আগরতলা
আইন-আদালত
সর্বশেষ খবর
Tripura Sports : অন্ধ প্রদেশের সাফল্যের খোঁজে জোড় প্রস্তুতি রাজ্যের পাওয়ার লিফটারদের।
স্পোর্টস ডেস্ক, ১মে।। চলছে জোড় কদমে প্রস্তুতি। জাতীয় আসরে ভালো ফলাফল করার লক্ষ্যে। ১৫-২০ মে অন্ধ্রপ্রদেশের অমলাপুর রুমে অনুষ্ঠিত হবে ১৫ তম জাতীয় সাব জুনিয়র এবং জুনিয়র লোক এবং বালিকাদের…
Tripura Sports: শুরু হলো সিনিয়র রেটিং দাবার আসর।
স্পোর্টস ডেস্ক, ১মে।। রাজ্য সিনিয়র রেটিং দাবা প্রতিযোগিতা শুরু হয়েছে শুক্রবার থেকে। ৫২ তম এবারের আসর হবে এনএসআরসিসির দাবা হল ঘরে। তিন দিন ব্যাপী আসরে এবার রেকর্ড সংখ্যক দাবাড়ু অংশগ্রহণ…
Tripura News: আদালতে মুখ পুড়লো জেআরবিটির। নতুন নিয়োগ তালিকা প্রকাশের নির্দেশ।
ডেস্ক রিপোর্টার, ১ মে।। ২০২৪ সালে জেআরবিটি’তে গ্রুপ সি-গ্রুপ ডি পদে নিয়োগে অসঙ্গতি অভিযোগ জানিয়ে মামলা হয় ত্রিপুরা উচ্চ আদালতে।সংশ্লিষ্ট মামলায় বৃহস্পতিবার জেআরবিটিকে কড়া আদেশ দেয় উচ্চ আদালত।গ্রুপ সি-গ্রুপ ডি…
Tripura News: পাঁচ রাজ্যের ভোট সঙ্গ হতেই মহার্ঘ্য হলো বাণিজ্যিক গ্যাস। মাথায় হাত ব্যবসায়ীদের।
সংশোধিত দামের তালিকা অনুযায়ী,শুক্রবার আগরতলায় ১৯ কেজি অর্থাৎ বাণিজ্যিক রান্নার গ্যাসের দাম বেড়ে দাঁড়াল ৩ হাজার ৫শ ৮১ টাকা ৫০ পয়সা। শুধু আগরতলা নয়, দেশের অন্যান্য বড় শহরগুলিতেও উল্লেখযোগ্যভাবে বাণিজ্যিক…
Tripura Politics: গোটা দেশ জুড়ে ঘোর সঙ্কটের মুখে পড়তে চলছে বামেরা। হাত ছাড়া হচ্ছে কেরল!
জাতীয় রাজনীতিতে যখন মেরুকরণ তীব্র, তখন কেরালার বিধানসভা নির্বাচন কি ভারতের বামপন্থীদের ভাগ্য বদলে দিতে পারে? আগরতলা থেকে দিল্লি—এই নির্বাচনী লড়াইয়ের রেশ কতটা পৌঁছাবে? এটাই এখন দেশীয় রাজনীতির আলোচনার কেন্দ্র…
দেশ
Tripura Politics: গোটা দেশ জুড়ে ঘোর সঙ্কটের মুখে পড়তে চলছে বামেরা। হাত ছাড়া হচ্ছে কেরল!
জাতীয় রাজনীতিতে যখন মেরুকরণ তীব্র, তখন কেরালার বিধানসভা নির্বাচন কি ভারতের বামপন্থীদের ভাগ্য বদলে দিতে পারে? আগরতলা থেকে দিল্লি—এই নির্বাচনী লড়াইয়ের রেশ কতটা পৌঁছাবে? এটাই এখন দেশীয় রাজনীতির আলোচনার কেন্দ্র বিন্দু।
ডেস্ক রিপোর্টার, ১ মে।।
ভারতে বর্তমানে বামপন্থীদের রাজনৈতিক অবস্থান কার্যত অস্তিত্ব রক্ষার লড়াইয়ে পরিণত হয়েছে। একসময় পশ্চিমবঙ্গ, ত্রিপুরা এবং কেরালা—এই তিন রাজ্যে শক্ত হাতে শাসন চালানো বামপন্থীরা এখন মূলত কেরালাতেই সীমাবদ্ধ।
এছাড়া সংসদীয় রাজনীতিতে লোকসভা ও রাজ্যসভায় বামপন্থীদের শক্তি আগের চেয়ে অনেক হ্রাস পেয়েছে। জাতীয় রাজনীতিতে ‘ইন্ডিয়া’ জোটের শরিক হলেও অনেক ক্ষেত্রে নিজেদের স্বতন্ত্র পরিচিতি বজায় রাখতে তারা চ্যালেঞ্জের মুখে বামপন্থীরা।তাছাড়া সাংগঠনিক অবস্থার দিকে নজর দিলে দেখা যায়। পশ্চিমবঙ্গ ও ত্রিপুরায় সংগঠন পুনর্গঠনের চেষ্টা চললেও, তরুণ প্রজন্মের কাছে পৌঁছাতে ডিজিটাল মাধ্যম ও সামাজিক ইস্যুগুলোকে হাতিয়ার করার চেষ্টা করছে বাম নেতৃত্ব।

কেরালা বিধানসভা নির্বাচন ২০২৬-এ বাম গণতান্ত্রিক ফ্রন্ট বা এলডিএফের-র জয় বা পরাজয় ভারতের রাজনীতির জন্য এক বড় বার্তা। যদি এলডিএফ টানা তৃতীয়বার ক্ষমতায় ফেরে করে অর্থাৎ হ্যাট্রিক করে, তবে তা হবে ভারতীয় বাম রাজনীতির এক ঐতিহাসিক পুনর্জন্ম। এটি প্রমাণ করবে যে জনকল্যাণমুখী মডেল দিয়ে উগ্র দক্ষিণপন্থী জাতীয়তাবাদকে রোখা সম্ভব।আর যদি কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন ইউডিএফ ক্ষমতায় ফেরে, তবে জাতীয় স্তরে বামপন্থীদের দরকষাকষির ক্ষমতা আরও কমে যাবে এবং বিরোধী জোটে তাদের প্রাসঙ্গিকতা পড়বে ঘোর সংকটে।

ত্রিপুরার বামপন্থীদের কাছে কেরালা হলো ‘আশার আলোকবর্তিকা’। কেরালায় জয় মানে ত্রিপুরার নিচুতলার কর্মীদের মধ্যে নতুন প্রাণের সঞ্চার হওয়া। এটি বার্তা দেবে যে বিজেপি-র বিরুদ্ধেও বিকল্প ধর্মনিরপেক্ষ শক্তি জয়ী হতে পারে।আর কেরালায় হারলে ত্রিপুরার বাম সংগঠন আরও রক্ষণাত্মক হয়ে পড়তে পারে এবং বিরোধী ভোট আরও বেশি বিজেপি,তিপ্রামথা বা কংগ্রেসের দিকে ঝোঁকার সম্ভাবনা তৈরি হবে। তাই ত্রিপুরার রাজনৈতিক সমীকরণে কেরালার লড়াই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ঘুরে দাঁড়াতে বামপন্থীদের কিছু নতুন কৌশল গ্রহণ করা জরুরি।প্রথমতঃ, প্রবীণ নেতৃত্বের বদলে স্বচ্ছ ভাবমূর্তির লড়াকু তরুণদের সামনে আনা। দ্বিতীয়ত,কেবল তত্ত্ব নির্ভর রাজনীতি নয়, স্থানীয় সমস্যা নিয়ে সরব হওয়া।তৃতীয়ত,অডিও-ভিজ্যুয়াল ও সোশ্যাল মিডিয়াকে ব্যবহার করে জনমানসে ইতিবাচক ভাবমূর্তি তৈরি করা।চতুর্থত,কেরালার স্বাস্থ্য ও শিক্ষা মডেলকে সারা ভারতের সামনে ‘সফল বিকল্প’ হিসেবে তুলে ধরা ইত্যাদি।

আগামী ৪ মে কেরালার রায় যা-ই হোক, ভারতের বহুত্ববাদী রাজনীতিতে বামপন্থীদের উপস্থিতি যে এক গুরুত্বপূর্ণ ভারসাম্য রক্ষা করে, তাতে কোনো সন্দেহ নেই। এখন দেখার, লাল দুর্গ কি নিজের মাটি রক্ষা করতে পারবে, নাকি দেশীয় রাজনীতির মানচিত্র থেকে আরও সংকুচিত হবে বামপন্থা?
বিদেশ
Bangladesh News: রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ উৎপাদনের পথে বাংলাদেশ।
# সমীরণ রায় #
_______________
দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় একক প্রকল্প রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র। রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন পরমাণু শক্তি কমিশন। এ প্রকল্পের আওতায় ১ হাজার ২০০ মেগাওয়াটের ২টি ইউনিট নির্মাণ করছে রাশিয়ার ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান অ্যাটমস্ট্রয় এক্সপোর্ট।
ঢাকা, ২৯ এপ্রিল।।
বাংলাদেশের পাবনার রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের চুল্লিতে পারমাণবিক জ্বালানি বা ইউরেনিয়ামের ব্যবহার শুরু হয়েছে। কড়া নিরাপত্তায় মঙ্গলবার বিকেলে এ কার্যক্রমের উদ্বোধন হয়। এর মধ্য দিয়ে পারমাণবিক শক্তি ব্যবহারকারী দেশের তালিকায় বিশ্বের ৩৩তম দেশ হলো বাংলাদেশ।
জ্বালানি প্রবেশ কার্যক্রমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিমন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম। তিনি বলেন, এদিনটি ঐতিহাসিক মুহূর্ত। নিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে প্রকল্পটির কাজ করা হয়েছে। এই দিনটি জ্বালানি লোডিংয়ের মাধ্যমে বাংলাদেশ ইতিহাসের অংশ হলো। পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের বিদ্যুৎ শুধু পাবনা নয়, দেশের অর্থসামাজিক উন্নয়নে ব্যাপক ভূমিকা রাখবে। আলোচনা শেষে অতিথিরা স্বয়ংক্রিয় সুইচ টিপে জ্বালানি লোডিং উদ্বোধন করেন। এ সময় বক্তব্য দেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিবিষয়ক উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদ, রুশ পরমাণু শক্তি করপোরেশনের (রোসাটম) মহাপরিচালক আলেক্সি লিখাচেভ। অনুষ্ঠানে ভার্চ্যুয়ালি যুক্ত হন আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থার মহাপরিচালক রাফায়েল গ্রসি।
চুল্লিপাত্রে ইউরেনিয়াম জ্বালানি বসানো হলে তা থেকে তাপ তৈরি হবে। সেই তাপে পানি থেকে বাষ্প তৈরি হয়ে টারবাইন ঘুরবে আর সেখান থেকে বিদ্যুৎ উৎপন্ন হবে। পাবনার রূপপুরে নির্মিত এ বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম ইউনিটের চুল্লিপাত্রে জ্বালানি প্রবেশ করানো শুরু হলো এদিন।

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় বলছে, বাণিজ্যিকভাবে বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরুর আগে এটি চূড়ান্ত ধাপ। ধাপে ধাপে পরীক্ষামূলকভাবে বিদ্যুতের উৎপাদন শুরু হবে। আগামী আগস্টে জাতীয় গ্রিডে ৩০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু হতে পারে।
দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় একক প্রকল্প রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র। রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন পরমাণু শক্তি কমিশন। এ প্রকল্পের আওতায় ১ হাজার ২০০ মেগাওয়াটের ২টি ইউনিট নির্মাণ করছে রাশিয়ার ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান অ্যাটমস্ট্রয় এক্সপোর্ট।
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় এবং বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশন বলছে, ২০২৩ সালের অক্টোবরে প্রকল্প এলাকায় পারমাণবিক জ্বালানি আসার পরই পারমাণবিক স্থাপনা হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে রূপপুর বিদ্যুৎকেন্দ্র। জ্বালানি বুঝে নেওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই পারমাণবিক শক্তির অধিকারী দেশের তালিকায় নাম ওঠায় বাংলাদেশ। আজ সেই শক্তির ব্যবহার শুরু হচ্ছে।
এর আগে ২০২৩ সালের ২৮ সেপ্টেম্বর আকাশপথে রাশিয়া থেকে ঢাকায় পৌঁছায় পারমাণবিক জ্বালানির প্রথম চালান। এরপর আসে আরও কয়েকটি চালান। বিশেষ নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে সড়কপথে অক্টোবরে রূপপুরে নিয়ে যাওয়া হয় জ্বালানি। এরপর এটি মজুত করে রাখা হয়েছিল রূপপুরে।


">
পরিস্থিতি নিয়ে পিকে’র টিম
“অতিথি দেব ভব”: মুখ্যমন্ত্রী">
রাত ভর হোটেলে আটক পিকে’র টিম। উত্তেজনা বাড়ছে দেশের রাজধানী দিল্লিতে।">
">
">
">
">





">
নিরাপত্তা।">