আগরতলা
আইন-আদালত
সর্বশেষ খবর
Under 19 World Cup : জিম্বাবোয়েতে বৈভব সুনামিতে ইংরেজ বধ। বিশ্বকাপ ঘরে আনলো ভারতের ছোটরা। ম্যাচ ও টুর্নামেন্ট সেরা সূর্যবংশী।
চাপ কাটিয়ে ভারতের যুব রান মেশিন ভৈবব ঝড় তুলে বাইশ গজে। তাকে যোগ্য সঙ্গ দেয় আয়ুষ।বৈভব সূর্যবংশী ৮০ বলে ১৭৫ রান করে।ম্যাচে ৫৫ বলে শতরান করেন বিহারের ১৪ বছর বয়সী…
Bangladesh News: হাদি হত্যার তদন্ত জাতিসংঘের কাছে সপে দেওয়ার দাবিতে উত্তাল ঢাকা।পুলিশের গ্রেনেড-টিয়ারশেল নিক্ষেপ, আহত অর্ধশত।
শরীফ ওসমান হাদি হত্যার বিচার ও জাতিসংঘের অধীনে তদন্তের দাবিতে বিকাল থেকেই উত্তাল ছিল শাহবাগ ও ইন্টারকন্টিনেন্টাল মোড় এলাকা। বিকালে প্রথম দফা সংঘর্ষের পর সন্ধ্যায় নেতাকর্মীরা পুনরায় শাহবাগ মোড়ে অবস্থান…
AAP Leader Mur@der@ed: হিন্দি সিনেমার কায়দায় পাঞ্জাবে চলন্ত থা’রে খু*ন আপ নেতা।
লাকি ওবেরয় রোজ সকালে গুরুদ্বারে যেতেন।শুক্রবার সকালেও নিজের থার গাড়ি করে গুরুদ্বারের সামনে যান। গাড়ি পার্কিংয়ের সময় রাস্তায় দুই দিক থেকে মোটর সাইকেলে আসা আততায়ীরা তাকে লক্ষ্য করে ঝাঁকে ঝাঁকে…
India – Bangladesh Relationship : ভারত – বাংলাদেশে সম্পর্ক নিয়ে হাটে হাড়ি ভাঙলেন ইউনূসের বিদায়ী বিদেশ উপদেষ্টা তৌহিদ
ইউনুস জমানায় ভারত এবং বাংলাদেশের মধ্যে সম্পর্কের অবনতি নিয়ে তৌহিদ বলেন, ‘নানা কারণে অন্তর্বর্তী সরকারের সময় দুই দেশের সম্পর্ক খুব একটা মসৃণ ছিল না। তবে এই সরকারের উত্তরসূরি হয়ে যে…
Tripura ILS Hospital News: রোগী মৃত্যুর কারখানা আইএলএস! নিজেদের ভারাটে গুণ্ডাদের দিয়ে পেটালেন রোগীর পরিবারের সদস্যদের।
ডেস্ক রিপোর্টার, ৫ ফেব্রুয়ারি।। রোগী মৃত্যুর কারখানা রাজ্যের রেফারেল হাসপাতাল “আইএলএস’! হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় এক রোগীর মৃ*ত্যু হওয়ার পর নানান ছলনা করে মৃতদেহ আটকে রেখেছে আইএলএস কর্তৃপক্ষ। কৃত্রিম উপায়ে রোগীর…
দেশ
Under 19 World Cup : জিম্বাবোয়েতে বৈভব সুনামিতে ইংরেজ বধ। বিশ্বকাপ ঘরে আনলো ভারতের ছোটরা। ম্যাচ ও টুর্নামেন্ট সেরা সূর্যবংশী।
চাপ কাটিয়ে ভারতের যুব রান মেশিন ভৈবব ঝড় তুলে বাইশ গজে। তাকে যোগ্য সঙ্গ দেয় আয়ুষ।বৈভব সূর্যবংশী ৮০ বলে ১৭৫ রান করে।ম্যাচে ৫৫ বলে শতরান করেন বিহারের ১৪ বছর বয়সী বৈভব। তার ইনিংস সাজানো ছিলো ১৫টি বাউন্ডারি ও ১৫টি ওভার বাউন্ডারি দিয়ে।
স্পোর্টস ডেস্ক, ৬ ফেব্রুয়ারি।।
২৬- র টি-২০ বিশ্বকাপ শুরুর ঠিক আগের রাতে ভারতের ঘরে এলো আরও এক ‘বিশ্বকাপ’। শেষ বছর দেশের মহিলা ক্রিকেট টিমের বিশ্বকাপ জয়ের পর এবার বিশ্বকাপ দেশে আনল বয়েজ ইন ব্লু’রা।
শুক্রবার জিম্বাবোয়ের বুলাওয়েতে অনূর্ধ্ব -১৯ বিশ্বকাপ ক্রিকেটের ফাইনাল ম্যাচে বৈভব সূর্যবংশীর “ঘাতক” ব্যাটিংয়ে ইংরেজদের ১০০ রানে পরাজিত করে ভারত। এদিন টসে জয়ী হয়ে প্রথম ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেয় আয়ুষ মাহত্রের ভারত। ভৈবব সূর্যবংশী ও জর্জ অ্যারন ভারতের ইনিংস শুরু করে। কিন্তু সেমি ফাইনালের সেঞ্চুরি করা অ্যারনের উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় ভারত। ক্রিজে নামে অধিনায়ক আয়ুষ মাহত্র। চাপ কাটিয়ে ভারতের যুব রান মেশিন ভৈবব ঝড় তুলে বাইশ গজে। তাকে যোগ্য সঙ্গ দেয় আয়ুষ।বৈভব সূর্যবংশী ৮০ বলে ১৭৫ রান করে।ম্যাচে ৫৫ বলে শতরান করেন বিহারের ১৪ বছর বয়সী বৈভব। তার ইনিংস সাজানো ছিলো ১৫টি বাউন্ডারি ও ১৫টি ওভার বাউন্ডারি দিয়ে। অধিনায়ক আয়ুষ করে ৫৩। বৈভব সুনামিতে হাড়-গুড় ভেঙে যায় ব্রিটিশ বোলিং লাইন আপ। শেষ পর্যন্ত ভারত ৫০ ওভারে ৪১১ রানের দানবীয় স্কোর করে।

পাহাড় সমান রান তাড়া করতে গিয়ে যা হওয়ার কথা ছিলো, তাই হয়েছে। পাঁচ ওভারে প্রথম উইকেট খুইয়ে বসে ইংল্যান্ড। ফিরে যান জোফেফ মুর্স। এরপর ইংল্যান্ডের হয়ে বেন মায়েস ইনিংস এগিয়ে নিতে থাকেন। দলীয় ১৪তম ওভারে তাঁর উইকেট পড়ে। এরপর ইংল্যান্ডের স্কোরবোর্ডে যখন ১৪২ রান তখন ১৮ তম ওভারে রিউকে ফেরান কনিষ্ক চৌহান। এরপর ক্রমাগত ‘ইন্টারভেলে’ পর পর উইকেট খোয়াতে থাকে ইংরেজ ব্যাটাররা। একটা সময় ২২ ওভারে ১৭৭ রানে ৭ উইকেট পড়ে যায় ইংল্যান্ডের। ইংরেজদের ইনিংস কিছুটা এগিয়ে নিয়ে যায় ক্যালেব ফল্কনার। সম্পন্ন করে নিজের সেঞ্চুরি। তবে দলকে নিশ্চিত হার থেকে বাঁচাতে পারে নি।ইংল্যান্ডের ইনিংসের দাড়ি টানে ৩১১ রানে।

ফাইনালে ম্যান অফ দ্যা ম্যাচ হয়েছে ভারতীয় ক্রিকেটের বিষ্ময় বালক ভৈবব সূর্যবংশী। ম্যান অফ দ্যা টুর্নামেন্টের ট্রফিও গিয়েছে ভৈববের দখলেই।

ফাইনালের ১৭৫ রানের দুর্দান্ত ইনিংসের মধ্য দিয়ে ভৈবব বেশ কয়েকটি রেকর্ডও তৈরি করেছে বিশ্ব ক্রিকেটে। এই জয়ের ফলে অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ ক্রিকেটে ভারত টানা ষষ্ঠবার চ্যাম্পিয়ন হয়েছে।
বিদেশ
Bangladesh News: হাদি হত্যার তদন্ত জাতিসংঘের কাছে সপে দেওয়ার দাবিতে উত্তাল ঢাকা।পুলিশের গ্রেনেড-টিয়ারশেল নিক্ষেপ, আহত অর্ধশত।
শরীফ ওসমান হাদি হত্যার বিচার ও জাতিসংঘের অধীনে তদন্তের দাবিতে বিকাল থেকেই উত্তাল ছিল শাহবাগ ও ইন্টারকন্টিনেন্টাল মোড় এলাকা। বিকালে প্রথম দফা সংঘর্ষের পর সন্ধ্যায় নেতাকর্মীরা পুনরায় শাহবাগ মোড়ে অবস্থান নেন। পুলিশ তাদের রাস্তা ছেড়ে দেওয়ার অনুরোধ করলে দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।
#সমীরণ রায়#
_______________
ঢাকা,৬ ফেব্রুয়ারি।।
শরিফ ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ডের তদন্ত জাতিসংঘের অধীনে করার দাবিতে এবং বাংলাদেশের ঢাকার শাহবাগে আন্দোলনরতদের ওপর হামলার প্রতিবাদে চলা বিক্ষোভকে ঘিরে এলাকায় ফের তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়েছে। সেখানে নকিলাব মঞ্চের নেতাকর্মীদের সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। তাদের ছত্রভঙ্গ করতে সাউন্ড গ্রেনেড ও টিয়ার শেল ছুড়েছে পুলিশ। এতে রণক্ষেত্রে পরিণত হয়েছে শাহবাগ মোড় ও আশপাশের এলাকা। এতে অন্তত অর্ধশত আহত ইনকিলাব মঞ্চের নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। এ ঘটনায় ঢাকা-১৮ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী মহিউদ্দিন রনিও আহত হয়েছেন।
শুক্রবার সন্ধ্যা ৭টা ৫০ মিনিটের দিকে শাহবাগ মোড়ে অবস্থান নিয়ে আন্দোলনরত ইনকিলাব মঞ্চের নেতাকর্মীদের সরাতে গেলে এই সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়।
রাত সাড়ে ৯টা পর্যন্ত তারা শাহবাগে অবস্থান করছিলেন। তবে এসময় সংগঠনটির নেতাকর্মীরা ‘হাদি তোমায় দেখা যায়, ইনকিলাবের পতাকায়’, ‘কে বলেরে হাদি নাই, হাদি সারা বাংলায়’, ‘এক হাদি লোকান্তরে, লক্ষ হাদি ঘরে ঘরে’, তুমি কে আমি কে, হাদি-হাদি’, ‘তুমি কে আমি কে, জাবির জাবির’, বাংলাদেশের জনগণ, নেমে আসুন-নেমে পড়ুন’ সহ নানা স্লোগান দেয়।

শরীফ ওসমান হাদি হত্যার বিচার ও জাতিসংঘের অধীনে তদন্তের দাবিতে বিকাল থেকেই উত্তাল ছিল শাহবাগ ও ইন্টারকন্টিনেন্টাল মোড় এলাকা। বিকালে প্রথম দফা সংঘর্ষের পর সন্ধ্যায় নেতাকর্মীরা পুনরায় শাহবাগ মোড়ে অবস্থান নেন। পুলিশ তাদের রাস্তা ছেড়ে দেওয়ার অনুরোধ করলে দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। একপর্যায়ে পুলিশ লাঠিচার্জ শুরু করলে আন্দোলনকারীরাও ইটপাটকেল ছোড়ে। পরে পুলিশ টিয়ারশেল ও সাউন্ড গ্রেনেড ছুড়ে এলাকাটি নিয়ন্ত্রণে নেয়। এতে ইনকিলাব মঞ্চের বেশ কয়েকজন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন বলে সংগঠনটির পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে। সংগঠনটির সদস্য সচিব আব্দুল্লাহ আল জাবের ও রাকসুর জিএস আম্মারসহ অনেক আন্দোলনকারী আহত হয়েছেন।
ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ (পরিদর্শক) মো. ফারুক জানান, হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল ও শাহবাগ এলাকা থেকে ইনকিলাব মঞ্চের প্রায় ৪০ জন নেতাকর্মী আহত হয়ে হাসপাতালে এসেছেন। জরুরি বিভাগে তাদের চিকিৎসা চলছে।” আহতদের মধ্যে ঢাকা-১৮ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী মহিউদ্দিন রনিও রয়েছেন বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে।
বিকাল সাড়ে ৪টার দিকে প্রথম দফার সংঘর্ষের পর ইনকিলাব মঞ্চের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে জানানো হয়, তাদের সদস্য সচিব আবদুল্লাহ আল জাবের গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। এছাড়া ডাকসু নেত্রী ফাতেমা তাসনিম জুমা ও শান্তা আক্তারকে পুলিশি নির্যাতনের শিকার হতে হয়েছে বলে দাবি করা হয়। পোস্টে আপাতত বড় জমায়েত না করে আহতদের চিকিৎসার দিকে নজর দেওয়ার জন্য কর্মীদের প্রতি আহ্বান জানানো হয়। তবে আহতদের চিকিৎসা দিয়ে আবারও রাজপথে আসার কথাও জানান তারা।
এর আগে জুমার নামাজের পর শাহবাগ থেকে প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন যমুনা অভিমুখে পদযাত্রা শুরু করেন ইনকিলাব মঞ্চের কর্মীরা। ইন্টারকন্টিনেন্টাল মোড়ে পুলিশের ব্যারিকেড ভেঙে সামনে এগোতে চাইলে জলকামান ও টিয়ারগ্যাস ব্যবহার করে পুলিশ তাদের ছত্রভঙ্গ করে দেয়। দিনের এই ধারাবাহিক সংঘর্ষে পুরো শাহবাগ এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত হয়। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত শাহবাগ এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছিল।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, হাদি হত্যার তদন্ত জাতিসংঘের তদন্ত সংস্থার কাছে হস্তান্তরের দাবিতে এবং আন্দোলনরতদের ওপর হামলার প্রতিবাদে শাহবাগে বিক্ষোভ চলছিল। আন্দোলনকারীদের একটি অংশ শাহবাগ থেকে প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন যমুনার দিকে যেতে চাইলে তাদের ছত্রভঙ্গ করতে সাউন্ড গ্রেনেড ও টিয়ার শেল নিক্ষেপ করে পুলিশ। এসময় ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া শুরু হয়।
প্রত্যক্ষদর্শীরা আরও জানান, ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শহীদ শরিফ ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ডের তদন্ত জাতিসংঘের অধীনে করার দাবিতে এবং হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের বিচারের দাবিতে ইনকিলাব মঞ্চের নেতা-কর্মীরা ইন্টারকন্টিনেন্টাল মোড়ে বিক্ষোভ করছিলেন। তারা বিকেল ৪টার দিকে সেখান থেকে যমুনার দিকে অগ্রসর হতে চাইলে পুলিশের ব্যারিকেডের মুখে পড়েন। এ সময় ব্যারিকেড ভেঙে তারা অগ্রসর হওয়ার চেষ্টা করলে পুলিশ ইনকিলাব মঞ্চের নেতাকর্মীদের ছত্রভঙ্গ করতে লাঠিচার্জ ও টিয়ারশেল নিক্ষেপ করে।
ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতাল থেকে জানা যায়, সংঘর্ষে আহত হয়ে অনেকে হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন। যারা চিকিৎসা নিয়েছেন, তারা হলেন ইনকিলাব মঞ্চের সদস্য সচিব আব্দুল্লাহ আল জাবের, ডাকসুর নেত্রী ফাতেমা তাসনিম ঝুমা, রাকসুর নেতা সালাউদ্দিন আম্মার, মনির, ফয়সাল, জয়, জুলকার, মোশাররফ, নিলয়, অনিক, উমর, রাহাত, রাসেল, আহাদ, মাহিন, আজাদ, শামিম, সোহেল, শাওন, জাবেদ ও শামিম। বিকেল সোয়া ৪টার দিকে ইনকিলাব মঞ্চের ফেসবুকে এক পোস্টে দাবি করা হয়, ‘জাবের গুলিবিদ্ধ। জুমা-শান্তাকে বুট দিয়ে পাড়ানো হয়েছে।’
হাসপাতালে আহত ইনকিলাব মঞ্চের একাধিক সদস্য বলেন, ‘পুলিশ আমাদের ওপরে বেপরোয়াভাবে লাঠিচার্জ করে, জলকামান, টিয়ারগ্যাস ও সাউন্ড নিক্ষেপ করেছে। এতে ইনকিলাব মঞ্চের সদস্য সচিব জাবেরসহ আন্দোলনকারীরা আহত হয়েছেন। পাশাপাশি জাবেরের পায়ে গুলি লাগে।’ তবে পরে ইনকিলাব মঞ্চের বিক্ষোভ এবং আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর ভূমিকা নিয়ে বিবৃতি দেয় অন্তবর্তী সরকার। এতে দাবি করা হয়, বিক্ষোভ দমনে বলপ্রয়োগ করা হয়নি, গুলিবিদ্ধও হয়নি কেউ।

প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং থেকে দেওয়া বিবৃতিতে বলা হয়, যমুনা ও এর আশপাশের এলাকায় বিক্ষোভ নিষিদ্ধ থাকা সত্ত্বেও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী প্রথমে বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে কোনো ধরনের বলপ্রয়োগ করেনি। শুক্রবার বিক্ষোভকারীরা ব্যারিকেড ভেঙে যমুনার অভিমুখে অগ্রসর হওয়ার চেষ্টা করলে এবং একপর্যায়ে জলকামানের ওপর উঠে গেলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে সাউন্ড গ্রেনেড ও জলকামান ব্যবহার করে। সরকার স্পষ্টভাবে জানাচ্ছে যে এ সময় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কোনো ধরনের গুলি ছোড়েনি।





