আগরতলা
আইন-আদালত
সর্বশেষ খবর
Tripura Education: ক্যাম্পাসে কোনও বিশৃঙ্খলা
বরদাস্ত করা হবে না : টেকনো
আগরতলা, ১৩জুন।। আগরতলার মহেশখলায় টেকনো নলেজ ক্যাম্পাসে কোনরকম বিশৃঙ্খলা বরদাস্ত করা হবে না। টেকনো ইন্ডিয়া ইউনিভার্সিটি ত্রিপুরা (টিআইইউটি)-র নামে অসত্য কুৎসা রটালে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। শিক্ষার পরিবেশ রক্ষায় অত্যন্ত…
India – Bangladesh Relationship: ভারত ও বাংলাদেশের একই আকাশ বাতাস ও একই যন্ত্রণা: দীনেশ ত্রিবেদী
বাংলাদেশি সাংবাদিকদের দীনেশ ত্রিবেদী বলেন, টেকনোলজি ইনোভেশন (প্রযুক্তিগত উদ্ভাবন) যা হচ্ছে, তা ভারত–বাংলাদেশ মিলেই হচ্ছে। একটা ক্রিকেট দল যদি মিলেমিশে হয় তাহলে কত ভালো হবে। খেলাধুলা, স্বাস্থ্য, শিক্ষা, টেকনোলজি সব…
North East & AFSA: উত্তর – পূর্বাঞ্চল থেকে আফস্পা প্রত্যাহারের ইঙ্গিত অমিত শাহের।
কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ স্পষ্ট জানান, উত্তর-পূর্বে যেভাবে ক্রমাগত আফস্পা-র আওতাধীন এলাকা সংকুচিত হচ্ছে, তা আদতে এই অঞ্চলে শান্তি ও স্থিতিশীলতা ফেরারই সবচেয়ে বড় প্রমাণ। ১-২টি রাজ্য বাদ দিলে আগামী…
Tripura News: মনীষার মৃত্যুর রহস্য উদঘাটনে বিচার বিভাগীয় তদন্তের দাবি মহিলা কংগ্রেসের।
ডেস্ক রিপোর্টার, ১২ জুন।। শান্তিনিকেতন মেডিক্যাল কলেজ চত্বরে ২২ বছর বয়সী কলেজ কর্মী মনীষা দাসের রহস্য মৃত্যুর ঘটনাকে কেন্দ্র করে উত্তাল হয়ে উঠেছে ত্রিপুরার রাজ্য রাজনীতি। মৃত দেহ উদ্ধারের ঘটনায়…
Tripura News: মনীষাও চেয়েছিল নিজের পায়ে দাঁড়িয়ে আকাশ ছুঁতে। কিন্তু বিধাতার নিষ্ঠুর পরিহাস!
কাঁঠালতলী বাজার এলাকার বাসিন্দা বিশ্বজিৎ দাসের মেয়ে মনীষা বাড়ির কাছেই মধুবন কাঁঠালতলি দ্বাদশ শ্রেণী বিদ্যালয়ে স্কুল জীবনের পড়াশুনা শেষ করে। এরপর বীর বিক্রম মেমোরিয়াম কলেজ থেকে স্নাতক ডিগ্রি লাভ করে।…
দেশ
North East & AFSA: উত্তর – পূর্বাঞ্চল থেকে আফস্পা প্রত্যাহারের ইঙ্গিত অমিত শাহের।
কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ স্পষ্ট জানান, উত্তর-পূর্বে যেভাবে ক্রমাগত আফস্পা-র আওতাধীন এলাকা সংকুচিত হচ্ছে, তা আদতে এই অঞ্চলে শান্তি ও স্থিতিশীলতা ফেরারই সবচেয়ে বড় প্রমাণ। ১-২টি রাজ্য বাদ দিলে আগামী বছরের মধ্যেই উত্তর-পূর্ব ভারতের সম্পূর্ণ অংশ থেকে সশস্ত্র বাহিনীর বিশেষ ক্ষমতা আইন বা ‘আফস্পা’ প্রত্যাহার করে নেওয়া হবে।
ডেস্ক রিপোর্টার, ১২ জুন।।
উত্তর-পূর্ব ভারতে কি তবে শেষ হতে চলেছে আফস্পা জমানা? কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের সাম্প্রতিক ঘোষণা কিন্তু সেই ইঙ্গিতই দিচ্ছে। নতুন দিল্লিতে আসাম ও নাগাল্যান্ডের বিতর্কিত সীমান্ত এলাকায় খনিজ তৈল উত্তোলনের জন্য একটি ঐতিহাসিক ত্রিপাক্ষিক চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। আর সেখানেই উত্তর-পূর্বের নিরাপত্তা এবং আফস্পা নিয়ে বড় বার্তা দেন তিনি।
কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ স্পষ্ট জানান, উত্তর-পূর্বে যেভাবে ক্রমাগত আফস্পা-র আওতাধীন এলাকা সংকুচিত হচ্ছে, তা আদতে এই অঞ্চলে শান্তি ও স্থিতিশীলতা ফেরারই সবচেয়ে বড় প্রমাণ। ১-২টি রাজ্য বাদ দিলে আগামী বছরের মধ্যেই উত্তর-পূর্ব ভারতের সম্পূর্ণ অংশ থেকে সশস্ত্র বাহিনীর বিশেষ ক্ষমতা আইন বা ‘আফস্পা’ প্রত্যাহার করে নেওয়া হবে।
কেন্দ্রের পরিসংখ্যান বলছে, ২০১৯ সালের পর থেকে এখনও পর্যন্ত উত্তর-পূর্বের রাজ্যগুলিতে বিভিন্ন সশস্ত্র গোষ্ঠী ও রাজ্য সরকারের মধ্যে প্রায় ১২টি শান্তি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। যার ফলে এই অঞ্চলে হিংসাত্মক ঘটনার গ্রাফ প্রায় ৮০ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে।আসাম ও নাগাল্যান্ডের মধ্যে গত তিন দশক ধরে আটকে থাকা সীমান্ত তেল ও খনিজ অনুসন্ধান নিয়ে এই সমঝোতা চুক্তিকে মোদী সরকারের ‘সমবায় ফেডারেলিজম’-এর এক অনন্য নজির হিসেবে উল্লেখ করেন শাহ। আইন-শৃঙ্খলার উন্নতির ফলেই এই বিপুল অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড শুরু করা সম্ভব হচ্ছে বলে দাবি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের। এখন দেখার, আগামী বছরের নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে উত্তর-পূর্বের সাধারণ মানুষের দীর্ঘদিনের এই দাবি কতটা বাস্তবায়িত হয়।
বিদেশ
India – Bangladesh Relationship: ভারত ও বাংলাদেশের একই আকাশ বাতাস ও একই যন্ত্রণা: দীনেশ ত্রিবেদী
বাংলাদেশি সাংবাদিকদের দীনেশ ত্রিবেদী বলেন, টেকনোলজি ইনোভেশন (প্রযুক্তিগত উদ্ভাবন) যা হচ্ছে, তা ভারত–বাংলাদেশ মিলেই হচ্ছে। একটা ক্রিকেট দল যদি মিলেমিশে হয় তাহলে কত ভালো হবে। খেলাধুলা, স্বাস্থ্য, শিক্ষা, টেকনোলজি সব মিলেমিশে কাজ করব। এ জন্য উভয় পক্ষের সমর্থন থাকতে হবে।
#সমীরণ রায়#
________________
ঢাকা, ১২ জুন।।
বাংলাদেশের বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে দেশটির মাটিতে পা রেখে ঢাকায় নিযুক্ত ভারতের নতুন হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী দুই দেশের সম্পর্ক এগিয়ে নিতে মিলেমিশে কাজ করার বার্তা দিয়েছেন। বলেছেন, দুই দেশের জনগণের জন্য যা ভালো হয় আগামী দিনে তা–ই করা হবে।
শুক্রবার বাংলাদেশের বেনাপোল-পেট্রাপোল সীমান্ত দিয়ে সড়কপথে ভূখণ্ডে প্রবেশ করেন দীনেশ ত্রিবেদী। এ সময় বেনাপোল নো ম্যান্স ল্যান্ডে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, ভারতীয় দূতাবাস ও বেনাপোল স্থলবন্দরের কর্মকর্তারা তাঁকে অভ্যর্থনা জানান। সঙ্গে তার সহধর্মিণী মৃণাল ত্রিবেদী ছিলেন। পরে সড়কপথে তিনি ঢাকার উদ্দেশে রওনা দেন।
এ সময় বাংলাদেশি সাংবাদিকদের দীনেশ ত্রিবেদী বলেন, টেকনোলজি ইনোভেশন (প্রযুক্তিগত উদ্ভাবন) যা হচ্ছে, তা ভারত–বাংলাদেশ মিলেই হচ্ছে। একটা ক্রিকেট দল যদি মিলেমিশে হয় তাহলে কত ভালো হবে। খেলাধুলা, স্বাস্থ্য, শিক্ষা, টেকনোলজি সব মিলেমিশে কাজ করব। এ জন্য উভয় পক্ষের সমর্থন থাকতে হবে।
এ সময় ‘পুশ ইন’ নিয়ে সীমান্তে উত্তাপ এবং ভ্রমণ ও বাণিজ্যে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার প্রশ্নে দীনেশ ত্রিবেদী বলেন, ‘ভারত ও বাংলার একই আকাশ, একই বাতাস, একই যন্ত্রণা। আমার তো মনে হচ্ছে না, আমি বাংলাদেশে এসেছি। ভারতের ১৪০ কোটি আর বাংলাদেশের ২০ কোটি, এই ১৬০ কোটি জনগণের জন্য যা ভালো হয় সেটাই করা হবে। দুই দেশের জন্য ভালো হয় সেই পদক্ষেপ সামনের দিনে নেব।’
গত এপ্রিল মাসে ভারত সরকার ভারতের সাবেক রেলমন্ত্রী ও ব্যারাকপুরের সাবেক এমএলএ বিজেপি নেতা দীনেশ ত্রিবেদীকে বাংলাদেশের ১৮তম হাইকমিশনার হিসেবে নিয়োগ দেয়। তিনি হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মার স্থলাভিষিক্ত হলেন।
বাংলাদেশে ভারতীয় মিশনে ২০২২ সালের সেপ্টেম্বর থেকে দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন পেশাদার কূটনীতিক প্রণয় ভার্মা। তাঁকে এরই মধ্যে বেলজিয়াম ও ইউরোপীয় ইউনিয়নে (ইইউ) ভারতের রাষ্ট্রদূত হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। ভারতের কূটনৈতিক প্রথায় সাধারণত অভিজ্ঞ ইন্ডিয়ান ফরেন সার্ভিস (আইএফএস) কর্মকর্তাদের হাইকমিশনার পদে নিয়োগ দেওয়া হয়। দীনেশ ত্রিবেদীর ক্ষেত্রে ব্যতিক্রম ঘটল। দুই দেশের ৫৫ বছরের সম্পর্কের ইতিহাসে ভারত এই প্রথম কোনো রাজনীতিবিদকে হাইকমিশনার হিসেবে বাংলাদেশে পাঠাল।
দীর্ঘ রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক এবং বাংলা ভাষা ও সংস্কৃতি সম্পর্কে গভীর ধারণার কারণে ৭৫ বছর বয়সী দীনেশ ত্রিবেদীকে এই গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে পাঠিয়েছে ভারত সরকার। গুজরাটি ব্যবসায়ী পরিবারের সদস্য হলেও ঝরঝরে বাংলা বলতে পারেন তিনি। এ ছাড়া দীর্ঘদিন ধরে তিনি পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত।
একসময় সর্বভারতীয় রাজনীতিতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দূত ছিলেন দীনেশ ত্রিবেদী। ২০১৬ সালের পর তাঁদের সম্পর্কে অবনতি ঘটতে শুরু করে। শেষমেশ ২০২১ সালে বিধানসভা ভোটের আগে তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দেন তিনি। হাইকমিশনার হিসেবে বাংলাদেশে তাঁর দায়িত্ব গ্রহণ দুই দেশের মধ্য চলমান সীমান্ত উত্তাপ বন্ধ, ভিসা ও বাণিজ্য সহজীকরণসহ বিভিন্ন বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।





