আগরতলা
অপরাধ
আইন-আদালত
সর্বশেষ খবর
Karnatak Congress: মুখ্যমন্ত্রী পদ থেকে ইস্তফা সিদ্দারামাইয়ার। নতুন মুখ্যমন্ত্রী শিবকুমার!
মুখ্যমন্ত্রী পদ ছাড়ার পর সিদ্দারামাইয়াকে দিল্লিতে এনে পুনর্বাসন দেওয়ার চেষ্টা করেছিল কংগ্রেস হাইকমান্ড। তাঁকে রাজ্যসভার সাংসদ করার প্রস্তাবও দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু বর্ষীয়ান এই কংগ্রেস নেতা হাই – কমান্ডের প্রস্তাব ফিরিয়ে…
Tripura News: রাজ্যের সমস্ত অংশের মানুষকে সঙ্গে নিয়ে কাজ করতে চাই: অভিষেক
প্রদেশ বিজেপির নতুন সভাপতি অভিষেক দেবরায় আগরতলা এমবিবি বিমান বন্দরে এসে বলেন, ” দলের আদর্শকে মেনে রাজ্যের সমস্ত অংশের মানুষকে সঙ্গে নিয়ে তিনি কাজ করতে চান।” ডেস্ক রিপোর্টার, ২৮ মে।।…
Tripura News: রাজ্যেও যথাযথ মর্যাদায় পালিত হলো ইসলাম ধর্মাবলম্বীদের পবিত্র ঈদুজ্জোহা।
ডেস্ক রিপোর্টার, ২৮ মে।। আজ পবিত্র ঈদুজ্জোহা তথা ঈদুল আজহা। ত্যাগ ও উৎসর্গের মহিমায় উজ্জীবিত হয়ে সারা দেশের সঙ্গে সঙ্গে রাজ্যেও ধর্মপ্রাণ মুসলিম সম্প্রদায় যথাযথ মর্যাদা ও ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য…
Tripura Politics: প্রদেশ বিজেপির নতুন সভাপতি মাতাবাড়ি কেন্দ্রের বিধায়ক অভিষেক দেবরায়।
বিজেপির বিদায়ী সভাপতি রাজীব ভট্টাচার্য্যের উত্তরসূরী অভিষেক দেবরায় গোমতী জেলার কাকড়াবনের বাসিন্দা। ৪৪ বছর বয়সী অভিষেক ২০২০ সালে কর্ণাটকের রাজীব গান্ধী স্বাস্থ্য বিজ্ঞান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ফার্মেসিতে স্নাতক ডিগ্রি সম্পন্ন করেন।…
Tripura News: ভোট ময়দানে আইনজীবীরা। দখল মনোনয়ন পত্র। উত্তেজনা আদালতে।
ডেস্ক রিপোর্টার, ২৭ মে।। আগামী ১৩ জুন অনুষ্ঠিত হতে চলেছে আগরতলা বার অ্যাসোসিয়েশনের বহু প্রতীক্ষিত নির্বাচন। ইতিমধ্যেই নির্বাচনী পারদ চড়তে শুরু করেছে আদালত চত্বরে। যুযুধান দুই প্রধান শিবির— ‘সংবিধান বাঁচাও…
দেশ
Karnatak Congress: মুখ্যমন্ত্রী পদ থেকে ইস্তফা সিদ্দারামাইয়ার। নতুন মুখ্যমন্ত্রী শিবকুমার!
মুখ্যমন্ত্রী পদ ছাড়ার পর সিদ্দারামাইয়াকে দিল্লিতে এনে পুনর্বাসন দেওয়ার চেষ্টা করেছিল কংগ্রেস হাইকমান্ড। তাঁকে রাজ্যসভার সাংসদ করার প্রস্তাবও দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু বর্ষীয়ান এই কংগ্রেস নেতা হাই – কমান্ডের প্রস্তাব ফিরিয়ে দিয়েছেন। আর তাঁর এই সিদ্ধান্তেই নতুন করে জল্পনা তৈরি হয়েছে রাজনৈতিক অলিন্দে।
ডেস্ক রিপোর্টার , ২৮ মে ।।
কর্নাটকের রাজনীতিতে বিরাট রদবদল। শেষ পর্যন্ত প্রত্যাশিত ভাবেই ইস্তফা দিলেন মুখ্যমন্ত্রী সিদ্দারামাইয়া। তাঁর জায়গায় দক্ষিণের এই রাজ্যের পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রী হতে চলেছেন কংগ্রেসের’ ক্রাইসিস ম্যানেজার হিসেবে পরিচিত ডিকে শিবকুমার।বৃহস্পতিবার কর্ণাটকের লোক ভবনে রাজ্যপালের সচিবের হাতে ইস্তফা পত্র তুলে দিয়েছেন সিদ্দারামাইয়া। বেশ কিছু দিন ধরে চলা টানাপোড়েনের পর অবশেষে দাক্ষিণাত্যের এই রাজ্যে হাত শিবিরে শতাব্দী প্রাচীন ক্ষমতার হস্তান্তর প্রক্রিয়া সম্পন্ন হতে চলেছে।
প্রসঙ্গত, ২০২৩ সালের বিধানসভা নির্বাচনের পর থেকেই সিদ্দারামাইয়া এবং ডিকে শিবকুমারের মধ্যে মুখ্যমন্ত্রী পদ নিয়ে দড়ি টানাটানি চলছিল। সেই সময় হাইকমান্ডের হস্তক্ষেপে রফাসূত্র মিলেছিল। রাজনৈতিক মহলের ধারণা, আড়াই বছর করে ক্ষমতা ভাগাভাগির যে অলিখিত ‘৫০:৫০ ফর্মুলা’ দিল্লি তৈরি করেছিল, এটি তারই প্রতিফলন।
এদিকে মুখ্যমন্ত্রী পদ ছাড়ার পর সিদ্দারামাইয়াকে দিল্লিতে এনে পুনর্বাসন দেওয়ার চেষ্টা করেছিল কংগ্রেস হাইকমান্ড। তাঁকে রাজ্যসভার সাংসদ করার প্রস্তাবও দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু বর্ষীয়ান এই কংগ্রেস নেতা হাই – কমান্ডের প্রস্তাব ফিরিয়ে দিয়েছেন। আর তাঁর এই সিদ্ধান্তেই নতুন করে জল্পনা তৈরি হয়েছে রাজনৈতিক অলিন্দে।
রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের মতে,রাজ্যসভার প্রস্তাব ফিরিয়ে সিদ্দারামাইয়া বুঝিয়ে দিলেন, তিনি দিল্লির রাজনীতিতে যেতে অনিচ্ছুক। কর্ণাটকের রাজ্য রাজনীতিতেই নিজের রাশ বজায় রাখতে চান তিনি। এর ফলে আগামী দিনে শিবকুমার সরকারের ওপর তাঁর কতটা নিয়ন্ত্রণ থাকবে, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।
কংগ্রেস সূত্রে খবর, দ্রুতই বিধায়ক দলের বৈঠক ডেকে ডিকে শিবকুমারকে আনুষ্ঠানিকভাবে দলনেতা নির্বাচন করা হবে। তার পরেই রাজ্যপালের কাছে সরকার গঠনের দাবি জানাবেন তিনি। সব ঠিক থাকলে চলতি সপ্তাহের শেষেই মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিতে পারেন ডিকে শিবকুমার। তবে লোকসভা নির্বাচনের পর কর্ণাটকের এই মেগা রদবদল জাতীয় রাজনীতিতেও কংগ্রেসের অভ্যন্তরীণ সমীকরণকে কতটা প্রভাবিত করে, এখন তাই দেখার।
বিদেশ
Bangladesh News: আরও বেশি আশাবাদী হয়ে বাংলাদেশ ত্যাগ করছি: প্রণয় ভার্মা
প্রণয় ভার্মা আরও বলেন, বাংলাদেশে কাজ করতে গিয়ে আমি উপলব্ধি করেছি যে, আমাদের সম্পর্কগুলো কতটা বিশেষ ও অনন্য। এক স্তরে, আমরা অভিন্ন ভূগোল, ইতিহাস, ভাষা ও ঐতিহ্যের মাধ্যমে সংযুক্ত। অন্য দিকে, আমাদের মধ্যে এমন এক সাংস্কৃতিক ঘনিষ্ঠতা ও সহমর্মিতা রয়েছে, যা অন্য যেকোনো দুটি সমাজের মধ্যে বিরল।
#সমীরণ রায়#
________________
ঢাকা ডেস্ক, ২৫ মে।।
বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মা বলেছেন, দুই দেশের ভবিষ্যৎ নিয়ে আমি আরও বেশি আশাবাদী হয়ে বাংলাদেশ ত্যাগ করছি।রোববার ভারতের হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মা এক বিদায়ী বার্তায় একথা বলেন।
তিনি বলেন, বাংলাদেশ ছেড়ে বেলজিয়াম ও ইউরোপীয় ইউনিয়নে ভারতের রাষ্ট্রদূত হিসেবে আমার পরবর্তী দায়িত্বে যোগদানের প্রাক্কালে আমার মনে অনেকগুলি ভাবনার সমাগম ঘটেছে। আমরা প্রায় চার বছর ধরে ঢাকায় অবস্থান করেছি, যা প্রচলিত তিন বছর মেয়াদকালের চেয়ে দীর্ঘ। এই সময়কালে আমরা একাধিক পরিবর্তন প্রত্যক্ষ করেছি, যার প্রত্যেকটি একে অপরের থেকে পৃথক। প্রতিটিরই রয়েছে নতুন একদল করে অংশীজন, যাদের ভারতের সাথে সম্পর্কের বিষয়ে রয়েছে নিজস্ব দৃষ্টিভঙ্গি।
কখনও কখনও এটি ছিল বন্ধুর। কিন্তু পেছনে ফিরে তাকালে মনে হয়, এটি অত্যন্ত সমৃদ্ধ ও ফলপ্রসূ একটি অভিজ্ঞতাও ছিল। আমি ও আমার স্ত্রী মনু এখান থেকে অনেক অবিস্মরণীয় স্মৃতি সঙ্গে নিয়ে যাব। অনেক মানুষ অসাধারণভাবে আমাদের জীবনকে স্পর্শ করেছেন, গড়ে তুলেছেন এমন বন্ধুত্বের বন্ধন, যা কূটনীতিবিদ হিসেবে এই দেশের সাথে সংযোগের পরিসর অতিক্রম করে অনেক বেশি স্থায়ী হবে।”
প্রণয় ভার্মা আরও বলেন, বাংলাদেশে কাজ করতে গিয়ে আমি উপলব্ধি করেছি যে, আমাদের সম্পর্কগুলো কতটা বিশেষ ও অনন্য। এক স্তরে, আমরা অভিন্ন ভূগোল, ইতিহাস, ভাষা ও ঐতিহ্যের মাধ্যমে সংযুক্ত। অন্য দিকে, আমাদের মধ্যে এমন এক সাংস্কৃতিক ঘনিষ্ঠতা ও সহমর্মিতা রয়েছে, যা অন্য যেকোনো দুটি সমাজের মধ্যে বিরল। আরও গভীর পর্যায়ে, ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে আমাদের সম্মিলিত আত্মত্যাগের মাধ্যমে আমরা আবেগের বন্ধনে আবদ্ধ। আমাদের সম্পর্কটি তাৎপর্যপূর্ণ পারস্পরিক নির্ভরশীলতা ও আন্তঃসংযোগের। একটি সমৃদ্ধ বাংলাদেশ যেমন ভারতের জন্য কাম্য, তেমনই একটি সমৃদ্ধ ভারতও বাংলাদেশের জন্য কাম্য।
ভারতীয় হাইকমিশনার বলেন, “আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি যে, আমাদের সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও আবেগগত সংযোগের এই বাস্তবতা এবং পারস্পরিক নির্ভরশীলতা ও পারস্পরিক কল্যাণের এই যুক্তিই আমাদের সম্পর্কটিকে অব্যাহতভাবে পথনির্দেশনা প্রদান করবে এবং সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাবে।
বাংলাদেশের জন্মের পর বিগত ৫৫ বছরে ভারত ও বাংলাদেশ উভয়ই অনেকটা পথ পাড়ি দিয়েছে। আমরা উভয়ই আগের যেকোনো সময়ের তুলনায় আরও বেশি সক্ষম, আত্মবিশ্বাসী, সংযুক্ত এবং উচ্চাকাঙ্ক্ষী সমাজে পরিণত হয়েছি। আমরা উভয়েই আমাদের অভিন্ন এই অঞ্চলের শান্তি, স্থিতিশীলতা ও উন্নয়নের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অংশীজন। জলবায়ু পরিবর্তন ও পরিবেশগত স্থায়িত্বের মতো অভিন্ন প্রতিবন্ধকতাসমূহ মোকাবিলা করার ক্ষেত্রে আমাদের দুই দেশের মধ্যে সহযোগিতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই অঞ্চলের দুটি বৃহত্তম অর্থনীতি হিসেবে, আমাদের উভয়কেই এই অঞ্চলে আরও ঘনিষ্ঠ সমন্বয়ের লক্ষ্যে মূল ভিত্তি হিসেবে কাজ করতে হবে। আজ আমরা আমাদের অতীতের তুলনায় অনেকাংশেই আলাদা হওয়ার কারণে আমি আরও বিশ্বাস করি যে, আমাদের সম্পৃক্ততার জন্য ভবিষ্যৎ-কেন্দ্রিক নতুন একটি কর্মসূচি প্রয়োজন। এমন একটি কর্মসূচি যা আমাদের নতুন সক্ষমতাসমূহ, নতুন লক্ষ্যসমূহ ও নতুন জাতীয় উন্নয়ন অগ্রাধিকারসমূহের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। এমন একটি কর্মসূচি যা আমাদের সুদৃঢ় সাংস্কৃতিক ও অর্থনৈতিক সংযোগের মাধ্যমে পরিচালিত। এবং এমন একটি কর্মসূচি যা পারস্পরিক আগ্রহ, পারস্পরিক কল্যাণ ও পারস্পরিক শ্রদ্ধার ওপর ভিত্তি করে গঠিত।”
তিনি বলেন, দ্রুত বিকাশমান দুটি দেশ হিসেবে আমাদের ভৌগোলিক নৈকট্য আমাদের উভয়ের জন্যই একটি সম্পদ, কোনো দায় নয়। এই নৈকট্যকে উভয়ের জন্য নতুন সুযোগে রূপান্তরিত করার লক্ষ্যে আমাদেরকে অবশ্যই নিরন্তর প্রয়াস চালিয়ে যেতে হবে। আমি আশাবাদী যে, ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কের সকল শুভানুধ্যায়ী এই অভিন্ন স্বপ্নকে গড়ে তোলা ও এটার বাস্তবায়নের লক্ষ্যে একত্রিত হবেন। দুই দেশের ভবিষ্যৎ নিয়ে আমি আরও বেশি আশাবাদী হয়ে বাংলাদেশ ত্যাগ করছি।
বিদায়ী হাইকমিশনার বলেন, “চার বছর অনেক দীর্ঘ সময় হলেও এই দেশ ও তার মানুষের প্রতি আমাদের যে স্নেহার্দ্রতা ও আবেগীয় টান গড়ে উঠেছে, তার জন্য এই সময়কাল অপ্রতুল। নানা উত্থান-পতন সত্ত্বেও, কেবলমাত্র এখানে গড়ে ওঠা অসাধারণ বন্ধুত্ব এবং সমগ্র দেশের মানুষের কাছ থেকে পাওয়া উষ্ণতা ও স্নেহের কারণে বাংলাদেশে আমাদের কাটানো এই সময়টি আমার ও আমার স্ত্রীর কাছে সবচেয়ে প্রিয় পর্যায় হিসেবে স্মৃতিতে অমলিন হয়ে থাকবে। বাংলাদেশের প্রায় সকল স্তরের এমন বহু সদয় ও সুহৃদ বন্ধু, যারা আমাদের হৃদয়কে গভীরভাবে স্পর্শ করেছেন, তাদের সঙ্গে যোগাযোগ বজায় রাখার প্রত্যাশা করছি। আমরা আশা করি, আমাদের পথ আবার কখনও, কোনো এক সময়, কোনো এক স্থানে মিলিত হবে! সেই পর্যন্ত, আমি শুধু এটাই বলতে চাই—আবার দেখা হবে।



