আগরতলা
অপরাধ
আইন-আদালত
সর্বশেষ খবর
Tripura News: পুলিশের ভয়ে জাতীয় সড়ক অবরোধ করার দুঃসাহস দেখাতে পারে নি প্রাক্তন বৈরীরা।
তেলিয়ামুড়া ডেস্ক, ২৮ আগস্ট।। দুই জঙ্গি সংগঠন এনএলএফটি ও এটিটিএফ’র আত্মসমর্পণকারী বৈরীদের ডাকা আসাম-আগরতলা জাতীয় সড়ক ও রেলপথ বনধের ডাক কার্যত অসম্পূর্ণ রয়ে গেল। শুক্রবার সকালে আত্মসমর্পণকারী প্রাক্তন বৈরীরা বড়মুড়া…
Tripura News: বিএসএফ ভাইদের হাতে রাখি দিলেন দিদি প্রতিমা।
ডেস্ক রিপোর্টার, ২৮ আগস্ট।। প্রতি বছরের মতো এবছরও রাখি বন্ধন উৎসব উপলক্ষ্যে আগরতলা আখাউড়া স্থলবন্দরে কর্মরত বিএসএফ আধিকারিক ও জওয়ানদের রাখি পরিয়ে দিলেন প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী প্রতিমা ভৌমিক। শুক্রবার তিনি…
Tripura News: দেশ বিরোধী মন্তব্য বিরোধী দলনেতার! তেলিয়ামুড়ায় বিজেপির বিক্ষোভ মিছিল।
তেলিয়ামুড়া ডেস্ক, ২৮ আগস্ট।। দেশের বিরুদ্ধে অবমাননামূলক মন্তব্যের অভিযোগ তুলে বিরোধী দলনেতা জিতেন্দ্র চৌধুরী সহ সিপিআইএমের বিরুদ্ধে ফের সরব শাসকদল বিজেপি। এই অভিযোগকে সামনে রেখে গোটা রাজ্যজুড়ে বিজেপির উদ্যোগে চলছে…
Sports News: বলে কিক দিয়ে প্রথম ডিভিশন ফুটবল লিগের উদ্বোধন করলেন রাজ্য ফুটবলের প্রাক্তন অধিনায়ক রাজীব ঘোষ।
স্পোর্টস ডেস্ক, ২৮ আগস্ট।। ৯টি দল নিয়ে শুরু হলো শ্যাম সুন্দর কোং জুয়েলার্স চন্দ্র মেমোরিয়াল প্রথম ডিভিশন ফুটবলের আসর। শুক্রবার উমাকান্ত মিনি স্টেডিয়ামে বলে কিক দিয়ে আসরের সূচনা করেন রাজ্যের…
Big Breaking News।। আসন্ন গ্রাম পরিষদ নির্বাচনের জন্য টিএসআর কর্মীদের ছুটি বন্ধের নির্দেশ।
ডেস্ক রিপোর্টার, ২৮ আগস্ট।। আগামী মাসে নিশ্চিত ভাবে অনুষ্ঠিত হতে চলছে পাহাড়ের ভিলেজ কমিটি (গ্রাম পরিষদ) নির্বাচন। আসন্ন গ্রাম পরিষদ নির্বাচনের জন্য রাজ্য কর্মরত টিএসআর কর্মীদের সমস্ত ধরনের ছুটি বন্ধের…
দেশ
High Price Sugar: উৎসব মরশুমে চিনির বাজারে আগুন। কপাল থাপড়াছে মধ্যবিত্ত থেকে ব্যবসায়ীরা।
কিন্তু প্রশ্ন উঠছে, এই আকস্মিক দাম বৃদ্ধির নেপথ্যে আসল কারণ কোনটি? আখের ফলন হ্রাস, পরিবেশবান্ধব ইথানল উৎপাদনে অতিরিক্ত আখ পাঠানো, নাকি বাজারে জোগানের কৃত্রিম ঘাটতি?
ডেস্ক রিপোর্টার,২৬ আগস্ট।।
চিনির দাম আকাশছোঁয়া।উৎসবের মরশুমের ঠিক মুখেই গত দুই মাসে কেজিপ্রতি চিনির দাম বেড়েছে প্রায় ৮০ শতাংশ। মধ্যবিত্তের রান্নাঘর থেকে শুরু করে মিষ্টির দোকান—সবত্রই এই অগ্নিমূল্যের আঁচ ছড়াতে শুরু করেছে।
কিন্তু প্রশ্ন উঠছে, এই আকস্মিক দাম বৃদ্ধির নেপথ্যে আসল কারণ কোনটি? আখের ফলন হ্রাস, পরিবেশবান্ধব ইথানল উৎপাদনে অতিরিক্ত আখ পাঠানো, নাকি বাজারে জোগানের কৃত্রিম ঘাটতি?
সংকটের মূল কারণগুলির মধ্যে রয়েছে,মূল চিনি উৎপাদনকারী রাজ্যগুলি যেমন মহারাষ্ট্র ও কর্ণাটক অনিয়মিত ও অসমাপ্ত বর্ষার কারণে আখের ফলন আশঙ্কাজনকভাবে কমেছে। ফলন কম হওয়ায় চিনিকলগুলিতে আখ মাড়াইয়ের পরিমাণ একধাক্কায় অনেকটা নেমে গেছে।দ্বিতীয়তঃ,পেট্রোলের সঙ্গে ইথানল মেশানোর সরকারি লক্ষ্যমাত্রা পূরণের জন্য গত কয়েক মরশুমে রেকর্ড পরিমাণ আখের রস ও সিরা ইথানল তৈরির কারখানায় পাঠানো হয়েছে। ফলে সরাসরি চিনি তৈরির জোগান কমেছে।তৃতীয়তঃ, আন্তর্জাতিক বাজারে চিনির দাম চড়া থাকায় এবং দেশে উৎপাদনের পূর্বাভাস কম দেখে পাইকারি বাজারে এক ধরনের জোগান-সংকট তৈরি হয়েছে। পাশাপাশি, উৎসবের মরশুমকে সামনে রেখে একাংশের অসাধু ব্যবসায়ীদের কৃত্রিম সংকট তৈরি ও কালোবাজারির জল্পনাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।
সামনেই দুর্গোৎসব, দেওয়ালি ও বিয়ের মরশুম—যখন দেশে চিনির চাহিদা থাকে তুঙ্গে। এই সময়ে দাম নিয়ন্ত্রণে না আনলে সার্বিক খুচরো মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ বাইরে চলে যাবে। পরিস্থিতি সামাল দিতে সরকার নিম্নলিখিত পদক্ষেপগুলি বিবেচনা করছে।
ইথানল তৈরির জন্য আখের রসের ব্যবহার সীমিত করে তা সম্পূর্ণ চিনি উৎপাদনের দিকে ঘুরিয়ে দেওয়া।ঘরোয়া চাহিদা মেটাতে চিনি রপ্তানির ওপর কঠোর নিষেধাজ্ঞা বলবৎ রাখা।সরকারি গুদাম অর্থাৎ বাফার স্টক থেকে খোলা বাজারে কম দামে চিনি সরবরাহ করা, যাতে পাইকারি ও খুচরো দর নিয়ন্ত্রণে আসে।
রাজ্যগুলির সহায়তায় মিল ও পাইকারি বিক্রেতাদের মজুত ক্ষমতার সীমা বেঁধে দেওয়া।কালোবাজারি রুখতে কঠোর প্রশাসনিক নজরদারি চালানো। উৎসবের আনন্দ মিষ্টির মিষ্টিতেই পূর্ণতা পায়। এখন দেখার, সরকারের সঠিক সময়ে নেওয়া পদক্ষেপ সাধারণ মানুষের মুখে সেই মিষ্টির স্বাদ ধরে রাখতে পারে নাকি চিনির তেতো দামই উৎসবের মেজাজ ফিকে করে দেয়।
বিদেশ
Nepal Harfi Bun: প্রলয়ঙ্করী হরপ্পা বানের তাণ্ডব। ধুলিস্যাৎ একের পর এক গ্রাম। মৃত্যু দুই শতাধিক!
ডেস্ক রিপোর্টার,২৭ আগস্ট।।
উত্তর নেপালে এক প্রলয়ঙ্করী হরপ্পা বানে মুহূর্তে ধূলিসাৎ হয়ে গেল বিস্তীর্ণ এলাকা। বুধবার সকালে তিব্বত সীমান্ত ঘেঁষা উচ্চ পার্বত্য অঞ্চল থেকে নেমে আসা আকস্মিক ও বিপুল জলস্রোত আছড়ে পড়ে নেপালের ভোটকোশি নদীতে। চোখের পলকে নদীর আশপাশের একাধিক গ্রাম, গুরুত্বপূর্ণ সড়কপথ এবং সংযোগকারী সেতু ভাসিয়ে নিয়ে গেছে এই তান্ডব।স্থানীয় প্রশাসন ও প্রত্যক্ষদর্শীদের সূত্রে জানা গেছে, নদীর জলস্তর একধাক্কায় বহুগুণ বেড়ে গিয়ে চারপাশের লোকালয় ও অবকাঠামোর ওপর আছড়ে পড়ে। ফলে বেশ কয়েকটি বসতি সম্পূর্ণ নিশ্চিহ্ন হয়ে গেছে এবং বহু মানুষ গৃহহীন হয়ে পড়েছেন। জলস্রোতের তোড়ে প্রধান প্রধান সেতু ও রাস্তা ধ্বংস হয়ে যাওয়ায় ওই অঞ্চলের পাহাড়ি গ্রামগুলির সঙ্গে জেলা সদরের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে।স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ১০০০ জনেরও বেশি মানুষ ভেসে গিয়েছেন এবং ইতিমধ্যেই আটজনের মৃতদেহ উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে।
প্রশাসনের পক্ষ থেকে দ্রুত দুর্গত এলাকায় ত্রাণ ও উদ্ধারকাজ শুরু করা হয়েছে। তবে প্রতিকূল আবহাওয়া এবং বিচ্ছিন্ন যোগাযোগব্যবস্থার কারণে উদ্ধারকারীদের ঘটনাস্থলে পৌঁছাতে প্রচণ্ড সমস্যার সম্মুখীন হতে হচ্ছে। সরকারের তরফ থেকে নদী তীরবর্তী নিচু এলাকাগুলির বাসিন্দাদের দ্রুত নিরাপদ আশ্রয়ে সরে যেতে বলা হয়েছে এবং উচ্চ সতর্কতা জারি করা হয়েছে। স্থানীয় প্রশাসন পরিস্থিতির ওপর সতর্ক নজর রাখছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, রাসুয়ায় স্থানীয়ভাবে ভারী বৃষ্টি হয়নি। উপগ্রহ চিত্র বলছে, তিব্বতের অংশে হওয়া অতিবৃষ্টির জলই নদী ধরে নেপালে ঢুকে এই তাণ্ডব চালিয়েছে। তবে কোনও হিমবাহ-হ্রদ ভেঙে এই বিপর্যয় কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।




