ডেস্ক রিপোর্টার, ১৬ মার্চ।। ভোট আসলেই কল্পতরু হয়ে যায় সরকার। এবারও তার ব্যতিক্রম ঘটলো না। আসন্ন এডিসি নির্বাচনের প্রাক লগ্নে রাজ্যের বাজেট অধিবেশনে সরকারী কর্মচারীদের জন্য ৫ শতাংশ মহার্ঘ ভাতা…
এবারের বাজেটে সাপ্লিমেন্টারি গ্র্যান্ট হিসাবে ৪৬৭৬.৮১ কোটি টাকা অনুমোদনের জন্য রাখা হয়েছে। রাজ্যের অর্থনীতিকে আরও গতিশীল করতে বাজেটে মূলধনী ব্যয়ের উপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। ২০২৬-২৭ অর্থবছরে মূলধনী ব্যয় ধরা…
*২৬- র বাংলার নির্বাচনে তৃণমূল ১৫৫ থেকে ১৭০টি আসন পাবে। *বাংলার বিরোধী দল বিজেপি পেতে পারে ১০০ থেকে ১১৫টি আসন। *কংগ্রেস – সিপিআইএম বা অন্যান্য রাজনৈতিক দল গুলির দখলে যেতে…
স্পোর্টস ডেস্ক,১৫ মার্চ।। পরাজয়ের হ্যাটট্রিক করলো সংহতি ক্লাব। পরপর তিনa ম্যাচে পরাজিত হয়ে আসরে শেষের স্থানে রয়েছে সংহতি। রবিবার সংহতি থেকে অনায়াসেই পরাজিত করে জয়ের হ্যাটট্রিক করে নিলো বিশ্বজিৎ পালের…
স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম এর সভাপতিত্বে প্রথম অধিবেশনের দ্বিতীয় দিনের বৈঠক শুরু হয়। রোববার থেকে সংসদে রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর আনিত ধন্যবাদ প্রস্তাবের ওপর আলোচনা শুরু হয়। পরে অধিবেশনের…
*২৬- র বাংলার নির্বাচনে তৃণমূল ১৫৫ থেকে ১৭০টি আসন পাবে।
*বাংলার বিরোধী দল বিজেপি পেতে
পারে ১০০ থেকে ১১৫টি আসন।
*কংগ্রেস – সিপিআইএম বা অন্যান্য রাজনৈতিক দল গুলির দখলে যেতে পারে পারে ৫ থেকে ৭টি আসন।
কলকাতা, ১৫ মার্চ।। ভোটের দিনক্ষণ ঘোষণা হতেই পশ্চিমবঙ্গের আসন্ন নির্বাচন নিয়ে সমীক্ষা সম্প্রচার করল জাতীয় স্তরের খবরের চ্যানেল ইন্ডিয়া টিভি। এই সমীক্ষাটি চালিয়েছিল ম্যাট্রিজ-আইএএনএস। জনমত সমীক্ষা অনুযায়ী, বাংলায় ফের ক্ষমতায় আসতে পারে তৃণমূল কংগ্রেসই। যদিও বিজেপি শেষ বারের তুলনায় এবার অনেকটাই ভালো ফলাফল করবে, দাবি সমীক্ষায়। পৃথক সমীক্ষা করেছে ইন্ডিয়া টু-ডে । এই সমীক্ষা অনুয়ায়ী, ২৬- র বাংলার নির্বাচনে তৃণমূল ১৫৫ থেকে ১৭০টি আসন পাবে। বাংলার বিরোধী দল বিজেপি পেতে পারে ১০০ থেকে ১১৫টি আসন। কংগ্রেস – সিপিআইএম বা অন্যান্য রাজনৈতিক দল গুলির দখলে যেতে পারে পারে ৫ থেকে ৭টি আসন।
২৬-র বাংলার বিধানসভা ভোটের তৃণমূল কংগ্রেস ৪৩ থেকে ৪৫ শতাংশ ভোট পেতে পারে।
সমীক্ষার তথ্য অনুযায়ী, ২৬- র বাংলার বিধানসভা ভোটের তৃণমূল কংগ্রেস ৪৩ থেকে ৪৫ শতাংশ ভোট পেতে পারে, আর বিজেপি পেতে পারে ৪১ থেকে ৪৩ শতাংশ ভোট। জনমত সমীক্ষা তথ্য বলছে , বাংলায় ফের একক ভাবেরসরকার গঠন করবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ে তৃণমূল কংগ্রেস। যদিও বিজেপি শেষ নির্বাচনের তুলনায় আসন বাড়বে বিজেপির। এবং এবার টিএমসির আসন সংখ্যা কমবে।
২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপি ৭৭টি আসনেই জয়ী হয়েছিল ।
নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপি ৭৭টি আসনেই জয়ী হয়েছিল । তৃণমূলের ঝুলিতে ছিলো ২১৫টি আসন। বাম, কংগ্রেস ছিল শূন্য।২০২৪ সালের লোকসভা ভোটের নিরিখে বিজেপি এগিয়ে ছিল মাত্র ৯০টি আসনে, তৃণমূল এগিয়ে ছিল ১৯২টি আসনে। এছাড়া কংগ্রেস ১১টি এবং বামেরা একটি আসনে এগিয়ে ছিল।
২০২১ সালে বাংলায় ২৯৪টি আসনে নির্বাচন হয়েছিল আট দফায়।এবার অবশ্যই ভোট মিটে যাবে মাত্র দু’দফায়।
রবিবার দেশের নির্বাচন কমিশনর সাংবাদিক বৈঠক করে জানিয়েছে, আগামী ২৩ এপ্রিল বাংলায় প্রথম দফায় ১৫২টি আসন ভোটগ্রহণ হবে। দ্বিতীয় দফায় ভোট হবে আগামী ২৯ এপ্রিল, ১৪২টি আসনে। ২০২১ সালে বাংলায় ২৯৪টি আসনে নির্বাচন হয়েছিল আট দফায়।এবার অবশ্যই ভোট মিটে যাবে মাত্র দু’দফায়। ভোটগণনা হবে আগামী ৪ মে। অধীর অপেক্ষায় বাংলার জনগণ।
স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম এর সভাপতিত্বে প্রথম অধিবেশনের দ্বিতীয় দিনের বৈঠক শুরু হয়। রোববার থেকে সংসদে রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর আনিত ধন্যবাদ প্রস্তাবের ওপর আলোচনা শুরু হয়। পরে অধিবেশনের কার্যক্রম ২৯ মার্চ বিকেল ৩টা পর্যন্ত মুলতবি ঘোষণা করেন স্পিকার।
#সমীরণ রায়# _______________
ঢাকা, ১৫ মার্চ।। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময় জারি করা ১৩৩টি অধ্যাদেশ অধিকতর যাচাই-বাছাই ও পর্যালোচনার জন্য বিশেষ সংসদীয় কমিটিতে পাঠিয়েছে জাতীয় সংসদ। রোববার সংসদ অধিবেশনে আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামানের প্রস্তাবের প্রেক্ষিতে এই অধ্যাদেশগুলো পর্যালোচনার জন্য সংসদীয় কমিটিতে পাঠানো হয়। যাচাই-বাছাই প্রক্রিয়া শেষ করে আগামী ২ এপ্রিলের মধ্যে কমিটিকে তাদের প্রতিবেদন জমা দেওয়ার জন্য নির্দেশনা দেওয়া হয়। স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম এর সভাপতিত্বে প্রথম অধিবেশনের দ্বিতীয় দিনের বৈঠক শুরু হয়। রোববার থেকে সংসদে রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর আনিত ধন্যবাদ প্রস্তাবের ওপর আলোচনা শুরু হয়। পরে অধিবেশনের কার্যক্রম ২৯ মার্চ বিকেল ৩টা পর্যন্ত মুলতবি ঘোষণা করেন স্পিকার। সংসদের হেডফোন নিয়ে জামায়াত এমপির ক্ষোভ: জাতীয় সংসদের সাউন্ড সিস্টেম ও হেডফোন নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন জামায়াতের সংসদ সদস্য শাহজাহান চৌধুরী। রোববার সংসদে অনির্ধারিত আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি বলেন, আমাদের হাউজে সাউন্ড সিস্টেম এত বড় বোঝা, মাথার ওপর দিয়ে সংসদে এক ঘণ্টা দুই ঘণ্টা বসা সবার জন্য কষ্টকর। তিনি হেডফোন দেখিয়ে স্পিকারকে বলেন, ‘এখন এতবড় বোঝা মনে হয় এটা। একটা বাজেট করেছিল, আর সেখান থেকে লুটপাট বাহিনীরা একটা বিল করে খাওয়ার জন্য এ ব্যবস্থাটা করেছেন।’ সংসদ সদস্য শাহাজাহান বলেন, আমি এর আগে আরও দু’বার সংসদে এসেছি, কিন্তু এত বড় একটা (হেডফোন দেখিয়ে) বোঝা মাথার ওপর দিয়ে এক-দুই ঘণ্টা বসা সবার জন্য কষ্টকর হচ্ছে। এটা ছাড়া যাতে করে একটা সাউন্ড সিস্টেম হয়। ১৯৯১ সালের সংসদে এটা ছাড়াই সংসদ চালিয়েছি। ২০০১ সালেও চার দলীয় সরকারের সময়েও হয়েছে। সাউন্ড সিস্টেমটা সুন্দর করার জন্য একটি সাধারণ হেডফোন দিলে আমরা শুনতে পাই। কিন্তু এতবড় বোঝার দরকার নেই। হেডফোন ছাড়াও সংসদের সাউন্ড সিস্টেমটা আধুনিকায়ন করলে খুশি হবো।