আগরতলা
আইন-আদালত
সর্বশেষ খবর
Tripura Anganwadi workers Case: অঙ্গনওয়াড়ি কর্মী সহায়িকাকে ছাঁটাই মামলায় উচ্চ আদালতে বড় ধাক্কা রাজ্য সরকারের।
সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে আইনজীবী পুরুষোত্তম রায় বর্মন আরো জানান সরকার পক্ষ ইচ্ছে করলে সংশ্লিষ্ট রায়ের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টও যেতে পারে। কিন্তু সেখানেও সরকার পক্ষ সংশ্লিষ্ট মামলায় হালে পানি পাবেনা বলে…
Tripura News:আইএফএস গৌরব রবীন্দ্র ওয়াগাকে পালাতে সাহায্য করেছে প্রশাসন: সুদীপ
এই ঘটনা প্রসঙ্গে রাজ্যের কংগ্রেস বিধায়ক সুদীপ রায় বর্মন বলেন, ” শুধু বন দপ্তর নয়, প্রতিটি সরকারি দপ্তরে দুর্নীতি চলছে। দুর্নীতিবাজ ডিএফও গৌরব রবীন্দ্র ওয়াগা পালিয়ে যায় নি। তাকে পালিয়ে…
ICSE & ISC EXAM: আইসিএসই ও আইএসসিতে ছাত্রীদের বড় সাফল্য।পাশের হার ৯৯.৪৮ শতাংশ।
আইএসসি পরীক্ষায় মোট পাসের হার ৯৯.১৩ শতাংশ। এর মধ্যে ছাত্রীদের পাশের হার ৯৯.৪৮ শতাংশ এবং ছাত্রদের পাশের হার ৯৮.৮১ শতাংশ। আইসিএসই পরীক্ষায় মোট পাশের হার ৯৯.১৮ শতাংশ। এর মধ্যে ছাত্রীদের…
Tripura News: মহিলা কংগ্রেসের বিধানসভা অভিযানে পুলিশের বাধা! শহরে উত্তেজনা।
মহিলা কংগ্রেস নেত্রীর বক্তব্য, মহিলা সংরক্ষণ বিলের নামে মোদী সরকার লোকসভায় ডিলিমিটেশন বিল পাস করানোর চেষ্টা করেছিল। কিন্তু বিরোধী সাংসদরা মোদী সরকারের জালিয়াতি ধরে ফেলে। এবং তার বিরোধীরা করে।২০২৩ সালে…
Tripura News: বাম জামানার পর রাম জামানাতেও তথৈবচ অবস্থা মিড ডে মিল কুক কাম হেল্পারদের।
মিড ডে মিল কুক কাম হেলপার ওয়েলফেয়ার রাজ্য কমিটির আরও অভিযোগ ২০২৩ সালে সংশ্লিষ্ট দাবিতে এলিমেন্টারি অধিকর্তার নিকট ডেপুটেশন প্রদান করা হয়েছিল। সেই সময় শিক্ষা দপ্তর থেকে তাদের দাবির প্রতি…
দেশ
West Bengal Assembly Election: বাংলায় প্রথমবার ফুটবে পদ্ম , নবান্ন থেকে ঝরবে ঘাসফুল। ইঙ্গিত বুথ ফেরত সমীক্ষায়।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের ভাষায়, এক্সিট পোল কখনোই চূড়ান্ত ফলাফল নয়। এটি মূলত ভোটারদের মতামতের ওপর ভিত্তি করে তৈরি একটি অনুমান মাত্র। অতীতে বহুবার দেখা গিয়েছে যে, এক্সিট পোলের পূর্বাভাস সম্পূর্ণ ভুল প্রমাণিত হয়েছে। বাংলায় বিজেপির ‘পরিবর্তন’-এর ডাক সফল হয়, নাকি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘উন্নয়ন’ কার্ড চতুর্থবারের মতো তাঁকে নবান্নে ফিরিয়ে আনে।
ডেস্ক রিপোর্টার, ২৯ এপ্রিল।।
টানটান উত্তেজনার মধ্য দিয়ে শেষ হলো ২০২৬ সালের পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের ভোটগ্রহণ পর্ব। বুধবার দ্বিতীয় দফার ভোট শেষ হতেই একে একে সামনে আসতে শুরু করেছে বিভিন্ন সংস্থার বুথ ফেরত সমীক্ষা বা ‘এক্সিট পোল’। একাধিক সমীক্ষায় বাংলায় প্রথমবারের মতো বিজেপি সরকারের ক্ষমতায় আসার ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে। এবং বাংলার মসনদ হাত ছাড়া হচ্ছে দিদি মমতার।
অবশ্যই এই সমীক্ষা নিশ্চিত ভাবে বাংলার শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসের জন্য যথেষ্ট উদ্বেগের কারণ।
* বাংলায় প্রথম দফার ভোট হয় গত ২৩ এপ্রিল।
* মোট আসন সংখ্যা ছিল ১৫২টি ।
* ভোট পড়েছে ৯৩.২ শতাংশ।
* বাংলায় দ্বিতীয় দফায় ভোট হয়েছে ২৯ এপ্রিল।
* মোট আসন সংখ্যা ১৪২টি ।
* ভোট পারসেন্টিস ৯০ শতাংশের কাছাকাছি। বিকাল ৫টা পর্যন্ত ।

পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার মোট আসন সংখ্যা ২৯৪টি। ম্যাজিক ফিগার ১৪৮টি। অর্থাৎ কোনো রাজনৈতিক দলকে বাংলার নবান্ন দখল করতে হলে নূন্যতম ১৪৮টি আসন দখল করতে হবে।
প্রসঙ্গত, ২০২১ সালের নির্বাচনে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তৃণমূল কংগ্রেস ২১৩টি আসন জিতে বিপুল ব্যবধানে ক্ষমতায় ফিরেছিল। অন্যদিকে, বিজেপি ৭৭টি আসন পেয়ে প্রধান বিরোধী দল হিসেবে উঠে এসেছিল। এবারের এক্সিট পোলগুলি যদি সত্য হয়, তবে বিজেপি সেই ৭৭ থেকে লাফিয়ে ১৪৮-এর ম্যাজিক ফিগার পার করে যেতে পারে। দেশের বিভিন্ন সমীক্ষাকারী সংস্থা চাণক্য, ম্যাট্রিজ, পিপলস পালস, পোল ডায়েরি, পি – মার্ক তাদের সমীক্ষায় বিজেপির ক্ষমতায় আসার ইঙ্গিত দিয়েছে।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের ভাষায়, এক্সিট পোল কখনোই চূড়ান্ত ফলাফল নয়। এটি মূলত ভোটারদের মতামতের ওপর ভিত্তি করে তৈরি একটি অনুমান মাত্র। অতীতে বহুবার দেখা গিয়েছে যে, এক্সিট পোলের পূর্বাভাস সম্পূর্ণ ভুল প্রমাণিত হয়েছে। বাংলায় বিজেপির ‘পরিবর্তন’-এর ডাক সফল হয়, নাকি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘উন্নয়ন’ কার্ড চতুর্থবারের মতো তাঁকে নবান্নে ফিরিয়ে আনে।এখন এই কোটি টাকার প্রশ্নের উত্তরের অপেক্ষায় প্রহর গুনছে গোটা দেশ। পরিষ্কার চিত্র ফুটে উঠবে আগামী ৪ মে।
এদিন দেশের আরো চার রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। সমীক্ষাকারী সংস্থা গুলির সমীক্ষা অনুযায়ী, আসামে পুনরায় ক্ষমতায় ফিরছে বিজেপি। কেরলে পতন ঘটবে বামেদের।ক্ষমতায় আসছে কংগ্রেস। তামিলনাড়ুতে ক্ষমতায় আসছে ডি এম কে। তবে পদুচেড়িতে কংগ্রেস – বিজেপির মধ্যে হবে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই।
বিদেশ
Bangladesh News: রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ উৎপাদনের পথে বাংলাদেশ।
# সমীরণ রায় #
_______________
দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় একক প্রকল্প রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র। রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন পরমাণু শক্তি কমিশন। এ প্রকল্পের আওতায় ১ হাজার ২০০ মেগাওয়াটের ২টি ইউনিট নির্মাণ করছে রাশিয়ার ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান অ্যাটমস্ট্রয় এক্সপোর্ট।
ঢাকা, ২৯ এপ্রিল।।
বাংলাদেশের পাবনার রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের চুল্লিতে পারমাণবিক জ্বালানি বা ইউরেনিয়ামের ব্যবহার শুরু হয়েছে। কড়া নিরাপত্তায় মঙ্গলবার বিকেলে এ কার্যক্রমের উদ্বোধন হয়। এর মধ্য দিয়ে পারমাণবিক শক্তি ব্যবহারকারী দেশের তালিকায় বিশ্বের ৩৩তম দেশ হলো বাংলাদেশ।
জ্বালানি প্রবেশ কার্যক্রমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিমন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম। তিনি বলেন, এদিনটি ঐতিহাসিক মুহূর্ত। নিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে প্রকল্পটির কাজ করা হয়েছে। এই দিনটি জ্বালানি লোডিংয়ের মাধ্যমে বাংলাদেশ ইতিহাসের অংশ হলো। পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের বিদ্যুৎ শুধু পাবনা নয়, দেশের অর্থসামাজিক উন্নয়নে ব্যাপক ভূমিকা রাখবে। আলোচনা শেষে অতিথিরা স্বয়ংক্রিয় সুইচ টিপে জ্বালানি লোডিং উদ্বোধন করেন। এ সময় বক্তব্য দেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিবিষয়ক উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদ, রুশ পরমাণু শক্তি করপোরেশনের (রোসাটম) মহাপরিচালক আলেক্সি লিখাচেভ। অনুষ্ঠানে ভার্চ্যুয়ালি যুক্ত হন আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থার মহাপরিচালক রাফায়েল গ্রসি।
চুল্লিপাত্রে ইউরেনিয়াম জ্বালানি বসানো হলে তা থেকে তাপ তৈরি হবে। সেই তাপে পানি থেকে বাষ্প তৈরি হয়ে টারবাইন ঘুরবে আর সেখান থেকে বিদ্যুৎ উৎপন্ন হবে। পাবনার রূপপুরে নির্মিত এ বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম ইউনিটের চুল্লিপাত্রে জ্বালানি প্রবেশ করানো শুরু হলো এদিন।

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় বলছে, বাণিজ্যিকভাবে বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরুর আগে এটি চূড়ান্ত ধাপ। ধাপে ধাপে পরীক্ষামূলকভাবে বিদ্যুতের উৎপাদন শুরু হবে। আগামী আগস্টে জাতীয় গ্রিডে ৩০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু হতে পারে।
দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় একক প্রকল্প রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র। রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন পরমাণু শক্তি কমিশন। এ প্রকল্পের আওতায় ১ হাজার ২০০ মেগাওয়াটের ২টি ইউনিট নির্মাণ করছে রাশিয়ার ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান অ্যাটমস্ট্রয় এক্সপোর্ট।
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় এবং বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশন বলছে, ২০২৩ সালের অক্টোবরে প্রকল্প এলাকায় পারমাণবিক জ্বালানি আসার পরই পারমাণবিক স্থাপনা হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে রূপপুর বিদ্যুৎকেন্দ্র। জ্বালানি বুঝে নেওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই পারমাণবিক শক্তির অধিকারী দেশের তালিকায় নাম ওঠায় বাংলাদেশ। আজ সেই শক্তির ব্যবহার শুরু হচ্ছে।
এর আগে ২০২৩ সালের ২৮ সেপ্টেম্বর আকাশপথে রাশিয়া থেকে ঢাকায় পৌঁছায় পারমাণবিক জ্বালানির প্রথম চালান। এরপর আসে আরও কয়েকটি চালান। বিশেষ নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে সড়কপথে অক্টোবরে রূপপুরে নিয়ে যাওয়া হয় জ্বালানি। এরপর এটি মজুত করে রাখা হয়েছিল রূপপুরে।

পরিস্থিতি নিয়ে পিকে’র টিম
“অতিথি দেব ভব”: মুখ্যমন্ত্রী">
রাত ভর হোটেলে আটক পিকে’র টিম। উত্তেজনা বাড়ছে দেশের রাজধানী দিল্লিতে।">
">
">
">
">



">
নিরাপত্তা।">