আগরতলা
অপরাধ
আইন-আদালত
সর্বশেষ খবর
Tripura News: বিহারের আহত শ্রমিকের পাশে দাঁড়িয়ে মানবিক নজির রাজ্য শ্রম দপ্তরের।
ডেস্ক রিপোর্টার,৪ জুন। কর্মক্ষেত্রে দুর্ঘটনার শিকার হওয়া এক বহিরাজ্যের শ্রমিকের পাশে দাঁড়িয়ে মানবিক নজির গড়ল রাজ্য শ্রম দপ্তর। দক্ষিণ ত্রিপুরা জেলার একটি মিষ্টির দোকানে কাজ করার সময় দুর্ঘটনাবশত শরীরে গরম…
NEC Meeting: উত্তর-পূর্বের রাজ্যগুলোর সার্বিক বিকাশে এনইসির বৈঠকে একগুচ্ছ সিদ্ধান্ত।
ডেস্ক রিপোর্টার, ৪ জুন।। মেঘালয়ের রাজধানী শিলংয়ে এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে মিলিত হলেন উত্তর-পূর্বাঞ্চলের নীতি-নির্ধারকরা।বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত হলো নর্থ ইস্ট কাউন্সিল বা এনইসি-এর ৭৩তম প্লেনারি বৈঠক।বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ।কেন্দ্রীয়…
Tripura News: দুইদিনের রাজ্য সফরে এলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ।
ডেস্ক রিপোর্টার, ৪ জুন।। দুইদিনের রাজ্য সফরে এলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ।বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় তিনি গুয়াহাটি থেকে আগরতলা এমবিবি বিমান বন্দরে আসেন। সেখান থেকে চলে যান শাল বাগানে বিএসএফ- র হেড…
Tripura News: রাজ্যের পাহাড়ি অঞ্চলে জল কষ্ট। এক মহামারি রোগের মতো। এটাই কি উন্নয়ন?
এলাকায় পানীয় জলের সমস্যা দীর্ঘদিনের। প্রশাসন ও দপ্তরের তরফে সমস্যা সমাধানের আশ্বাস দিয়ে এলাকায় একটি বড় জলের ট্যাংক এবং পাম্প মেশিন বসানো হয়েছিল। কিন্তু অভিযোগ, উদ্বোধনের পর থেকেই নিয়মিত জল…
Tripura News : অমিত শাহের রাজ্য সফরের প্রাক লগ্নে শহরে ধৃত সন্দেহ ভাজন বাংলাদেশী। চলছে জিজ্ঞাসাবাদ।
ডেস্ক রিপোর্টার, ৩ জুন।। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের রাজ্য সফরের প্রাক লগ্নে শহরের বিটারবনে গ্রেফতার এক সন্দেহ ভাজন বাংলাদেশী যুবক। তার নাম নাজির ভূইয়া। বাড়ি বাংলাদেশের ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলায়। প্রাপ্ত খবরের…
দেশ
NEC Meeting: উত্তর-পূর্বের রাজ্যগুলোর সার্বিক বিকাশে এনইসির বৈঠকে একগুচ্ছ সিদ্ধান্ত।
ডেস্ক রিপোর্টার, ৪ জুন।।
মেঘালয়ের রাজধানী শিলংয়ে এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে মিলিত হলেন উত্তর-পূর্বাঞ্চলের নীতি-নির্ধারকরা।বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত হলো নর্থ ইস্ট কাউন্সিল বা এনইসি-এর ৭৩তম প্লেনারি বৈঠক।বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ।কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর উপস্থিতিতে এই বৈঠকে উত্তর-পূর্বের রাজ্যগুলোর সার্বিক বিকাশ ও পরিকাঠামো উন্নয়নে একগুচ্ছ বড় সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বৈঠকে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ছাড়াও উত্তর-পূর্বাঞ্চল উন্নয়ন মন্ত্রী জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়া উপস্থিত ছিলেন।তাছাড়া এই বৈঠকে অংশ নেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ড. মানিক সাহা-সহ উত্তর-পূর্বের সবকটি রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ও শীর্ষ সরকারি কর্তারা।
বৈঠকের মূল লক্ষ্য ছিল উত্তর-পূর্বাঞ্চলের রাজ্যগুলোর মধ্যে পারস্পরিক সমন্বয় এবং সার্বিক বিকাশকে আরও গতিশীল করা। বিশেষ করে যোগাযোগ ব্যবস্থা বা কানেক্টিভিটি, আধুনিক অবকাঠামো নির্মাণ, স্বাস্থ্য পরিষেবা, শিক্ষা এবং পর্যটন শিল্পের প্রসারে বিশদ আলোচনা হয়। মুখ্যমন্ত্রী ড. মানিক সাহা রাজ্যের স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দাবি ও উন্নয়নের খতিয়ান বৈঠকে তুলে ধরেন।পরে কেন্দ্রীয় সরকারের পক্ষ থেকে আশ্বস্ত করা হয়েছে, উত্তর-পূর্বাঞ্চলকে দেশের অর্থনৈতিক বৃদ্ধির অন্যতম প্রধান ইঞ্জিন হিসেবে গড়ে তুলতে সব ধরনের সহায়তা দেওয়া হবে।মোটের উপর উত্তর-পূর্ব ভারতের উন্নয়নের রোডম্যাপ তৈরিতে শিলংয়ে বসেছিল নর্থ ইস্ট কাউন্সিলের ৭৩তম প্লেনারি বৈঠক। এবং তা সফলতার সাথেই শেষ হয়েছে।
বিদেশ
Bangladesh News: আরও বেশি আশাবাদী হয়ে বাংলাদেশ ত্যাগ করছি: প্রণয় ভার্মা
প্রণয় ভার্মা আরও বলেন, বাংলাদেশে কাজ করতে গিয়ে আমি উপলব্ধি করেছি যে, আমাদের সম্পর্কগুলো কতটা বিশেষ ও অনন্য। এক স্তরে, আমরা অভিন্ন ভূগোল, ইতিহাস, ভাষা ও ঐতিহ্যের মাধ্যমে সংযুক্ত। অন্য দিকে, আমাদের মধ্যে এমন এক সাংস্কৃতিক ঘনিষ্ঠতা ও সহমর্মিতা রয়েছে, যা অন্য যেকোনো দুটি সমাজের মধ্যে বিরল।
#সমীরণ রায়#
________________
ঢাকা ডেস্ক, ২৫ মে।।
বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মা বলেছেন, দুই দেশের ভবিষ্যৎ নিয়ে আমি আরও বেশি আশাবাদী হয়ে বাংলাদেশ ত্যাগ করছি।রোববার ভারতের হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মা এক বিদায়ী বার্তায় একথা বলেন।
তিনি বলেন, বাংলাদেশ ছেড়ে বেলজিয়াম ও ইউরোপীয় ইউনিয়নে ভারতের রাষ্ট্রদূত হিসেবে আমার পরবর্তী দায়িত্বে যোগদানের প্রাক্কালে আমার মনে অনেকগুলি ভাবনার সমাগম ঘটেছে। আমরা প্রায় চার বছর ধরে ঢাকায় অবস্থান করেছি, যা প্রচলিত তিন বছর মেয়াদকালের চেয়ে দীর্ঘ। এই সময়কালে আমরা একাধিক পরিবর্তন প্রত্যক্ষ করেছি, যার প্রত্যেকটি একে অপরের থেকে পৃথক। প্রতিটিরই রয়েছে নতুন একদল করে অংশীজন, যাদের ভারতের সাথে সম্পর্কের বিষয়ে রয়েছে নিজস্ব দৃষ্টিভঙ্গি।
কখনও কখনও এটি ছিল বন্ধুর। কিন্তু পেছনে ফিরে তাকালে মনে হয়, এটি অত্যন্ত সমৃদ্ধ ও ফলপ্রসূ একটি অভিজ্ঞতাও ছিল। আমি ও আমার স্ত্রী মনু এখান থেকে অনেক অবিস্মরণীয় স্মৃতি সঙ্গে নিয়ে যাব। অনেক মানুষ অসাধারণভাবে আমাদের জীবনকে স্পর্শ করেছেন, গড়ে তুলেছেন এমন বন্ধুত্বের বন্ধন, যা কূটনীতিবিদ হিসেবে এই দেশের সাথে সংযোগের পরিসর অতিক্রম করে অনেক বেশি স্থায়ী হবে।”
প্রণয় ভার্মা আরও বলেন, বাংলাদেশে কাজ করতে গিয়ে আমি উপলব্ধি করেছি যে, আমাদের সম্পর্কগুলো কতটা বিশেষ ও অনন্য। এক স্তরে, আমরা অভিন্ন ভূগোল, ইতিহাস, ভাষা ও ঐতিহ্যের মাধ্যমে সংযুক্ত। অন্য দিকে, আমাদের মধ্যে এমন এক সাংস্কৃতিক ঘনিষ্ঠতা ও সহমর্মিতা রয়েছে, যা অন্য যেকোনো দুটি সমাজের মধ্যে বিরল। আরও গভীর পর্যায়ে, ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে আমাদের সম্মিলিত আত্মত্যাগের মাধ্যমে আমরা আবেগের বন্ধনে আবদ্ধ। আমাদের সম্পর্কটি তাৎপর্যপূর্ণ পারস্পরিক নির্ভরশীলতা ও আন্তঃসংযোগের। একটি সমৃদ্ধ বাংলাদেশ যেমন ভারতের জন্য কাম্য, তেমনই একটি সমৃদ্ধ ভারতও বাংলাদেশের জন্য কাম্য।
ভারতীয় হাইকমিশনার বলেন, “আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি যে, আমাদের সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও আবেগগত সংযোগের এই বাস্তবতা এবং পারস্পরিক নির্ভরশীলতা ও পারস্পরিক কল্যাণের এই যুক্তিই আমাদের সম্পর্কটিকে অব্যাহতভাবে পথনির্দেশনা প্রদান করবে এবং সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাবে।
বাংলাদেশের জন্মের পর বিগত ৫৫ বছরে ভারত ও বাংলাদেশ উভয়ই অনেকটা পথ পাড়ি দিয়েছে। আমরা উভয়ই আগের যেকোনো সময়ের তুলনায় আরও বেশি সক্ষম, আত্মবিশ্বাসী, সংযুক্ত এবং উচ্চাকাঙ্ক্ষী সমাজে পরিণত হয়েছি। আমরা উভয়েই আমাদের অভিন্ন এই অঞ্চলের শান্তি, স্থিতিশীলতা ও উন্নয়নের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অংশীজন। জলবায়ু পরিবর্তন ও পরিবেশগত স্থায়িত্বের মতো অভিন্ন প্রতিবন্ধকতাসমূহ মোকাবিলা করার ক্ষেত্রে আমাদের দুই দেশের মধ্যে সহযোগিতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই অঞ্চলের দুটি বৃহত্তম অর্থনীতি হিসেবে, আমাদের উভয়কেই এই অঞ্চলে আরও ঘনিষ্ঠ সমন্বয়ের লক্ষ্যে মূল ভিত্তি হিসেবে কাজ করতে হবে। আজ আমরা আমাদের অতীতের তুলনায় অনেকাংশেই আলাদা হওয়ার কারণে আমি আরও বিশ্বাস করি যে, আমাদের সম্পৃক্ততার জন্য ভবিষ্যৎ-কেন্দ্রিক নতুন একটি কর্মসূচি প্রয়োজন। এমন একটি কর্মসূচি যা আমাদের নতুন সক্ষমতাসমূহ, নতুন লক্ষ্যসমূহ ও নতুন জাতীয় উন্নয়ন অগ্রাধিকারসমূহের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। এমন একটি কর্মসূচি যা আমাদের সুদৃঢ় সাংস্কৃতিক ও অর্থনৈতিক সংযোগের মাধ্যমে পরিচালিত। এবং এমন একটি কর্মসূচি যা পারস্পরিক আগ্রহ, পারস্পরিক কল্যাণ ও পারস্পরিক শ্রদ্ধার ওপর ভিত্তি করে গঠিত।”
তিনি বলেন, দ্রুত বিকাশমান দুটি দেশ হিসেবে আমাদের ভৌগোলিক নৈকট্য আমাদের উভয়ের জন্যই একটি সম্পদ, কোনো দায় নয়। এই নৈকট্যকে উভয়ের জন্য নতুন সুযোগে রূপান্তরিত করার লক্ষ্যে আমাদেরকে অবশ্যই নিরন্তর প্রয়াস চালিয়ে যেতে হবে। আমি আশাবাদী যে, ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কের সকল শুভানুধ্যায়ী এই অভিন্ন স্বপ্নকে গড়ে তোলা ও এটার বাস্তবায়নের লক্ষ্যে একত্রিত হবেন। দুই দেশের ভবিষ্যৎ নিয়ে আমি আরও বেশি আশাবাদী হয়ে বাংলাদেশ ত্যাগ করছি।
বিদায়ী হাইকমিশনার বলেন, “চার বছর অনেক দীর্ঘ সময় হলেও এই দেশ ও তার মানুষের প্রতি আমাদের যে স্নেহার্দ্রতা ও আবেগীয় টান গড়ে উঠেছে, তার জন্য এই সময়কাল অপ্রতুল। নানা উত্থান-পতন সত্ত্বেও, কেবলমাত্র এখানে গড়ে ওঠা অসাধারণ বন্ধুত্ব এবং সমগ্র দেশের মানুষের কাছ থেকে পাওয়া উষ্ণতা ও স্নেহের কারণে বাংলাদেশে আমাদের কাটানো এই সময়টি আমার ও আমার স্ত্রীর কাছে সবচেয়ে প্রিয় পর্যায় হিসেবে স্মৃতিতে অমলিন হয়ে থাকবে। বাংলাদেশের প্রায় সকল স্তরের এমন বহু সদয় ও সুহৃদ বন্ধু, যারা আমাদের হৃদয়কে গভীরভাবে স্পর্শ করেছেন, তাদের সঙ্গে যোগাযোগ বজায় রাখার প্রত্যাশা করছি। আমরা আশা করি, আমাদের পথ আবার কখনও, কোনো এক সময়, কোনো এক স্থানে মিলিত হবে! সেই পর্যন্ত, আমি শুধু এটাই বলতে চাই—আবার দেখা হবে।


