আগরতলা
আইন-আদালত
সর্বশেষ খবর
Big Breaking News: আগরতলা রেল স্টেশন থেকে উদ্ধার সাড়ে ছয় কোটি টাকার “এসকফ” কফ সিরাপের চালান। ধৃত এক যুবক।
ডেস্ক রিপোর্টার, ২রা জুলাই।। জিরানিয়া রেল স্টেশনের পর ফের আগরতলা রেল স্টেশনে আটক মাদকের বড় চালান। বৃহস্পতিবার পার্সেল ওয়াগনার থেকে উদ্ধার করা হয় ৫৫ হাজার ৬২৬টি এসকফের বোতল। এই বোতলগুলি…
Tripura News: ত্রিপুরা বিধানসভার ৬৩তম গৌরবময় প্রতিষ্ঠা দিবস উদযাপিত।
ডেস্ক রিপোর্টার, ১লা জুলাই।। ত্রিপুরা বিধানসভার ৬৩তম গৌরবময় প্রতিষ্ঠা দিবস উদযাপিত হলো বুধবার। জাঁকজমক পূর্ন অনুষ্ঠানের আকর্ষণের কেন্দ্র বিন্দুতে ছিলেন সদ্য পদ্মশ্রী প্রাপক নরেশ দেববর্মা। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন খোদ রাজ্যপাল…
Tripura News: রাজ্যের নতুন সড়ক পরিকাঠামো নিয়ে গডকরির সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রীর বৈঠক।
শুধু তাই নয়, রাজ্যের সঙ্গে বহিঃ রাজ্যের এবং রাজ্যের আভ্যন্তরীণ যোগাযোগ ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করার জন্য নতুন সড়ক পরিকাঠামো নিয়েও আলোচনা হয় বৈঠকে।রাজ্যের সড়ক নেটওয়ার্কের উন্নয়নে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী নীতিন গড়করি রাজ্যের…
Tripura School Education: দুইজন শিক্ষক দিয়ে চলছে স্কুলের পঠন – পাঠন। ক্ষুব্ধ অভিভাবকরা তালা ঝুলালো স্কুলের গেটে।
স্কুল খোলার মুখে এই তুলকালাম কাণ্ডের খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন আইএস রাধন ত্রিপুরা। তিনি বিক্ষুব্ধ অভিভাবকদের মুখোমুখি হন এবং তাদের অভাব-অভিযোগ মনোযোগ দিয়ে শোনেন। দীর্ঘক্ষণ আলোচনার পর তিনি…
Indian Army: দেশের নতুন সেনা প্রধান জেনারেল ধীরাজ শেঠ। সেনার উচ্চ স্তরে ব্যাপক রদবদল।
প্রায় চার দশকের সামরিক জীবনে অপারেশনাল, কৌশলগত, প্রশিক্ষণ ও সামরিক পরিকল্পনার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করেছেন জেনারেল ধীরাজ শেঠ। আগে তিনি ছিলেন ভারতের উপ – সেনা প্রধান। ডেস্ক রিপোর্টার,…
দেশ
Indian Army: দেশের নতুন সেনা প্রধান জেনারেল ধীরাজ শেঠ। সেনার উচ্চ স্তরে ব্যাপক রদবদল।
প্রায় চার দশকের সামরিক জীবনে অপারেশনাল, কৌশলগত, প্রশিক্ষণ ও সামরিক পরিকল্পনার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করেছেন জেনারেল ধীরাজ শেঠ। আগে তিনি ছিলেন ভারতের উপ – সেনা প্রধান।
ডেস্ক রিপোর্টার, ১লা জুলাই।।
ভারতের নতুন সেনাপ্রধান অর্থাৎ সিওএএস হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করলেন জেনারেল ধীরাজ শেঠ।নয়াদিল্লির সাউথ ব্লকে তিনি আনুষ্ঠানিক ভাবে ভারতের ৩১তম সেনা প্রধান হিসাবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন। তিনি অবসরপ্রাপ্ত জেনারেল উপেন্দ্র দ্বিবেদীর স্থলাভিষিক্ত হন। এই তথ্য নিশ্চিত করেছে দেশের প্রতিরক্ষা মন্ত্রক।
প্রায় চার দশকের সামরিক জীবনে অপারেশনাল, কৌশলগত, প্রশিক্ষণ ও সামরিক পরিকল্পনার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করেছেন জেনারেল ধীরাজ শেঠ। আগে তিনি ছিলেন ভারতের উপ – সেনা প্রধান। এই দায়িত্বে থাকা কালে তিনি সেনাবাহিনীর আধুনিকীকরণ, যুদ্ধ প্রস্তুতি এবং ভবিষ্যৎ সামরিক সক্ষমতা বৃদ্ধির পরিকল্পনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন।
ভারতের প্রধান স্ট্রাইক ফরমেশন ‘সুদর্শন চক্র কোর’-এর নেতৃত্বেও ছিলেন জেনারেল ধীরাজ শেঠ। তিনি ভারতীয় সেনাবাহিনীতে ‘ ট্যাংকম্যান’ হিসাবে পরিচিত।মরু অঞ্চলে সাঁজোয়া ইউনিট পরিচালনা, পশ্চিমাঞ্চলীয় কমান্ডে দায়িত্ব পালন এবং জম্মু-কাশ্মিরে সন্ত্রাসবিরোধী অভিযানের নেতৃত্ব দেওয়ার অভিজ্ঞতা রয়েছে ভারতের নতুন সেনা প্রধানের।
ধীরাজ শেঠ নতুন সেনাপ্রধান হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর পরেই ভারতীয় সশস্ত্র বাহিনীতে আরও কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ রদবদল হয়েছে। ভারতীয় সেনার উপ-সেনা প্রধান হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন লেফটেন্যান্ট জেনারেল সন্দীপ জৈন। তিনি জেনারেল ধীরাজ শেঠের স্থলাভিষিক্ত হয়েছেন। ভারতীয় বিমান বাহিনীতেও হয়েছে পরিবর্তন। বিমান বাহিনীর নতুন উপ-প্রধানের দায়িত্ব পেয়েছেন এয়ার মার্শাল আশুতোষ দীক্ষিত।
এয়ার মার্শাল নাগেশ কাপুরের পরিবর্তে তিনি এসেছেন।
ভারতের প্রতিরক্ষা বিশ্লেষকদের মতে, জেনারেল ধীরাজ শেঠের সামনে এখন বড় চ্যালেঞ্জ।সেনাবাহিনীর প্রযুক্তিগত রূপান্তর। ড্রোন যুদ্ধ, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা এবং দীর্ঘপাল্লার নির্ভুল অস্ত্র ব্যবস্থার যুগে ভারতীয় স্থলবাহিনীকে আরো শক্তিশালী করে তোলাই হবে সেনা প্রধানের মূল কাজ।
বিদেশ
China – Myanmar- Bangladesh Corridor:চীন-মিয়ানমার-বাংলাদেশ করিডোর ইস্যুতে এখনই সিদ্ধান্ত নিচ্ছে না বাংলাদেশ : খলিলুর
* সমীরণ রায়*
_________________
ঢাকা ডেস্ক, ৩০ জুন।।
চীন-মিয়ানমার-বাংলাদেশের মধ্যে অর্থিক করিডোর বিষয়ে এখনই কোনো সিদ্ধান্ত নিচ্ছে না বাংলাদেশ।বলেছেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান। তিনি বলেন, এটা একটা অর্থনৈতিক প্রস্তাব। এখনও রাখাইন হয়ে সড়ক তৈরির পর্যায়ে যায়নি দুই দেশ। এক্ষেত্রে ‘মাল্টিমোডাল কানেক্টিভিটি’ হবে। মিয়ানমারে যে সমস্ত বন্দর চীন ব্যবহার করছে, সেগুলো থেকে বাংলাদেশে ছোট জাহাজে করে পণ্য আনতে পারে কি-না। সেটা করতে পারলে ‘টাইম টু মার্কেট’, ‘কস্ট টু মার্কেট’ অনেক কমে যাচ্ছে। আরাকানের শান্তি ফিরে এলে, স্থিতিশীলতা ফিরলে, এগুলোর (সড়ক) কথা আমরা নিশ্চয়ই চিন্তা করব। সেখানে শুধু একটি রোড না ‘মাল্টিপল’ রোড হতে পারে। বাংলাদেশের তারা নিকট একটা প্রতিবেশী অঞ্চল, তার সঙ্গে আমার যোগাযোগ থাকতেই পারে। শনিবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সদ্য সমাপ্ত মালয়েশিয়া ও চীন সফর নিয়ে আয়োজিত এক ব্রিফিংয়ে তিনি এ কথা জানান। তিনি বলেন, চীন-মিয়ানমার-বাংলাদেশ করিডোর বিষয়ে এখনই কোনো সিদ্ধান্ত নিচ্ছে না বাংলাদেশ। বিষয়টি সম্ভাবনার দিক থেকে পর্যবেক্ষণ ও মূল্যায়ন করা হচ্ছে।এদিকে ব্রিকসে যোগ দেয়া, তিস্তা প্রকল্প ও রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানে চীন সহায়তার আশ্বাস দিয়েছে বলে জানিয়েপররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান বলেন, চীনের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে। তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নে চীনের সহায়তার অংশ হিসেবে শিগগিরই সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের কাজ শুরু হবে। এ ছাড়া ব্রিকস-এ যোগদানের বিষয়েও বাংলাদেশকে সহায়তা করবে।প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের চীন সফরে আর্থিক সহায়তা নিয়ে করা প্রশ্নে বিব্রত হওয়ার কথা উল্লেখ করে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী নগদ প্রাপ্তির কথা বললেন। ভাই, এ সমস্ত প্রশ্ন করবেন না, আমরা খুব বিব্রত হই। এখানে প্রধানমন্ত্রী ভিক্ষার ঝুলি নিয়ে যাননি। এখানে গেছেন দুই দেশের সম্পর্কের অভিমুখ, তার কন্টেন্ট এবং তার উচ্চতা, ব্যাপ্তি এবং গভীরতা এইটা এস্টাবলিশ করার জন্য। কোনো দিন কোনো সরকারপ্রধান আরেক সরকারপ্রধানের সঙ্গে দিস্তা কাগজ নিয়ে, পেন্সিল নিয়ে বসে না, ভিক্ষার ঝুলি নিয়ে যায় না। একটু আত্মসম্মান রাখেন।
‘টু প্লাস টু’ ব্যবস্থাপনা অনুসন্ধানের প্রসঙ্গ ধরেপররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিল বলেন, এটা আমরা ‘এক্সপ্লোর’ করব। কারণ আজকে যে ধরনের একটা অস্থির অবস্থা পৃথিবীতে, ‘ফরেন পলিসি এবং স্ট্রাটেজিক ইম্পারেটিভস’ কিন্তু এখন যুক্ত হয়ে যাচ্ছে। এটা আপনি অস্বীকার করতে পারবেন না। যার কারণে তুরস্কের সঙ্গে আমরা ‘টু প্লাস টু’ করছি, কারণ মিডিল ইস্টে আমাদের যথেষ্ট পরিমাণ স্বার্থ আছে। তেমনি আমরা চীনের সঙ্গে ‘এক্সপ্লোর’ করব। এখন এটা ‘এক্সপ্লোরেটরি স্টেজে’ আছে। আমরা কোনো সিদ্ধান্ত এখনো সেভাবে নিয়ে নিই।
চীনা প্রেসিডেন্টের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বৈঠকে উপস্থিতির প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে পররাষ্ট্রমন্ত্রীতো ছিলেন; সেখানে বসেছিলেন অর্থমন্ত্রী, বাণিজ্যমন্ত্রী, চীনা কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর। তাতেই বুঝতে পারছেন। এবং এরা এত বড় একটা ইকোনমি চালান, আপনি বুঝতে পারছেন যে, এতটুকু সময়, ঘন্টাখানেক সময় তারা আমাদেরকে দিয়েছেন সম্মিলিতভাবে। “সুতরাং এই ভিজিটের সিগনিফিকেন্স আপনি শুধু এগুলো দেখলে বুঝবেন, আগের ভিজিটগুলোর তুলনায় এটা ‘কমপ্লিটলি’ একটা ‘ডিফারেন্ট ভিজিট’।”
এসময় উপস্থিত সঙ্গে ছিলেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম, প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির, পররাষ্ট্র সচিব আসাদ আলম সিয়াম এবং বিনিয়োগ উন্নয়ন বোর্ডের (বিডা) নির্বাহী চেয়ারম্যান চৌধুরী আশিক মাহমুদ বিন হারুন।





