আগরতলা
রাজনীতি
অপরাধ
আইন-আদালত
সর্বশেষ খবর
Tripura Sports: দুর্নীতিতে নিমজ্জিত ত্রিপুরা ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন। তদন্তের জন্য ক্রীড়া দপ্তরকে চিঠি।
অসম্পূর্ণ স্টেডিয়াম যা এখনও টিসিএর হাতে তুলে দেয়া হয়নি সেই অসম্পূর্ণ স্টেডিয়ামের গ্যালারীর জন্য কিভাবে ১৪/১৫ কোটি টাকার চেয়ার কেনার জন্য বরাত দেয়া হয়েছে? অসম্পূর্ণ স্টেডিয়ামের অসম্পূর্ণ ক্লাব হাউসের জন্য…
Tripura News: বিহার থেকে অস্ত্র কারবারি শুভমকে গ্রেফতার করলো ক্রাইম ব্রাঞ্চ।
ডেস্ক রিপোর্টার,১৮ মে।। আগরতলা রেলস্টেশনের অস্ত্র মামলায় বিহার থেকে গ্রেফতার এক যুবক। শুভম কুমার শর্মা। তাকে রবিবার বিহার থেকে গ্রেফতার করে নিয়ে আসে রাজ্য পুলিশের ক্রাইম ব্রাঞ্চ। সোমবার ধৃত কষ্ট…
Big Breaking News: মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত মন্ত্রিসভার দুই সদস্য!
ডেস্ক রিপোর্টার, ১৮ মে।। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ডাঃ মানিক সাহার বিরুদ্ধে গভীর ষড়যন্ত্র স্ব-দলীয় দুই মন্ত্রীর! তাদের মধ্যে একজন নিজেকে সব জান্তা “মন্ত্রী” হিসাবে জাহির করে থাকেন। তার পাখির চোখ এখন…
Tripura News: বাড়ির সামনে থাকা জলাশয়ের জলে ডুবে শিশুর মৃ*ত্যু।
ডেস্ক রিপোর্টার, ১৮ মে। রাজধানীর বুকে ঘটে গেল এক হৃদয়বিদারক দুর্ঘটনা। অসাবধানতাবশত জলে ডুবে মৃত্যু হলো এক আড়াই বছরের শিশু কন্যার। ঘটনাটি ঘটেছে রাজধানী আগরতলার ভাটি অভয়নগর সংলগ্ন এলাকায়। সোমবার…
Tripura News: তীব্র জ্বালানি সঙ্কটের মধ্যে খোয়াইয়ে রমরমা কালো বাজারি। গ্রেফতার এক।
যেখানে সাধারণ মানুষ পাম্পে গিয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়েও পর্যাপ্ত পেট্রোল পাচ্ছেন না, সেখানে কীভাবে সকাল থেকে প্রকাশ্য রাস্তায় এই কালোবাজারি চলছিল, তা নিয়ে তীব্র ক্ষোভ ছড়িয়েছে এলাকায়। খোয়াই…
দেশ
Bangladesh News: পশ্চিমবঙ্গে মুসলিম নির্যাতন-আমেরিকার সঙ্গে চুক্তির প্রতিবাদ জানাল জমিয়তে বাংলাদেশ।
সমীরণ রায়
___________
পশ্চিমবঙ্গে মুসলিম নির্যাতনের ও আমেরিকার সঙ্গে বাংলাদেশের বাণিজ্য চুক্তির প্রতিবাদ জানিয়েছে জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ।শুক্রবার রাজধানীর বায়তুল মোকাররমের সামনে আয়োজিত এক সমাবেশে তারা এ প্রতিবাদ জানায়।
ঢাকা, ১৫ মে।।
পশ্চিমবঙ্গে মুসলিম নির্যাতনের ও আমেরিকার সঙ্গে বাংলাদেশের বাণিজ্য চুক্তির প্রতিবাদ জানিয়েছে জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ।
শুক্রবার রাজধানীর বায়তুল মোকাররমের সামনে আয়োজিত এক সমাবেশে তারা এ প্রতিবাদ জানায়।
সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন দলের সহসভাপতি মো. সিদ্দিক, হোসাইন আহমাদ, ফেরদৌস আলম, জাতীয় নির্বাহী কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক নাসিরউদ্দিন খান প্রমুখ।
বক্তারা বলেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ক্ষমতায় এসেছিল ৫ আগস্টের পর। এই বিপ্লবের সঙ্গে আমাদের ভাইদের রক্ত জড়িয়ে আছে।জাতীয় নির্বাচনের তিন চারদিন আগে হঠাৎ তাদের মাথায় ভূত চাপে। তিনি আমেরিকার গোলামী করার জন্য বাংলাদেশের স্বাধীনতাকে বিকিয়ে দিয়েছেন। এটা কোনো সমঝোতা চুক্তি নয়, এটি হলো ১০ বছরের গোলামী চুক্তি। বাংলাদেশের মানুষ আমেরিকার সঙ্গে এই গোলামী চুক্তি মানে না। এই চুক্তিতে কি আছে, অবিলম্বে তা জাতির সামনে প্রকাশ করা হোক। জাতি যদি ভালো মনে করে তাহলে তা থাকবে। নইলে এই চুক্তি থেকে বের হয়ে আসতে হবে।
তারা আরও বলেন, এ বিষয়ে সরকারি ও বিরোধী দল কোনো কথাই বলে না। আপনারা যদি আমেরিকার গোলামীর সবক দিতে চান, আমরা তা মানতে রাজি নই। অবিলম্বে এ চুক্তি বাতিল করা হোক।
বক্তারা আরও বলেন, একটা দেশের ক্ষমতার পালাবদল হয় নির্বাচনের মাধ্যমে। পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতের প্রাদেশিক নির্বাচনে কলকাতায় জয়ী হয়েছে শুভেন্দু অধিকারী। নির্বাচনে জয়ী হয়েই সেখানকার মুসলিমদের ওপর নির্যাতন করা হচ্ছে। আধুনিক এই বিশ্বে মানবতাবিরোধী অপরাধ বরদাশত করা যায় না।
বিদেশ
India – Bangladesh: “কাঁটাতার দিয়ে বাংলাদেশকে ডর দেখানোর সুযোগ নেই। ” – শুভেন্দু’র উদ্দেশ্যে হুমায়ুন কবির।
পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সরকার নির্বাচনি বক্তব্যের ধারাবাহিকতা শাসনকার্যেও রাখছে কি-না, তা ‘একটু সময়’ দিয়ে দেখতে চায় ঢাকা। কাঁটাতার দিয়ে বাংলাদেশের মত দেশকে এখন ডর দেখানোর মত কোনো জায়গা নাই। দেখেন, যদি মানুষের সাথে সম্পর্ক করতে চান, বাংলাদেশের মানুষ কাঁটাতার ভয় পায় না। বুঝছেন?
।। সমীরণ রায়।।
ঢাকা, ১১ মে।।
বাংলাদেশ সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণ দ্রুততর করতে জমি দেওয়ার যে সিদ্ধান্ত নিয়েছে পশ্চিমবঙ্গের নতুন বিজেপি সরকারের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী, সেটা নিয়ে প্রয়োজনে ‘যথাযথ জায়গায়’ আলোচনার কথা বলেছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির। তিনি বলেন, কাঁটাতার দিয়ে বাংলাদেশকে ডর দেখানোর সুযোগ নেই।
সোমবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে এ বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নে তিনি বলেছেন, নির্বাচনি বক্তব্য আর বাস্তবিক সরকার পরিচালনা দুটো ‘ভিন্ন বিষয়’। পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সরকার নির্বাচনি বক্তব্যের ধারাবাহিকতা শাসনকার্যেও রাখছে কি-না, তা ‘একটু সময়’ দিয়ে দেখতে চায় ঢাকা। কাঁটাতার দিয়ে বাংলাদেশের মত দেশকে এখন ডর দেখানোর মত কোনো জায়গা নাই। দেখেন, যদি মানুষের সাথে সম্পর্ক করতে চান, বাংলাদেশের মানুষ কাঁটাতার ভয় পায় না। বুঝছেন? বাংলাদেশের সরকারও কাঁটাতার ভয় পায় না, যেখানে আমাদের কথা বলা দরকার, আমরা কথা বলব। মানুষে মানুষে সম্পর্ক চাইলে সীমান্ত নিরাপত্তার বিষয়গুলো সমাধানের ক্ষেত্রে ভারত সরকারকে ‘মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি’ দেখাতে হবে বলে মন্তব্য করেন হুমায়ুন কবির।
বিধানসভা নির্বাচনে জিতে প্রথমবারের মত ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের ক্ষমতায় আসা বিজেপি সরকারের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী সোমবার তার মন্ত্রিসভার প্রথম বৈঠক শেষে ছয়টি সিদ্ধান্তের কথা জানান । সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণে দেড় মাসের মধ্যে বিএসএফকে প্রয়োজনীয় জমি দেওয়ার সিদ্ধান্তের কথা তিনি বলেন।

সীমান্তে কাঁটাতারের ‘অননুমোদিত’ বেড়া নির্মাণ নিয়ে বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের সময় দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা তৈরি হয়। ১৯৭২ সালের ভারত-বাংলাদেশ মৈত্রী চুক্তির আলোকে ১৯৭৫ সালে সীমান্ত কর্তৃপক্ষের জন্য একটি নীতিমালা প্রণয়ন করা হয়। তার ভিত্তিতে তৎকালীন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর আলম বলেছিলেন, শূন্যরেখার ১৫০ গজের ভেতরে কেউ কোনো প্রতিরক্ষা স্থাপনা করতে পারবে না। ওই ১৫০ কাজের ভেতরে কোনো উন্নয়নমূলক কাজ করতে গেলে একে অপরের সম্মতি নিতে হবে।
পশ্চিমবঙ্গ সরকারের নতুন সিদ্ধান্তের বিষয়ে প্রশ্ন করলে পররাষ্ট্র উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির বলেন, এখন পশ্চিমবঙ্গে যে সরকার নতুন গঠিত হয়েছে, নির্বাচনি বক্তব্য উগ্র হতে পারে, অনেক সময় নির্বাচনে জেতার জন্য অশোভন (ভালগার) কথাও মানুষ বলে। কিন্তু বাস্তবিক সরকার পরিচালনা একটা ভিন্ন বিষয়। দেখি, আমরা একটু সময় দিই; রেটরিক আর গভার্নেন্সে পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি সরকার একই জিনিস এগিয়ে নিতে চাচ্ছে কি-না। আর আমাদের সম্পর্কতো প্রাথমিকভাবে কেন্দ্রীয় সরকারের সাথে থাকে। এখানে আমরা তাদের অভ্যন্তরীণ রাজনীতির মধ্যে ঢুকতে চাই না।

এরপর কাঁটাতার নিয়ে ‘ভয় না পাওয়ার’ বক্তব্য দিয়ে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা বলেন, সীমান্তে মানুষ হত্যা করলে ঢাকা বসে বসে দেখবে না। এখানে আগে যেসব কাহিনীগুলি দেখেছি, মানুষ অনেক হত্যা করে ফেলা হয়। কাঁটাতারে লাগায়া আপনি ফেলে রাখবেন, যেগুলো আমরা আগে দেখেছি হাসিনার সময়। ওই নমুনায়তো বর্ডার কোনোদিন ইনশাআল্লাহ আসবে না। ওই নমুনায় যদি কেউ বর্ডার করতেও চায়, এই বাংলাদেশ সেই জঘন্য গোলামির বাংলাদেশ না যে, বসে দেখবে। এই বাংলাদেশের পরিকল্পনা আছে কী করতে হবে। ইনশাআল্লাহ, আশা করি, ওই পথে যাবে না। আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা ও শান্তি নিয়ে বাংলাদেশের অবস্থানের কথা তুলে ধরার পাশাপাশি সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভারতে অবস্থানের প্রসঙ্গও টানেন হুমায়ুন কবির।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা ও শান্তি চায়, প্রতিবেশী ও আঞ্চলিক দেশগুলোর সঙ্গে সংলাপ চায় এবং সবাই একটা আন্তরিক অবস্থায় থাকতে চায়। চ্যালেঞ্জ থাকবেই।
দুদেশের নেতৃত্বের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক এগিয়ে নেওয়ার অঙ্গীকার থাকার ওপর জোর দিয়ে তিনি বলেন, যদি আমরা দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক এগিয়ে নিতে চাই, আমরা বলছি যে, দুদেশের নেতৃত্বের মনোভাব ও অঙ্গীকার সেখানে অবশ্যই থাকতে হবে এবং চ্যালেঞ্জ থাকা স্বত্বেও এটাকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার অঙ্গীকার রয়েছে। অবশ্যই সেখানে কিছু চ্যালেঞ্জ থাকবে, কিছু ক্ষেত্রে বড়সড় চ্যালেঞ্জ থাকবে। তবে, সংলাপের দরজা যখন খোলা আছে, তখন এটার সমাধানে আপনি কিছু উদ্যোগ নিতে পারবেন। কিছু দ্রুত সমাধান হবে, আর কিছুতে সময় লাগবে।

">
পরিস্থিতি নিয়ে পিকে’র টিম
“অতিথি দেব ভব”: মুখ্যমন্ত্রী">
রাত ভর হোটেলে আটক পিকে’র টিম। উত্তেজনা বাড়ছে দেশের রাজধানী দিল্লিতে।">
">
">
">
">
">




ড. খলিলুর">