আগরতলা
ত্রিপুরা
আইন-আদালত
সর্বশেষ খবর
Tripura News: আসন্ন পুর ভোটকে সামনে রেখে তেলিয়ামুড়াতে প্রশাসনের সর্ব দলীয় বৈঠক।
তেলিয়ামুড়া ডেস্ক,৩১ অক্টোবর। আসন্ন পৌর নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ইতিমধ্যেই রাজ্যজুড়ে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তৎপরতা। শুক্রবার রাজ্য নির্বাচন কমিশনের তরফে পৌর নির্বাচনের চূড়ান্ত দিনক্ষণ ঘোষণা হতেই নির্বাচনী প্রস্তুতিতে ঝাঁপিয়ে পড়েছে বিভিন্ন…
Tripura News: বড়জলাতে রাজীবকে সঙ্গে নিয়ে বিপ্লবের জন সংযোগ।
ডেস্ক রিপোর্টার,৩১ অক্টোবর।। মণ্ডল সভাপতি রাজীব ঘোষের নেতৃত্বে পাল্টে যাচ্ছে বড়জলা বিধানসভার রাজনৈতিক রং। ধীরে ধীরে বামেদের হাত থেকে খসে পড়ছে বড়জলা । বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্বকে সঙ্গে নিয়ে রাজীব ঘোষ…
Tripura News: কমলপুরে রাজনৈতিক হিং*সা। আ*ক্রা*ন্ত তিন বামকর্মী।
ডেস্ক রিপোর্টার, ৩১ অক্টোবর।। রাজনৈতিক হিংসায় তপ্ত কমলপুর। শাসক বিরোধী দুই শিবিরের হামলা – পাল্টা হামলা কেন্দ্র করে আতঙ্কের পরিবেশ জনমনে। ঘটনার সূত্রপাত শনিবার দুপুরে। প্রত্যাশিত ভাবেই এদিন কমলপুর নগর…
Tripura Politics: “গণতন্ত্র বাঁচাও, অরাজকতা হটাও”- শহরে বিজেপির ঐতিহাসিক জনসভা। ভোট যুদ্ধে স্নায়ুর চাপে এগিয়ে শাসক শিবির!
ডেস্ক রিপোর্টার,৩১ অক্টোবর।। “গণতন্ত্র বাঁচাও অরাজকতা হাটাও”- এই কর্মসূচির মাধ্যমে আসন্ন পুরো ভোটের প্রাকলগ্নে শহরে শক্তি প্রদর্শন করেছে রাজ্যের শাসক দল ভারতীয় জনতা পার্টি। শনিবারের এই সমাবেশকে ঐতিহাসিক বলে আখ্যা…
Tripura News: এডি নগর পুলিশ গ্রাউন্ডে পালিত হলো জাতীয় ঐক্য দিবস।
ডেস্ক রিপোর্টার,৩১ অক্টোবর।। যথাযোগ্য মর্যাদা ও উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে আগরতলার এ.ডি. নগর পুলিশ লাইন গ্রাউন্ডে পালিত হলো জাতীয় ঐক্য দিবস। ভারতের লৌহপুরুষ সর্দার বল্লভভাই প্যাটেলের জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে প্রতি বছর ৩১…
দেশ
Indian Politics: চার রাজ্যের বিধান পরিষদ নির্বাচনে ধরাশায়ী কংগ্রেস।
কর্নাটক, মহারাষ্ট্র, উত্তরপ্রদেশ এবং বিহার। এই চার রাজ্যের ২৮টি বিধান পরিষদ আসনের ভোট হয়েছিল দিন দুই আগে। এই বিধান পরিষদ নির্বাচনগুলিতে সীমিত কিছু ভোটার অংশ নেন। মূলত শিক্ষক ও স্নাতক ভোটাররা এই নির্বাচনে অংশ নেন। সেই নির্বাচনে চার রাজ্যের ২৮টি আসনের মধ্যে খাতাও খুলতে পারেনি কংগ্রেস।সবচেয়ে বড় ধাক্কা এসেছে হাত শিবিরের নিজস্ব ‘শক্ত ঘাঁটি’ বলেই পরিচিত কর্ণাটক থেকে।
ডেস্ক রিপোর্টার,২৮ অক্টোবর।।
রাহুলের লাগাতার আন্দোলন সত্ত্বেও ব্যাকফুটে হাত শিবির।কর্ণাটকে তাৎপর্যপূর্ণ ভাবে ধরাশায়ী কংগ্রেস।বিধান পরিষদের নির্বাচনী ফলাফলে খুশির হওয়া গেরুয়া শিবিরে।
লোকসভা ভোটের পর থেকেই রাহুল গান্ধীর সুর চড়া। কখনও নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে ‘ভোটচুরি’র অভিযোগ এনে আন্দোলন, কখনও ‘জেন জি’দের মন পেতে ‘ছাত্রো কি গুঞ্জ’ কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ, আবার কখনও সুপ্রিম কোর্ট অভিযান কিংবা রামলীলা ময়দানে বিশালাকার জনসভা। বিরোধীদের দাবি ছিল, দেশজুড়ে নাকি মোদি বিরোধী হাওয়া স্পষ্ট। কিন্তু ভোটের ময়দানে এসে সেই দাবির আর কোনও প্রতিফলন দেখা গেল না।অন্তত চার রাজ্যের বিধান পরিষদ নির্বাচনের ফলাফল যেন এক নতুন সমীকরণ সামনে এনে দিল। সব হিসাব উল্টে দিয়ে স্পষ্ট ইঙ্গিত মিলল, জাতীয় রাজনীতিতে কংগ্রেসের ঘুরে দাঁড়ানোর সম্ভাবনা বহু দূরে। কর্নাটক, মহারাষ্ট্র, উত্তরপ্রদেশ এবং বিহার। এই চার রাজ্যের ২৮টি বিধান পরিষদ আসনের ভোট হয়েছিল দিন দুই আগে। এই বিধান পরিষদ নির্বাচনগুলিতে সীমিত কিছু ভোটার অংশ নেন। মূলত শিক্ষক ও স্নাতক ভোটাররা এই নির্বাচনে অংশ নেন। সেই নির্বাচনে চার রাজ্যের ২৮টি আসনের মধ্যে খাতাও খুলতে পারেনি কংগ্রেস।সবচেয়ে বড় ধাক্কা এসেছে হাত শিবিরের নিজস্ব ‘শক্ত ঘাঁটি’ বলেই পরিচিত কর্ণাটক থেকে।রাজ্যে ক্ষমতায় থাকা সত্ত্বেও বিধান পরিষদের ৪টি আসনেই মুখ থুবড়ে পড়েছে কংগ্রেস। এক ছাঁটাইয়ে রাজ্যটির ৪টি আসনেই জয় তুলে নিয়েছে বিরোধী বিজেপি ও জেডিএস জোট। এমনকি কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খড়গের নিজের গড় বলে পরিচিত উত্তর-পূর্ব শিক্ষক কেন্দ্রটিতেও জয় তুলে নিয়েছে বিজেপি। অন্যদিকে, বেঙ্গালুরু শিক্ষক কেন্দ্রটিতে গতবারের জয়ী কংগ্রেস প্রার্থীকে হারিয়ে জয়ী হয়েছে জেডিএস।উত্তরপ্রদেশের বিধান পরিষদের ১১ আসনে সার্বিকভাবে কিছুটা এগিয়ে বিজেপি। তবে সমানে সমানে টক্কর দিচ্ছে সমাজবাদী পার্টিও। তাৎপর্যপূর্ণভাবে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নিজের লোকসভা কেন্দ্র বারাণসীর শিক্ষক সিটেও পরাজিত হয়েছে বিজেপি।
এ পর্যন্ত ৬ আসনের ফল বেরিয়েছে যার মধ্যে দু’টি আসনে জিতেছে সমাজবাদী পার্টি। ৪ আসনে জয়ী হয়েছে বিজেপি। বাকি পাঁচ আসনের মধ্যে ৩টিতে এগিয়ে সপা। বিজেপি ২টি আসনে এগিয়ে।
অর্থাৎ সব মিলিয়ে ফল হতে পারে ৬-৫। যা বিজেপির জন্য চিন্তার কারণ হতে পারে। বিহারে খাতা খুলে ফেলেছে প্রশান্ত কিশোরের জন সুরাজ পার্টিও। বিধানসভায় যে আরজেডি ধূলিসাৎ হয়ে গিয়েছিল, তাঁরাও পাটনার গুরুত্বপূর্ণ আসন জিতেছে। সেখানে কংগ্রেস শূন্য। হাত শিবিরের আগেরবারের জেতা আসনটিই এবার গিয়েছে পিকের দলের দখলে। একই ছবি মহারাষ্ট্রেও। সেখানে শরদ পওয়ারের দল খাতা খুললেও শূন্য কংগ্রেস।
রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের মতে, রাজপথে ক্রমাগত অভিযোগ তোলা বা একের পর এক হাই-প্রোফাইল কর্মসূচির মাধ্যমে নজর কাড়া সহজ হলেও, মানুষের রায় আর বুথ স্তরের সংগঠন যে একই জায়গায় দাঁড়িয়ে নেই, তা কর্ণাটকের এই ফলাফল স্পষ্ট করে দিল। ব্যাালট পেপারে হওয়া এই নির্বাচনে রাজ্যের সবকটি আসনে বিরোধী জোটের ক্লিন সোয়াইপ রাহুলের নেতৃত্ব এবং কংগ্রেসের জাতীয় স্তরের আন্দোলন কৌশল নিয়ে আবার বড়সড় প্রশ্নচিহ্ন তুলে দিল।
বিদেশ
Israel Election: ইজরায়েলের ক্ষমতায় ফের বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু।
ডেস্ক রিপোর্টার,৩০ অক্টোবর।।
প্রায় দু’দিন ধরে চলার পর অবশেষে শেষ হল ইজরায়েলের ভোটগণনা। ফলাফলে ফের ত্রিশঙ্কু সংসদের ছবি। আমজনতা স্পষ্টভাবে কোনো জোটের পক্ষেই রায় দেননি।তবে সংখ্যার বিচারে গণমত রয়েছে প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর দিকেই। কারণ নির্বাচনে একক বৃহত্তম দল হিসেবে সবচেয়ে বেশি আসন জিতেছে নেতানিয়াহুর দল লিকুদ।১২০ আসনের কেনেসেটে সরকার গড়তে চাই ৬১টি আসন। কিন্তু নেতানিয়াহুর জোট বা বিরোধী জোট এই ম্যাজিক ফিগার থেকে বহু দূরে। নেতানিয়াহুর জোট পেয়েছে ৫৩টি আসন। বিরোধী জোটের দখলে ৪৮টি আসন। রাম এবং জয়েন্ট লিস্ট-সহ আরব দলগুলির দখলে ১৯টি আসন।এই অবস্থায় নতুন সরকার গড়বে কারা? ইতিমধ্যেই ইহুদি আবেগে শান দিতে শুরু করেছেন নেতানিয়াহু। সাফ জানিয়েছেন, ক্ষমতা দখলের জন্য আরব দলগুলির সঙ্গে যেন কেউ হাত না মেলায়।
পাশাপাশি ইহুদি দলগুলির সঙ্গেও লাগাতার আলোচনায় বসছেন তিনি। বিশ্লেষকদের মতে, ইহুদি আবেগের চাল খেটে গেলে ফের প্রধানমন্ত্রী হতে কোনও বাধা থাকবে না নেতানিয়াহুর।
এদিকে ইজরায়েলের রাজনৈতিক মহলে খানিকটা ‘অচ্ছুত’ আরব দলগুলির সঙ্গে জোট করবেন না বলেই সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেছেন আইজেনকোট। কিন্তু জোটের বাইরে থেকে আরব দলের সমর্থনে সরকার গঠনের পথ এখনও খোলা রয়েছে তাঁর সামনে।
যাই হোক,আগামী দিনদশেকেই স্থির হয়ে যাবে, ইজরায়েল আগামী দিনে কোন পথে যাবে।জানা গিয়েছে, আগামী ৪ নভেম্বর চূড়ান্ত ফলাফল ইজরায়েলি প্রেসিডেন্ট আইজ্যাক হেরজোগের হাতে তুলে দেবে কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিটি। তারপর ১০ নভেম্বর শপথ নেবে ইজরায়েলের নতুন সরকার।



