ডেস্ক রিপোর্টার,আগরতলা।।
            বিশ্বাস পরিবারের ত্রিপুরা  ডেমোক্রেটিক ফ্রন্টের অশান্তির আগুন। প্রকাশ্যে এলো বাপ – বেটার যুদ্ধ। বুধবার টিডিএফ ছেড়ে তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দিয়েছেন  পূজন বিশ্বাস।সে ছিলো টিডিএফের রাজ্য সভাপতি। পূজন তার সঙ্গে ৫৪০ জন অনুগামীকে নিয়ে যোগ দিয়েছেন ঘাসফুলে। অর্থাৎ টিডিএফের একটা বড় অংশ মিশে যায় তৃণমূলে। পূজন বিশ্বাসরাই দাবি করেন এখন টিডিএফ বিলীন হয়ে গেছে। তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে জানানো হয় টিডিএফ মিশে গিয়েছিল ঘাসফুলে।
              পূজন বিশ্বাস ও তৃণমূল কংগ্রেসের এই দাবি নস্যাৎ করে দিয়েছে টিডিএফের শীর্ষ নেতৃত্ব।দলের পক্ষ থেকে জারি করা হয়েছে এক প্রেস বিবৃতি। দলের সাধারন সম্পাদক প্রসেনজিৎ দাস বিবৃতি জারি করেন।  বিবৃতি অনুযায়ী, “টিডিএফ সামিল হয়নি তৃণমূল কংগ্রেসে। শুধু মাত্র পূজন বিশ্বাস দল ছেড়েছেন। এটা তার ব্যক্তিগত বিষয়। তার সঙ্গে টিডিএফের কোনো সম্পর্ক নেই। “টিডিএফ মিশে গেছে তৃণমূল কংগ্রেসের সঙ্গে। এই তথ্য ভুল। টিডিএফ নিজেদের জায়গাতেই রয়েছে। তৃণমূল কংগ্রেসের সঙ্গে যোগদানের জন্য কোনো বৈঠক হয়নি।বা মতামতও নেওয়া হয়নি।”
             
           


সম্প্রতি তিপ্রামথার সঙ্গে যৌথ ভাবে রাজনৈতিক কর্মসূচি করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিলো। সাংবাদিক সম্মেলন করে টিডিএফ নেতৃত্ব এই ঘোষণা দিয়েছিল।এই পরিস্থিতিতে পূজন বিশ্বাসের তৃণমূল কংগ্রেসে যোগদান সম্পূর্ণ তার নিজস্ব বিষয়।এর সঙ্গে দলের কোনো সম্পর্ক নেই।
              টি ডি এফের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে,     দলের রাজ্য কমিটির চেয়ারম্যান তেজেন দাস, প্রাত্তন বিধায়ক তাপস দে,  পিষূস বিশ্বাসের মত  র্শীষ নেতৃত্ব  রাজ্যের মানুষের সার্থে কাজ করছে। এবং মানুষের অধিকার রক্ষা করতে গনতান্ত্রিক পদ্ধতিতে আন্দোলন চালিয়ে যাবে।  
              টিডিএফের পক্ষ থেকে দেওয়া এই বিবৃতি  রাজনৈতিক ভাবে যথেষ্ট তাৎপর্য।কেন না,এই বিবৃতির মাধ্যমে দলের শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে পূজন বিশ্বাসের ঝামেলা প্রকাশ্যে চলে এসেছে।  টিডিএফ ভূমিষ্ট হওয়ার পর এখন পর্যন্ত বড় কোনো রাজনৈতিক কর্মসূচি করতে পারেনি। তারা তিপ্রামথার সুপ্রিমো প্রদ্যুৎ কিশোরের উপর নির্ভর করে আছে। তবে এই মুহূর্তে পূজন দল থেকে বেরিয়ে যাওয়াতে টিডিএফ আর কতদিন তাদের আয়ুষ্কাল ধরে রাখতে পারবে তা নিয়েও সন্দেহের দানা বাঁধছে রাজনৈতিক মহলে।
              রাজনীতিকদের বক্তব্য,এই বিবৃতি টি ডি এফের শীর্ষ নেতৃত্বকে ধুল পড়ার মতো ঘটনাও হতে পারে। কেননা বাবা পিযুষ কান্তি বিশ্বাসের সঙ্গে আলোচনা না করেই কি পূজন যোগ দিয়েছেন তৃণমূল কংগ্রেসে? দলের অন্দরে উঠছে এই প্রশ্নও।
             
           

Leave a Reply

Your email address will not be published.