আগরতলা
অপরাধ
আইন-আদালত
সর্বশেষ খবর
Tripura News: হিন্দি সিনেমার কায়দায় বৃদ্ধার গলা থেকে সোনার চেইন ছিনতাই।
ডেস্ক রিপোর্টার, ১১ সেপ্টেম্বর।। নিরাপত্তাহীন আগরতলা। হিন্দি সিনেমার কায়দায় দিন দুপুরে যোগেন্দ্র নগর মূল সড়কে মহিলার সোনার চেইন ছিনতাই করলো দুষ্কৃতীরা। ঘটনা শুক্রবার। পুলিশ সিসি ক্যামেরার ফুটেজ সংগ্রহ করে ছিনতাইবাজদের…
Sports News: রামকৃষ্ণকে পরাজিত করে জয়ে ফিরল ফরোয়ার্ড।
স্পোর্টস ডেস্ক,১১ সেপ্টেম্বর।। জয়ে ফিরলো ফরোয়ার্ড ক্লাব। দুরন্ত খেলে পরাজিত করলো রামকৃষ্ণ ক্লাব কে। রাজ্য ফুটবল সংস্থা আয়োজিত শ্যাম সুন্দর কং জুয়েলার্স চন্দ্র মেমোরিয়াল লিগ ফুটবলে। উমাকান্ত মিনি স্টেডিয়ামে শুক্রবার…
Sports News: দাবায় ভারত জয় করে শনিবার রাজ্যে আসছে দাবাড়ু আরাধ্যা।
স্পোর্টস ডেস্ক, ১১ সেপ্টেম্বর। শহরে আসছে ভারত সেরা দাবাড়ু আরাধ্যা দাস। শনিবার বিকেল চারটার বিমানে। কলকাতা থেকে। সদ্য সমাপ্ত অনূর্ধ্ব ১৩ জাতীয় দাবায় অপরাজিতভাবে ভারত সেরা হয়েছিল পূর্বোত্তরের সর্বকনিষ্ঠ বালিকা…
Tripura News: নিয়মিতকরণের দাবিতে সরব রাজ্যে কর্মরত কমিউনিটি হেলথ অফিসাররা।
ডেস্ক রিপোর্টার,১১ সেপ্টেম্বর।।রাজ্যে প্রায় সহস্রাধিক কমিউনিটি হেলথ অফিসার কর্মরত।সংশ্লিষ্ট কমিউনিটি হেলথ অফিসারদের দাবি রয়েছে।অভিযোগ তাদের দাবির বাস্তবায়ন হচ্ছে না।তাই নিয়মিতকরণ সহ মোট ছয় দফা দাবিতে সরব রাজ্যে কর্মরত কমিউনিটি হেলথ…
Tripura News: গোটা দেশের সঙ্গে রাজ্যেও পালিত হলো ২৪ ঘণ্টার ব্যাংক ধর্মঘট ।
ডেস্ক রিপোর্টার, ১১ সেপ্টেম্বর।। ইউনাইটেড ফোরাম অফ ব্যাংক ইউনিয়নের ডাকে শুক্রবার সারা দেশজুড়ে ২৪ ঘণ্টার প্রতীকী ব্যাংক ধর্মঘট পালিত হচ্ছে। প্রায় ৬০টি সংগঠন এতে শামিল হওয়ায় দেশের অন্যান্য প্রান্তের পাশাপাশি…
দেশ
Indian Politics: ২৯- এ দিল্লিতে ইন্ডি জোট ক্ষমতায় এলে প্রধানমন্ত্রী হবেন রাহুল: বেবি।
ডেস্ক রিপোর্টার, ৭ সেপ্টেম্বর।।
২০২৯-এর লোকসভা নির্বাচন এখনও বহু দূর! কিন্তু রাজনীতির পারদ এখনই চড়তে শুরু করেছে। আর অনুঘটক? সিপিএমের শীর্ষ নেতৃত্বের এক বিস্ফোরক দাবি! ‘যদি ২০২৯ সালে কেন্দ্রে বিরোধী জোট জেতে, তবে কি প্রধানমন্ত্রীর কুর্সি দাবি করবেন রাহুল গান্ধী?’ ঠিক এই প্রশ্ন তুলে দিয়ে হঠাৎই রাজ্য রাজনীতি থেকে জাতীয় রাজনীতি—তোলপাড় ফেলে দিয়েছেন সিপিএম সাধারণ সম্পাদক এম এ বেবি।রাজ্যে ভিলেজ কমিটি নির্বাচনের ঠিক প্রাক্কালে দাঁড়িয়ে তাঁর এই মন্তব্য কি কেবলই জল্পনা, নাকি ইন্ডি জোটের ভেতরের নতুন কোনো সমীকরণ? আসুন দেখে নিই আজকের বিশেষ রিপোর্ট!
ভোটের ময়দান ত্রিপুরা কিন্তু সুর বেজে উঠল দিল্লির রাজনীতির!রাজ্যজুড়ে যখন ভিলেজ কমিটির ভোটের তোড়জোড় তুঙ্গে।ঠিক তখনই জাতীয় রাজনীতি নিয়ে বোমা ফাটালেন সিপিএম সাধারণ সম্পাদক।
কথা ছিল স্থানীয় নির্বাচন নিয়ে, কিন্তু প্রসঙ্গ ঘুরে গেল ২০২৯-এর লোকসভা ভোটে। সিপিএমের এই বর্ষীয়ান নেতা স্পষ্ট ইঙ্গিত দিলেন, আগামী লোকসভা নির্বাচনে বিজেপি-বিরোধী জোট ক্ষমতায় এলে রাহুল গান্ধীই প্রধানমন্ত্রীর পদের মূল দাবিদার হয়ে উঠতে পারেন!তবে জল্পনার আগুন উসকে দিয়েই কিছুটা কৌশলগত ভারসাম্য বজায় রাখার চেষ্টা করেছেন তিনি। এম এ বেবি এও সংযোজন করেন—প্রধানমন্ত্রী কে হবেন, সেই সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত নির্বাচনের ফলের ঠিক পরেই, আগে থেকে নয়।
কেন সিপিএমের সর্ব ভারতীয় সাধারণ সম্পাদকের এই মন্তব্য?তারমধ্যে রয়েছে ৩টি বড় প্রশ্ন।
প্রথমতঃ,ইন্ডিয়া জোটের ভবিষ্যৎ।
অর্থাৎ এই মন্তব্যের মাধ্যমে কি সিপিএম আগেভাগেই রাহুল গান্ধীকে জোটের মুখ হিসেবে মেনে নেওয়ার সলতে পাকাচ্ছে?
দ্বিতীয়তঃ আঞ্চলিক দলগুলোর অবস্থান।অর্থাৎ টিএমসি, এসপি বা আম আদমি পার্টির মতো আঞ্চলিক শরিকরা কি নির্বাচন-পূর্ব এই ‘রাহুল-কেন্দ্রিক’ ভাবনাকে সহজে মেনে নেবে?
তৃতীয়তঃটাইমিং-এর খেলা।অর্থাৎ ত্রিপুরা রাজ্যে ভিলেজ কমিটি ভোটের মুখে হঠাৎ কেন জাতীয় স্তরের প্রধানমন্ত্রীর মুখ নিয়ে এই মন্তব্য? এটা কি দলীয় কর্মীদের চাঙ্গা করার কৌশল, নাকি ভোটের হাওয়া ঘোরানোর চেষ্টা?
রাজনীতিতে কোনো কথাই ‘অকারণ’ নয়, আর এম এ বেবির মতো অভিজ্ঞ নেতার মুখ থেকে আসা এই বার্তা নিঃসন্দেহে বিরোধী শিবিরের ভেতরেও নতুন চর্চা শুরু করে দিল। রাহুল গান্ধীকে কেন্দ্র করে ২০২৯-এর এই আগাম সমীকরণ কি জোটকে শক্তিশালী করবে, নাকি নতুন বিরোধের জন্ম দেবে—সেদিকেই এখন নজর রাজনৈতিক মহলের।
বিদেশ
Bangladesh News: ভারতের সঙ্গে ১০১ চুক্তি পর্যালোচনা করছে বাংলাদেশ: চিফ হুইপ
#সমীরণ রায়#
________________
চট্টগ্রাম ও মোংলা বন্দর ব্যবহার চুক্তির আওতায় বন্ধুরাষ্ট্রের জাহাজ চলাচল এবং ওই চুক্তি বাতিলের বিষয়ে জানতে চাইলে নূরুল ইসলাম বলেন, আমরা চুক্তিগুলো, মানে সব-১০১টা এমওইউ নিয়ে আলোচনা করছি এবং সেটার ফল অনতিবিলম্বে আপনারা পাবেন।
ঢাকা ডেস্ক,১১ সেপ্টেম্বর।।
ভারতের সঙ্গে বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের করা শতাধিক সমঝোতা স্মারক (এমওইউ)–চুক্তি সরকার পর্যালোচনা করছে বলে জানিয়েছেন জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনি। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেছেন, এই পর্যালোচনার ফলাফল শিগগির আসবে।
শুক্রবার বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের মিডিয়া সেন্টারে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের তৃতীয় অধিবেশন-পরবর্তী এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে চিফ হুইপ এ কথা বলেন। গত বৃহস্পতিবার এই সংসদের তৃতীয় অধিবেশন শেষ হয়।
চট্টগ্রাম ও মোংলা বন্দর ব্যবহার চুক্তির আওতায় বন্ধুরাষ্ট্রের জাহাজ চলাচল এবং ওই চুক্তি বাতিলের বিষয়ে জানতে চাইলে নূরুল ইসলাম বলেন, আমরা চুক্তিগুলো, মানে সব-১০১টা এমওইউ নিয়ে আলোচনা করছি এবং সেটার ফল অনতিবিলম্বে আপনারা পাবেন।
বিমসটেকের চেয়ারম্যান হিসেবে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে ভারতে অনুষ্ঠেয় ব্রিকস সম্মেলনে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে বলে উল্লেখ করে চিফ হুইপ বলেন, প্রধানমন্ত্রীকে ব্যক্তিগতভাবে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি। বাংলাদেশ সব প্রতিবেশী রাষ্ট্রসহ সব দেশের সঙ্গে সম্পর্ক রাখতে চায়। তবে যেসব দেশের সঙ্গে বাংলাদেশের স্বার্থ বেশি, তাদের বেশি গুরুত্ব দেওয়া হবে। একই সঙ্গে যথাযথ মর্যাদার বিষয়টিও খেয়াল রাখা হবে।
সরকারের আর্থিক ব্যবস্থাপনা তুলে ধরে চিফ হুইপ বলেন, বিগত সরকারের (হাসিনা সরকার) রেখে যাওয়া ঋণের বিপরীতে ২০৫ কোটি ডলার গত পাঁচ মাসে পরিশোধ করা হয়েছে। এই অর্থ জনগণের করের টাকা। তাই সরকারি অর্থের অপচয় বন্ধে বর্তমান সরকার কঠোর অবস্থানে রয়েছে। সরকারি অর্থের একটি টাকাও অপচয় না করার চেষ্টা করা হচ্ছে।
দেশের বিদ্যুৎ–গ্যাসের সমস্যা নিয়ে সরকারের সমালোচনা প্রসঙ্গে নূরুল ইসলাম বলেন, নতুন বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণে দুই থেকে আড়াই বছর সময় লাগে। তাই চাইলেই দ্রুত বিদ্যুৎ উৎপাদন বাড়ানো সম্ভব নয়।
বিদ্যুৎ খাতে হাসিনা সরকারের বিভিন্ন চুক্তি ও দায়মুক্তির সমালোচনা করে তিনি বলেন, বিদ্যুৎ উৎপাদন না করেও কিছু কেন্দ্রকে ক্যাপাসিটি চার্জ দিতে হয়েছে। এতে বিপুল অর্থ ব্যয় হয়েছে। সেই সরকারের করা দায়মুক্তির বিধান বাতিল করা হয়েছে। বিদ্যুৎ ও গ্যাসের দাম নির্ধারণে নিয়ন্ত্রক সংস্থার পরিবর্তে সরকারকে সরাসরি ক্ষমতা দেওয়ার ব্যবস্থারও সমালোচনা করেন তিনি।
বাংলাদেশের সংবিধান প্রণয়নের ইতিহাস তুলে ধরে চিফ হুইপ বলেন, ১৯৭২ সালে সংবিধান প্রণয়ন করা হয়েছে। পরে বিভিন্ন সময়ে সংশোধনী আনা হয়েছে। ভারতেও সংবিধান বহুবার সংশোধন করা হয়েছে।
সংসদের তৃতীয় অধিবেশন ৯ কার্যদিবসের ছিল বলে জানান চিফ হুইপ। তিনি বলেন, এই অধিবেশনে ছয়টি বিল উত্থাপন ও পাস হয়। এ ছাড়া বিভিন্ন বিধিতে ১ হাজার ৬৭৮টি প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হয়। প্রধানমন্ত্রী নিজে ১৫টি প্রশ্নের উত্তর দিয়েছেন।
এ অধিবেশনে জাতীয় মানবাধিকার কমিশন এবং গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার বিল পাস হয়েছে উল্লেখ করে নূরুল ইসলাম বলেন, বিলগুলো তৈরির আগে বিভিন্ন অংশীজন, আইনজীবী, বিচারসংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও সাংবাদিকদের মতামত নেওয়া হয়। ১৬ জন রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে আলোচনা করে তাদেরও পরামর্শ নেওয়া হয়। অধ্যাদেশে শাস্তির ক্ষেত্রে যে সীমা ছিল, পাস হওয়া বিলে তা আরও কঠোর করা হয়েছে। এমনকি মৃত্যুদণ্ডের বিধানও রাখা হয়েছে।





