ডেস্ক রিপোর্টার,৩১মার্চ।।
আর মাত্র কয়েকঘন্টা পরই অনুষ্ঠিত হবে রাজ্যসভার নির্বাচন। ত্রিপুরার একটি আসনেও হবে ভোট। মূল প্রতিদ্বন্দ্বী বিজেপি ও সিপিআইএম। বিজেপি’র প্রার্থী ডা. মানিক সাহা এবং সিপিআইএম প্রার্থী ভানুলাল সাহা। রাজ্যসভার নির্বাচন নিয়ে বুধবার রাতে বিজেপি-আইপিএফটি’র সমস্ত বিধায়কদের নিয়ে বৈঠক করেন মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব কুমার দেব। বৈঠকে ছিলেন প্রভারী বিনোদ শোনকর, রাজ্য সভাপতি তথা বিজেপি’র প্রার্থী ডা. মানিক সাহা, উপমুখ্যমন্ত্রী জিষ্ণু দেববর্মন।জোট শরিক আইপিএফটি’র সুপ্রিমো এন সি দেববর্মা। এই বৈঠকেই শাসক জোট বিজেপি-আইপিএফটি তাদের রণকৌশল চূড়ান্ত করে।
বিজেপি-আইপিএফটি’র মোট বিধায়ক সংখ্যা ৪০(৩৩+৭) জন।অপর দিকে সিপিআইএমের বিধায়ক সংখ্যা ১৫জন।সংখ্যা তত্ত্বের হিসাবে বিজেপি প্রার্থী ডা. মানিক সাহার জয় নিশ্চিত। বামেরা তাদের নিশ্চিত পরাজয় জেনেও নির্বাচনী ময়দানে নেমেছে। খবর অনুযায়ী, শাসক জোটের সমস্ত বিধাায়করা জানিয়ে দিয়েছেন তারা দলীয় প্রার্থী ডা. মানিক সাহাকে ভোট দিয়ে জয়ী করে আনবেন।তবে কয়েকজন বিধায়ক রয়েছে সন্দেহের চোখে।তবে তারা দীর্ঘদিন ধরেই সংস্কারপন্থী বিধায়ক হিসাবেই পরিচিতি লাভ করেছিলো। তারা ক্রশ
ভোটিং করতে পারে।এমন আশঙ্কা করা হয়েছিলো।এমনকি ভোট দানে বিরত থাকার সম্ভাবনাও উঁকি দিয়েছিলো।তবে মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব কুমার দেব ড্যামেজ কন্ট্রোলে নেমে সব সমস্যা সমাধান করে দেন। এবং বিধায়করাও অঙ্গীকার বদ্ধ হন। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, রাজ্যসভাতেও গেরুয়া বাহিনীর অশ্বমেধের ঘোড়া চলবে নিজস্ব গতিতেই। স্বাভাবিক ভাবেই রাজ্য বিজেপি’র সভাপতি ডা. মানিক সাহাই হচ্ছেন ত্রিপুরার রাজ্য সভার আসনের পরবর্তী সাংসদ।

Leave a Reply

Your email address will not be published.