স্পোর্টস ডেস্ক, ৭মে।। ভালো খেলার প্রতিশ্রুতি দিয়ে রওনা হলো ত্রিপুরা দল। ছত্তিশগড়ের উদ্দেশ্যে। ওই রাজ্যে অনুষ্ঠিত হবে স্বামী বিবেকানন্দ অনুর্ধ-২০ ফুটবল প্রতিযোগিতা। তাতে অংশ নিতে বৃহস্পতিবার সকালে ট্রেনে রওনা হয়েছে…
স্পোর্টস ডেস্ক,৭ মে।। বালিকাদের পর বালকরাও। দ্বিতীয় স্থান পেয়েই এবছরও সন্তুষ্ট থাকতে হলো ত্রিপুরাকে। দ্বিতীয় বর্ষ পূর্বোত্তর লিটিল মাস্টার অনূর্ধ্ব-১৪ ক্রিকেটে পর্যাপ্ত প্রাধান্য নিয়ে খেলে স্বাগতিক ত্রিপুরাকে পরাজিত করে সেরার…
ডেস্ক রিপোর্টার, ৭ মে।। এই কি কাণ্ড! এসসিইআরটি প্রকাশিত রাজ্যের সপ্তম শ্রেণীর অঙ্ক বইয়ের প্রচ্ছদে রাহু – কেতুর ছবি। এসসিইআরটি- র এই সিদ্ধান্ত প্রত্যাহারের দাবি তুলছে ত্রিপুরা যুক্তিবাদী বিকাশ মঞ্চ।…
শেষ পর্যন্ত অবস্থা বেগতিক দেখে প্রসূন বোনকে সঙ্গে নিয়ে দৌঁড়ে যান এনসিসি থানায়। এবং পুলিশ বাবুদের খুলে বলে ঘটনা। তখন হাই-সিকিউরিটি জোনের দায়িত্বে থাকা খাকি উর্দি ওয়ালার হন্তে দন্তে আসেন…
রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা বলেছেন, কেলরে বামেদের কাছে এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ, সে রাজ্যে নিজেদের অবশিষ্ট আসন ধরে রাখা। এবং যে কোনো মূল্যে বিজেপি বিরোধী আসন থেকে দূরে রাখা। কেরলে বামেদের উদ্বেগের…
রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা বলেছেন, কেলরে বামেদের কাছে এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ, সে রাজ্যে নিজেদের অবশিষ্ট আসন ধরে রাখা। এবং যে কোনো মূল্যে বিজেপি বিরোধী আসন থেকে দূরে রাখা। কেরলে বামেদের উদ্বেগের বিষয় হল, সদ্য সমাপ্ত বিধানসভা নির্বাচনে ভারতীয় জনতা পার্টির ১১ শতাংশ ভোট প্রাপ্তি।একাধিক আসনে খাতাও খুলেছে ভাজপা। কেরলে বামে ভোট ব্যাঙ্ক ভেঙেই, এই ভোট বাক নিচ্ছে বিজেপির দিকে।
ডেস্ক রিপোর্টার, ৭ মে।। পাঁচ দশকে প্রথমবার। দেশীয় রাজনীতিতে ঘটলো বিরল ঘটনা। গোটা দেশে কোনও রাজ্যে রইল না বামপন্থী সরকার। কেরলে পিনারাই বিজয়নের নেতৃত্বাধীন এলডিএফ সরকারের পতনের সঙ্গে সঙ্গেই দেশে ঘটলো শেষ বামদুর্গের পতন। এমনকি কোনও রাজ্যে সরকারের জোট শরিক হিসাবেও নেই কমিউনিস্টরা।
দেশীয় রাজনীতির মানচিত্রে কেরল দিয়ে বামেদের সরকার গঠনের যাত্রা শুরু হয়েছিলো।
দেশীয় রাজনীতির মানচিত্রে কেরল দিয়ে বামেদের সরকার গঠনের যাত্রা শুরু হয়েছিলো।সালটা ১৯৫৭। প্রথমবার কেরলে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল বাম সরকার।তারপর প্রতি পাঁচ বছর অন্তর অন্তর কেরলে সরকার বদলের রীতি শুরু হয়। ব্যতিক্রম ছিল, তবে মোটের উপর এই ছিল কেরলের সরকার পরিবর্তনের রীতি।
কেরলে সরকার গঠনের দুই বছরের মধ্যেই
১৯৭৭-এ বঙ্গ সিপিএমের বিজয়রথ শুরু।
কেরলে সরকার গঠনের দুই বছরের মধ্যেই ১৯৭৭-এ বঙ্গ সিপিএমের বিজয়রথ শুরু। তারপরের বছরেই অর্থাৎ ১৯৭৮ সালে ত্রিপুরায় বাম সরকারের উত্থান। টানা দশ বছর অর্থাৎ ১৯৮৮ পর্যন্ত ক্ষমতায় ছিলো ত্রিপুরায়। পাঁচ বছর বাদে অর্থাৎ ১৯৯৩ সালে ফের ত্রিপুরার মসনদ দখল করে বামেরা। ক্ষমতায় ছিলো ২০১৮ সাল পর্যন্ত।তারপর থেকে ২০২৬ সাল পর্যন্ত কেরলে ছিলো বামেদের নির্বাচিত সরকার। একটা সময় দেশীয় রাজনীতিতে ছিলো বামেদের স্বর্ণ যোগ। বাংলা-ত্রিপুরা-কেরল তিন রাজ্যেই একসঙ্গে ক্ষমতায় ছিল বামফ্রন্ট।
বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য, বাংলার পূর্বতন বাম সরকারের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী।
২০১১ সালে বাংলায় ছন্দ পতন ঘটে বামেদের। টানা ৩৫ বছরের সরকার তৃণমূল কংগ্রেসের কাছে হেরে ভূত হয়ে যায়।
২০১১ সালে বাংলায় ছন্দ পতন ঘটে বামেদের। টানা ৩৫ বছরের সরকার তৃণমূল কংগ্রেসের কাছে হেরে ভূত হয়ে যায়। এরপর বাংলায় সময়ের সঙ্গে সঙ্গে দুর্বল থেকে দুর্বলতর হয় যায় কমিউনিস্টরা। তারপরও ত্রিপুরা ও কেরলের আকাশে উড়তো লাল ঝান্ডা। কিন্তু ২০১৮ সালে বিজেপির দমকা হাওয়াতে অপ্রত্যাশিত ভাবেই ক্ষমতার চেয়ার থেকে ছিটকে পড়ে কমিউনিস্ট সরকার।
ত্রিপুরাতেও বামেরা দুই দফায় ৩৫ বছর ক্ষমতায় ছিলো।
ত্রিপুরাতেও বামেরা দুই দফায় ৩৫ বছর ক্ষমতায় ছিলো।ত্রিপুরায় বাম সরকারের পতনের পরও কেরলে বামদুর্গের শেষ সলতে জ্বালিয়ে রেখেছিলেন কমিউনিস্ট নেতা পিনারাই বিজয়ন। ২৬- র বিধানসভা নির্বাচনে শেষ সম্বলটুকুও হারাতে হয় বামেদের। পতন ঘটে দেশের শেষ বাম দুর্গের। এই মুহূর্তে কেরলেও কার্যত নিশ্চিহ্ন হওয়ার পথে বাম।
মানিক সরকার ও পিনারাই বিজয়ন।
কেরলে বামেদের উদ্বেগের বিষয় হল, সদ্য সমাপ্ত বিধানসভা নির্বাচনে ভারতীয় জনতা পার্টির ১১ শতাংশ ভোট প্রাপ্তি।
রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা বলেছেন, কেলরে বামেদের কাছে এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ, সে রাজ্যে নিজেদের অবশিষ্ট আসন ধরে রাখা। এবং যে কোনো মূল্যে বিজেপি বিরোধী আসন থেকে দূরে রাখা। কেরলে বামেদের উদ্বেগের বিষয় হল, সদ্য সমাপ্ত বিধানসভা নির্বাচনে ভারতীয় জনতা পার্টির ১১ শতাংশ ভোট প্রাপ্তি।একাধিক আসনে খাতাও খুলেছে ভাজপা। কেরলে বামে ভোট ব্যাঙ্ক ভেঙেই, এই ভোট বাক নিচ্ছে বিজেপির দিকে।
এক সময় বাম ভোট ব্যাঙ্কের ঠিক একই হাল তৈরি হয়েছিলো বাংলার। রাজনীতিতে।আজ বাংলায় নিঃস্ব বামেরা। ক্ষমতায় বিজেপি।পরিষ্কার ভাবে বললে দেশীয় রাজনীতিতে এক সময়ের দুর্দণ্ড প্রতাপ বামেরা একেবারেই অসহায়।
পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি সরকার আসায় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাধায় ২০১১ সাল থেকে আটকে থাকা তিস্তা পানিবণ্টন চুক্তির বিষয়ে ঢাকার আশা নিয়ে এক প্রশ্নে মন্ত্রী বলেছেন, ভারতের উদ্যোগের জন্য ঢাকা বসে থাকতে চায় না।
#সমীরণ রায়#
________________
ঢাকা, ৬ মে।। “ভারতের পশ্চিমবঙ্গে ক্ষমতার পালাবদলে পুশ-ইনের ঘটনা ঘটলে বাংলাদেশ ব্যবস্থা নেবে।”- জানিয়েছেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান। মঙ্গলবার বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবনে ঢাকায় সফররত মার্কিন প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বৈঠক শেষে তিনি এ কথা বলেন। পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, তিস্তা চুক্তি পশ্চিমবঙ্গের নতুন সরকারের আমলে হবে কি না, সে সিদ্ধান্ত নেবে ভারত।জুন মাসে বন্ধু দেশ চীন বা ভারত সফরে যেতে পারেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিস্তা মহাপরিকল্পনা নিয়ে চীন সফরে আলোচনা হবে বলে জানান তিনি।পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি সরকার আসায় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাধায় ২০১১ সাল থেকে আটকে থাকা তিস্তা পানিবণ্টন চুক্তির বিষয়ে ঢাকার আশা নিয়ে এক প্রশ্নে মন্ত্রী বলেছেন, ভারতের উদ্যোগের জন্য ঢাকা বসে থাকতে চায় না। দেখুন, পশ্চিমবঙ্গে এখনও সরকার প্রতিষ্ঠিত হয়নি এবং তারা কী ভাবছেন, কী করবেন, সেটা তারা যদি না জানান, তাদের ‘মাইন্ড রিড’ করার কাজ আমার না। প্রত্যাশা থাকবে যাতে করে এই চুক্তিটা যেটা হয়েছিল তখন, বর্তমান পরিস্থিতিতে সেটা আমরা ‘কনসিডার’ করতে পারি কিনা। কিন্তু সেজন্য তো বসে থাকা চলবে না, আমাদের কাজ আমাদেরকে করতে হবে।এই সফরের উদ্দেশ্য ও তিস্তা প্রকল্প নিয়ে আলোচনা প্রসঙ্গে এক প্রশ্নে তিনি বলেন, “চীন আমাদের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এক বন্ধু দেশ, যার সঙ্গে আমাদের ‘স্ট্রাটেজিক কোঅপারেটিভ পার্টনারশিপ’ পর্যায়ে আমাদের সম্পর্ক। এবং আমাদের নতুন সরকারের তরফ থেকে এটা হচ্ছে চীনে প্রথম সফর।এছাড়া মঙ্গলবার বাংলাদেশ সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের (পিআইডি) সম্মেলন কক্ষে সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রমের অগ্রগতি নিয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার বিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান বলেন, ভারতের পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা নির্বাচনের পর বাংলাদেশ নিয়ে দেওয়া বক্তব্য রাজনৈতিক বাগাড়ম্বর (পলিটিক্যাল রেটরিক)। প্রতিবেশী পশ্চিমবঙ্গে একটা নির্বাচন হয়েছে। আমাদের কোনো অবজারভেশন আছে কিনা বা বাংলাদেশের পক্ষ থেকে কোনো বিবৃতি আছে কি না এ বিষয়ে জানতে চাইলে উপদেষ্টা বলেন, কোনো অবজারভেশন নেই। এটা ভারতের অভ্যন্তরীণ নির্বাচনে যারা জিতবেন, যেই জিতুন; প্রথম কথাটা হচ্ছে আমরা আসলে পশ্চিমবঙ্গের সঙ্গেও খুব বেশি আলাদা করে চিন্তা করতে চাই না। তিস্তা চুক্তি নিয়ে একসময় পশ্চিমবঙ্গকে আলাপে আনার চেষ্টা করা হয়েছে। দুটো রাষ্ট্রের মধ্যে যখন চুক্তি হয় আসলে এটা দুটো রাষ্ট্রের চুক্তি হবে। তো ,ভারতের অভ্যন্তরীণ রাজ্যগুলোর মধ্যে জনগণ যাদেরকে নির্বাচিত করবে। হ্যাঁ, আমরা যেহেতু আমাদের একদম প্রতিবেশী এবং আমাদের সবচেয়ে লম্বা সীমান্ত ওই রাজ্যের সঙ্গে, আমাদের এই সম্পর্ক ইন্টারঅ্যাকশন এটা কন্টিনিউ করবে।একই সঙ্গে মঙ্গলবার ঢাকার ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে জেলা প্রশাসক সম্মেলনে অংশ নিয়ে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম বলেন, ভারতের পশ্চিমবঙ্গে তৃণমূলকে হটিয়ে বিজেপি ক্ষমতায় এলেও বাংলাদেশের পররাষ্ট্র নীতিতে কোনো বদল আসবে না। ভারতের নির্বাচন ভারতের অভ্যন্তরীণ ব্যাপার। বাংলাদেশের ফরেন পলিসি অ্যাক্রস দ্য বোর্ড একই থাকবে। বাংলাদেশ ফার্স্ট নীতিতে ফরেন পলিসি। সেটা যে সরকারই আসুক না কেন, সেই সাথে আমাদের ফরেন পলিসি পরিবর্তন হবে না। আমাদের ফরেন পলিসি নিয়েই সবার সাথে আলোচনার ভিত্তিতে এগোব।