আগরতলা
অপরাধ
আইন-আদালত
সর্বশেষ খবর
West Bengal Visit PM Modi: এবারের লড়াই বাংলার আত্মাকে রক্ষা করার লড়াই: মোদী
বাংলার মানুষ যখনই ঠিক করে নেন, তখন ইতিহাস বদলে যায়। আজ ব্রিগেড দেখে সেই আত্মবিশ্বাস পাচ্ছি। এবারের ভোট সরকার বদলের নয়, বাংলার আত্মাকে বাঁচানোর। ব্যবস্থা বদলের নির্বাচন, কাটমানি থেকে, ভয়…
West Bengal Election: বাংলার মানুষ মমতার হানাদারদের ইভিএমে জবাব দেবে: পাপিয়া
ডেস্ক রিপোর্টার, ১৪ মার্চ।। কলকাতার গিরিশ পার্ক এলাকায় বিজেপির মিছিলে তৃণমূল কংগ্রেসের হামলা। বাংলার মন্ত্রী শশী পাঁজার বাড়ি থেকে বেরিয়ে বিজেপির গাড়ীতে ব্যাপক ভাঙচুর করে মমতার গুণ্ডা বাহিনী। অভিযোগ বিজেপির।সেখানে…
Tripura Politics: আগামী দিনে এডিসিতে একক ভাবে সরকার গড়বে বিজেপি: মুখ্যমন্ত্রী
ডেস্ক রিপোর্টার, ১৪ মার্চ।। আসন্ন এডিসি নির্বাচনকে সামনে রেখে চলছে ভাঙ্গা গড়ার খেলা। শনিবার ধলাইয়ের করমছড়া মন্ডলের ধুমাছড়াতে জনসভা করলেন মুখ্যমন্ত্রী ডাঃ মানিক সাহা। সভায় ৫৮৭ জন ভোটার বিভিন্ন দল…
Tripura Politics: এডিসি নির্বাচন ও উপভোটে মিত্রশক্তি কংগ্রেসকে পাতে তুলতে নারাজ সিপিআইএম।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের কথায়, রাজ্যের পাহাড়ে কংগ্রেসের সংগঠনকে দূরবীন দিয়েও দেখা যায় না। বলতে গেলে পাহাড়ে কংগ্রেস বরাবর “পরজীবী”। ১৯৮৮ সাল থেকে পাহাড়ে কখনও কংগ্রেসের বন্ধু টিইউজিএস, কখনও আইএনপিটি বা আইপিএফটি।…
Tripura News: তেলিয়ামুড়ায় যুবকের আত্মহত্যা — লেম্বুছড়া এলাকায় চাঞ্চল্য
তেলিয়ামুড়া ডেস্ক,১৪ মার্চ।। তেলিয়ামুড়া থানাধীন লেম্বুছড়া এলাকায় এক মর্মান্তিক ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। নিজ ঘরে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মঘাতী হয়েছেন ২৪ বছর বয়সী যুবক প্রণজিৎ দাস। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার…
দেশ
West Bengal Visit PM Modi: এবারের লড়াই বাংলার আত্মাকে রক্ষা করার লড়াই: মোদী
বাংলার মানুষ যখনই ঠিক করে নেন, তখন ইতিহাস বদলে যায়। আজ ব্রিগেড দেখে সেই আত্মবিশ্বাস পাচ্ছি। এবারের ভোট সরকার বদলের নয়, বাংলার আত্মাকে বাঁচানোর। ব্যবস্থা বদলের নির্বাচন, কাটমানি থেকে, ভয় থেকে মুক্তির নির্বাচন। আগত পরিবর্তনের জন্য সকলকে আগাম শুভেচ্ছা।
কলকাতা, ১৪ মার্চ।।
“এবারে বাংলার নির্বাচন কেবল সরকার বদলানোর লড়াই নয়, বরং বাংলার আত্মাকে রক্ষা করার লড়াই।” রবিবার ব্রিগেডের বিশাল জনসভা থেকে এই ভাষাতেই রাজ্যের শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেসকে বিঁধলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। বর্তমান ব্যবস্থাকে বদলে কাটমানি এবং ভয়ের রাজনীতি থেকে মুক্তির আহ্বান জানিয়ে তিনি দাবি করেন, বাংলার মানুষ যখনই পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নেন, তখনই ইতিহাস বদলে যায়।
এদিন তৃণমূল সরকারকে ‘নির্মম সরকার’ এবং ‘মহা জঙ্গলরাজ’-এর সঙ্গে তুলনা করে ব্রিগেডের সভা থেকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে তীব্র আক্রমণ করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। তিনি বলেন, ‘কেউ কেউ ভয় দেখানোর চেষ্টা করবেন, কেউ কেউ বলবেন বদল সম্ভব নয়। কিন্তু মনে রাখুন মানুষ যখন ঠিক করে নেন, তখন ঠেকানোর কেউ থাকে না। বাংলার মানুষ যখনই ঠিক করে নেন, তখন ইতিহাস বদলে যায়। আজ ব্রিগেড দেখে সেই আত্মবিশ্বাস পাচ্ছি। এবারের ভোট সরকার বদলের নয়, বাংলার আত্মাকে বাঁচানোর। ব্যবস্থা বদলের নির্বাচন, কাটমানি থেকে, ভয় থেকে মুক্তির নির্বাচন। আগত পরিবর্তনের জন্য সকলকে আগাম শুভেচ্ছা। পশ্চিমবঙ্গের জনগণের জয় হোক।’ এরপরেই তিনি রবীন্দ্র সঙ্গীত তুলে ধরে বললেন, ‘বিপদে মোরে রক্ষা কর, এ নহে মোর প্রার্থনা…।’

সংবিধান ও জাতীয় প্রতিষ্ঠান অবমাননা
প্রধানমন্ত্রী তাঁর ভাষণে বিরোধীদের সংবিধান ও জাতীয় প্রতিষ্ঠান অবমাননার বিষয়টিকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করেন। তিনি অভিযোগ করেন, ‘তৃণমূল কেবল রাষ্ট্রপতিকে অপমান করেনি, বরং আদিবাসী সমাজ এবং কোটি কোটি মহিলাকে অপমান করেছে।’ দেশের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদের গরিমা ক্ষুণ্ণ করার জন্য এই ‘নির্মম সরকার’ কঠিন সাজা পাবে বলেও তিনি হুঁশিয়ারি দেন।
প্রধানমন্ত্রী অভিযোগ করেন, বাংলার সরকার সাধারণ মানুষকে সুরক্ষিত রাখার বদলে অসুরক্ষিত করে তুলেছে। একটি বিশেষ সম্প্রদায়ের দোহাই দিয়ে হুমকি দেওয়ার প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, ‘বাংলাকে অসুরক্ষিত করেছে সরকার। এখানে খোলাখুলি ধমক দেওয়া হচ্ছে যে একটি বিশেষ সম্প্রদায় আপনাদের খতম করে দেবে। সাংবিধানের কুর্সিতে বসে এমন কথা আপনার মুখে শোভা পায় না।

ধমকানোই তৃণমূলের রাজনীতি। বাংলায় ভয়ের মহল বানিয়ে রাখা হচ্ছে, দুনিয়ার তা দেখা প্রয়োজন। এরা বলে তৃণমূলকে যে ভোট দেয় না, সেই বাঙালি-ই নয়। আমি তৃণমূলকে মনে করাচ্ছি, ওদের গুন্ডামির দিন এবার শেষ হওয়ার মুখে। তৃণমূল সরকারের যাওয়ার কাউন্টডাউন শুরু হয়ে গিয়েছে। বিজেপি সরকার তৈরি হওয়ার পরে সকলের উন্নয়ন হবে এক দিকে, অন্যদিকে সব কিছুর হিসাব হবে। তৃণমূলের গুন্ডারা যারা আপনাদের ভয় দেখায়, তাদের খারাপ দিন আসছে। আইনের শাসন হবে। অপরাধীদের একটাই জায়গা জেল… জেল।( এইচটিবি…)
বিদেশ
Bangladesh News: বাংলাদেশে সংসদের প্রথম অধিবেশন রাষ্ট্রপতির ভাষণ ঘিরে উত্তেজনা ।
বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ রাষ্ট্রপতিকে ভাষণের জন্য সংসদে আমন্ত্রণ জানালে বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নাহিদ ইসলাম কিছু বলার জন্য স্পিকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। স্পিকার মাইক না দিলে নাহিদ ইসলাম দাঁড়িয়ে বলেন, ‘কিলার ইন দা পার্লামেন্ট!’ তিনি ‘নো, নো’ বলে প্রতিবাদ জানান।
# সমীরণ রায়#
__________________
ঢাকা, ১৩ মার্চ।।
বাংলাদেশে গত ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনের পর জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের ভাষণ ঘিরে সংসদে সাময়িক উত্তেজনা তৈরি হয়। রাষ্ট্রপতির ভাষণ প্রত্যাখ্যান করে প্রায় পাঁচ মিনিট বিক্ষোভের পর সংসদে বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমানের নেতৃত্বে বিরোধী দলের সদস্যরা ওয়াকআউট করেন।
বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ রাষ্ট্রপতিকে ভাষণের জন্য সংসদে আমন্ত্রণ জানালে বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নাহিদ ইসলাম কিছু বলার জন্য স্পিকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। স্পিকার মাইক না দিলে নাহিদ ইসলাম দাঁড়িয়ে বলেন, ‘কিলার ইন দা পার্লামেন্ট!’ তিনি ‘নো, নো’ বলে প্রতিবাদ জানান। এ পর্যায়ে বিরোধীদলীয় সব সদস্য নানা বক্তব্য দিয়ে তৈরি প্ল্যাকার্ড হাতে দাঁড়িয়ে প্রতিবাদ করতে থাকেন। তখন বিরোধী দলের সদস্যদের মধ্যে শুধু জামায়াতের আমির তাঁর আসনে বসে ছিলেন। স্পিকার বিরোধীদলীয় সদস্যদের শান্ত হওয়ার আহ্বান জানান। তাঁরা বিক্ষোভ দেখাতেই থাকেন।
একপর্যায়ে এনসিপির সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ ‘কিলার চুপ্পু, বয়কট চুপ্পু’ বলে স্লোগান দেন। এই হইচইয়ের মধ্যেই রাষ্ট্রপতি সংসদে স্পিকারের আসনের পাশে আসেন। স্পিকার তাঁকে চেয়ারে বসার অনুরোধ জানান। তখনো বিক্ষোভ চলছিল। একপর্যায়ে স্পিকার রাষ্ট্রপতিকে তাঁর ভাষণ দেওয়ার অনুরোধ জানান।

রাষ্ট্রপতি ভাষণ দিতে দাঁড়ালে তখন বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমান দাঁড়িয়ে বলেন, ‘রাষ্ট্রপতি হিসেবে আপনি রাষ্ট্রের অভিভাবক ছিলেন। কিন্তু আপনি সেই অভিভাবকের দায়িত্ব পালন করতে পারেননি। আপনি ফ্যাসিবাদের দোসরের ভূমিকাপালন করেছেন। অন্য সংসদ সদস্যরা ‘গেট আউট, গেট আউট’ বলে স্লোগান দেন। এ সময় কিছু সময় রাষ্ট্রপতি নির্বাক দাঁড়িয়ে ছিলেন। বিরোধী দলের সদস্যরা ‘ফ্যাসিবাদের দালালেরা, হুঁশিয়ার সাবধান’, ‘স্বৈরাচারের দালালেরা, হুঁশিয়ার সাবধান’, ‘ফ্যাসিবাদ আর গণতন্ত্র, একসাথে চলে না’ ইত্যাদি স্লোগান দেন। এর মধ্যে রাষ্ট্রপতি তাঁর ভাষণ শুরু করেন। তখন বিরোধী দলের সদস্যরা সরকারি দলের সদস্যদের দিকে তাকিয়ে ‘লজ্জা লজ্জা’ হলে বিদ্রূপ করেন।
স্পিকার এ সময় বারবার সংসদ সদস্যদের প্রতি সংসদের শৃঙ্খলা রক্ষা করার আহ্বান। কিন্তু বিরোধীদলীয় সদস্যরা বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন। শেষে বিরোধীদলীয় উপনেতা সৈয়দ আবদুল্লাহ মুহাম্মদ তাহের ‘ওয়াকআউট’ করার ঘোষণা দিয়ে বিরোধী দলের সদস্যদের নিয়ে সংসদ কক্ষ থেকে বের হয়ে যান।

অন্যদিকে, ভাষণ চালিয়ে যেতে থাকেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। বিকেল সাড়ে চারটার দিকে রাষ্ট্রপতির ভাষণ শেষ হয়। এর পরপরই অধিবেশন ১৫ মার্চ পর্যন্ত মুলতবি ঘোষণা করেন স্পিকার। বিরোধীদলীয় সদস্যরা আর সংসদ অধিবেশনে যোগ দেননি।

পরিস্থিতি নিয়ে পিকে’র টিম
“অতিথি দেব ভব”: মুখ্যমন্ত্রী">
রাত ভর হোটেলে আটক পিকে’র টিম। উত্তেজনা বাড়ছে দেশের রাজধানী দিল্লিতে।">
">



