ডেস্ক রিপোর্টার, ২৩সেপ্টেম্বর।।
             “শাসক দল বিজেপি ও বিজেপি – আইপিএফটি জোট সরকারের প্রতি বিষিয়ে উঠেছে মানুষ। সরকারটাকে কেউ পছন্দ করছে না। তাদের শেষের শুরু হয়ে গেছে। আর দূর্গ রক্ষা করতে পারবে না। মানুষ প্রস্তুতি নিচ্ছে।”….. বক্তা রাজ্যের বিরোধী দল নেতা মানিক সরকার।শুক্রবার বিধানসভায় সাংবাদিক বৈঠক করে একথা বলেন তিনি।
             বিরোধী দলনেতা মানিক সরকারের বক্তব্য, বিজেপি এখন জনবিচ্ছিন্ন। জন বিচ্ছিন্নতা থেকে তাদেরকে হতাশা গ্রাস করেছে।আর এই হতাশা থেকেই অন্ধকারে নিমজ্জিত হচ্ছে গেরুয়া বাহিনী।। এই কারণেই সন্ত্রাসকে হাতিয়ার করছে বিজেপি। সন্ত্রাস করে সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে বাম কর্মী, সমর্থকদের দাপিয়ে রাখার চেষ্টা করছে শাসক দল । তবে রাজ্যের মানুষ কখনো বিজেপির এই সংস্কৃতিকে পছন্দ করছে না।
             শুক্রবার ছিলো দ্বাদশ বিধানসভার ১২তম অধিবেশন। অধিবেশন শুরু হওয়ার পর পরই ওয়াক আউট করে বামেরা।এর পরই বিরোধী দল নেতা মানিক সরকার সাংবাদিক বৈঠক করেন। এই বৈঠকে মানিক সরকার বলেন,অধিবেশন শুরু হওয়ার পরেই বিরোধী বেঞ্চের পক্ষ থেকে অধ্যক্ষ রতন চক্রবর্তীর কাছে মুলতবির প্রস্তাব পাঠানো হয়  কিন্তু অধ্যক্ষ রতন চক্রবর্তী সেই প্রস্তাবের কোনো কর্ণপাতই করেননি বরং জানিয়ে দিয়েছেন  অধিবেশন মুলতবি ঘোষণা করা যাবে না।
             মানিক সরকার বলেন, গত ১৫ সেপ্টেম্বর বাম যুবারা তিনটি ইস্যুতে মহাকরণে মুখ্যমন্ত্রীর কাছে ডেপুটেশন দেওয়ার জন্য সিদ্ধান্ত নিয়েছিল। কিন্তু তারা মহাকরণের সামনে যাওয়ার পরেই পুলিশ মিছিলের গতিপথ আটকে দেয়। প্রতিনিধি দলকে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাতের সুযোগ করে দেয়নি। বরং বাম ছাত্র যুবাদের উপর পুলিশ লাঠিচার্জ করেছে, নিক্ষেপ করেছে টিয়ার গ্যাস। মানিকের প্রশ্ন সরকারের এই আচরণ কেন? এই ঘটনার প্রতিবাদ জানাতেই শুক্রবার অধিবেশন মুলতবি রাখার জন্য প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিলো সিপিআইমের পক্ষ থেকে।বললেন মানিক সরকার। শেষ পর্যন্ত  অধ্যক্ষ বিরোধী ব্যাঞ্চের কথা না মানাতে বাম বিধায়করা অধিবেশন থেকে ওয়াক আউট করেন।
             রাজ্যে রাজনৈতিক সন্ত্রাস থেকে শুরু করে কর্ম সংস্থান, শিক্ষা ব্যবস্থা নানান ইস্যু নিয়ে শাসক দলকে আক্রমণ করেন বিরোধী দল নেতা মানিক সাহা। মানিক সরকার বলেন, বিজেপি সরকার শূন্য পদ পূরণ না করে, শূন্য পদ সৃষ্টি করছে। স্কুলে স্কুলে শিক্ষার বেহাল অবস্থা। ২৪টি ডিগ্রী কলেজের মধ্যে মাত্র একটিতে আছে প্রিন্সিপাল। বাদবাকি সব গুলি কলেজ চলছে প্রিন্সিপাল ছাড়ায়। সব মিলিয়ে বিজেপি সরকার ব্যর্থ।
            

Leave a Reply

Your email address will not be published.