আগরতলা
রাজনীতি
আইন-আদালত
সর্বশেষ খবর
Tripura News: গভীর রাতে মনীষা রুমের দরজায় হোস্টেলের লোকজন এলো কেন? উত্তর দেবে কে?
ডেস্ক রিপোর্টার, ১১ জুন।। মলয় পিঠের শান্তিনিকেতন মেডিক্যাল কলেজের “প্রেতছায়া” কাটাতে ময়দানে অবতীর্ণ আমতলির পুলিশ! আমতলির এসডিপিও পারমিতা পান্ডের ব্যাখ্যা, ” প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের ধারণা মনীষা দাস আত্মহত্যা করেছে।” এসডিপিও…
Tripura News: কলকাতার আরজি করের প্রেতছায়া, মলয় পিঠের শান্তি নিকেতনে। উদ্ধার তরুণীর ঝুলন্ত লা*শ।
মনীষার এক নিকট আত্মীয়র বক্তব্য, মনীষাকে পরিকল্পিত ভাবে খুন করা হয়েছে। ফ্যানে ঝুলতে হলে প্রয়োজন হয় চেয়ারের। কিন্তু পায়ের নিচে কোনো চেয়ার ছিলো না। তার পা ছিলো খাটের সঙ্গে লাগানো।…
Big Big Breaking News: মলয় পিঠের শান্তিনিকেতন মেডিকেল কলেজ থেকে উদ্ধার তরুণীর লা*শ। ধ*র্ষ*ণের পর খু*ন! তদন্তে পুলিশ।
ডেস্ক রিপোর্টার, ১১ জুন।। আর জি করের পুনরাবৃত্তি রাজ্যে !মলয় পিঠের শান্তিনিকেতন মেডিকেল কলেজ থেকে উদ্ধার তরুণীর লাশ। হাসপাতালেই কর্মরত ছিলো ঐ তরুণী। নাম মনীষা দাস (২২)। বাড়ি মধুবন। সে…
Indian Politics: জাতীয় পর্যায়ে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার গুরুত্বপূর্ণ উপলব্ধি করছে দেশের মানুষ: মোদী
ডেস্ক রিপোর্টার, ১০ জুন।। দিল্লিতে অনুষ্ঠিত এনডিএ নেতাদের সভায় ভাষণ দিতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বলেন, “দেশের মানুষ জাতীয় পর্যায়ে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার গুরুত্ব উপলব্ধি করেছেন। এটি জনগণের, অর্থাৎ , সার্বভৌমত্বের…
Tripura News: খোয়াই ও কল্যাণপুরে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর বন্দনা ।
খোয়াই ডেস্ক, ১০ জুন।। ভারতের ইতিহাসে নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রীদের মধ্যে একাদিক্রমে দীর্ঘতম সময় ধরে দায়িত্ব পালন করার এক অভূতপূর্ব নজির গড়লেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। দেশের শাসনভার গ্রহণের পর টানা ৪৩৯৯ দিন…
দেশ
Indian Politics: জাতীয় পর্যায়ে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার গুরুত্বপূর্ণ উপলব্ধি করছে দেশের মানুষ: মোদী
ডেস্ক রিপোর্টার, ১০ জুন।।
দিল্লিতে অনুষ্ঠিত এনডিএ নেতাদের সভায় ভাষণ দিতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বলেন, “দেশের মানুষ জাতীয় পর্যায়ে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার গুরুত্ব উপলব্ধি করেছেন। এটি জনগণের, অর্থাৎ , সার্বভৌমত্বের পরিপক্কতারই প্রমাণ যে তাঁরা আমাকে এত দীর্ঘ সময় ধরে তাঁদের সেবা করার সুযোগ দিয়েছেন। বুধবারের সভায় মোদী বলেন, ২০১৪ সালের পূর্ববর্তী দশকগুলো ছিল ব্যাপক অস্থিতিশীলতা ও অস্থিরতায় পূর্ণ, যার ফলে দেশকে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয়েছে। তবে, জনগণ এখন একটি স্থিতিশীল সরকারের কর্মকাণ্ড প্রত্যক্ষ করছেন এবং এর সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষমতার প্রশংসা করছেন। আজ আমি এই দেশের মহান জনগণের প্রতি শ্রদ্ধা জানাই এবং তাঁদের প্রতি আমার কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করি। ২০১৪ সালে যখন এনডিএ জয়ী হয়েছিল, তখন আমি মন্তব্য করেছিলাম যে দেশের সাধারণ নাগরিকদের জন্য এক নতুন আশার উদয় হয়েছে। এই লালন করা এবং টিকিয়ে রাখা আমাদের সম্মিলিত দায়িত্ব।”
বিদেশ
India – Bangladesh Relationship:
“পুশ ইন’ নয়, কূটনৈতিক প্রক্রিয়া মেনে চলুন”-ভারতকে বার্তা বাংলাদেশের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর।
পুশ ইন নিয়ে কয়েক দিন ধরেই বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তে উত্তেজনা বিরাজ করছে। বিজিবি ও স্থানীয়দের বাধার মুখে অনেককে ফেরত নিয়েছে বিএসএফ। এর মধ্যে শূন্যরেখায় আটকে থাকা লোকজন নিয়ে কিছু সময়ের জন্য মানবেতর পরিস্থিতিও সৃষ্টি হয়েছে।
#সমীরণ রায়#
_______________
ঢাকা ডেস্ক,৯ জুন।।
ভারত থেকে যেভাবে লোকজনকে ঠেলে পাঠানো হচ্ছে তা একেবারে গ্রহণযোগ্য নয় মন্তব্য করে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম বলেছেন, অবৈধ কেউ থেকে থাকলে তাদের পুশ ইন’ নয়, কূটনৈতিক প্রক্রিয়া মেনে চলুন।
সোমবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে এক প্রশ্নে তিনি বলেছেন, যত রকম ডিপ্লোম্যাটিক নর্ম আছে, সেটা আমরা ফলো করছি। আমরা রেগুলারলি তাদেরকে যখনই পুশ ইনের ঘটনা আমাদের কানে আসছে বা আমরা দেখছি, রিপোর্টিং হচ্ছে, আমরা কিন্তু তাদেরকে চিঠি দিচ্ছি। আমরা আশা করব যে, ভারত সরকার, এটা তারা সিরিয়াসলি নেবে এবং যথাযথ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে যথাযথ মেকানিজম এবং ডিপ্লোম্যাসির মাধ্যমে আমাদের এই কাজটি তারা সমাধান করবে। অবৈধ হয়ে পড়া বা কারাবন্দিদের ফেরত পাঠানোর ক্ষেত্রে কূটনৈতিক চ্যানেল মানার আহ্বান জানান শামা ওবায়েদ।
দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কন্নোয়নের স্বার্থেই তা মানা উচিত মন্তব্য করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, কোনোভাবেই এই পুশ ইনের মাধ্যমে যদি তারা করে, তাহলে অবশ্যই সেটা আমাদের জন্য ভালো হবে না। সেটা আমাদের ভারত এবং বাংলাদেশ সম্পর্ক, যেটা আমরা বলি যে, নতুন উচ্চতায় ওঠার চেষ্টা হচ্ছে এবং উনারাও একটা প্যারাডাইম শিফটের কথা বলেন; সে প্যারাডাইম শিফটটা যদি হতে হয়, তাহলে এই কাজগুলা যেই ডিপ্লোম্যাসি আছে, যে বিদ্যমান প্রক্রিয়া আছে, সে প্রক্রিয়াটাই আমাদের দুই দেশে অবলম্বন করা উচিত।
পুশ ইন নিয়ে কয়েক দিন ধরেই বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তে উত্তেজনা বিরাজ করছে। বিজিবি ও স্থানীয়দের বাধার মুখে অনেককে ফেরত নিয়েছে বিএসএফ। এর মধ্যে শূন্যরেখায় আটকে থাকা লোকজন নিয়ে কিছু সময়ের জন্য মানবেতর পরিস্থিতিও সৃষ্টি হয়েছে।
লোকজনকে ঠেলে পাঠানোর প্রবণতাকে যে বাংলাদেশ ভালোভাবে নিচ্ছে না তা তুলে ধরে শামা ওবায়েদ বলেন, পুশ ইনের কথা আমরা শুনতে পাচ্ছি, যেটা হচ্ছে। সবচেয়ে বড় কথা বিজিবি, আমাদের বর্ডার গার্ড খুবই শক্তভাবে এটা রেজিস্ট করছে এবং কোনোভাবেই পুশ ইনকে আমরা অ্যালাও করছি না। বাংলাদেশ আর ভারতের মধ্যে একটি ব্যবস্থা আছে, একটা মেকানিজম আছে। এবং সব দেশের সাথে সেই মেকানিজমটা থাকে যে—যখন আমাদের কোনো নাগরিক ইলিগ্যালি কোনো দেশে যায়, নাগরিকত্ব যাচাই-বাছাই করে তাকে ফেরত আনার একটা প্রক্রিয়া আছে, একটা মেকানিজম আছে। যেটা বাংলাদেশও ফলো করে বাংলাদেশের জায়গা থেকে, ভারত ফলো করে ভারতের জায়গা থেকে। সেই মেকানিজমটা ফলো না করে যদি এই পুশ ইন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে কাউকে ঠেলে দেওয়া হয়, সেটা কিন্তু একেবারে গ্রহণযোগ্য না।
ভারতের সঙ্গে এ বিষয়ে যোগাযোগের কথা তুলে ধরে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ইতোমধ্যে আমরা ১২ থেকে ১৩টা চিঠি দিয়েছি দিল্লিতে; ভারতকে চিঠি দেওয়া হয়েছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে। এবং বিজিবি সজাগ আছে এবং কোনোভাবে এটা আমরা অ্যালাও করছি না।
সম্প্রতি ভারতের চেন্নাই থেকে কূটনৈতিক চ্যানেলের মাধ্যমে ৩৪ জনকে ফিরিয়ে আনার উদাহরণ টেনে শামা ওবায়েদ বলেন, এ রকম বাংলাদেশে যদি ভারতীয় কোনো ইলিগ্যাল সিটিজেন থাকে বা ভারতে যদি বাংলাদেশের কোনো ইলিগ্যাল সিটিজেন থাকে, তাদেরকে ফেরত আনার বা আমাদের ভারতীয়দেরকে ফেরত দেওয়ার একটি মেকানিজম বিদ্যমান আছে। সেই বিদ্যমান মেকানিজমটা, ডিপ্লোম্যাসিটা অবলম্বন করেই ভারতকে আমাদের সাথে কাজ করতে হবে, কথা বলতে হবে। বাংলাদেশও সেটা করবে।এখন পর্যন্ত ভারত সরকারকে দেওয়া ১২-১৩টি চিঠির কোনোটিরই উত্তর না আসার কথাও বলেছেন শামা ওবায়েদ।
পুশ ইনের ঘটনা দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক ‘পুনরুদ্ধার চেষ্টাকে’ ব্যাহত করতে পারে কি না, এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, “এভরি ইভেন্ট, এভরি কেস ইজ ডিফ্রেন্ট। একটার সাথে আরেকটা জড়িত না। কিন্তু এই ঘটনাটা যদি বর্ডারে ঘটে, ভারতের সরকার যদি এটা সিরিয়াসলি নেয়, তাহলে আমাদের জন্য সম্পর্কটা এগিয়ে নিয়ে যাওয়া অনেক সহজ হবে।



