আগরতলা
আইন-আদালত
সর্বশেষ খবর
Tripura News: আগামী কাল ভিসি নির্বাচনে এনডিএ- র প্রার্থী তালিকা প্রকাশ।
ডেস্ক রিপোর্টার, ৭ সেপ্টেম্বর।। পাহাড়ের আসন্ন গ্রাম পরিষদ নির্বাচনে বিজেপি – মথা ও আইপিএফটি জোট হয়ে লড়াই করবে। অর্থাৎ নির্বাচনে এনডিএ বনাম সিপিআইএমের মধ্যে হবে মূল লড়াই। ময়দানে কংগ্রেস থাকলেও…
Tripura News: জলিল রহমানের খুনিদের গ্রেফতারের দাবিতে পুলিশে দ্বারস্থ সিপিআইএম।
ডেস্ক রিপোর্টার , ৭ সেপ্টেম্বর।। সম্প্রতি কল্যাণপুরের ঘিলাতলী বাগবের এলাকায় খুন হয়েছিলেন পশু ব্যবসায়ী জলিল রহমান। গরু চোর সন্দেহে তাকে গণ ধোলাই দিতে হত্যা করেছিল দুষ্কৃতীরা। এই ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের…
Indian Politics: ২৯- এ দিল্লিতে ইন্ডি জোট ক্ষমতায় এলে প্রধানমন্ত্রী হবেন রাহুল: বেবি।
ডেস্ক রিপোর্টার, ৭ সেপ্টেম্বর।। ২০২৯-এর লোকসভা নির্বাচন এখনও বহু দূর! কিন্তু রাজনীতির পারদ এখনই চড়তে শুরু করেছে। আর অনুঘটক? সিপিএমের শীর্ষ নেতৃত্বের এক বিস্ফোরক দাবি! ‘যদি ২০২৯ সালে কেন্দ্রে বিরোধী…
Big Breaking News: পিস্তল সহ রাজধানীতে গ্রেফতার বিহারের দুই যুবক।
ডেস্ক রিপোর্টার,৭ সেপ্টেম্বর।। রাজধানীতে পিস্তল সহ গ্রেফতার বিহারের দুই যুবক। তাদের কাছ থেকে দুইটি পিস্তল, ৩টি ম্যাগাজিন, ৮ রাউন্ড তাজা কার্তুজ উদ্ধার করা হয়েছে। শহর সংলগ্ন শালবাগান বিএসএফ ক্যাম্প লাগোয়া…
Indian Thermal Power Plant: দেশ জুড়ে বিদ্যুৎ সংকটের আশঙ্কা। তথ্য,সেন্ট্রাল ইলেকট্রিসিটি অথরিটির।
সেন্ট্রাল ইলেকট্রিসিটি অথরিটির তথ্য অনুযায়ী,২ সেপ্টেম্বরের হিসাবে দেশের বড় ৫০টি তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রে কয়লার মজুত আশঙ্কাজনকভাবে কমেছে।দেশের ৫০টি কেন্দ্রে নির্ধারিত ৫৮.৭ মিলিয়ন টন কয়লার পরিবর্তে বর্তমানে রয়েছে মাত্র ২৮.২ মিলিয়ন টন—যা…
দেশ
Indian Politics: ২৯- এ দিল্লিতে ইন্ডি জোট ক্ষমতায় এলে প্রধানমন্ত্রী হবেন রাহুল: বেবি।
ডেস্ক রিপোর্টার, ৭ সেপ্টেম্বর।।
২০২৯-এর লোকসভা নির্বাচন এখনও বহু দূর! কিন্তু রাজনীতির পারদ এখনই চড়তে শুরু করেছে। আর অনুঘটক? সিপিএমের শীর্ষ নেতৃত্বের এক বিস্ফোরক দাবি! ‘যদি ২০২৯ সালে কেন্দ্রে বিরোধী জোট জেতে, তবে কি প্রধানমন্ত্রীর কুর্সি দাবি করবেন রাহুল গান্ধী?’ ঠিক এই প্রশ্ন তুলে দিয়ে হঠাৎই রাজ্য রাজনীতি থেকে জাতীয় রাজনীতি—তোলপাড় ফেলে দিয়েছেন সিপিএম সাধারণ সম্পাদক এম এ বেবি।রাজ্যে ভিলেজ কমিটি নির্বাচনের ঠিক প্রাক্কালে দাঁড়িয়ে তাঁর এই মন্তব্য কি কেবলই জল্পনা, নাকি ইন্ডি জোটের ভেতরের নতুন কোনো সমীকরণ? আসুন দেখে নিই আজকের বিশেষ রিপোর্ট!
ভোটের ময়দান ত্রিপুরা কিন্তু সুর বেজে উঠল দিল্লির রাজনীতির!রাজ্যজুড়ে যখন ভিলেজ কমিটির ভোটের তোড়জোড় তুঙ্গে।ঠিক তখনই জাতীয় রাজনীতি নিয়ে বোমা ফাটালেন সিপিএম সাধারণ সম্পাদক।
কথা ছিল স্থানীয় নির্বাচন নিয়ে, কিন্তু প্রসঙ্গ ঘুরে গেল ২০২৯-এর লোকসভা ভোটে। সিপিএমের এই বর্ষীয়ান নেতা স্পষ্ট ইঙ্গিত দিলেন, আগামী লোকসভা নির্বাচনে বিজেপি-বিরোধী জোট ক্ষমতায় এলে রাহুল গান্ধীই প্রধানমন্ত্রীর পদের মূল দাবিদার হয়ে উঠতে পারেন!তবে জল্পনার আগুন উসকে দিয়েই কিছুটা কৌশলগত ভারসাম্য বজায় রাখার চেষ্টা করেছেন তিনি। এম এ বেবি এও সংযোজন করেন—প্রধানমন্ত্রী কে হবেন, সেই সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত নির্বাচনের ফলের ঠিক পরেই, আগে থেকে নয়।
কেন সিপিএমের সর্ব ভারতীয় সাধারণ সম্পাদকের এই মন্তব্য?তারমধ্যে রয়েছে ৩টি বড় প্রশ্ন।
প্রথমতঃ,ইন্ডিয়া জোটের ভবিষ্যৎ।
অর্থাৎ এই মন্তব্যের মাধ্যমে কি সিপিএম আগেভাগেই রাহুল গান্ধীকে জোটের মুখ হিসেবে মেনে নেওয়ার সলতে পাকাচ্ছে?
দ্বিতীয়তঃ আঞ্চলিক দলগুলোর অবস্থান।অর্থাৎ টিএমসি, এসপি বা আম আদমি পার্টির মতো আঞ্চলিক শরিকরা কি নির্বাচন-পূর্ব এই ‘রাহুল-কেন্দ্রিক’ ভাবনাকে সহজে মেনে নেবে?
তৃতীয়তঃটাইমিং-এর খেলা।অর্থাৎ ত্রিপুরা রাজ্যে ভিলেজ কমিটি ভোটের মুখে হঠাৎ কেন জাতীয় স্তরের প্রধানমন্ত্রীর মুখ নিয়ে এই মন্তব্য? এটা কি দলীয় কর্মীদের চাঙ্গা করার কৌশল, নাকি ভোটের হাওয়া ঘোরানোর চেষ্টা?
রাজনীতিতে কোনো কথাই ‘অকারণ’ নয়, আর এম এ বেবির মতো অভিজ্ঞ নেতার মুখ থেকে আসা এই বার্তা নিঃসন্দেহে বিরোধী শিবিরের ভেতরেও নতুন চর্চা শুরু করে দিল। রাহুল গান্ধীকে কেন্দ্র করে ২০২৯-এর এই আগাম সমীকরণ কি জোটকে শক্তিশালী করবে, নাকি নতুন বিরোধের জন্ম দেবে—সেদিকেই এখন নজর রাজনৈতিক মহলের।
বিদেশ
India -Bangladesh Relation: দুই দেশের স্বার্থেই ভারত সফরে যাবেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী: ত্রিবেদী
দীনেশ ত্রিবেদী বলেন, দুই দেশের মধ্যে ফ্রেন্ডশিপ গ্রুপ গঠনসহ সংসদীয় পর্যায়ে সম্পর্ক আরও জোরদার করার বিষয়ে আলোচনা প্রয়োজন।
# সমীরণ রায় #
________________
ঢাকা ডেস্ক,৫ সেপ্টেম্বর।।
বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দুই দেশের জনগণের স্বার্থ বিবেচনায় নিয়ে ভারত সফর করবেন বলে প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন ঢাকায় নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী। তিনি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফর নিয়ে দুই দেশের মধ্যে আলোচনা চলমান রয়েছে। দুই দেশের জনগণের মধ্যে সম্পর্ক আরও জোরদার করতে সব আলোচনা চলতে থাকবে।
বুধবার বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম এমপির সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ প্রত্যাশার কথা জানান।
দীনেশ ত্রিবেদী বলেন, দুই দেশের মধ্যে ফ্রেন্ডশিপ গ্রুপ গঠনসহ সংসদীয় পর্যায়ে সম্পর্ক আরও জোরদার করার বিষয়ে আলোচনা প্রয়োজন।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সফরের অনুকূল পরিবেশ আছে কিনা প্রশ্নে ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী বলেন, এটি সম্পূর্ণ প্রধানমন্ত্রীর ওপর নির্ভর করে। তিনি অনেক বুদ্ধিমান মানুষ, জনগণের নেতা তিনি। সুতরাং আমি মনে করি, এটি প্রধানমন্ত্রীর ওপর ছেড়ে দেওয়া উচিত। আর বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের খাতিরে যা করা প্রয়োজন, আমার এই বিষয়ে কোনও সন্দেহ নেই যে, উভয় পক্ষের অভিপ্রায় জনগণকেন্দ্রিক। যখন জনগণকেন্দ্রিক বিষয় হয়, তখন যা হওয়ার হবেই।
স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারের ভারত সফর প্রসঙ্গে ভারতীয় হাইকমিশনার বলেন, ভারতের পক্ষ থেকে স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারকে ভারত সফরের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। ভারতের লোকসভার স্পিকারের পক্ষ থেকে বাংলাদেশের স্পিকারকে এ আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।
দীনেশ ত্রিবেদী বলেন, ‘দুই দেশের সংসদ কীভাবে একে অপরের সঙ্গে কাজ করতে পারে, তা নিয়ে আলোচনা হয়েছে। দুই দেশের জনগণের মধ্যকার সম্পর্ক কীভাবে আরও উন্নত করা যায়, সেটিও আলোচনায় এসেছে। দুই দেশের মধ্যে আলোচনা চলবে। আর এটাই গণতন্ত্র।’
এ সময় বর্তমান স্পিকারের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতার প্রশংসা করে ভারতের হাইকমিশনার বলেন, তিনি একজন অভিজ্ঞ রাজনীতিবিদ এবং ভালো ফুটবলার। এর আগে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সঙ্গে ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদীর সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়। স্পিকারের কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত ওই বৈঠকে বাংলাদেশ-ভারত দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কসহ বিভিন্ন বিষয়ে মতবিনিময় হয়।
সাক্ষাতে স্পিকার বলেন, বাংলাদেশ ও ভারতের সম্পর্ক সবসময় নানা টানাপোড়েনের মধ্য দিয়ে এগিয়েছে। ঐতিহাসিক এই সম্পর্ক বিভিন্ন সময়ের প্রেক্ষাপটে পরিবর্তিত হয়েছে। তিনি বলেন, বিগত ২০০৮, ২০১৪, ২০১৮ ও ২০২৪ সালের ‘সাজানো নির্বাচনের’ মাধ্যমে আওয়ামী লীগ সরকার জনগণের গণতান্ত্রিক অধিকার ক্ষুণ্ন করেছে। ২০২৪ সালের ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে দেশে পুনরায় গণতন্ত্রের পথচলা সুগম হয়েছে।
স্পিকার বলেন, শেখ হাসিনার শাসনামলে ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে শুধু সরকারকেন্দ্রিক সম্পর্ক ছিল। এখন দুই দেশের জনগণের মধ্যকার সম্পর্কই বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কের ভিত্তি হওয়া উচিত। পারস্পরিক শ্রদ্ধা এবং একে অপরের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের প্রতি সম্মান প্রদর্শনের ভিত্তিতে দুই দেশের সম্পর্ক এগিয়ে নেওয়ার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন তিনি।
জবাবে ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী বলেন, দুই দেশের মধ্যে জনগণকেন্দ্রিক সম্পর্ক নির্মাণে ভারত সরকার আগ্রহী। জনগণের সঙ্গে জনগণের সম্পর্ক বিনির্মাণের মাধ্যমে তাদের আকাঙ্ক্ষা পূরণে বর্তমান সরকার কাজ করে যাচ্ছে।
বৈঠকে বাংলাদেশ-ভারত দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক বিস্তারে সংসদীয় প্রতিনিধিদলের সফর বিনিময়, রোহিঙ্গা সংকট ও পুনর্বাসন, ক্রীড়া এবং সাংস্কৃতিক আদান-প্রদানসহ বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয়।
________________’




