ডেস্ক রিপোর্টার,১৯ ফেব্রুয়ারি।।
ভিলেজ কমিটির নির্বাচন নিয়ে সরব এডিসির শাসক দল তিপ্রামথা। দ্রুত নির্বাচন করতে তিপ্রামথা চাপ বাড়াচ্ছে রাজ্য সরকার ও রাজ্য নির্বাচন কমিশনের উপর। ২০২১-র ৭মার্চ ভিলেজ কমিটির নির্বাচনের মেয়াদ পেরিয়ে গেছে। স্বাভাবিক ভাবেই এডিসির শাসক দলের পক্ষ থেকে চাপ বাড়তেই রাজ্য সরকারও কিছুটা বিব্রত হয়ে উঠেছে।বিরোধী দল সিপিআইএম সহ কংগ্রেস, তৃণমূল কংগ্রেস ভিলেজ নির্বাচন বিলম্বিত হওয়াতে সরকারের সমালোচনা শুরু করেছে।
রাজনীতিকরা বলছে, রাজ্যের ৫৭৮টি ভিলেজ কমিটির নির্বাচনে তিপ্রামথা পুরোপুরি ভাবে নিজেদের আধিপত্য বিস্তার করতে চাইছে।তবে মথার বর্তমান সংগঠনের পক্ষে ভিলেজ ভোটে দখল নেওয়া অসম্ভব হবে না।তাই সর্বোপরি পাহাড় দখলের জন্য মুখিয়ে আছে মথার নেতৃত্ব।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের বক্তব্য, গোটা পাহাড় মথার অনুকূলে।এখানে অন্য কোনো রাজনৈতিক দল এই মুহূর্ত পর্যন্ত মথার বিরুদ্ধে মাথা তুলে দাঁড়াতে পারছে না। এই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে তিপ্রামথা ভিলেজ ভোটে ২৩-র মহড়া দিতে চাইছে। এই কারণে ভিলেজ ভোট নিয়ে সরব হয়ে উঠছে মথার সুপ্রিমো প্রদ্যুত কিশোর।
ভিলেজ ভোটে তিপ্রামথা সিংহভাগ আসনেই জয়ী হবে।দাবি মথা নেতৃত্বের।তবে বিজেপি-আইপিএফটি ও সিপিআইএম মথাকে বেগ দেওয়ার চেষ্টা করবে।কিন্তু তাতে অবশ্যই খুব বেশি সুবিধা করতে পারবে না সংশ্লিষ্ট রাজনৈতিক দলগুলো। ভিলেজ ভোটের রেজাল্টের প্রভাব পড়বে আগামী বিধানসভা নির্বাচনে। ভিলেজ কাউন্সিল গুলি যে রাজনৈতিক দল বেশি দখল নিতে পারবে ২৩-র যুদ্ধে তাদের হাতেই ” স্ট্রাইক ” বেশি থাকবে। এটা বিলক্ষণ জানেন তিপ্রামথার সুপ্রিমো।
বিধানসভা ভোটের আগে এই কারণেই ভিলেজ ভোট করার জন্য ঝাঁপিয়ে পাড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে মথা।অন্য দিকে বিজেপিও পাহাড়ের প্রধান বিরোধী দল।কিন্তু সাংগঠনিক ভাবে মথার তুলনায় শক্তি অনেকটা কম। আইপিএফটিও এখন অতীতের ছায়া।যদিও আইপিএফটি’র দাবি তারা মথার সঙ্গে সামনে দাঁড়িয়ে লড়াই করবে।বাস্তবে কতটা কি করতে পারবে তা সময়েই বলবে।শাসক জোট বিজেপি,আইপিএফটি ভালো করেই জানে ভিলেজ ভোটে সুবিধা করতে না পারলে ২৩-র যুদ্ধে ব্যাপক প্রভাব পড়বে।তাই রাজ্য সরকার এখনো ভিলেজ ভোট করতে আগ্রহ দেখাচ্ছে না বলেই মনে করছে রাজনীতিকরা।

Leave a Reply

Your email address will not be published.