পরিবারের সদস্যদের।মুখ্যমন্ত্রীর অনুগামীদের দাবি,বিপ্লব কুমার দেবের সরল আচরণ সবসময় তাঁর কাজের মধ্য দিয়ে প্রতিফলিত হয়।
বিভিন্ন সরকারি প্রকল্পে স্বচ্ছতা বজায় রাখতে মুখ্যমন্ত্রী প্রশাসনকে কড়া নির্দেশ দিয়েছেন।বর্তমান সরকারের জামানায় এই জন্যই দলমত নির্বিশেষে সরকারী প্রকল্পের সাহায্য পাচ্ছে সাধারণ মানুষ।একমাত্র মুখ্যমন্ত্রীর জন্যই এই সমস্ত প্রকল্প সার্থক হয়েছে,দাবি মুখ্যমন্ত্রীর অনুগামীদের।

Leave a Reply

Your email address will not be published.