আগরতলা
ত্রিপুরা
অপরাধ
আইন-আদালত
সর্বশেষ খবর
Tripura News: খুঁটি পূজার মাধ্যমে তেলিয়ামুড়াতে প্রস্তুতি শুরু গণপতি উৎসব ও মেলা।
তেলিয়ামুড়া ডেস্ক, ২০ আগস্ট।। তেলিয়ামুড়া শহরে এবছর প্রথমবারের মতো সাড়ম্বরে অনুষ্ঠিত হতে চলেছে গণপতি উৎসব ও মেলা–২০২৬। তেলিয়ামুড়া ইয়ুথ অ্যাসোসিয়েশনের উদ্যোগে আগামী ১৩ সেপ্টেম্বর থেকে ১৬ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত তেলিয়ামুড়ার চিত্রাঙ্গদা…
Tripura News: গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণ, বসত বাড়িতে অগ্নিকাণ্ড।
কৈলাসহর ডেস্ক,২০ আগস্ট।। রান্নার গ্যাস সিলিন্ডার লিক করে কৈলাসহরে ঘটে গেল এক ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড। বুধবার রাত আনুমানিক ৯টা ৩০ মিনিট নাগাদ কৈলাসহর গৌরনগর আর.ডি. ব্লকের অন্তর্গত ধলিয়ারকান্দি গ্রাম পঞ্চায়েতের ৫…
Health News: সব মশা মানুষের রক্ত খায় না, কোন মশা মানুষের রক্ত চুষে?
ডেস্ক রিপোর্টার,২০ আগস্ট।। গরম ও বর্ষাকাল এলে মশার উপদ্রব এবং সেই সঙ্গে ডেঙ্গি, ম্যালেরিয়া বা চিকুনগুনিয়ার মতো মশাবাহিত রোগের ঝুঁকি মারাত্মকভাবে বেড়ে যায়।তবে মশা কেন মানুষের রক্ত চোষে? সব মশা…
Tripura News: “ফ্যাকাশে” – স্টার্টআপ ইন্ডিয়া ও আত্মনির্ভর ভারতের স্লোগান। সংবাদমাধ্যমের পুঁজিবাদী অংশের স্বার্থ সুরক্ষায় সক্রিয় সরকারের একাংশ।
রাজ্যের সংবাদ ব্যক্তিত্বদের দাবি, সংবাদ জগতের সাধারণ উদ্যোক্তা ও নতুন উদ্যোগের পাশে দাঁড়ানোর বদলে ভাজপা সরকার প্রভাবশালী পুঁজির স্বার্থকেই অগ্রাধিকার দিচ্ছে। এর ফলে ইতিমধ্যে রাজ্যের বহু টিভি চ্যানেল, পত্রিকা ও…
Sports News: নূন্যতম গোলে রামকৃষ্ণ ক্লাবকে হারিয়ে শিল্ডের সেমি ফাইনালে ব্লাডমাউথ
স্পোর্টস ডেস্ক, ১৯ আগস্ট।। শেষ মিনিটে সেন চুং ভুটিয়ার গোলে সেমিফাইনালে খেলার ছাড়পত্র অর্জন করলো ব্লাড মাউথ ক্লাব। ২১ আগস্ট আসরের দ্বিতীয় সেমিফাইনালে ব্লাড মাউথ ক্লাব খেলবে তারকা খচিত কল্যাণ…
দেশ
Indian Politics: ভারতীয় রাজনীতিতে অপরাধীদের আখড়া। ফৌজদারি মামলার শীর্ষে তেলেঙ্গানার মুখ্যমন্ত্রী । দ্বিতীয় বাংলার মুখ্যমন্ত্রী।
ডেস্ক রিপোর্টার, ১৮ আগস্ট।।
দেশের আদালতে মামলার পাহাড়।এরমধ্যে মুখ্যমন্ত্রী সাংসদ বিধায়কদের বিরুদ্ধেও প্রচুর ফৌজদারি মামলা রয়েছে।সম্প্রতি সুপ্রিম কোর্টে এক রিপোর্ট পেশ করেছেন শীর্ষ আদালত নিযুক্ত আদালত বান্ধব বিজয় হংসরিয়া।রিপোর্ট অনুযায়ী, ফৌজদারি মামলায় অভিযুক্ত মুখ্যমন্ত্রীদের বিরুদ্ধে সবার উপরে রয়েছেন তেলেঙ্গানার মুখ্যমন্ত্রী রেবন্ত রেড্ডি। তাঁর বিরুদ্ধে ৮৯টি ফৌজদারি মামলা রয়েছে। দ্বিতীয় স্থানে থাকা বাংলার মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর বিরুদ্ধে মামলা রয়েছে ২৯টি। তৃতীয় স্থানে কর্নাটকের মুখ্যমন্ত্রী ডিকে শিবকুমারের বিরুদ্ধে রয়েছে ১৯টি মামলা। অন্ধ্রপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী চন্দ্রবাবু নায়ডুর বিরুদ্ধেও রয়েছে ১৯টি মামলা। এরপর যথাক্রমে রয়েছেন কেরলের ভিডি সতীশন।যার মামলার সংখ্যা (১৮টি), ঝাড়খণ্ডের হেমন্ত সোরেনের বিরুদ্ধে মামলা রয়েছে (৫টি), মহারাষ্ট্রের দেবেন্দ্র ফড়ণবিস এর বিরুদ্ধে মামলার সংখ্যা (৫টি), এবং হিমাচল প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী সুখবিন্দর সিং এর বিরুদ্ধে মামলার সংখ্যা (৪টি)।তাছাড়া সদ্য তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী হওয়া টিভিকে প্রধান সি জোসেফ বিজয় এবং বিহারের মুখ্যমন্ত্রী সম্রাট চৌধুরীর বিরুদ্ধে রয়েছে ২টি করে মামলা। একটি করে মামলা রয়েছে, সিকিমের প্রেম সিং তামাং, পাঞ্জাবের ভগবন্ত মান, ওড়িশার মোহনচরণ মাঝি, রাজস্থানের ভজনলাল শর্মার বিরুদ্ধে।
মুখ্যমন্ত্রীদের পাশাপাশি ৫৪৩ জন লোকসভা সাংসদের মধ্যে ২৫১ জনের বিরুদ্ধে রয়েছে ফৌজদারি মামলা।২৩৩ জন রাজ্যসভা সাংসদের মধ্যে ৭৫ জনের বিরুদ্ধে রয়েছে মামলা।বাদ নেই বিধায়করাও। ফৌজদারি মামলার নিরিখে দেশের মধ্যে শীর্ষে উঠে এসেছে পশ্চিমবঙ্গ।সে রাজ্যে দল নির্বিশেষে ১৭০ জন বিধায়ক ফৌজদারি মামলায় অভিযুক্ত। অর্থাৎ বাংলার ৫৮ শতাংশ বিধায়কের বিরুদ্ধে মামলা রয়েছে। এরপর দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে কেরল।সে রাজ্যে (৫৭)জন বিধায়ক ফৌজদারি মামলায় অভিযুক্ত।তাছাড়া অন্ধ্রপ্রদেশের (৫৬) জন বিধায়ক,তেলঙ্গানার (৪৯)জন বিধায়ক, ঝাড়খণ্ড’র ৪৫ জন বিধায়ক এবং ওড়িশার (৪৫) জন বিধায়কের বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা রয়েছে।
বিদেশ
Bangladesh News: তারেক রহমানের দিল্লি সফর নিয়ে ঢাকার দুই শর্ত।
।।সমীরণ রায়।।
__________________
ঢাকা ডেস্ক, ১৭ আগস্ট।।
বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দিল্লি সফরের জন্য অনুকূল পরিবেশ তৈরির প্রক্রিয়া হিসাবে দুটো শর্তের কথা বলেছে বাংলাদেশ সরকার। সফরের ক্ষেত্রে ঢাকার সিদ্ধান্তের আগে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত করা এবং ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদির হত্যার আসামিদের বাংলাদেশের হাতে তুলে দেওয়ার কথা বলেছে ঢাকা।
রোববার বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র এ কে এম শহীদুল করিম এক ব্রিফিংয়ে এ শর্তের কথা জানান।
ব্রিফিংয়ে লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সম্ভাব্য ভারত সফর নিয়ে কয়েক সপ্তাহ ধরে আলাপ-আলোচনার মধ্যে ছিলেন ঢাকা ও দিল্লির কর্মকর্তারা। অবশ্য, ৫ অগাস্ট নয়া দিল্লিতে মানবতাবিরোধী অপরাধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে সাজাপ্রাপ্ত শেখ হাসিনা প্রকাশ্য সংবাদ সম্মেলনের কারণে সেই প্রক্রিয়াটা কলুষিত হয়। এক্ষেত্রে আমরা আমাদের অবস্থান স্পষ্ট করেছি।
মুখপাত্র বলেন, আমরা মনে করি, এই সফরের জন্য অনুকূল পরিবেশ তৈরি করা দরকার। এক্ষেত্রে, দ্বিপক্ষীয় প্রত্যর্পণ চুক্তির আওতায় শেখ হাসিনা ও অন্যান্য পলাতক অপরাধীদের প্রত্যর্পণের অনুরোধ ত্বরান্বিত করার এবং শহীদ শরীফ ওসমান হাদির অভিযুক্ত খুনিদের বাংলাদেশের কাছে হস্তান্তরের কাজ দ্রুততার সঙ্গে করার অনুরোধ আমরা ভারত সরকারকে করেছি। আমরা তাদের প্রত্যুত্তরের অপেক্ষায় রয়েছি।
অন্যদিকে, প্রত্যর্পণ সংক্রান্ত তদন্ত শেষে ম্যাজিস্ট্রেট যদি দেখেন যে বিদেশি রাষ্ট্রের দাবির পক্ষে প্রাথমিক কোনো প্রামাণ্য ভিত্তি (প্রাইমা ফেসি) নেই, তবে তিনি আসামিকে অব্যাহতি দিতে পারেন। গত ১০ অগাস্ট ঢাকায় ভারতীয় হাই কমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে গেলে সেখানে বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক এগিয়ে নেওয়ার বার্তা আসে দুই পক্ষেই। তবে সেজন্য ‘সহায়ক পরিবেশ’ তৈরির ওপর জোর দেয় ঢাকা।
ওই বৈঠকের পর পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান বলেছিলেন, ভারতের কাছে শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ চাওয়ার পাশাপাশি তাকে রাজনৈতিক বক্তব্য দেওয়া থেকে বিরত রাখতে বলেছে ঢাকা। পরে ঢাকা ও দিল্লির কূটনৈতিক ও রাজনৈতিক সূত্রগুলো বলছিল, প্রধানমন্ত্রীর সফরের সম্ভাব্য তারিখ হতে পারে ২২-২৩ অগাস্ট; অর্থাৎ, ভারতের স্বাধীনতা দিবসের ঠিক এক সপ্তাহ পর। এখন ঢাকা দুটি শর্তের কথা জোরালোভাবে তুলে ধরায় প্রধানমন্ত্রীর সফর আবার অনিশ্চয়তায় পড়ল কি না, কর্মকর্তারা সে বিষয়টি স্পষ্ট করেননি।
শহীদুল করিম বলেন, ‘বাংলাদেশ প্রথম’ নীতির আলোকে প্রতিবেশী দেশসহ সব দেশের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক এগিয়ে নেওয়ার প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখবে ঢাকা। এই নীতির ভিত্তি হচ্ছে সার্বভৌম সমতা, জাতীয় মর্যাদা, একে অপরের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করা এবং পারস্পরিক কল্যাণ।
উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের অভ্য্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর থেকে ভারতে অবস্থান করছেন শেখ হাসিনা। আন্দোলন দমাতে মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে তাকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। তার দল আওয়ামী লীগের কর্মকাণ্ডের ওপর রয়েছে নিষেধাজ্ঞা। ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে ২০১৩ সালে স্বাক্ষরিত প্রত্যর্পণ চুক্তিতে বলা হয়েছে, ‘আদালত কর্তৃক ঘোষিত সাজা’ কার্যকর করতে অভিযুক্ত বা দোষী সাব্যস্ত ব্যক্তিদের ফেরত দেওয়ার ‘বাধ্যবাধকতা’ রয়েছে। চুক্তিতে আরও বলা হয়, প্রত্যর্পণযোগ্য অপরাধের ক্ষেত্রে অন্য রাষ্ট্রের ‘বিচারিক কর্তৃপক্ষ’ বিষয়টি দেখভাল করবে।




