আগরতলা
আইন-আদালত
সর্বশেষ খবর
High Price Sugar: উৎসব মরশুমে চিনির বাজারে আগুন। কপাল থাপড়াছে মধ্যবিত্ত থেকে ব্যবসায়ীরা।
কিন্তু প্রশ্ন উঠছে, এই আকস্মিক দাম বৃদ্ধির নেপথ্যে আসল কারণ কোনটি? আখের ফলন হ্রাস, পরিবেশবান্ধব ইথানল উৎপাদনে অতিরিক্ত আখ পাঠানো, নাকি বাজারে জোগানের কৃত্রিম ঘাটতি? ডেস্ক রিপোর্টার,২৬ আগস্ট।। চিনির দাম…
Big Breaking News: সরকারি চাকরিতে পিআরটিসি (PRTC) নিষ্প্রয়োজন- ইস্যুতে শীর্ষ আদালতে দ্বারস্থ হবেন প্রদ্যুৎ!
ডেস্ক রিপোর্টার, ২৬ আগস্ট।। রাজ্যে চাকরির ক্ষেত্রে এখন PRTC বাধ্যতা মূলক নয়। সম্প্রতি এই ঘোষণা দিয়েছিল রাজ্য সরকার। প্রয়োজন স্কুল সার্টিফিকেট। চাকরির আবেদন করা প্রার্থীদের রাজ্যের স্কুলে ন্যূনতম পাঁচ বছর…
Tripura Health Service: ত্রিপুরা মেডিকেল কলেজের প্রশংসায় পঞ্চমুখ মুখ্যমন্ত্রী।
ডেস্ক রিপোর্টার, ২৫ আগস্ট।। ত্রিপুরা মেডিকেল কলেজ ও ডাঃ বি. আর. আম্বেদকর মেমোরিয়াল হাসপাতালের ২১তম প্রতিষ্ঠা দিবস পালিত হলো মঙ্গলবার। মূল অনুষ্ঠান হয় কলেজের বিবেকানন্দ অডিটোরিয়ামে। এই অনুষ্ঠানের উদ্বোধক ছিলেন…
Tripura News: তেলিয়ামুড়া তথ্য দপ্তরে সহকারী মহিলা কর্মীকে হেনস্থা আধিকারিকের।
তেলিয়ামুড়া ডেস্ক, ২৫ আগস্ট।। স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক প্রশাসনের দাবির মুখে দাঁড়িয়ে তেলিয়ামুড়া মহকুমা তথ্য ও সংস্কৃতি দপ্তরের এক বিস্ফোরক ঘটনা আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। দপ্তরের বরিষ্ঠ আধিকারিক দুলাল দেববর্মার বিরুদ্ধে কালচারাল…
Tripura News: টানা তিন মাস ধরে নেই বেতন। ক্ষুধার জ্বালায় রাস্তায় মিড-ডে-মিল’ র রাঁধুনিরা।
খোয়াই ডেস্ক, ২৫ আগস্ট।। গত তিন মাস ধরে বেতন বন্ধ। ক্ষুধার জ্বালা নিয়েই এবার রাস্তায় নামলেন মিড ডে মিল রাঁধুনিরা। মঙ্গলবার ঝড়-বৃষ্টিকে উপেক্ষা করেই শত শত রাঁধুনি খোয়াই শিক্ষা দপ্তরের…
দেশ
High Price Sugar: উৎসব মরশুমে চিনির বাজারে আগুন। কপাল থাপড়াছে মধ্যবিত্ত থেকে ব্যবসায়ীরা।
কিন্তু প্রশ্ন উঠছে, এই আকস্মিক দাম বৃদ্ধির নেপথ্যে আসল কারণ কোনটি? আখের ফলন হ্রাস, পরিবেশবান্ধব ইথানল উৎপাদনে অতিরিক্ত আখ পাঠানো, নাকি বাজারে জোগানের কৃত্রিম ঘাটতি?
ডেস্ক রিপোর্টার,২৬ আগস্ট।।
চিনির দাম আকাশছোঁয়া।উৎসবের মরশুমের ঠিক মুখেই গত দুই মাসে কেজিপ্রতি চিনির দাম বেড়েছে প্রায় ৮০ শতাংশ। মধ্যবিত্তের রান্নাঘর থেকে শুরু করে মিষ্টির দোকান—সবত্রই এই অগ্নিমূল্যের আঁচ ছড়াতে শুরু করেছে।
কিন্তু প্রশ্ন উঠছে, এই আকস্মিক দাম বৃদ্ধির নেপথ্যে আসল কারণ কোনটি? আখের ফলন হ্রাস, পরিবেশবান্ধব ইথানল উৎপাদনে অতিরিক্ত আখ পাঠানো, নাকি বাজারে জোগানের কৃত্রিম ঘাটতি?
সংকটের মূল কারণগুলির মধ্যে রয়েছে,মূল চিনি উৎপাদনকারী রাজ্যগুলি যেমন মহারাষ্ট্র ও কর্ণাটক অনিয়মিত ও অসমাপ্ত বর্ষার কারণে আখের ফলন আশঙ্কাজনকভাবে কমেছে। ফলন কম হওয়ায় চিনিকলগুলিতে আখ মাড়াইয়ের পরিমাণ একধাক্কায় অনেকটা নেমে গেছে।দ্বিতীয়তঃ,পেট্রোলের সঙ্গে ইথানল মেশানোর সরকারি লক্ষ্যমাত্রা পূরণের জন্য গত কয়েক মরশুমে রেকর্ড পরিমাণ আখের রস ও সিরা ইথানল তৈরির কারখানায় পাঠানো হয়েছে। ফলে সরাসরি চিনি তৈরির জোগান কমেছে।তৃতীয়তঃ, আন্তর্জাতিক বাজারে চিনির দাম চড়া থাকায় এবং দেশে উৎপাদনের পূর্বাভাস কম দেখে পাইকারি বাজারে এক ধরনের জোগান-সংকট তৈরি হয়েছে। পাশাপাশি, উৎসবের মরশুমকে সামনে রেখে একাংশের অসাধু ব্যবসায়ীদের কৃত্রিম সংকট তৈরি ও কালোবাজারির জল্পনাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।
সামনেই দুর্গোৎসব, দেওয়ালি ও বিয়ের মরশুম—যখন দেশে চিনির চাহিদা থাকে তুঙ্গে। এই সময়ে দাম নিয়ন্ত্রণে না আনলে সার্বিক খুচরো মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ বাইরে চলে যাবে। পরিস্থিতি সামাল দিতে সরকার নিম্নলিখিত পদক্ষেপগুলি বিবেচনা করছে।
ইথানল তৈরির জন্য আখের রসের ব্যবহার সীমিত করে তা সম্পূর্ণ চিনি উৎপাদনের দিকে ঘুরিয়ে দেওয়া।ঘরোয়া চাহিদা মেটাতে চিনি রপ্তানির ওপর কঠোর নিষেধাজ্ঞা বলবৎ রাখা।সরকারি গুদাম অর্থাৎ বাফার স্টক থেকে খোলা বাজারে কম দামে চিনি সরবরাহ করা, যাতে পাইকারি ও খুচরো দর নিয়ন্ত্রণে আসে।
রাজ্যগুলির সহায়তায় মিল ও পাইকারি বিক্রেতাদের মজুত ক্ষমতার সীমা বেঁধে দেওয়া।কালোবাজারি রুখতে কঠোর প্রশাসনিক নজরদারি চালানো। উৎসবের আনন্দ মিষ্টির মিষ্টিতেই পূর্ণতা পায়। এখন দেখার, সরকারের সঠিক সময়ে নেওয়া পদক্ষেপ সাধারণ মানুষের মুখে সেই মিষ্টির স্বাদ ধরে রাখতে পারে নাকি চিনির তেতো দামই উৎসবের মেজাজ ফিকে করে দেয়।
বিদেশ
India – Bangladesh Relation: বাংলাদেশ ও ভারতের স্বার্থে একসঙ্গে কাজ করাটা সবার দায়িত্ব: দীনেশ ত্রিবেদী
বাংলাদেশের সঙ্গে সবার আগে অর্থনৈতিক সুসম্পর্ক দরকার। অর্থনৈতিক সম্পর্ক ভালো থাকলে অন্যান্য ক্ষেত্রের সম্পর্কও সুন্দরভাবে এগিয়ে যাবে। দুই দেশের মধ্যে কোনো কোনো বিষয়ে মতপার্থক্য থাকলেও সাধারণ মানুষ, বিশেষ করে তরুণ প্রজন্ম, উন্নয়ন ও কর্মসংস্থান চায়।
#সমীরণ রায়#
__________________
ঢাকা ডেস্ক,২৪ আগস্ট।।
বাংলাদেশ ও ভারতের সম্পর্ককে আরও সৌহার্দ্যপূর্ণ, পারস্পরিক আস্থাভিত্তিক ও অর্থবহ করতে অর্থনৈতিক সহযোগিতা জোরদারের ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন ঢাকায় নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী। তিনি বলেছেন, দুই দেশের মধ্যে অর্থনৈতিক সুসম্পর্ক ও পারস্পরিক নির্ভরতা যত বাড়বে, রাজনৈতিকসহ অন্যান্য সম্পর্কও তত স্বাভাবিক ও শক্তিশালী হবে।
সোমবার ঢাকার সচিবালয়ে বাংলাদেশের বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদিরের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি। এসময় ত্রিবেদী বলেন, বাংলাদেশের সঙ্গে সবার আগে অর্থনৈতিক সুসম্পর্ক দরকার। অর্থনৈতিক সম্পর্ক ভালো থাকলে অন্যান্য ক্ষেত্রের সম্পর্কও সুন্দরভাবে এগিয়ে যাবে। দুই দেশের মধ্যে কোনো কোনো বিষয়ে মতপার্থক্য থাকলেও সাধারণ মানুষ, বিশেষ করে তরুণ প্রজন্ম, উন্নয়ন ও কর্মসংস্থান চায়। তাই বাংলাদেশ ও ভারতের স্বার্থে একসঙ্গে কাজ করাই সবার দায়িত্ব।
দুই দেশের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও গভীর করতে যৌথ উদ্যোগে উৎপাদন ও সরবরাহব্যবস্থা গড়ে তোলার ওপরও গুরুত্ব দেন ভারতীয় হাইকমিশনার। বাংলাদেশের তৈরি পোশাক শিল্পের প্রশংসা করে তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক বাজারে ‘মেড ইন বাংলাদেশ’ লেখা পোশাক দেখলে তাঁর ভালো লাগে, গর্ববোধ হয়। বাংলাদেশের এই সাফল্যের সঙ্গে ভারতের শিল্প ও সরবরাহ ব্যবস্থাকে যুক্ত করা গেলে উভয় দেশই লাভবান হবে।
তিনি বলেন, ভারত বাংলাদেশকে জিপার, বোতাম, যন্ত্রপাতিসহ পোশাক শিল্পের প্রয়োজনীয় উপকরণ সরবরাহ করতে পারে। যৌথ বিনিয়োগ ও উৎপাদনের মাধ্যমে দুই দেশের পারস্পরিক নির্ভরতা আরও বাড়ানো সম্ভব।
বৈঠকে বাণিজ্যমন্ত্রী জানান, বর্তমানে দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যের পরিমাণ প্রায় ১৩ বিলিয়ন ডলার। গত দেড় বছরে বাণিজ্যে কিছু প্রতিবন্ধকতা তৈরি হলেও তা দূর করে সম্পর্ককে আরও গতিশীল করার বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।
এ সময় সীমান্তবন্দর পুরোপুরি সচল করা, বন্ধ থাকা বর্ডার হাট পুনরায় চালু, স্থলবন্দর দিয়ে সুতা আমদানির বিধিনিষেধ পুনর্বিবেচনা, ব্যবসায়ীদের নিয়ে যৌথ টাস্কফোর্স গঠন, ডিজিটাল অবকাঠামো উন্নয়ন এবং নতুন বিনিয়োগের সুযোগ সৃষ্টির বিষয়েও আলোচনা হয়।
দুই প্রতিবেশী দেশের অর্থনৈতিক অংশীদারত্বকে আরও শক্তিশালী করে জনগণের উন্নয়ন ও কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়ানোর প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন উভয় পক্ষ।





