ডেস্ক রিপোর্টার,২৪মে।।

” ত্রিপুরাতে চলছে গুন্ডা সরকার।চলছে লুঠের রাজত্ব। থমকে গেছে রাজ্যের উন্নয়ন। নেই মানুষের স্বাধীনতা।নেই গণতন্ত্র। তাই শেষ রক্ষা হলো না বিজেপি’র। বাধ্য হলো মুখ্যমন্ত্রী পরিবর্তন করতে।” বলছেন সিপিআইএমের রাজ্য সম্পাদক জিতেন্দ্র চৌধুরী। দুইদিনের রাজ্য সম্মেলনের শেষে সাংবাদিক বৈঠক করে তিনি একথা বলেন। রাজধানীর মেলারমাঠস্থিত সিপিআইএমের রাজ্য সদর দপ্তরে মঙ্গলবার অনুষ্ঠিত হয় এই সাংবাদিক বৈঠক।
সিপিআইএম রাজ্য সম্পাদক জিতেন্দ্র চৌধুরী বলেন, বিজেপি এখন জন বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। চলে গেছে গড্ডায়। বিজেপি সরকার পুরোপুরি ব্যর্থ। তাই মানুষের দৃষ্টি ঘুরানোর জন্য বিজেপি মুখ্যমন্ত্রী পরিবর্তন করে ফের জুমলার আশ্রয় নিয়েছে। কমিউনিস্ট নেতা জিতেন্দ্র চৌধুরী আইপিএফটি ও টিপিএফকে এক হাত নিয়েছেন। বিজেপি’র সঙ্গে মিশে যাওয়া টিপিএফের নেত্রী পাতালকন্যাকে নির্লজ্জ্ব বলেও উল্লেখ করেছেন জিতেন। আইপিএফটি’র নেতা এনসি দেববর্মা ও মেবার কুমার জমতিয়ার তীব্র সমালোচনা করেন জিতেন্দ্র।
সিপিআইএম রাজ্য সম্পাদক ছেড়ে কথা বলেন নি তিপ্রামথাকে।তিনি বলেন, গ্রেটারতিপ্রাল্যান্ড ইস্যুতে তিপ্রামথার সাংবিধানিক সমাধানের বিষয়টি সিপিআইএমও সমর্থন করে।তবে গ্রেটার তিপ্রাল্যান্ডের ইস্যুতে তিপ্রামাথা যেভাবে জনজাতিদের বিভ্রান্ত করছে তা মানা যায় না। আবেগকে কাজে লাগিয়ে যারা রাজনীতি করছে তারা ক্ষণস্থায়ী। মথারও একই অবস্থা হবে বলে মনে করছেন জিতেন্দ্র।
বিজেপিকে আক্রমণ করে বলেন, ইতিমধ্যে সরকারের ৫০মাস অতিক্রান্ত হয়ে গেছে।কিন্তু কোথায় শ্রেষ্ঠ রাজ্যে পরিণত হলো ত্রিপুরা? ন্যায় চাকরি দাবি করলেই পুলিশের আঘাত সহ্য করতে হয় বেকারদের। ১০৩২৩ থেকে শুরু করে টেট পাশ করা বেকারদের পুলিশের ডান্ডা দিয়ে লেলিয়ে দেওয়া হয়। আর এটাই কি বিজেপি’র মডেল রাজ্যে,শ্রেষ্ঠ রাজ্য?
প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব কুমার দেবের সরকারি সুযোগ-সুবিধার ইস্যুতে সাঁড়াশি আক্রমণ করেন জিতেন্দ্র। সিপিআইএম নেতার বক্তব্য, নিয়ম ভঙ্গ করে একজন বিধায়ক হয়েও কিভাবে সরকারি অর্থের অপচয় করছেন বিপ্লব কুমার দেব?

Leave a Reply

Your email address will not be published.