আগরতলা
আইন-আদালত
সর্বশেষ খবর
Nepal Crisis: ফের জেন-জি’ আগুনে জ্বলে উঠলো নেপাল। আস্থা নেই বলেন্দ্র শাহে।
ডেস্ক রিপোর্টার, ১৪ জুলাই।। নেপালের রাজনীতিতে এবার চরম নাটকীয় মোড়। যে তরুণের হাত ধরে হিমালয়ের কোলে জেগে উঠেছিল ‘জেন-জি’ বিপ্লব, আজ তাঁর বিরুদ্ধেই জ্বলছে ক্ষোভের আগুন। কাঠমান্ডুর মেয়র বলেন্দ্র শাহ—এক…
Tripura News: রথযাত্রা উপলক্ষে জেলা প্রশাসনের বিধি নিষেধ। রথের উচ্চতা সর্বোচ্চ পাঁচ মিটার।
ডেস্ক রিপোর্টার, ১৪ জুলাই।। গত কয়েক বছর আগে জগন্নাথের রথযাত্রা কেন্দ্র করে ভয়াবহ দুর্ঘটনা ঘটেছিল কুমারঘাটে। লোহা দিয়ে তৈরি রথের চূড়া স্পর্শ হয়েছিল মূল সড়কে থাকা বিদ্যুৎ পরিবাহী তারের সঙ্গে।…
CJP Movement : দিল্লির যন্তর মন্তরে অনশন মঞ্চে অসুস্থ সোনম। দেখা নেই রাহুল গান্ধীর।
ডেস্ক রিপোর্টার, ১৪ জুলাই।। দিল্লির যন্তর মন্তরে ককরোচ জনতা পার্টির অনশন মঞ্চে অসুস্থ হয়ে পড়েছেন সোনম ওয়াংচুক। কিন্তু নিশ্চুপ ভারত সরকার। একই অবস্থা দিল্লি সরকারেরও। আন্দোলনকারীদের দাবিগুলির মধ্যে অন্যতম, কেন্দ্রীয়…
Bangladesh News: শেখ হাসিনা বাংলাদেশে ফিরলে সুবিচার নিশ্চিত করা হবে: প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা
#সমীরণ রায়# _______________ মৃত্যুদণ্ড পাওয়া ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণকে স্বাগত’ জানানো হবে বলেছেনবাংলাদেশের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের তথ্য ও সম্প্রচারবিষয়ক উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান।মঙ্গলবার সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের (পিআইডি) সম্মেলন…
Indian supreme Court: দেশের সর্বোচ্চ আদালতে মামলার পাহাড় নিষ্পত্তির জন্য বিশেষ বেঞ্চ।
ডেস্ক রিপোর্টার, ১৩ জুলাই।। মামলার পাহাড় জমে রয়েছে ভারতের সমস্ত নিম্ন ও উচ্চ ন্যায়ালয়ে। সুপ্রিম কোর্টও তার ব্যতিক্রম নয়। এই পরিস্থিতিতে বড় সিদ্ধান্ত নিলেন প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত মিশ্র।ঝুলে থাকা…
দেশ
CJP Movement : দিল্লির যন্তর মন্তরে অনশন মঞ্চে অসুস্থ সোনম। দেখা নেই রাহুল গান্ধীর।
ডেস্ক রিপোর্টার, ১৪ জুলাই।।
দিল্লির যন্তর মন্তরে ককরোচ জনতা পার্টির অনশন মঞ্চে অসুস্থ হয়ে পড়েছেন সোনম ওয়াংচুক। কিন্তু নিশ্চুপ ভারত সরকার। একই অবস্থা দিল্লি সরকারেরও। আন্দোলনকারীদের দাবিগুলির মধ্যে অন্যতম, কেন্দ্রীয় শিক্ষা মন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ। সিজেপি এই দাবিতে অনশন আন্দোলন শুরু করলেও, তাতে কোনো কর্ণপাত করে নি কেন্দ্রীয় সরকার। টানা অনশন আন্দোলন চলা অবস্থায় অনশন মঞ্চে অসুস্থ হয়ে পড়েছেন সমাজ কর্মী সোনম ওয়াংচুক।
রাজনীতিকরা বলছেন , ঘুর পথে মোদী সরকার ককরোচ জনতা পার্টির অনশন আন্দোলনকে গুরুত্ব দিচ্ছে। তার জন্যই অনশন মঞ্চের সামনে দিল্লী পুলিশ ক্যামেরা বসিয়ে দিয়েছে।এই অনশন মঞ্চে কে বা কারা আসছেন তা দেখার জন্যই দিল্লি পুলিশের এই ক্যামেরার ব্যবহার। ক্যামেরা খোলার জন্য পুলিশের কাছে তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছেন সিজেপির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে।
যন্তর মন্তরে ককরোচ জনতা পার্টির অনশন আন্দোলনকে প্রকাশ্যে সমর্থন জানিয়েছেন দেশের বাম নেতৃত্ব। ইতিমধ্যে ত্রিপুরা সিপিএমের সম্পাদক সহ কয়েকজন বাম কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব দিল্লির যন্তর মন্তর অনশন মঞ্চে গিয়েছেন। কথা বলেছেন সোনম ওয়াংচুক ও অভিজিৎ দীপকের সঙ্গে। কেরলের বাম নেতারাও গিয়েছেন। সিজেপি – র আন্দোলনকে সমর্থন করেছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তৃণমূল কংগ্রেসও।
সবচেয়ে অবাক করার মত বিষয়, কোন এক রহস্যজনক কারণে সোনম ওয়াংচুক ও অভিজিৎ দীপকের অনশন আন্দোলন নিয়ে মুখে কুলুপ এঁটে রেখেছেন দেশের বিরোধী দলনেতা তথা কংগ্রেস আইকন রাহুল গান্ধী। তিনি এখন পর্যন্ত অনশন আন্দোলন মঞ্চে যান নি। বা এই আন্দোলনকে সমর্থন করছেন বলেও কোনো মন্তব্য করেননি।দেখা নেই উত্তর প্রদেশের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী অখিলেশ যাদব সহ সংসদের বিরোধী বেঞ্চের তাঁবড় নেতাদের। দেশের এই সমস্ত বিরোধী দলের নেতারা সংসদে মোদী সরকারের আদ্যা শ্রাদ্ধ করে থাকেন। কিন্তু তারা এখন পর্যন্ত দাঁড়ান নি সোনম- অভিজিৎদের পাশে।ককরোচ জনতা পার্টির আন্দোলন মঞ্চের প্রতি বিরোধীদের বিমুখতা নিয়ে প্রশ্ন তুলছে দেশের সাধারণ মানুষ। করছে ছিঃ ছিঃ।
বিদেশ
Nepal Crisis: ফের জেন-জি’ আগুনে জ্বলে উঠলো নেপাল। আস্থা নেই বলেন্দ্র শাহে।
ডেস্ক রিপোর্টার, ১৪ জুলাই।।
নেপালের রাজনীতিতে এবার চরম নাটকীয় মোড়। যে তরুণের হাত ধরে হিমালয়ের কোলে জেগে উঠেছিল ‘জেন-জি’ বিপ্লব, আজ তাঁর বিরুদ্ধেই জ্বলছে ক্ষোভের আগুন। কাঠমান্ডুর মেয়র বলেন্দ্র শাহ—এক সময়ের তরুণ প্রজন্মের নয়নের মণি, এখন তাঁদেরই সবচেয়ে বড় ক্ষোভের কারণ। গত তিন দিনে তাঁর পদত্যাগের দাবিতে প্রকাশ্য রাস্তায় নিজেদের গায়ে পেট্রল ঢেলে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছে ৩ যুবক। হঠাৎ কেন এই উলটপুরাণ?
বিকল্প পুনর্বাসনের ব্যবস্থা না করেই ভূমিহীন দখলদারদের উচ্ছেদের সরকারি সিদ্ধান্তের প্রতিবাদেই এই বিক্ষোভ।কাঠমান্ডুর সিংহদরবার সচিবালয়ের বাইরে মাইতিঘর মণ্ডলায় বিক্ষোভ প্রদর্শন।‘জয়েন্ট ন্যাশনাল স্কোয়াটার্স ফ্রন্ট’-এর সদস্যরা এই বিক্ষোভ কর্মসূচির আয়োজন করে।
বিক্ষোভ চলাকালীন অংশগ্রহণকারীরা দরিদ্রদের দুর্ব্যবহার বন্ধ, মানবাধিকারের প্রতি সম্মান, বেআইনি গ্রেপ্তারি বন্ধ এবং অননুমোদিত বসতিবাসীদের জন্য উপযুক্ত আবাসনের মতো একাধিক দাবিতে সোচ্চার হয়েছে। পরিস্থিতি যে দিকে এগোচ্ছে তাতে উদ্বেগ বাড়ছে সরকারের। এই অবস্থায় যুব সমাজের পাশে দাঁড়িয়ে বলেন্দ্র সরকারকে নিশানায় নিয়েছে বিরোধী দল নেপালি কংগ্রেস। রাষ্ট্রের ব্যর্থতার জেরেই এই আত্মহত্যা বলে দাবি করা হয়েছে।
রাজনীতিতে নায়ক থেকে খলনায়ক হতে যে বেশি সময় লাগে না, নেপালের এই ঘটনা যেন আরও একবার তা প্রমাণ করল। যে জেন-জি প্রজন্ম বলেন্দ্র শাহকে ক্ষমতার শীর্ষে বসিয়েছিল, আজ তারাই তাঁর বিদায়ঘণ্টা বাজাতে মরিয়া। কাঠমান্ডুর এই আগুন শেষ পর্যন্ত বলেন্দ্রর মেয়র পদ পুড়িয়ে ছারখার করে কি না, এখন সেটাই দেখার।





