তেলিয়ামুড়া ডেস্ক,২১জুলাই।।
বিদ্যালয়ে ছাত্র-শিক্ষক মিলিয়ে ২৯ জন ছিল। বর্তমানে একজন শিক্ষিকা অন্যত্র বদলি হওয়ার কারণে ওই বিদ্যালয়ে ছাত্র শিক্ষকের সংখ্যা দাঁড়ালো ২৮ জন। অথচ তেলিয়ামুড়া বিদ্যালয় পরিদর্শকের অধীন একটি প্রাচীনতম বিদ্যালয় হিসেবে পরিচিত ওই বিদ্যালয়’টি। এই বিদ্যালয়টির নাম মানিক রায় কলই পাড়া উচ্চ বুনিয়াদী বিদ্যালয়। বিদ্যালয়টিতে আছে পানীয় জলের সমস্যা এবং স্কুলের চারিদিকে নেই কোন স্থায়ী প্রাচীর। ফলে ছাত্র-ছাত্রীদের বিভিন্ন সময়ে সমস্যায় পড়তে হচ্ছে বলে অভিযোগ।
জানা যায়, মানিক রায় কলই পাড়া উচ্চ বুনিয়াদি বিদ্যালয়ে প্রাথমিক এবং দুপুর মিলিয়ে ২৬ জন ছাত্র-ছাত্রী এবং ৩ জন শিক্ষক শিক্ষিকা ছিলেন। কিন্তু রাজ্য শিক্ষা দপ্তরে নির্দেশে এক শিক্ষিকা অন্যত্র বদলি হয়ে যায়। তাতে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ আরো সমস্যায় পড়ে যায়। শিক্ষক স্বল্পতার কারণে একসাথে প্রত্যেকটি শ্রেণিকক্ষে শিক্ষক-শিক্ষিকারা যেতে পারেন না ছাত্র-ছাত্রীদের পাঠদান দেওয়ার জন্য। এই বিদ্যালয়টিতে প্রয়োজনীয় শিক্ষক-শিক্ষিকার সঙ্কট দীর্ঘ বছর বছর ধরে লেগেই আছে। কিন্তু শিক্ষক সঙ্কট মুচনের কোনো উদ্যোগ নেই তেলিয়ামুড়া বিদ্যালয় পরিদর্শক কর্তৃপক্ষ’ র।
অন্যদিকে, ব্রহ্মছড়া এলাকার ওই বিদ্যালয়টির পাশেই ইংরেজি মাধ্যম মিশনারী বিদ্যালয় থাকার কারণে মানিক রায় কলই পাড়া উচ্চ বুনিয়াদি বিদ্যালয়ে ছাত্র-ছাত্রীর সংখ্যাটা দিন দিন কমতে শুরু করেছে।
অন্যদিকে, বিদ্যালয়ের পরিকাঠামোগত সমস্যার দিকে তাকালে প্রথমেই থেকে যায় পানীয় জলের সমস্যা। উপরন্তু বিদ্যালয়টির বাউন্ডারি ওয়াল না থাকার কারণে ছাত্র-ছাত্রীরা বিভিন্ন সমস্যার সম্মুখীন হতে হচ্ছে বলে অভিযোগ।
তবে রাজ্যে শিক্ষা বিপ্লব চলছে, শিক্ষাক্ষেত্রে অনেক উন্নয়নের প্রসার ঘটেছে, কিন্তু মানিক রায় কলই পাড়া উচ্চ বুনিয়াদি বিদ্যালয়ের দৈন্যতা বর্তমান সময়কালেও বিদ্যমান। তবে কি আদৌ শিক্ষাবিপ্লব হচ্ছে রাজ্যে (!) প্রশ্ন শিক্ষানুরাগীদের।

Leave a Reply

Your email address will not be published.