ডেস্ক রিপোর্টার, ৩১জানুয়ারী।।
সিপিএম- কংগ্রেস ও তিপ্রামথার মধ্যে বৃহত্তর জোটের ইঙ্গিত দিলেন সিপিএম রাজ্য সম্পাদক জিতেন্দ্র চৌধুরী। মঙ্গলবার সাব্রুম বিধানসভা কেন্দ্রে নির্বাচনী প্রচারে গিয়ে একথা বলেন তিনি। জিতেন্দ্র চৌধুরী কথায়, কংগ্রেস ও সিপিএমের মধ্যে আসন বন্টন প্রক্রিয়া নিয়ে যে সমস্যা মাথাচাড়া দিয়েছিলো তা শীঘ্রই শেষ হয়ে যাবে। দুই পক্ষের আলোচনার মাধ্যমে আগামী ২ ফেব্রুয়ারি উভয় রাজনৈতিক দল তাদের অতিরিক্ত প্রার্থী প্রত্যাহার করে নেবে।অর্থাৎ বিজেপিকে ঠেকাতে বাম – কংগ্রেস জোট শক্তিশালী করতেই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে পোস্ট অফিসচৌমুনী ও মেলার মাঠের নেতৃত্ব।
জিতেন্দ্র চৌধুরী বলেন,রাজ্যের ৪০ লক্ষ মানুষের স্বার্থে বাম-কংগ্রেস জোট হয়েছে। আসন বন্টন নিয়ে তৈরি হওয়া সমস্যাও নিরসন হয়ে যাবে।
কংগ্রেস অতিরিক্ত চারটি আসনে প্রার্থী দিয়েছিল। এরপরই বামেরা রাজ্যের ৬০টি বিধানসভা কেন্দ্রেই প্রার্থী দিয়েছে। পরবর্তী সময় প্রদেশ কংগ্রেসের পর্যবেক্ষক অজয় কুমার ও সভাপতি বীরজিত সিনহার সঙ্গে এই বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে। তারা জানিয়েছে, ১৩ টি আসনেই প্রার্থী দেবে কংগ্রেস। স্বাভাবিকভাবেই বামেরাও ৪৭এর বাইরে অতিরিক্ত আসন গুলি। থেকে প্রার্থী প্রত্যাহার করে নেবে।
জিতেন্দ্র চৌধুরী বলেন, তার সঙ্গে কথা হয়েছে তিপ্রামথার সুপ্রিমো প্রদ্যুৎ কিশোর দেববর্মনের। প্রদ্যুৎ তাকে জানিয়েছেন সাব্রুম কেন্দ্রে মথা কোনো প্রার্থী দেয়নি। জিতেন্দ্রর ভাষায়, তিনি প্রদ্যুৎকে বলেছেন শুধু সাব্রুম কেন্দ্র জিতলেই হবে না, অন্যান্য আসন গুলি তো জয়ী হতে হবে ।তাই রাজ্যের অন্যান্য আসনে গুলিকে নিয়ে ভাবতে হবে। তখন নাকি প্রদ্যুৎ কিশোর এই প্রস্তাবে সায় দিয়ে বলেছেন, তিনি কিছু কিছু বিধানসভা কেন্দ্রের তালিকা তৈরি করবেন। যেগুলিতে সম্মিলিতভাবে বাম কংগ্রেস ও মথা সম্মিলিত ভাবে বিজেপির বিরুদ্ধে লড়াই করতে পারবে।
রাজনীতিকরা বলছেন, আগামী ২ ফেব্রুয়ারি মনোনয়ন প্রত্যাহারের দিন। এদিন যদি বাম – কংগ্রেস ও তিপ্রামথা আলোচনার মাধ্যমে বিভিন্ন বিধানসভা থেকে তাদের প্রার্থী প্রত্যাহার করে নিলে এবং এক জোটে বিজেপির বিরুদ্ধে লড়াইয়ের ডাক দিলে নিশ্চিতভাবে ভাবতে হবে পদ্ম শিবিরকে। কেননা তিন শক্তি এক মঞ্চে চলে এলে বিজেপির জন্য দেখা দেবে ঘোর বিপদের আশঙ্কা।
