ডেস্ক রিপোর্টার, ২৪আগষ্ট।।
শেষ পর্যন্ত সুবল ভৌমিককে প্রদেশ তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতির পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হলো। সর্ব ভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে এই বার্তা নিশ্চিত করা হয়েছে। তবে কেন সুবল ভৌমিককে সভাপতির পদ থেকে সরানো হলো? এই প্রশ্নের উত্তর পাওয়া যাবে তৃণমূল কংগ্রেসের সংবাদিক বৈঠকে। বুধবার বিকাল সাড়ে চারটা নাগাদ তৃণমূল কংগ্রেসের সাংবাদিক বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে।
তাহলে কে হচ্ছেন প্রদেশ তৃণমূল কংগ্রেসের পরবর্তী সভাপতি? ভেসে আসছে টিডিএফ নেতা তথা প্রাক্তন কংগ্রেস সভাপতি পীযূষ বিশ্বাসের নাম। পীযূষ বিশ্বাস টিডিএফ ছেড়ে যোগ দিতে পারেন তৃণমূল কংগ্রেসের।এমন খবর তৃণমূল কংগ্রেসের অন্দর মহলে। তাছাড়া তৃণমূলের সভাপতির দৌঁড়ে রয়েছেন সুস্মিতা দেব ও আশীষ লাল সিং।কিন্তু সুস্মিতা বহিরাগত। দলের একটা বড় অংশ সভাপতি হিসাবে চাইছেন আশীষ লাল সিংকে।কিন্তু আশীষ কি সভাপতির দায়িত্ত্ব নেবেন? তা নিয়েই তৈরি হচ্ছে প্রশ্ন চিহ্ন।কেননা, কৈলাশহরে বিজেপির দুষ্কৃতীদের দ্বারা আশীষ
লাল সিং আক্রান্ত হয়ে দীর্ঘদিন ধরেই তিনি অসুস্থ। তার এই অসুস্থতার সময় তৃণমূল কংগ্রেসের কোন নেতৃত্বই যোগাযোগ করেন নি। দাবি অনুগামীদের।এই কারণেই আশীষ লাল সিং দলের নেতৃত্বের প্রতি অভিমান করে নিজেকে দূরে সরিয়ে রেখেছেন। তবে ত্রিপুরাতে তৃণমূল কর্মী সমর্থকদের সিংহভাগই সভাপতি হিসাবে আশীষ লালকে চাইছে। শেষ পর্যন্ত তৃণমূল কংগ্রেসের থিঙ্ক ট্যাঙ্ক কি সিদ্ধান্ত নেয় সেটাই এখন দেখার বিষয়।
এদিকে সুবল ভৌমিক তৃণমূলকে খুব শীঘ্রই আলবিদা জানাবেন।তিনি ফের যোগ দেবেন বিজেপিতে। “জনতার মশাল” এই সংক্রান্ত আগাম খবর প্রকাশ করেছিলো। আচমকা সুবলকে তৃণমূল সভাপতির পদ থেকে অপসারিত করতেই তার বিজেপিতে যোগ দেওয়ার বিষয়টি আরো প্রকট হয়ে উঠলো বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

Leave a Reply

Your email address will not be published.