স্পোর্টস ডেস্ক, ৯ মার্চ।। হোয়াইট ওয়াশ এর পথে ত্রিপুরা। টানা চার ম্যাচে পরাজিত হয়ে। গ্রুপের শেষ ম্যাচে বুধবার ত্রিপুরা খেলবে ঝাড়খণ্ডের বিরুদ্ধে। ওই ম্যাচের পর নির্ধারিত হবে কোন দল আগামী…
কৈলাসহর ডেস্ক, ৯মার্চ।। রাজ্যে ফের ন্যাক্কার জনক ঘটনা। সালিশি সভায় আক্রান্ত হলো নবম শ্রেণীর ছাত্র। অবশ্যই দুষ্কৃতীদের হামলা থেকে রেহায় পান নি ছাত্রের মা । আক্রান্তরা হলো আব্দুল মুতলিব। তার…
স্পোর্টস ডেস্ক, ৯ মার্চ।। উদ্বোধনী ম্যাচে জম্পুইজলার সুধন্য দেববর্মা (এস ডি এম) স্কুল ফুটবল কোচিং সেন্টার খেলবে বিশালগড়ের আনন্দধারা প্লে সেন্টারের বিরুদ্ধে। ২৫ মার্চ হবে আসরের উদ্বোধন। রাজ্য ফুটবল সংস্থা…
সেটা আমরা এখনো কিছু বলতে পারছি না। এটা অন্য একটা দেশের আদালতের ব্যাপার। মাত্র এই ঘটনা ঘটেছে। আমরা কূটনীতির মাধ্যমে চেষ্টা করছি কনস্যুলার অ্যাকসেস পেতে। আমাদের নিয়ম মানতে হবে এবং…
ধর্মনগর কেন্দ্রের বিজেপি বিধায়ক তথা রাজ্য বিধানসভার অধ্যক্ষ বিশ্ববন্ধু সেন প্রয়াত হওয়াতে এই কেন্দ্রে উপ নির্বাচনের আবহ তৈরি হয়েছে। ধর্মনগর কেন্দ্রের উপ নির্বাচনে বামফ্রন্টের পক্ষে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন প্রাক্তন বিধায়ক অমিতাভ…
কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ বলেন, এই দেশে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর যে অধিকার, সংশ্লিষ্ট তিন দেশ থেকে আসা শরণার্থীদেরও একই অধিকার ভরতে। রাজনীতির জন্য তাদেরকে স্বাধীনতার পর থেকে নাগরিকত্ব থেকে বঞ্চিত রাখা হয়েছিলো। বিভিন্ন সময়ে হিন্দু, বৌদ্ধ, জৈন, শিখ সম্প্রদায়ের লোকজন ভারতে এসেছেন । কারণ এই ভারত ভূ – খন্ড তাদেরও।
ডেস্ক রিপোর্টার, ৭ মার্চ।। “বাংলাদেশ – পাকিস্তান – আফগানিস্তান থেকে আসা শরণার্থীরা ভারতীয় নাগরিক। দেশের ভাগের পর তারা কংগ্রেসের রাজনীতির বলি হয়েছেন।” – বক্তা দেশের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী অমিত শাহ। শনিবার উত্তরাখণ্ড সফরে এসে একথা বলেছেন তিনি।মোদী সরকারের সিএএ-র মাধ্যমে পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের ১৬২ জনকে উত্তরাখণ্ডের হরিদ্বারে নাগরিকত্ব প্রদান অনুষ্ঠানে দিতে অমিত শাহ এসেছিলেন উত্তরাখণ্ডে।
শরণার্থীদের নাগরিকত্ব প্রদান।
প্রত্যেকে শরণার্থীই ভারতের নাগরিক।
কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ স্পষ্ট করেই বলেছেন, বাংলাদেশ, পাকিস্তান ও আফগানিস্তান থেকে বিভিন্ন সময়ে শরণার্থীরা এ দেশে এসেছেন। নিজেদের ধর্ম রক্ষা, মা, বোনের সম্মান বাঁচাতে প্রাণ হাতে নিয়ে তারা এসেছেন ভারতেই।কিন্তু তারা প্রত্যেকেই ভারতের নাগরিক। দেশ ভাগের পর রাজনীতির কারণে এই সমস্ত লোকজনকে সংশ্লিষ্ট দেশগুলিতে পড়ে থাকতে হয়েছে। তাদেরকে বিদেশী বলে আখ্যা দেওয়া হয়েছে। এটা ঠিক নয়। রাজনীতির কায়েমী স্বার্থের জন্য দেশের লোকজনকে পিঠে বিদেশীর তকমা লাগাতে হয়েছিল। শেষ পর্যন্ত তারা নিপীড়ন সহ্য করতে না পেরে চলে এসেছেন ভারতে।কারণ ভারতই হলো তাদের ” রুট”।
বিভিন্ন সময়ে হিন্দু, বৌদ্ধ, জৈন, শিখ সম্প্রদায়ের লোকজন ভারতে এসেছেন । কারণ এই ভারত ভূ – খন্ড তাদেরও।
কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ বলেন, এই দেশে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর যে অধিকার, সংশ্লিষ্ট তিন দেশ থেকে আসা শরণার্থীদেরও একই অধিকার ভরতে। রাজনীতির জন্য তাদেরকে স্বাধীনতার পর থেকে নাগরিকত্ব থেকে বঞ্চিত রাখা হয়েছিলো। বিভিন্ন সময়ে হিন্দু, বৌদ্ধ, জৈন, শিখ সম্প্রদায়ের লোকজন ভারতে এসেছেন । কারণ এই ভারত ভূ – খন্ড তাদেরও।
রাহুল বাবা তুমি চিৎকার করতে থাকো। কোনো কাজ হবে না। নরেন্দ্র মোদী সরকার শরণার্থীদের নাগরিকত্ব দেবেই।
সংশ্লিষ্ট তিন দেশ থেকে আসা শরণার্থীদের সিএএর মাধ্যমে নাগরিকত্ব দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে মোদী সরকার। সরকার নিজের সিদ্ধান্তে অটল। কংগ্রেস সাংসদ রাহুল গান্ধীকে কটাক্ষ করে অমিত শাহ বলেন, ” রাহুল বাবা তুমি চিৎকার করতে থাকো। কোনো কাজ হবে না। নরেন্দ্র মোদী সরকার শরণার্থীদের নাগরিকত্ব দেবেই। কেউ আটকাতে পারবে না।
সেটা আমরা এখনো কিছু বলতে পারছি না। এটা অন্য একটা দেশের আদালতের ব্যাপার। মাত্র এই ঘটনা ঘটেছে। আমরা কূটনীতির মাধ্যমে চেষ্টা করছি কনস্যুলার অ্যাকসেস পেতে। আমাদের নিয়ম মানতে হবে এবং সেটাই আমরা করছি। আমাদের অপেক্ষা করতে হবে। তারা পরবর্তীতে কী পদক্ষেপ নেয় সে পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে। – শামা ওবায়েদ
#সমীরণ রায়# _______________
ঢাকা,৯ মার্চ।। পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ জানিয়েছেন, ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শহীদ শরিফ ওসমান বিন হাদি হত্যাকাণ্ডের প্রধান আসামি ফয়সাল করিম মাসুদ ও তার সহযোগী আলমগীর হোসেনের সঙ্গে সাক্ষাতের জন্য আবেদন (কনস্যুলার অ্যাকসেস চাওয়া) করা হয়েছে। সোমবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে প্রতিমন্ত্রী এ তথ্য জানান। পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, গত রোববার আমরা জানতে পেরেছি, ভারতের কলকাতায় পুলিশ দুজন ব্যক্তিকে হাদি হত্যাকাণ্ডের সন্দেহভাজন হিসেবে আটক করেছে। তাদের সম্ভবত ১৪ দিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়েছে। ইতোমধ্যে কলকাতার উপ-হাইককমিশন যোগাযোগ করেছে, ভারতের কাছ থেকে কনস্যুলার অ্যাকসেস আমরা চেয়েছি। প্রতিমন্ত্রী বলেন, আমাদের কাছে যে তথ্য সেটা এখনো যথেষ্ট নয়। সম্পূর্ণ তথ্য পাওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে। আমরা ভারতের কাছে তা পাওয়া মাত্রই সামনের দিকে এগোতে পারব। অবশ্যই ভারতের সঙ্গে আমাদের বন্দি বিনিময় চুক্তি আছে, যদি এই আসামিরা শনাক্ত হয়, হাদি হত্যাকাণ্ডের বিচার আমরা সবাই চাই। হত্যাকারীদের কত দ্রুত ফিরিয়ে আনা যেতে পারে—এমন প্রশ্নে প্রতিমন্ত্রী বলেন, সেটা আমরা এখনো কিছু বলতে পারছি না। এটা অন্য একটা দেশের আদালতের ব্যাপার। মাত্র এই ঘটনা ঘটেছে। আমরা কূটনীতির মাধ্যমে চেষ্টা করছি কনস্যুলার অ্যাকসেস পেতে। আমাদের নিয়ম মানতে হবে এবং সেটাই আমরা করছি। আমাদের অপেক্ষা করতে হবে। তারা পরবর্তীতে কী পদক্ষেপ নেয় সে পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে। আমরা আশা করছি যে, ভারত আমাদের সে ব্যাপারে সহযোগিতা করবে। কনস্যুলার অ্যাকসেস পাওয়ার পর পরিচয় শনাক্ত করতে পারলে এবং সত্যতা যাচাই করলে আমরা পরবর্তী পদক্ষেপ নিতে পারব। ভারত সরকারের সঙ্গে এ নিয়ে যোগাযোগ হয়েছে কিনা—জানতে চাইলে শামা ওবায়েদ বলেন, কলকাতা উপ-হাইককমিশন থেকে যোগাযোগ করেছে, সেভাবেই যোগাযোগ হচ্ছে। এখনো কোনো উত্তর পাইনি। আমরা সেটার জন্য অপেক্ষা করছি।