আগরতলা
আইন-আদালত
সর্বশেষ খবর
Bangladesh News: আরও বেশি আশাবাদী হয়ে বাংলাদেশ ত্যাগ করছি: প্রণয় ভার্মা
প্রণয় ভার্মা আরও বলেন, বাংলাদেশে কাজ করতে গিয়ে আমি উপলব্ধি করেছি যে, আমাদের সম্পর্কগুলো কতটা বিশেষ ও অনন্য। এক স্তরে, আমরা অভিন্ন ভূগোল, ইতিহাস, ভাষা ও ঐতিহ্যের মাধ্যমে সংযুক্ত। অন্য…
Karnatak Congress: মুখ্যমন্ত্রীর চেয়ার নিয়ে অগ্নিগর্ভ কর্ণাটক কংগ্রেস।
আগামী ২৬ মে কর্নাটকের বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী সিদ্দারামাইয়াকে দিল্লিতে ডেকে পাঠিয়েছে কংগ্রেস হাইকমান্ড।দিল্লিতে শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে সিদ্দারামাইয়ার এই বৈঠকটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হতে চলেছে। ধারণা করা হচ্ছে, এই ‘হাইভোল্টেজ’ বৈঠকেই মুখ্যমন্ত্রী পদের…
Tripura Health Service: জলমগ্ন রাজ্যের প্রধান রেফারেল হাসপাতালের ট্রমা সেন্টার!
ডেস্ক রিপোর্টার, ২৫ মে।। রাজ্যের প্রধান চিকিৎসা কেন্দ্র জিবিপি হাসপাতালের ট্রমা সেন্টারে সামান্য বৃষ্টিতেই বেহাল দশা প্রকাশ্যে এল। টানা ভারী বর্ষণের জেরে ট্রমা সেন্টারের ভেতরে এক প্রকার জলমগ্ন পরিস্থিতির সৃষ্টি…
Tripura News: ফের সত্যের দৃষ্টান্ত “জনতার মশাল”- র। ধৃত তেলিয়ামুড়া থানার চার পুলিশ কর্মী। সাময়িক বরখাস্ত।
গ্রেপ্তার কৃত চারজন’কে সোমবারই খোয়াই জেলা আদালতে হাজির করেছে ক্রাইম ব্রাঞ্চ। তদন্তের দায়িত্বে রয়েছেন ক্রাইম ব্রাঞ্চে এন্টি নারকোটিক্স বিভাগের ইন্সপেক্টর রঘুলাল। এই মামলা সুপারভিসনের দায়িত্বে নারকোটিক্স বিভাগের ডি.এস.পি পৌষধন রূপিনী।ধৃতদের…
Tripura News: ছাত্র র্যা*গিং- র আতুর ঘর টেকনো ইন্ডিয়া ইউনিভার্সিটি! সত্য প্রমাণিত হলো মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্য।
আমাদের প্রতিবেদনের সঙ্গে সেটে দেওয়া ছবিতে স্পষ্ট দেখা যাচ্ছে, ইউনিভার্সিটিতে সংঘটিত র্যাগিং সংক্রান্ত একটি বিষয় নিয়ে কর্তৃপক্ষের সঙ্গে ছাত্রদের তর্ক বিতর্কে জড়িয়ে যেতে। অর্থাৎ এই ছবি থেকে স্পষ্ট টেকনো ইন্ডিয়া…
দেশ
Karnatak Congress: মুখ্যমন্ত্রীর চেয়ার নিয়ে অগ্নিগর্ভ কর্ণাটক কংগ্রেস।
আগামী ২৬ মে কর্নাটকের বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী সিদ্দারামাইয়াকে দিল্লিতে ডেকে পাঠিয়েছে কংগ্রেস হাইকমান্ড।দিল্লিতে শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে সিদ্দারামাইয়ার এই বৈঠকটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হতে চলেছে। ধারণা করা হচ্ছে, এই ‘হাইভোল্টেজ’ বৈঠকেই মুখ্যমন্ত্রী পদের রদবদল বা ক্ষমতার সমীকরণ নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে।
ডেস্ক রিপোর্টার ,২৫ মে ।।
গোষ্ঠী কোন্দল যেন কংগ্রেসের ভূষণ। কর্নাটকের রাজনীতিতে বেশ কিছুদিন ধরেই যে চাপা উত্তেজনা চলছিল, তা এবার চূড়ান্ত রূপ নিতে চলেছে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।
আগামী ২৬ মে কর্নাটকের বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী সিদ্দারামাইয়াকে দিল্লিতে ডেকে পাঠিয়েছে কংগ্রেস হাইকমান্ড।দিল্লিতে শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে সিদ্দারামাইয়ার এই বৈঠকটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হতে চলেছে। ধারণা করা হচ্ছে, এই ‘হাইভোল্টেজ’ বৈঠকেই মুখ্যমন্ত্রী পদের রদবদল বা ক্ষমতার সমীকরণ নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে।
এদিকে এই খবরের রেশ কাটতে না কাটতেই কর্নাটকের বিভিন্ন প্রান্তে উপমুখ্যমন্ত্রী ডি.কে. শিবকুমারের সমর্থনে পোস্টার পড়তে শুরু করেছে। তাঁর অনুগামীরা তাঁকে পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে দেখতে চেয়ে ইতিমধ্যেই চাপ তৈরি করা শুরু করে দিয়েছে।
কর্নাটকে কংগ্রেস ক্ষমতায় আসার পর থেকেই সিদ্দারামাইয়া এবং ডি.কে. শিবকুমারের মধ্যে আড়াই বছর করে মুখ্যমন্ত্রী পদের মেয়াদ ভাগ করে নেওয়ার অর্থাৎ Power-sharing formula সংক্রান্ত একটি জল্পনা শুরু হয়েছিলো রাজনৈতিক মহলে। মঙ্গলবার কংগ্রেস হাই কমান্ডের বৈঠকটি সেই জল্পনাতেই সিলমোহর দেয়, নাকি অন্য কোনো নাটকীয় মোড় আনে, এখন সেটাই দেখার।
বিদেশ
Bangladesh News: আরও বেশি আশাবাদী হয়ে বাংলাদেশ ত্যাগ করছি: প্রণয় ভার্মা
প্রণয় ভার্মা আরও বলেন, বাংলাদেশে কাজ করতে গিয়ে আমি উপলব্ধি করেছি যে, আমাদের সম্পর্কগুলো কতটা বিশেষ ও অনন্য। এক স্তরে, আমরা অভিন্ন ভূগোল, ইতিহাস, ভাষা ও ঐতিহ্যের মাধ্যমে সংযুক্ত। অন্য দিকে, আমাদের মধ্যে এমন এক সাংস্কৃতিক ঘনিষ্ঠতা ও সহমর্মিতা রয়েছে, যা অন্য যেকোনো দুটি সমাজের মধ্যে বিরল।
#সমীরণ রায়#
________________
ঢাকা ডেস্ক, ২৫ মে।।
বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মা বলেছেন, দুই দেশের ভবিষ্যৎ নিয়ে আমি আরও বেশি আশাবাদী হয়ে বাংলাদেশ ত্যাগ করছি।রোববার ভারতের হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মা এক বিদায়ী বার্তায় একথা বলেন।
তিনি বলেন, বাংলাদেশ ছেড়ে বেলজিয়াম ও ইউরোপীয় ইউনিয়নে ভারতের রাষ্ট্রদূত হিসেবে আমার পরবর্তী দায়িত্বে যোগদানের প্রাক্কালে আমার মনে অনেকগুলি ভাবনার সমাগম ঘটেছে। আমরা প্রায় চার বছর ধরে ঢাকায় অবস্থান করেছি, যা প্রচলিত তিন বছর মেয়াদকালের চেয়ে দীর্ঘ। এই সময়কালে আমরা একাধিক পরিবর্তন প্রত্যক্ষ করেছি, যার প্রত্যেকটি একে অপরের থেকে পৃথক। প্রতিটিরই রয়েছে নতুন একদল করে অংশীজন, যাদের ভারতের সাথে সম্পর্কের বিষয়ে রয়েছে নিজস্ব দৃষ্টিভঙ্গি।
কখনও কখনও এটি ছিল বন্ধুর। কিন্তু পেছনে ফিরে তাকালে মনে হয়, এটি অত্যন্ত সমৃদ্ধ ও ফলপ্রসূ একটি অভিজ্ঞতাও ছিল। আমি ও আমার স্ত্রী মনু এখান থেকে অনেক অবিস্মরণীয় স্মৃতি সঙ্গে নিয়ে যাব। অনেক মানুষ অসাধারণভাবে আমাদের জীবনকে স্পর্শ করেছেন, গড়ে তুলেছেন এমন বন্ধুত্বের বন্ধন, যা কূটনীতিবিদ হিসেবে এই দেশের সাথে সংযোগের পরিসর অতিক্রম করে অনেক বেশি স্থায়ী হবে।”
প্রণয় ভার্মা আরও বলেন, বাংলাদেশে কাজ করতে গিয়ে আমি উপলব্ধি করেছি যে, আমাদের সম্পর্কগুলো কতটা বিশেষ ও অনন্য। এক স্তরে, আমরা অভিন্ন ভূগোল, ইতিহাস, ভাষা ও ঐতিহ্যের মাধ্যমে সংযুক্ত। অন্য দিকে, আমাদের মধ্যে এমন এক সাংস্কৃতিক ঘনিষ্ঠতা ও সহমর্মিতা রয়েছে, যা অন্য যেকোনো দুটি সমাজের মধ্যে বিরল। আরও গভীর পর্যায়ে, ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে আমাদের সম্মিলিত আত্মত্যাগের মাধ্যমে আমরা আবেগের বন্ধনে আবদ্ধ। আমাদের সম্পর্কটি তাৎপর্যপূর্ণ পারস্পরিক নির্ভরশীলতা ও আন্তঃসংযোগের। একটি সমৃদ্ধ বাংলাদেশ যেমন ভারতের জন্য কাম্য, তেমনই একটি সমৃদ্ধ ভারতও বাংলাদেশের জন্য কাম্য।
ভারতীয় হাইকমিশনার বলেন, “আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি যে, আমাদের সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও আবেগগত সংযোগের এই বাস্তবতা এবং পারস্পরিক নির্ভরশীলতা ও পারস্পরিক কল্যাণের এই যুক্তিই আমাদের সম্পর্কটিকে অব্যাহতভাবে পথনির্দেশনা প্রদান করবে এবং সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাবে।
বাংলাদেশের জন্মের পর বিগত ৫৫ বছরে ভারত ও বাংলাদেশ উভয়ই অনেকটা পথ পাড়ি দিয়েছে। আমরা উভয়ই আগের যেকোনো সময়ের তুলনায় আরও বেশি সক্ষম, আত্মবিশ্বাসী, সংযুক্ত এবং উচ্চাকাঙ্ক্ষী সমাজে পরিণত হয়েছি। আমরা উভয়েই আমাদের অভিন্ন এই অঞ্চলের শান্তি, স্থিতিশীলতা ও উন্নয়নের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অংশীজন। জলবায়ু পরিবর্তন ও পরিবেশগত স্থায়িত্বের মতো অভিন্ন প্রতিবন্ধকতাসমূহ মোকাবিলা করার ক্ষেত্রে আমাদের দুই দেশের মধ্যে সহযোগিতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই অঞ্চলের দুটি বৃহত্তম অর্থনীতি হিসেবে, আমাদের উভয়কেই এই অঞ্চলে আরও ঘনিষ্ঠ সমন্বয়ের লক্ষ্যে মূল ভিত্তি হিসেবে কাজ করতে হবে। আজ আমরা আমাদের অতীতের তুলনায় অনেকাংশেই আলাদা হওয়ার কারণে আমি আরও বিশ্বাস করি যে, আমাদের সম্পৃক্ততার জন্য ভবিষ্যৎ-কেন্দ্রিক নতুন একটি কর্মসূচি প্রয়োজন। এমন একটি কর্মসূচি যা আমাদের নতুন সক্ষমতাসমূহ, নতুন লক্ষ্যসমূহ ও নতুন জাতীয় উন্নয়ন অগ্রাধিকারসমূহের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। এমন একটি কর্মসূচি যা আমাদের সুদৃঢ় সাংস্কৃতিক ও অর্থনৈতিক সংযোগের মাধ্যমে পরিচালিত। এবং এমন একটি কর্মসূচি যা পারস্পরিক আগ্রহ, পারস্পরিক কল্যাণ ও পারস্পরিক শ্রদ্ধার ওপর ভিত্তি করে গঠিত।”
তিনি বলেন, দ্রুত বিকাশমান দুটি দেশ হিসেবে আমাদের ভৌগোলিক নৈকট্য আমাদের উভয়ের জন্যই একটি সম্পদ, কোনো দায় নয়। এই নৈকট্যকে উভয়ের জন্য নতুন সুযোগে রূপান্তরিত করার লক্ষ্যে আমাদেরকে অবশ্যই নিরন্তর প্রয়াস চালিয়ে যেতে হবে। আমি আশাবাদী যে, ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কের সকল শুভানুধ্যায়ী এই অভিন্ন স্বপ্নকে গড়ে তোলা ও এটার বাস্তবায়নের লক্ষ্যে একত্রিত হবেন। দুই দেশের ভবিষ্যৎ নিয়ে আমি আরও বেশি আশাবাদী হয়ে বাংলাদেশ ত্যাগ করছি।
বিদায়ী হাইকমিশনার বলেন, “চার বছর অনেক দীর্ঘ সময় হলেও এই দেশ ও তার মানুষের প্রতি আমাদের যে স্নেহার্দ্রতা ও আবেগীয় টান গড়ে উঠেছে, তার জন্য এই সময়কাল অপ্রতুল। নানা উত্থান-পতন সত্ত্বেও, কেবলমাত্র এখানে গড়ে ওঠা অসাধারণ বন্ধুত্ব এবং সমগ্র দেশের মানুষের কাছ থেকে পাওয়া উষ্ণতা ও স্নেহের কারণে বাংলাদেশে আমাদের কাটানো এই সময়টি আমার ও আমার স্ত্রীর কাছে সবচেয়ে প্রিয় পর্যায় হিসেবে স্মৃতিতে অমলিন হয়ে থাকবে। বাংলাদেশের প্রায় সকল স্তরের এমন বহু সদয় ও সুহৃদ বন্ধু, যারা আমাদের হৃদয়কে গভীরভাবে স্পর্শ করেছেন, তাদের সঙ্গে যোগাযোগ বজায় রাখার প্রত্যাশা করছি। আমরা আশা করি, আমাদের পথ আবার কখনও, কোনো এক সময়, কোনো এক স্থানে মিলিত হবে! সেই পর্যন্ত, আমি শুধু এটাই বলতে চাই—আবার দেখা হবে।





