আগরতলা
রাজনীতি
ত্রিপুরা
আইন-আদালত
সর্বশেষ খবর
Sports News : ছোটদের লিটল মাস্টার আসরে অরুণাচলের জয় ছিনিয়ে নিলো বৃষ্টি।
স্পোর্টস ডেস্ক,২ মে।। নিশ্চিত জয় রুখে দিলো মুষলধারে বৃষ্টি। জয়ের জন্য দরকার ছিল মাত্র ১৩ রান। হাতে ছিল ৫ উইকেট । এই সময় শুরু হয় বৃষ্টি। আম্পায়াররা দীর্ঘ সময় অপেক্ষা…
Tripura News: ওএনজিসি থেকে রাজ্য র্যায়েলিটি পেয়েছে ১১৬ কোটি: প্রবীর ।
ডেস্ক রিপোর্টার, ২ মে।। পাঁচ রাজ্যের ভোট শেষ হতেই বাণিজ্যিক গ্যাস সিলিন্ডারের দাম এক লাফে বেড়ে গিয়েছে প্রায় হাজার টাকা। আশঙ্কা করা হচ্ছে আগামী ৪ মে পাঁচ রাজ্যের ভোটের ফলাফল…
Tripura News: সরকারি দপ্তরের ১১২টি পদে নিয়োগের সিদ্ধান্ত: সুশান্ত ।
ডেস্ক রিপোর্টার, ২ মে।। মুখ্যমন্ত্রীর পুরোহিত্যে শনিবার রাজ্য মন্ত্রিসভার বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এদিনকার কেবিনেট বৈঠকে ১১২ টি পদে নিয়োগের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। সিদ্ধান্তগুলির মধ্যে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে রাজ্যের বাসিন্দা যে…
Tripura News:পুঁজিবাদী দুনিয়া আজ গভীর সংকটে নিমজ্জিত: মানিক
বর্তমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতি তুলে ধরে মানিক দে বলেন, পুঁজিবাদী দুনিয়া আজ গভীর সংকটে নিমজ্জিত। ২০০৮ সালে যে বিশ্বব্যাপী অর্থনৈতিক মন্দা শুরু হয়েছিল, তা থেকে পুঁজিবাদী ব্যবস্থা আজও বেরিয়ে আসতে পারেনি।…
Tripura News: খোয়াই রুটে যাত্রীদের পকেট কাটছে যান বাহনের মালিকরা। সরব বাম যুব সংগঠন।
ডেস্ক রিপোর্টার, ২মে।। আগরতলা – খোয়াই – কমলপুর রুটে প্রতিদিন যাত্রীদের পকেট কাটছে বাস মালিকরা। যাত্রীদের উপর মর্জি মাফিক ভাড়া চাপিয়ে রীতিমত জুলুমবাজি শুরু করেছে। এর আগেও বেশ কয়েকবার ভাড়া…
দেশ
Tripura Politics: গোটা দেশ জুড়ে ঘোর সঙ্কটের মুখে পড়তে চলছে বামেরা। হাত ছাড়া হচ্ছে কেরল!
জাতীয় রাজনীতিতে যখন মেরুকরণ তীব্র, তখন কেরালার বিধানসভা নির্বাচন কি ভারতের বামপন্থীদের ভাগ্য বদলে দিতে পারে? আগরতলা থেকে দিল্লি—এই নির্বাচনী লড়াইয়ের রেশ কতটা পৌঁছাবে? এটাই এখন দেশীয় রাজনীতির আলোচনার কেন্দ্র বিন্দু।
ডেস্ক রিপোর্টার, ১ মে।।
ভারতে বর্তমানে বামপন্থীদের রাজনৈতিক অবস্থান কার্যত অস্তিত্ব রক্ষার লড়াইয়ে পরিণত হয়েছে। একসময় পশ্চিমবঙ্গ, ত্রিপুরা এবং কেরালা—এই তিন রাজ্যে শক্ত হাতে শাসন চালানো বামপন্থীরা এখন মূলত কেরালাতেই সীমাবদ্ধ।
এছাড়া সংসদীয় রাজনীতিতে লোকসভা ও রাজ্যসভায় বামপন্থীদের শক্তি আগের চেয়ে অনেক হ্রাস পেয়েছে। জাতীয় রাজনীতিতে ‘ইন্ডিয়া’ জোটের শরিক হলেও অনেক ক্ষেত্রে নিজেদের স্বতন্ত্র পরিচিতি বজায় রাখতে তারা চ্যালেঞ্জের মুখে বামপন্থীরা।তাছাড়া সাংগঠনিক অবস্থার দিকে নজর দিলে দেখা যায়। পশ্চিমবঙ্গ ও ত্রিপুরায় সংগঠন পুনর্গঠনের চেষ্টা চললেও, তরুণ প্রজন্মের কাছে পৌঁছাতে ডিজিটাল মাধ্যম ও সামাজিক ইস্যুগুলোকে হাতিয়ার করার চেষ্টা করছে বাম নেতৃত্ব।

কেরালা বিধানসভা নির্বাচন ২০২৬-এ বাম গণতান্ত্রিক ফ্রন্ট বা এলডিএফের-র জয় বা পরাজয় ভারতের রাজনীতির জন্য এক বড় বার্তা। যদি এলডিএফ টানা তৃতীয়বার ক্ষমতায় ফেরে করে অর্থাৎ হ্যাট্রিক করে, তবে তা হবে ভারতীয় বাম রাজনীতির এক ঐতিহাসিক পুনর্জন্ম। এটি প্রমাণ করবে যে জনকল্যাণমুখী মডেল দিয়ে উগ্র দক্ষিণপন্থী জাতীয়তাবাদকে রোখা সম্ভব।আর যদি কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন ইউডিএফ ক্ষমতায় ফেরে, তবে জাতীয় স্তরে বামপন্থীদের দরকষাকষির ক্ষমতা আরও কমে যাবে এবং বিরোধী জোটে তাদের প্রাসঙ্গিকতা পড়বে ঘোর সংকটে।

ত্রিপুরার বামপন্থীদের কাছে কেরালা হলো ‘আশার আলোকবর্তিকা’। কেরালায় জয় মানে ত্রিপুরার নিচুতলার কর্মীদের মধ্যে নতুন প্রাণের সঞ্চার হওয়া। এটি বার্তা দেবে যে বিজেপি-র বিরুদ্ধেও বিকল্প ধর্মনিরপেক্ষ শক্তি জয়ী হতে পারে।আর কেরালায় হারলে ত্রিপুরার বাম সংগঠন আরও রক্ষণাত্মক হয়ে পড়তে পারে এবং বিরোধী ভোট আরও বেশি বিজেপি,তিপ্রামথা বা কংগ্রেসের দিকে ঝোঁকার সম্ভাবনা তৈরি হবে। তাই ত্রিপুরার রাজনৈতিক সমীকরণে কেরালার লড়াই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ঘুরে দাঁড়াতে বামপন্থীদের কিছু নতুন কৌশল গ্রহণ করা জরুরি।প্রথমতঃ, প্রবীণ নেতৃত্বের বদলে স্বচ্ছ ভাবমূর্তির লড়াকু তরুণদের সামনে আনা। দ্বিতীয়ত,কেবল তত্ত্ব নির্ভর রাজনীতি নয়, স্থানীয় সমস্যা নিয়ে সরব হওয়া।তৃতীয়ত,অডিও-ভিজ্যুয়াল ও সোশ্যাল মিডিয়াকে ব্যবহার করে জনমানসে ইতিবাচক ভাবমূর্তি তৈরি করা।চতুর্থত,কেরালার স্বাস্থ্য ও শিক্ষা মডেলকে সারা ভারতের সামনে ‘সফল বিকল্প’ হিসেবে তুলে ধরা ইত্যাদি।

আগামী ৪ মে কেরালার রায় যা-ই হোক, ভারতের বহুত্ববাদী রাজনীতিতে বামপন্থীদের উপস্থিতি যে এক গুরুত্বপূর্ণ ভারসাম্য রক্ষা করে, তাতে কোনো সন্দেহ নেই। এখন দেখার, লাল দুর্গ কি নিজের মাটি রক্ষা করতে পারবে, নাকি দেশীয় রাজনীতির মানচিত্র থেকে আরও সংকুচিত হবে বামপন্থা?
বিদেশ
India – Bangladesh Relationship: বাংলাদেশ–ভারতের সম্পর্কের অগ্রগতি ধরে রাখতে শ্রদ্ধা ও বোঝাপড়া জরুরি: পাওয়ান
ভারপ্রাপ্ত এই হাইকমিশনার বলেন, পারস্পরিক আস্থা, সহযোগিতা এবং নিয়মিত সংলাপের মাধ্যমেই দুই দেশের সম্পর্ক নতুন উচ্চতায় পৌঁছাতে পারে। দুই দেশের জনগণের সঙ্গে যোগাযোগ বৃদ্ধি, সাংস্কৃতিক বিনিময় এবং তরুণ প্রজন্মের অংশগ্রহণ বাড়লে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরও শক্তিশালী হবে।
#সমীরণ রায়#
_________________
ঢাকা, ২ মে।।
সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশ-ভারতের সম্পর্কে ইতিবাচক অগ্রগতি হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকায় নিযুক্ত ভারতের ভারপ্রাপ্ত হাইকমিশনার পাওয়ান বঢ়ে। তিনি বলেছেন, এই অগ্রগতি ধরে রাখতে হলে পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও বোঝাপড়ার ভিত্তিতে সম্পর্ক এগিয়ে নেওয়া জরুরি।
দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরও জোরদার করার ওপর গুরুত্বারোপ করে পাওয়ান বঢ়ে বলেন, দুই দেশের মধ্যে সীমান্ত সহযোগিতা, অবকাঠামো উন্নয়ন এবং আঞ্চলিক সংযোগ বৃদ্ধিতে যৌথ উদ্যোগ ফলপ্রসূ হয়েছে।
শনিবার রাজধানীর উত্তরায় গ্যালারি কায়াতে একটি প্রদর্শনীর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে দেওয়া প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। সমসাময়িক শিল্পচর্চায় নতুন মাত্রা যুক্ত করতে শিল্পী রনজিৎ দাসের ৬৫টি ছবি নিয়ে শুরু হয়েছে এই একক শিল্প প্রদর্শনী।
ভারপ্রাপ্ত এই হাইকমিশনার বলেন, পারস্পরিক আস্থা, সহযোগিতা এবং নিয়মিত সংলাপের মাধ্যমেই দুই দেশের সম্পর্ক নতুন উচ্চতায় পৌঁছাতে পারে। দুই দেশের জনগণের সঙ্গে যোগাযোগ বৃদ্ধি, সাংস্কৃতিক বিনিময় এবং তরুণ প্রজন্মের অংশগ্রহণ বাড়লে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরও শক্তিশালী হবে। এ ক্ষেত্রে গণমাধ্যম, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং বেসরকারি খাত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে বলে উল্লেখ করেন তিনি।
বাংলাদেশের উন্নয়ন-অগ্রযাত্রার প্রশংসা করে পাওয়ান বঢ়ে বলেন, এই অগ্রগতিতে ভারত বাংলাদেশের পাশে থাকতে চায়। উভয় দেশের যৌথ উদ্যোগ দক্ষিণ এশিয়ায় স্থিতিশীলতা ও সমৃদ্ধি নিশ্চিত করতে সহায়ক হবে বলেও তিনি আশা প্রকাশ করেন।
বর্তমান বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে আঞ্চলিক সহযোগিতা আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে উল্লেখ করে ভারপ্রাপ্ত হাইকমিশনার বলেন, সে জন্য বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে আরও কার্যকর ও টেকসই করতে সব পক্ষকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে।
দুই দেশের সম্পর্ক কেবল ভৌগোলিক অবস্থানের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয় বলে মনে করিয়ে পাওয়ান বঢ়ে বলেন, বাংলাদেশ-ভারতের ইতিহাস, সংস্কৃতি এবং মানুষের আন্তসম্পর্ক এই বন্ধনকে আরও গভীর করেছে। এই ভিত্তির ওপর দাঁড়িয়ে ভবিষ্যতে বাণিজ্য, বিনিয়োগ, জ্বালানি, যোগাযোগ এবং শিক্ষা খাতে সহযোগিতা বাড়ানোর ব্যাপারে উভয় দেশ কাজ করছে।
প্রদর্শনীর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন বেঙ্গল ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান আবুল খায়ের লিটু। তিনি বলেন, এই আয়োজন কেবল শিল্পকর্ম প্রদর্শনের জন্য নয়, বরং শিল্পী ও দর্শকের মধ্যে ভাবের আদান-প্রদানের একটি গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম। এ ধরনের আয়োজন ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে এবং দেশের শিল্পচর্চাকে আরও এগিয়ে নিয়ে যাবে বলে আশা প্রকাশ তিনি।
শিল্পী রনজিৎ দাসের শিল্পকর্ম প্রসঙ্গে গ্যালারি কায়ার পরিচালক শিল্পী গৌতম চক্রবর্তী বলেন, এটি একটি স্বতন্ত্র অঙ্কনধারা, যেখানে সরল রেখা ও ফাঁকা স্থানকে কাজে লাগিয়ে গভীর অনুভূতি প্রকাশ করা হয়। কখনো একটি তুলির আঁচড়ই বিশাল শূন্যতাকে অর্থবহ করে তোলে। শিল্পী সম্পর্কে তিনি বলেন, সমকালীন বাংলাদেশের শিল্পভুবনে তিনি একটি শক্তিশালী উপস্থিতি।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে শিল্পী রনজিৎ দাস বলেন, দেশের বিভিন্ন স্থানে ভ্রমণ এবং পাহাড়-প্রকৃতির সংস্পর্শ তাঁর কাজকে আরও সমৃদ্ধ করেছে। এই অভিজ্ঞতাগুলোই তাঁর শিল্পে প্রতিফলিত হচ্ছে।
‘কাঠি ড্রয়িংস অ্যান্ড আদার্স’ শীর্ষক এই প্রদর্শনী প্রতিদিন বেলা সাড়ে ১১টায় শুরু হয়ে চলবে রাত ৮টা পর্যন্ত। প্রদর্শনীটি সবার জন্য উন্মুক্ত। প্রদর্শনীতে জলরং, মিশ্রমাধ্যম, কালি ও চারকোলে আঁকা এসব ছবির পাশাপাশি রয়েছে ২৯টি ছবির ‘ফোলিং’ নামক একটি পোর্টফলিও।

">
পরিস্থিতি নিয়ে পিকে’র টিম
“অতিথি দেব ভব”: মুখ্যমন্ত্রী">
রাত ভর হোটেলে আটক পিকে’র টিম। উত্তেজনা বাড়ছে দেশের রাজধানী দিল্লিতে।">
">
">
">
">



">
নিরাপত্তা।">