আগরতলা
রাজনীতি
ত্রিপুরা
আইন-আদালত
সর্বশেষ খবর
Tripura News: রাজ্যের বরিষ্ঠ সাংবাদিক মানস পালকে হত্যার হুমকি: অভিযুক্তকে গ্রেফতারের দাবি অ্যাসেম্বলি অব জার্নালিস্ট’স- র।
আগরতলা, ২৯ অক্টোবর।। সামাজিক মাধ্যমে একটি প্রতিবেদন প্রকাশের পর রাজ্যের বরিষ্ঠ সাংবাদিক মানস পালকে প্রকাশ্যে প্রাণ নাশের হুমকি দেয় জনৈক জয়তি চাকমা। তাতে উদ্বিগ্ন রাজ্যের বৃহত্তর সাংবাদিক সংগঠন অ্যাসেম্বলি অব…
Tripura News: চা নিলাম কেন্দ্র ত্রিপুরার অর্থনৈতিক উন্নয়নে এক মাইলফলক: মুখ্যমন্ত্রী
আগরতলা, ২৯ অক্টোবর।। মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর ডাঃ মানিক সাহা আজ বলেছেন যে, আগরতলা চা নিলাম কেন্দ্র চালুর মাধ্যমে এই উদ্যোগ চা উৎপাদনকারীদের ন্যায্য মূল্য পেতে, পরিবহন খরচ কমাতে এবং রাজ্যের চা…
Tripura News: আগরতলা লাইট হাউস প্রকল্পের ‘এ’ ও ‘এফ’ ব্লকের উদ্বোধন করলেন মুখ্যমন্ত্রী।
আগরতলা,২৯ অক্টোবর ।। আর্থিকভাবে দুর্বল ও নিম্ন আয়ের পরিবারগুলির জন্য নিরাপদ আবাসন নিশ্চিত করতে রাজ্য সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। সাধারণ মানুষের পাকা বাড়ির স্বপ্নপূরণ এবং তাঁদের জীবনযাত্রার মানোন্নয়নে লাইট হাউস প্রকল্প গুরুত্বপূর্ণ…
Tripura News: ত্রিপুরা গ্রামীণ ব্যাঙ্কের রক্তদান শিবির।
ডেস্ক রিপোর্টার, ২৯ অক্টোবর।। সামাজিক দায়বদ্ধতা ও জনকল্যাণের প্রতি অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে ত্রিপুরা গ্রামীণ ব্যাংক আগরতলায় ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে সতর্কতা সচেতনতা সপ্তাহ ২০২৬ উপলক্ষে একটি মেগা রক্তদান শিবিরের আয়োজন করে।…
Tripura News: ফের দাবি আদায়ে লক্ষ্যে মাঠে কম্পিউটার শিক্ষকরা।
ডেস্ক রিপোর্টার, ২৯ অক্টোবর।। ন্যূনতম মজুরি প্রদান, স্কুলে কম্পিউটার শিক্ষার সুষ্ঠু বাস্তবায়ন এবং ন্যায্য অধিকার সুনিশ্চিত করার দাবিতে রাজপথে নামল ‘অল ত্রিপুরা স্কুল কম্পিউটার শিক্ষক সংঘ’। বিএমএস অনুমোদিত ত্রিপুরা টেকা…
দেশ
Indian Politics: চার রাজ্যের বিধান পরিষদ নির্বাচনে ধরাশায়ী কংগ্রেস।
কর্নাটক, মহারাষ্ট্র, উত্তরপ্রদেশ এবং বিহার। এই চার রাজ্যের ২৮টি বিধান পরিষদ আসনের ভোট হয়েছিল দিন দুই আগে। এই বিধান পরিষদ নির্বাচনগুলিতে সীমিত কিছু ভোটার অংশ নেন। মূলত শিক্ষক ও স্নাতক ভোটাররা এই নির্বাচনে অংশ নেন। সেই নির্বাচনে চার রাজ্যের ২৮টি আসনের মধ্যে খাতাও খুলতে পারেনি কংগ্রেস।সবচেয়ে বড় ধাক্কা এসেছে হাত শিবিরের নিজস্ব ‘শক্ত ঘাঁটি’ বলেই পরিচিত কর্ণাটক থেকে।
ডেস্ক রিপোর্টার,২৮ অক্টোবর।।
রাহুলের লাগাতার আন্দোলন সত্ত্বেও ব্যাকফুটে হাত শিবির।কর্ণাটকে তাৎপর্যপূর্ণ ভাবে ধরাশায়ী কংগ্রেস।বিধান পরিষদের নির্বাচনী ফলাফলে খুশির হওয়া গেরুয়া শিবিরে।
লোকসভা ভোটের পর থেকেই রাহুল গান্ধীর সুর চড়া। কখনও নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে ‘ভোটচুরি’র অভিযোগ এনে আন্দোলন, কখনও ‘জেন জি’দের মন পেতে ‘ছাত্রো কি গুঞ্জ’ কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ, আবার কখনও সুপ্রিম কোর্ট অভিযান কিংবা রামলীলা ময়দানে বিশালাকার জনসভা। বিরোধীদের দাবি ছিল, দেশজুড়ে নাকি মোদি বিরোধী হাওয়া স্পষ্ট। কিন্তু ভোটের ময়দানে এসে সেই দাবির আর কোনও প্রতিফলন দেখা গেল না।অন্তত চার রাজ্যের বিধান পরিষদ নির্বাচনের ফলাফল যেন এক নতুন সমীকরণ সামনে এনে দিল। সব হিসাব উল্টে দিয়ে স্পষ্ট ইঙ্গিত মিলল, জাতীয় রাজনীতিতে কংগ্রেসের ঘুরে দাঁড়ানোর সম্ভাবনা বহু দূরে। কর্নাটক, মহারাষ্ট্র, উত্তরপ্রদেশ এবং বিহার। এই চার রাজ্যের ২৮টি বিধান পরিষদ আসনের ভোট হয়েছিল দিন দুই আগে। এই বিধান পরিষদ নির্বাচনগুলিতে সীমিত কিছু ভোটার অংশ নেন। মূলত শিক্ষক ও স্নাতক ভোটাররা এই নির্বাচনে অংশ নেন। সেই নির্বাচনে চার রাজ্যের ২৮টি আসনের মধ্যে খাতাও খুলতে পারেনি কংগ্রেস।সবচেয়ে বড় ধাক্কা এসেছে হাত শিবিরের নিজস্ব ‘শক্ত ঘাঁটি’ বলেই পরিচিত কর্ণাটক থেকে।রাজ্যে ক্ষমতায় থাকা সত্ত্বেও বিধান পরিষদের ৪টি আসনেই মুখ থুবড়ে পড়েছে কংগ্রেস। এক ছাঁটাইয়ে রাজ্যটির ৪টি আসনেই জয় তুলে নিয়েছে বিরোধী বিজেপি ও জেডিএস জোট। এমনকি কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খড়গের নিজের গড় বলে পরিচিত উত্তর-পূর্ব শিক্ষক কেন্দ্রটিতেও জয় তুলে নিয়েছে বিজেপি। অন্যদিকে, বেঙ্গালুরু শিক্ষক কেন্দ্রটিতে গতবারের জয়ী কংগ্রেস প্রার্থীকে হারিয়ে জয়ী হয়েছে জেডিএস।উত্তরপ্রদেশের বিধান পরিষদের ১১ আসনে সার্বিকভাবে কিছুটা এগিয়ে বিজেপি। তবে সমানে সমানে টক্কর দিচ্ছে সমাজবাদী পার্টিও। তাৎপর্যপূর্ণভাবে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নিজের লোকসভা কেন্দ্র বারাণসীর শিক্ষক সিটেও পরাজিত হয়েছে বিজেপি।
এ পর্যন্ত ৬ আসনের ফল বেরিয়েছে যার মধ্যে দু’টি আসনে জিতেছে সমাজবাদী পার্টি। ৪ আসনে জয়ী হয়েছে বিজেপি। বাকি পাঁচ আসনের মধ্যে ৩টিতে এগিয়ে সপা। বিজেপি ২টি আসনে এগিয়ে।
অর্থাৎ সব মিলিয়ে ফল হতে পারে ৬-৫। যা বিজেপির জন্য চিন্তার কারণ হতে পারে। বিহারে খাতা খুলে ফেলেছে প্রশান্ত কিশোরের জন সুরাজ পার্টিও। বিধানসভায় যে আরজেডি ধূলিসাৎ হয়ে গিয়েছিল, তাঁরাও পাটনার গুরুত্বপূর্ণ আসন জিতেছে। সেখানে কংগ্রেস শূন্য। হাত শিবিরের আগেরবারের জেতা আসনটিই এবার গিয়েছে পিকের দলের দখলে। একই ছবি মহারাষ্ট্রেও। সেখানে শরদ পওয়ারের দল খাতা খুললেও শূন্য কংগ্রেস।
রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের মতে, রাজপথে ক্রমাগত অভিযোগ তোলা বা একের পর এক হাই-প্রোফাইল কর্মসূচির মাধ্যমে নজর কাড়া সহজ হলেও, মানুষের রায় আর বুথ স্তরের সংগঠন যে একই জায়গায় দাঁড়িয়ে নেই, তা কর্ণাটকের এই ফলাফল স্পষ্ট করে দিল। ব্যাালট পেপারে হওয়া এই নির্বাচনে রাজ্যের সবকটি আসনে বিরোধী জোটের ক্লিন সোয়াইপ রাহুলের নেতৃত্ব এবং কংগ্রেসের জাতীয় স্তরের আন্দোলন কৌশল নিয়ে আবার বড়সড় প্রশ্নচিহ্ন তুলে দিল।
বিদেশ
Pakistan & IMF: আইএমএফ ও বিশ্বব্যাঙ্কের যৌথ বোর্ডের চেয়ারম্যান পাক মন্ত্রী আহাদ খান চিমা।
ডেস্ক রিপোর্টার,১৯ অক্টোবর।।
একদিকে আকাশছোঁয়া মুদ্রাস্ফীতি ও চরম আর্থিক সঙ্কট, অন্যদিকে আন্তর্জাতিক অর্থ ভাণ্ডারের কাছে কোটি কোটি ডলারের ঋণ পরিশোধের দায়— পাকিস্তান বললেই এখন চোখের সামনে ভেসে ওঠে এই চিত্রটি। তবে সেই ঋণের জালে জড়ানো দেশই এবার আন্তর্জাতিক আর্থিক মানচিত্রে এক বিরল পদের দায়িত্ব পেল। দীর্ঘ ৭৩ বছর পর আন্তর্জাতিক আর্থিক তহবিল এবং বিশ্বব্যাঙ্ক গ্রুপের যৌথ ‘বোর্ড অব গভর্নরস’-এর সভাপতির দায়িত্ব পেতে চলেছে পাকিস্তান।
২০২৭ সালের জন্য আইএমএফ ও বিশ্বব্যাঙ্কের এই যৌথ বোর্ডের চেয়ারম্যান পদ সামলাবেন পাকিস্তানের অর্থনৈতিক বিষয়ক মন্ত্রী আহাদ খান চিমা। ব্যাঙ্ককে আইএমএফ-বিশ্বব্যাঙ্কের বার্ষিক বৈঠকের সময় এই সিদ্ধান্তের কথা ঘোষণা করা হয়। এর আগে ১৯৫৩ সালে শেষবার এই পদে বসেছিল পাকিস্তান।
এদিকে এই খবর প্রকাশ পেতেই পাকিস্তানের শাহবাজ শরিফ সরকার একে নিজেদের দেশের এক “ঐতিহাসিক সাফল্য” বলে তুলে ধরতে শুরু করেছে। পাক প্রশাসনিক মহলের দাবি, এই পদের মাধ্যমে উন্নয়নশীল দেশগুলির আর্থিক সমস্যা ও জলবায়ু পরিবর্তনের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো আন্তর্জাতিক মঞ্চে তুলে ধরার সুযোগ মিলবে।
তবে এই পদ নিয়ে যেমন উন্মাদনা তৈরি হয়েছে, তেমনি কটাক্ষ ও বাস্তব চিত্রটাও সামনে নিয়ে এসেছেন অর্থনীতিবিদরা। আন্তর্জাতিক অর্থ বিশেষজ্ঞ এবং আইএমএফ-এর প্রাক্তন পরিচালকদের মতে, এই পদটি নীতি নির্ধারণী কোনো ক্ষমতার প্রতীক নয়।এটি ক্ষমতার পদ নয়, কেবলই প্রোটোকল বা সৌজন্যের পদ।আইএমএফ-এর নিয়ম অনুযায়ী, এই চেয়ারশিপ বা সভাপতি পদটি প্রতি বছর পর্যায়ক্রমে বিভিন্ন অঞ্চলের সদস্য দেশগুলির মধ্যে ঘোরাফেরা করে। এতে ঋণ মকুব বা নীতি পরিবর্তনের কোনো ক্ষমতা থাকে না।
উল্লেখ্য, পাকিস্তান বর্তমানে আইএমএফ-এর ৭ বিলিয়ন ডলারের “Extended Fund Facility” এবং ১.৪ বিলিয়ন ডলারের জলবায়ু তহবিলের ঋণের ওপর নির্ভর করে টিকে রয়েছে।অর্থাৎ যে দেশ নিজেদের অর্থনীতি সামলাতে অন্য দেশের কাছে হাত পাতছে, তারাই বিশ্বের দুই বৃহত্তম ঋণদাতা সংস্থার বার্ষিক সাধারণ সভার সভাপতিত্ব করবে— বিষয়টিতে আন্তর্জাতিক মহলে মিশ্র প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়েছে।





