আগরতলা
ত্রিপুরা
আইন-আদালত
সর্বশেষ খবর
Tripura News: নতুন কলরবে মাথা তুলে দাঁড়াবে শহরের প্রাচীন স্কুল “ক্ষেত্রমোহন”। পরিদর্শনে মুখ্যমন্ত্রী।
ডেস্ক রিপোর্টার,৩ রা অক্টোবর।। একসময় অস্তিত্ব সঙ্কটে ছিল রাজধানীর শান্তিপাড়াস্থিত ক্ষেত্রমোহন স্কুলটি।এই বিষয়টি নজরে ছিল ডক্টর মানিক সাহার।মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে দায়িত্ব নিয়ে এই স্কুলটির পুননির্মানের কাজে হাত দেন।প্রশাসন থেকে বরাদ্দ হয়…
Sports News: এশিয়ান গেমসে ভারতের পাক বধ। ধরে রাখলো সোনা।
স্পোর্টস ডেস্ক, ৩ রা অক্টোবর।। এশিয়ান গেমস ২০২৬-এর পুরুষ ক্রিকেটের ফাইনালে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী পাকিস্তানকে ১৯ রানে হারিয়ে ঐতিহাসিক সোনা জয় করল ভারত। শনিবার জাপানের নিশিন শহরে আয়োজিত এই লড়াইয়ে পাকিস্তানকে পরাস্ত…
Tripura News: যাত্রীবাহী বাস ও বাইকের মুখোমুখি সংঘর্ষ। মৃ*ত্যু বাইক চালকের।
ডেস্ক রিপোর্টার,৩ রা অক্টোবর।। যাত্রীবাহী বাস ও বাইকের মুখোমুখি সংঘর্ষে প্রাণ গেল বাইক চালকের। ঘটনা শান্তিরবাজার সরকারি ডিগ্রী কলেজ সংলগ্ন জাতীয় সড়কে। নিহত বাইক চালকের নাম দীপঙ্কর তালুকদার (৪০)। তার…
Sports News: নবাগত কোচ সত্রাজিৎ লাহিড়ী’র সঙ্গে সৌজন্যমূলক সাক্ষাৎকার মনি শঙ্করদের।
স্পোর্টস ডেস্ক, ৩ রা অক্টোবর।। রিপোর্ট করলেন রঞ্জি ক্রিকেটাররা।আজ থেকে শুরু হবে ত্রিপুরা দলের প্রস্তুতি। শনিবার বিকেলে এম বি বি স্টেডিয়ামে রিপোর্ট করেন মনি শংকর মুড়া সিং এর নেতৃত্বে ত্রিপুরা…
Tripura News: দানবীয় ডিজিট্যাল যুগেও বাঙালির উৎসবে অমলিন ঢাকের ঐতিহ্য।
ডেস্ক রিপোর্টার,৩ রা অক্টোবর।। কাশফুল, শিউলি ফুল আর ঢাকের বাদ্যি ছাড়া শারদোৎসব ভাবাই যায় না। দুর্গাপূজায় ঢাকের সুর বাঙালির আবেগের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। আধুনিক প্রযুক্তি ও ডিজিটাল সাউন্ড সিস্টেমের দাপটে…
দেশ
Ration card and Public: ১ লা অক্টোবর থেকে অচলের খাতায় চলে যাবে বহু রেশন কার্ড! নির্দেশ কেন্দ্রের।
ডেস্ক রিপোর্টার,৩০ সেপ্টেম্বর।।
এতদিন ধরে রেশন কার্ড থাকলেও নিয়মিত সামাজিক সুরক্ষার চাল, গম বা অন্যান্য বরাদ্দ সামগ্রী নেননি? তবে আপনার জন্য অপেক্ষা করছে বড় খবর।দীর্ঘদিন ধরে যেসব কার্ড ব্যবহার করা হয়নি, প্রশাসন সেগুলিকে ‘সাইলেন্ট’ বা নিষ্ক্রিয় কার্ড হিসেবে চিহ্নিত করেছে। ভুয়ো কার্ডের মাধ্যমে কারচুপি রদ এবং সঠিক উপভোক্তাদের হাতে খাদ্যশস্য পৌঁছে দিতেই এই বড় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হচ্ছে।কিন্তু কেন এই সিদ্ধান্ত?প্রথমতঃ, দীর্ঘ সময় ধরে অব্যবহৃত পড়ে থাকা কার্ডগুলির মাধ্যমে যাতে সরকারি বরাদ্দের অপব্যবহার না হয়, তা নিশ্চিত করা।দ্বিতীয়ত, যে সমস্ত পরিবারের সত্যিই খাদ্য সুরক্ষার প্রয়োজন রয়েছে, তাঁদের তালিকার অন্তর্ভুক্ত করার রাস্তা পরিষ্কার করা।তৃতীয়তঃ, গ্রাহকদের বায়োমেট্রিক তথ্য ও কার্ড সক্রিয়তা পরীক্ষার চূড়ান্ত ধাপ সম্পন্ন করা।
তবে রেশন কার্ড নিষ্ক্রিয় হয়ে গেলেও গ্রাহকরা আরও একবার সুযোগ পাবেন তা সক্রিয় করার।খবর, ১ অক্টোবর থেকে আগামী বছরের ১ জানুয়ারি পর্যন্ত গ্রাহকরা ই-কেওয়াইসির মাধ্যমে রেশন কার্ড ফের সক্রিয় করতে পারবেন।বর্তমানে রেশন কার্ডধারীদের ভোটার কার্ডের সঙ্গে আধার কার্ড ও পিডিএসের তথ্য মিলিয়ে দেখা হচ্ছে। এরপরই ভুয়ো ও নিষ্ক্রিয় রেশন কার্ড বাতিল করার প্রক্রিয়া শুরু হবে।
অনেকে রেশন কার্ড তৈরি করেছেন অন্যান্য সরকারি পরিষেবা পাওয়ার জন্য। তাঁরা পিডিএস সিস্টেমের মাধ্যমে রেশন নেন না। এই ধরনের গ্রাহকদের চিহ্নিত করতে এবং অযোগ্য কার্ড হোল্ডারদের এই পরিষেবা থেকে বাদ দিতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
বিদেশ
Bangladesh News: শেখ হাসিনাকে ফেরত পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে: দীনেশ ত্রিবেদী
শেখ হাসিনা কীভাবে ভারতে গেলেন, এ প্রসঙ্গে ভারতের হাইকমিশনার বলেন, শেখ হাসিনাকে ভারতীয় বিমানবাহিনী বা সেনাবাহিনী ভারতে নিয়ে যায়নি। সে সময় বাংলাদেশে যে মর্মান্তিক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছিল, তার পরিপ্রেক্ষিতেই তিনি ভারতে এসেছিলেন।
।।সমীরণ রায়।।
_____________
ঢাকা ডেস্ক , ৩রা অক্টোবর।।
শেখ হাসিনাকে বাংলাদেশে ফিরিয়ে দেওয়ার বিষয়ে একটি আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশেরে ঢাকায় নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী। তিনি বলেন, ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র এ বিষয়ে ভারতের অবস্থান বারবার স্পষ্ট করেছেন। বিষয়টি আইনগত ও সুসংগঠিত প্রক্রিয়ার মধ্যে রয়েছে এবং আদালতও এর সঙ্গে সম্পৃক্ত। ফলে শেখ হাসিনাকে ফেরত দেওয়ার বিষয়ে নির্দিষ্ট কোনো সময়সীমা বলা সম্ভব নয়। ওসমান হাদির হত্যাকারীদের ফিরিয়ে দেওয়ার বিষয়েও একই কথা বলেন তিনি।
শনিবার ‘বে অফ বেঙ্গল কনভার্সেশন ২০২৬’-এর গ্র্যান্ড বলরুমে অনুষ্ঠিত একটি সেশনে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে দীনেশ ত্রিবেদী এসব কথা বলেন।
ভারতের হাইকমিশনার বলেন, এ বিষয়ে উত্তর দিতে হলে প্রথমে আমাদের ইতিহাসের দিকে ফিরে তাকাতে হবে। ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র এরই মধ্যে বারবার এ বিষয়ে ভারতের অবস্থান স্পষ্ট করেছেন। তারা বলেছেন- এ বিষয়ে একটি প্রক্রিয়া রয়েছে এবং সেই প্রক্রিয়াটি আইনগত ও সুসংগঠিত। বর্তমানে সেই প্রক্রিয়া চলমান এবং আদালতও এর সঙ্গে সম্পৃক্ত। তাই এ বিষয়ে নির্দিষ্ট কোনো সময়সীমা বলা সম্ভব নয়।
শেখ হাসিনা কীভাবে ভারতে গেলেন, এ প্রসঙ্গে ভারতের হাইকমিশনার বলেন, শেখ হাসিনাকে ভারতীয় বিমানবাহিনী বা সেনাবাহিনী ভারতে নিয়ে যায়নি। সে সময় বাংলাদেশে যে মর্মান্তিক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছিল, তার পরিপ্রেক্ষিতেই তিনি ভারতে এসেছিলেন। পৃথিবীর কোনো প্রান্তেই যেন এমন পরিস্থিতি আর কখনো সৃষ্টি না হয়, যেখানে নিরপরাধ মানুষকে এমন পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হয়, এমন প্রত্যাশার কথাও জানান তিনি।
দীনেশ ত্রিবেদী বলেন, সেই সময় একটি সামরিক বিমান ভারতে এসেছিল এবং ভারতও এ ধরনের পরিস্থিতির জন্য প্রস্তুত ছিল না। আমি নিজেও তখন টেলিভিশনে দেখছিলাম, স্ক্রলে প্রচার করা হচ্ছিল যে তিনি অন্য কোনো দেশে যাচ্ছেন। সেই মুহূর্তে তিনি বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন। ফলে পরিস্থিতির বাস্তবতায় আমাদের সামনে খুব বেশি বিকল্পও ছিল না। একজন প্রতিবেশী হিসেবে তখনকার বাস্তবতাকে গ্রহণ করাই ভারতের দায়িত্ব ছিল। কারণ কখনো কখনো এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়, যার জন্য কোনো দেশই আগে থেকে প্রস্তুত থাকে না। ভারত যদি বলত যে তাকে গ্রহণ করবে না, এমনকি অবতরণের অনুমতিও না দিত, তাহলে পরিস্থিতি কোথায় গিয়ে দাঁড়াত, তা বলা কঠিন। এটাই ছিল সেই সময়ের ঐতিহাসিক বাস্তবতা। আর বর্তমান পরিস্থিতিতে যে আইনগত প্রক্রিয়া রয়েছে, সেটি তার নিজস্ব গতিতে চলছে। বাংলাদেশ যেমন একটি প্রাণবন্ত গণতান্ত্রিক দেশ এবং দেশটির মানুষ আইনের শাসন ও বিচারব্যবস্থাকে সম্মান করে, ভারতও একটি প্রাণবন্ত গণতান্ত্রিক দেশ হিসেবে তার আইনগত প্রক্রিয়াকে সম্মান করে।
সম্প্রতি ভারতের নিরাপত্তা নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে দীনেশ ত্রিবেদী বলেন, বাংলাদেশ একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম দেশ এবং নিজেদের নিরাপত্তার বিষয়টি তারা অন্য যেকোনো দেশের চেয়ে ভালো বুঝেন। বাংলাদেশের কী করা উচিত, তা কাউকে বলে দেওয়ার কারণ নেই। বাংলাদেশের সরকার ও জনগণ নিজেদের স্বার্থ ও নিরাপত্তা নিয়ে নিজেরাই সিদ্ধান্ত নেওয়ার অধিকার রাখে। বাংলাদেশের পক্ষ থেকে ভারতের নিরাপত্তায় হস্তক্ষেপের প্রশ্নই আসে না। বাংলাদেশের জনগণের ওপর ভারতের পূর্ণ আস্থা রয়েছে। বাংলাদেশের মানুষও বুঝবেন যে ভারতের নিরাপত্তায় হস্তক্ষেপের বিষয়টি কখনোই সামনে আসবে না। বাংলাদেশের জনগণ অত্যন্ত বুদ্ধিমান এবং তারা ভারতের নিরাপত্তার বিষয়টিও গুরুত্ব দিয়ে বোঝেন। তাই ভবিষ্যতেও এমন কোনো পরিস্থিতি আসবে বলে তিনি মনে করেন না, যেখানে ভারতের নিরাপত্তা নিয়ে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে উদ্বেগের কারণ তৈরি হবে।





