আগরতলা
আইন-আদালত
সর্বশেষ খবর
World Cup Cricket: অনূর্ধ্ব ১৯ বিশ্বকাপে দাপট দেখিয়ে ফাইনালে পৌঁছলো বয়েজ ইন ব্লু।
আফগানের বড় টার্গেট তাড়া করতে নেমে একেবারে আগ্রাসী মেজাজে ইনিংস শুরু করে ভারতের দুই গোড়াপত্তনকারী ব্যাটসম্যান বৈভব সূর্যবংশী ও অ্যারন জর্জ। মাত্র ৩৩ বলে ৬৮ রান করে রান চেজের ভঙ্গিটা…
Tripura Sports: পদ্মজং ফুটবল আসরে আসাম পুলিশের সামনে ত্রিপুরা পুলিশ।
স্পোর্টস ডেস্ক, ৪ ফেব্রুয়ারি।। গুরুবারে সেমি ফাইনালে যাওয়ার লড়াই । গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে মুখোমুখি হবে দুই শক্তিশালী দল ত্রিপুরা পুলিশ এবং আসাম পুলিশ। ঐতিহ্যবাহী জেনারেল পদ্মজং আমন্ত্রণ মূলক প্রাইজ মানি ফুটবল…
Tripura News:বাবার কোলে ফিরলো নিখোঁজ সজনা। নেপথ্যে পুলিশ ও ওয়ান স্টপ সেন্টার।
সোমবার সকালে উত্তর জেলার চুরাইবাড়ি থানার অন্তর্গত পূর্ব ফুলবাড়ি গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার বাসিন্দা আব্দুল জলিলের মেয়ে সাজনা বেগম গরু চরাতে গিয়ে নিখোঁজ হয়ে যায়। জন্মগতভাবে সাজনা বধির (কানে শুনতে পায়…
Terr@orists Kil@led In J&K: নিকেশ ভূ-স্বর্গের জঙ্গলের গুহায় লুকিয়ে থাকা দুই জইশ জঙ্গি।
এক সময় সেনা – জঙ্গি মুখোমুখি হয়ে যায়। শুরু হয় বুলেট যুদ্ধ। গুলাগুলির সময় এক জঙ্গির গায়ে সেনার ছোঁড়া বুলেটের আঘাত লাগে। তখন পরিস্থিতি বেগতিক দেখে গুলি বিদ্ধ জঙ্গিকে নিয়ে…
Tripura News : গুণগত শিক্ষাই প্রান্তিক জনপদের সামাজিক – অর্থনৈতিক অবস্থার উন্নয়নের সোপান: মুখ্যমন্ত্রী
মুখ্যমন্ত্রী ডাঃ মানিক সাহার বক্তব্য, বিজেপি নেতৃত্বাধীন সরকার উন্নয়নের সংকল্পকে সামনে রেখে প্রায় প্রতিদিন রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে নতুন নতুন প্রকল্পের সূচনা করে চলেছে। এই ধারাবাহিকতায়, শহরের পাশাপাশি গ্রামীণ এলাকাতেও বিদ্যালয়…
দেশ
Indian Politics: বিরোধীদের বিক্ষোভের মুখে সংসদের নিম্নকক্ষে ভাষণের সুযোগই পান নি প্রধানমন্ত্রী।
এদিন বিকাল পাঁচটা নাগাদ রাষ্ট্রপতির ভাষণের উপর ধন্যবাদজ্ঞাপক প্রস্তাবে বলার কথা ছিল মোদীর। কিন্তু সভা শুরু হতেই ফের বিক্ষোভে ফেটে পড়েন বিরোধী সাংসদরা। তাদের বিক্ষোভের মুখে সভা আর এগিয়ে নেওয়া সম্ভব হয় নি। শেষ পর্যন্ত বাধ্য হয়ে সভা মুলতুবি ঘোষণা করা হয়। এই পরিস্থিতির কারণেই প্রধানমন্ত্রীর পক্ষে ভাষণ দেওয়া সম্ভব হয় নি।
ডেস্ক রিপোর্টার, ৪ ফেব্রুয়ারি।।
” প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ভয় পেয়ে গিয়েছেন। তাই সায়ন কালে লোকসভায় আসেন নি তিনি।”- বক্তা কংগ্রেস সাংসদ প্রিয়াঙ্কা গান্ধী।
বুধবার লোকসভার হট্টগোলের মধ্যে একথা বলেছেন প্রিয়াঙ্কা।
লোকসভার তথ্য অনুযায়ী, এদিন বিকালে লোকসভায় প্রধানমন্ত্রীর ভাষণ দেওয়ার কথা ছিলো। কিন্তু দিনভর লোকসভা ছিল উত্তাল। পরিস্থিতি ছিলো বেশ তপ্ত। তাই শেষ পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রী আসেন নি। এটাকেই কটাক্ষ করে প্রিয়াঙ্কা বলেন, ” প্রধানমন্ত্রী ভয় পেয়েছেন।” এদিন লোকসভায় বিরোধীদের টানা বিক্ষোভে বেশ কয়েকবার সভা মুলতুবি ঘোষণা করা হয়।সকালে প্রশ্নোত্তরপর্ব থেকেই লোকসভায় বিরোধীদের বিক্ষোভ চলেছে। বিকেলে তা মাত্রা ছাড়ায়। ফের সভা শুরু হলে কয়েক মিনিটের মধ্যেই তা মুলতুবি করা হয়। প্রধানমন্ত্রী বলার সুযোগই পাননি।
সোমবার, মঙ্গলবারের পর বুধবারও দেশের রাজনীতির পিঠস্থান সংসদে( নিম্নকক্ষ) চলছিল শাসক – বিরোধীরা তর্জা।কখনও চিনের সঙ্গে ভারতের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক, কখনও ভারত-আমেরিকা বাণিজ্য সমঝোতা, কখনও গান্ধী পরিবারকে অপমান প্রসঙ্গে বিরোধীপক্ষ বিক্ষোভ দেখায়। পরিস্থিতি সামাল দিতে একাধিক বার সভা মুলতুবি করতে হয়। দিনভর এইভাবেই কাটে সংসদের নিম্নকক্ষ।
এদিন বিকাল পাঁচটা নাগাদ রাষ্ট্রপতির ভাষণের উপর ধন্যবাদজ্ঞাপক প্রস্তাবে বলার কথা ছিল মোদীর। কিন্তু সভা শুরু হতেই ফের বিক্ষোভে ফেটে পড়েন বিরোধী সাংসদরা। তাদের বিক্ষোভের মুখে সভা আর এগিয়ে নেওয়া সম্ভব হয় নি। শেষ পর্যন্ত বাধ্য হয়ে সভা মুলতুবি ঘোষণা করা হয়। এই পরিস্থিতির কারণেই প্রধানমন্ত্রীর পক্ষে ভাষণ দেওয়া সম্ভব হয় নি।
বিদেশ
Bangladesh News: বাংলাদেশে অন্তর্বর্তী সরকারের ১৭ মাসে রাজনৈতিক সহিংসতায় নিহত ১৯৫, আহত ১১ হাজার।
* মব ভায়োলেন্স ও গণপিটুনির ৪১৩টি ঘটনায় ২৫৯ জন নিহত এবং ৩১৩ জন আহত হন।
* সাংবাদিকদের উপর ৪২৭টি হামলায় ৬ জন নিহতসহ ৮৩৪ জন নির্যাতন ও হয়রানির শিকার।
#সমীরণ রায়#
______________
ঢাকা, ৪ ফেব্রুয়ারি।।
অন্তর্বর্তী সরকারের ১৭ মাসে (২০২৪ সালের সেপ্টেম্বর থেকে ২০২৬ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত) বাংলাদেশে মানবাধিকার পরিস্থিতি উদ্বেগজনক ছিল বলে জানিয়েছে মানবাধিকার সহায়তা সংস্থা হিউম্যান রাইটস সাপোর্ট সোসাইটি (এইচআরএসএস)। সংস্থাটি বলছে, এই সময়ে রাজনৈতিক সহিংসতা, মব ভায়োলেন্স, সাংবাদিক নির্যাতন, মতপ্রকাশের স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ, সীমান্ত হত্যা ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতিসহ নানামুখী মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা ঘটেছে।
বুধবার জাতীয় প্রেসক্লাবের আবদুস সালাম হলে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে ‘জুলাই অভ্যুত্থান-পরবর্তী মানবাধিকার পরিস্থিতি ও প্রাক্-নির্বাচনী সহিংসতা’ শীর্ষক প্রতিবেদনে এসব তথ্য তুলে ধরা হয়। প্রতিবেদনটি উপস্থাপন করেন এইচআরএসএসের নির্বাহী পরিচালক ইজাজুল ইসলাম।
সংবাদ সম্মেলনে মানবাধিকারকর্মী নূর খান লিটন বলেন, ‘মব ভায়োলেন্স এমন পর্যায়ে গিয়েছিল যে রাষ্ট্রীয় বাহিনীগুলো এ বিষয়ে যথাযথ পদক্ষেপ নিতে পারেনি। মব সন্ত্রাস করে বিভিন্ন অফিস আক্রমণ করা হয়েছে।’
নূর খান লিটন আরও বলেন, ‘এই সময়ে কিছু অদৃশ্য শক্তির উপস্থিতি লক্ষ করা গেছে। এর মাধ্যমে গণ-অভ্যুত্থানের যে চরিত্র, সক্রিয়তা ও আদর্শ ছিল, সেটা ম্লান হয়েছে।’
প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০২৪ সালের গণ-অভ্যুত্থানের পর গঠিত অন্তর্বর্তী সরকার বিচার বিভাগীয় স্বাধীনতা ও মানবাধিকার উন্নয়নে কিছু উদ্যোগ নিলেও তা প্রয়োজনের তুলনায় অপ্রতুল ছিল। মব ভায়োলেন্স নিয়ন্ত্রণ করতে না পারায় নাগরিক নিরাপত্তা, মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক ন্যায়ের প্রশ্নে জনমনে হতাশা ও উদ্বেগ বেড়েছে।
রাজনৈতিক ও নির্বাচনকেন্দ্রিক সহিংসতা: এইচআরএসএসের তথ্য অনুযায়ী, গত ১৭ মাসে দেশে ১ হাজার ৪১১টি রাজনৈতিক সহিংসতায় কমপক্ষে ১৯৫ জন নিহত ও ১১ হাজার ২১৯ জন আহত হয়েছেন। আধিপত্য বিস্তার, রাজনৈতিক প্রতিশোধ, সমাবেশ ও নির্বাচনকেন্দ্রিক সংঘাত, চাঁদাবাজি ও স্থাপনা দখল এসব ঘটনার প্রধান কারণ। রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বিএনপি। দলটির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ৭০৪টি ঘটনায় ১২১ জন নিহত এবং ৭ হাজার ১৩১ জন আহত হয়েছেন।
একই সময়ে সন্ত্রাসী হামলার ২৩৬টি ঘটনায় ১৫৬ জন নিহত ও ২৪৯ জন আহত হন। এ ছাড়া ৩০০-এর বেশি মানুষ গুলিবিদ্ধ হন এবং শতাধিক রাজনৈতিক কার্যালয় ও ১৩০টির বেশি বাড়িঘর, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ও যানবাহনে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করা হয়েছে।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে গত অক্টোবর থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত তিন মাসে ১৫৫টি নির্বাচনকেন্দ্রিক সহিংসতায় ৭ জন নিহত ও ১ হাজার ৪০৩ জন আহত হয়েছেন। উল্লেখযোগ্য ঘটনার মধ্যে পল্টনে গুলিবিদ্ধ হয়ে ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শহীদ শরিফ ওসমান বিন হাদি সিঙ্গাপুরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। এ ছাড়া চট্টগ্রাম, ময়মনসিংহসহ বিভিন্ন এলাকায় মনোনয়ন–বিরোধে প্রাণহানির ঘটনা ঘটে।
মব ভায়োলেন্স ও সাংবাদিক নির্যাতন: প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, ১৭ মাসে মব ভায়োলেন্স ও গণপিটুনির ৪১৩টি ঘটনায় ২৫৯ জন নিহত ও ৩১৩ জন আহত হন। সাংবাদিকদের ওপর ৪২৭টি হামলায় ৬ জন নিহতসহ ৮৩৪ জন নির্যাতন ও হয়রানির শিকার হন। এ সময়ে ৪৯টি মামলায় ২২২ জন সাংবাদিককে অভিযুক্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া প্রথম আলো ও ডেইলি স্টারের কার্যালয়ে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনাও ঘটেছে।
সাইবার নিরাপত্তা আইন ও সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশের আওতায় ৪১টি মামলায় ৬৯ জন অভিযুক্ত ও ৩৩ জন গ্রেপ্তার হন। অধিকাংশ মামলা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের কনটেন্টকে কেন্দ্র করে হওয়ায় আইনের অপব্যবহারের আশঙ্কা প্রকাশ করেছে এইচআরএসএস।
বিচারবহির্ভূত হত্যা ও সংখ্যালঘু নির্যাতন: আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষ, হেফাজতে থাকা অবস্থায় ও নির্যাতনে ১৭ মাসে ৬০ জন নিহত হয়েছেন। কারাগারে মৃত্যু হয়েছে ১২৭ জন আসামির, যার মধ্যে ৪৪ জন কয়েদি ও ৮৩ জন হাজতি। সাবেক শিল্পমন্ত্রী নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ূনসহ কয়েকজনের মৃত্যু ঘিরে পরিকল্পিত হত্যার অভিযোগ তুলেছে তাঁদের পরিবার। সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ওপর ৫৬টি হামলায় ১ জন নিহত ও ২৭ জন আহত হয়েছেন। এ সময় ১৭টি মন্দির, ৬৩টি প্রতিমা ও ৬৫টি বাড়িতে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে।
মাজার ও সীমান্ত হত্যা: দেশজুড়ে শতাধিক মাজারে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। সীমান্তে ১১০টি ঘটনায় ৪৩ জন বাংলাদেশি নিহত হয়েছেন। এ ছাড়া বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্তে হামলায় ৩ জন নিহত হন। একই সময়ে নারী ও শিশু নির্যাতনের শিকার হয়েছেন ২ হাজার ৬১৭ জন। এর মধ্যে ধর্ষণের শিকার ১ হাজার ১৬ জন এবং শিশু নির্যাতনের ঘটনায় ৪৭৮ জন প্রাণ হারিয়েছেন। এ ছাড়া শ্রমিক নির্যাতন ও দুর্ঘটনায় শত শত শ্রমিক নিহত ও আহত হয়েছেন।
এইচআরএসএস জানিয়েছে, দেশের ১৫টি জাতীয় দৈনিক ও নিজস্ব উপায়ে সংগৃহীত তথ্যের ভিত্তিতে সেপ্টেম্বর ২০২৪ থেকে জানুয়ারি ২০২৬ পর্যন্ত এই প্রতিবেদন তৈরি করা হয়েছে। সংবাদ সম্মেলনে মনিরুজ্জামানসহ সংগঠনের অন্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।




