ডেস্ক রিপোর্টার,১৮মে।।
“তিনি ভুগী নন,তিনি ত্যাগী”। মুখ্যমন্ত্রীর কুর্সি ছাড়ার কয়েক ঘন্টার মধ্যেই তা প্রমাণ করলেন রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব কুমার দেব। মঙ্গলবার থেকেই তিনি জোর দেন সংগঠনের উপর। শুরু করে দেন সাংগঠনিক কাজকর্ম।
এদিন সন্ধ্যায় প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব কুমার দেব যান তাঁর নির্বাচনী ক্ষেত্র বনমালীপুর মণ্ডলে। বেশ কিছুটা সময় তিনি দলীয় কার্যকর্তাদের সঙ্গে কাটিয়েছেন।আলোচনা করেছেন নিজ নির্বাচনী ক্ষেত্রের সাংগঠনিক বিষয় নিয়ে।
বনমালীপুর মন্ডল সূত্রের খবর, প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব কুমার দেব ফের হচ্ছেন রাজ্য বিজেপি’র সভাপতি। ২৩-র নির্বাচনকে সামনে রেখে তিনি দলের সাংগঠনিক ক্ষেত্রে আনবেন সংস্কার। তার প্রথম ধাপ শুরু করবেন বনমালী পুর কেন্দ্র থেকে। বিপ্লব কুমার দেবের নির্বাচনী ক্ষেত্রের খবর, আগামী কিছুদিনের মধ্যে বনমালী পুর মণ্ডলে আসতে পারে বড়সড় রদবদল। মন্ডলের বর্তমান সভাপতি দীপক করকে সরিয়ে দেওয়া হবে দায়িত্ব থেকে। পরিবর্তে মন্ডল সভাপতির দায়িত্বে আসতে পারেন সুকুময় সাহা। তিনি আগরতলা পুর নিগমের কর্পোরেটর।
২৩-র বিধানসভা নির্বাচনের হার্ডেল ট্পকানো খুব সহজ হবেনা।১৮-র চেয়ে আরো বেশি কঠিন।এই পরিস্থিতিতে সংগঠনকে আরো বেশি সুসংগঠিত করতে হবে।এক্ষেত্রে মন্ডল সভাপতিকে অনেক বেশি দায়িত্ব নিতে হবে।বনমালী পুরের বর্তমান মন্ডল সভাপতি দীপক করকে দলের নেতা-কর্মীদের অনেকেই পছন্দ করছে না। কারণ তিনি নাকি একজন সংগঠকের তুলনায় বেশি “ব্যবসায়ী”। স্বাভাবিক ভাবেই আর যাই হোক একজন ব্যবসায়ীকে দিয়ে কঠিন সময়ে দলের সংগঠনকে যে আরো বেশি মজবুত করা যাবে না,তা বিলক্ষণ বুঝতে পেরেছেন বিপ্লব কুমার দেব।
বনমালীপুর মন্ডলের খবর অনুযায়ী, এই মুহূর্তে মন্ডল সভাপতি হিসাবে বিপ্লব কুমার দেবের প্রথম পছন্দ সুকুময় সাহা। গোটা বনমালীপুরে তাঁর জনপ্রিয়তাও রয়েছেন।সেই তুলনায় নানান কারণে দীপক কর, অনেকের অপছন্দ। স্বাভাবিক ভাবেই মন্ডলের অধিকাংশ নেতা-কর্মী যাকে চাইবেন,বিপ্লব কুমার দেবও তাকেই অগ্রাধিকার দেবেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published.