আগরতলা
ত্রিপুরা
আইন-আদালত
সর্বশেষ খবর
Rahul Gandhi-BJP: জ্ঞানেশের পর মোদী – শাহের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপের হুঙ্কার রাহুল গান্ধীর।
এদিন রাহুল গান্ধী দাবি করেন, ২০২৪ সালের নির্বাচনের আগে সাড়ে ১৩ কোটি ভোটারকে ভোটার তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছিল। দেশের প্রতি সাতজন ভোটারের মধ্যে একজন বাদ পড়েন। এই হিসাবে এনডিএ-র…
Indian Cricket: বৈভব প্রসঙ্গে গম্ভীরের বক্তব্য, “সকলকে খুশি করা তাঁর কাজ নয়।”
স্পোর্টস ডেস্ক, ১লা নভেম্বর।। নিউ জ়িল্যান্ডের বিরুদ্ধে পঞ্চম টি-টোয়েন্টি ম্যাচেও ভারতের প্রথম একাদশে জায়গা হয়নি বৈভব সূর্যবংশীর। তৃতীয় ম্যাচে ৪৫ রানের আগ্রাসী ইনিংস খেলার পরও টানা দু’টি ম্যাচে বৈভবকে বসিয়ে…
Tripura News: তেলিয়ামুড়াতে খু*নিরা কিভাবে হ*ত্যা করেছে প্রণয়কে? পুলিশকে তার বর্ণনা দিলো ধৃ*ত কৃষ্ণধন।
ডেস্ক রিপোর্টার, ১লা নভেম্বর ।। তেলিয়ামুড়া জুড়েই গত দেড় মাস ধরে আলোচনার কেন্দ্র বিন্দুতে ছিল চাঞ্চল্যকর প্রণয় দে ওরফে জুন হত্যাকাণ্ড। গত ১৭ সেপ্টেম্বরের সেই নৃশংস ঘটনায় এবার এলো এক…
Tripura News: পুর ও নগর ভোটে আসন সমঝোতা নিয়ে জট কাটে নি বিজেপি – মথার। সোমবার রাতে আসবে স্পষ্ট চিত্র।
ডেস্ক রিপোর্টার,১ লা নভেম্বর।। পুর নির্বাচনের দিনক্ষণ বা নির্ঘন্ট ঘোষণার পর দুই দিন কেটে গেলেও আসন্ন পুরভোটে আসন সমঝোতা নিয়ে এখনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে পারেনি শাসক দলীয় জোট। তবে যৌথ…
Ranji Trophy: স্বস্তিতে ত্রিপুরা। জাদেজা- উনাদকরকে ছাড়াই রাজ্যে এলো সৌরাষ্ট্র।
স্পোর্টস ডেস্ক,১ লা নভেম্বর।। ত্রিপুরার শিবিরে কিছুটা স্বস্তির আবহাওয়া। সৌরাষ্ট্রের হয়ে খেলতে রাজ্যে আসেননি দুই তারকা ক্রিকেটার রবীন্দ্র জাদেজা এবং জয়দেব উনাদকর। ভারতীয় এ দলে জায়গা পাওয়ায় জাদেজা এখন রয়েছেন…
দেশ
Rahul Gandhi-BJP: জ্ঞানেশের পর মোদী – শাহের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপের হুঙ্কার রাহুল গান্ধীর।
এদিন রাহুল গান্ধী দাবি করেন, ২০২৪ সালের নির্বাচনের আগে সাড়ে ১৩ কোটি ভোটারকে ভোটার তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছিল। দেশের প্রতি সাতজন ভোটারের মধ্যে একজন বাদ পড়েন। এই হিসাবে এনডিএ-র জয়কে ‘মিথ্যা’ বলে অভিহিত করেন কংগ্রেস নেতা।
ডেস্ক রিপোর্টার, ১লা নভেম্বর।।
নির্বাচন কমিশনের বিশেষ নিবিড় সংশোধন (SIR) প্রক্রিয়ার বিরুদ্ধে দিল্লির রামলীলা ময়দানে শুরু হয়েছে ইন্ডিয়ার জোটের মহাসমাবেশ। আর সেই প্রতিবাদের মঞ্চ থেকেই মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পর প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপের হুঁশিয়ারি দিলেন লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী ।
রবিবার বিরোধী জোট ‘ইন্ডিয়া’র ঐতিহাসিক সমাবেশে বক্তব্য রাখতে গিয়ে কেন্দ্রীয় সরকার এবং নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে সুর ছড়িয়েছেন রাহুল গান্ধী। তিনি বলেন, ‘আমার কথা শুনে রাখুন। আমি যা বলি, পরে তা সত্যিই হয়। নয় কী? আমি দেশের প্রতিটি মানুষকে, প্রত্যেক যুবককে বলছি, জ্ঞানেশ কুমারকে মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের পদ থেকে সরানো হবে। জ্ঞানেশ কুমার জেলে যাবেন।’ একই সঙ্গে কংগ্রেস সাংসদের সংযোজন, ‘জ্ঞানেশ কুমারকে ছাড়া নরেন্দ্র মোদী প্রধানমন্ত্রী হতে পারতেন না। অমিত শাহও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হতে পারতেন না।’ রামলীলার মঞ্চে দাঁড়িয়ে সংবিধানকে সর্বোচ্চ স্থান দেওয়ার কথা ফের মনে করিয়ে দেন রাহুল গান্ধী। তিনি বলেন, ‘আমরা নরেন্দ্র মোদী, অমিত শাহ কিংবা জ্ঞানেশ কুমারকে ঘৃণা করি না। আমরা অহিংসায় বিশ্বাসী। আমার কাছে তাঁরা শত্রু নন। কিন্তু দেশের মানুষের কণ্ঠস্বর আমার কাছে আরও বেশি গুরুত্বপূর্ণ। এটাই আমার ধর্ম। আমরা হিংসায় জড়াব না, কারও ক্ষতি করব না, ঘৃণাও ছড়াব না। কিন্তু দেশের সংবিধানকেও ধ্বংস হতে দেব না।’
এদিন রাহুল গান্ধী দাবি করেন, ২০২৪ সালের নির্বাচনের আগে সাড়ে ১৩ কোটি ভোটারকে ভোটার তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছিল। দেশের প্রতি সাতজন ভোটারের মধ্যে একজন বাদ পড়েন। এই হিসাবে এনডিএ-র জয়কে ‘মিথ্যা’ বলে অভিহিত করেন কংগ্রেস নেতা। তিনি পরিসংখ্যান দেন, ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে ‘এনডিএ’র সঙ্গে ‘ইন্ডিয়া’ জোটের ভোট পার্থক্য ছিল মাত্র ৩ শতাংশ। সেই হিসাবে ২০২৪-এ এনডিএ তথা বিজেপির, নরেন্দ্র মোদীর পুনরায় প্রধানমন্ত্রী হওয়াকে বেআইনি বলে দাবি করেন রাহুল গান্ধী। লোকসভায় বিরোধী দলনেতা দাবি করেন, ইভিএম-এ কারচুপি করেও ‘ভোটচুরি’ হয়েছে। এই কাজেই গেরুয়া দলের হয়ে নেতৃত্ব দিয়েছেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার। রাহুল গান্ধী বলেন, ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনের মতোই পশ্চিমবঙ্গ, হরিয়ানা, মহারাষ্ট্র, মধ্যপ্রদেশে বিধানসভা নির্বাচনেও অসংখ্য ভোটারকে বাদ দিয়ে, ইভিএমে কারচুপি করে নির্বাচনে জিতেছে বিজেপি। রামলীলা ময়দান থেকে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর মন্তব্যের পাল্টা জবাব দিয়ে রাহুল গান্ধী বলেন, ‘অমিত শাহ বলছেন নরেন্দ্র মোদী কোথাও যাচ্ছেন না। আমি বলতে চাই, তাঁকে কোথাও যেতে দেওয়া হবে না। দেশবাসীর অধিকার রক্ষা করতে সবার আগে জ্ঞানেশ কুমারকে পদ থেকে সরিয়ে জেলে পাঠানো হবে। আর তারপর আমরা আপনাদের (নরেন্দ্র মোদী- অমিত শাহ) কাছে আসছি।’ আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও হুশিয়ারি দেন তিনি।
শনিবারই মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের ইমপিচমেন্টের দাবি জোরালো করতে নকল সংসদের আয়োজন করেছিলেন বিরোধীরা। রবিবার পাঞ্জাব বিধানসভা ভোটের সুর বাঁধতে গিয়ে সেই ঘটনাকে উল্লেখ করে রাহুল গান্ধীকে তীব্র আক্রমণ করেছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। চণ্ডীগড়ে এক সভায় অমিত শাহ বলেন, ‘রাহুলজি ভালোবাসার দোকানের কথা প্রচার করেন। কিন্তু সেখানে উনি ঘৃণা ছাড়া কিছু পাবেন না।’ তাঁর কটাক্ষ, ‘রাহুল প্রধানমন্ত্রী হতে চান। সে জন্য নকল সংসদের আয়োজন করে নতুন পন্থা অবলম্বন করেছেন। আপনি আপনার নকল সংসদে প্রধানমন্ত্রী থাকতে পারেন। দেশের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার স্বপ্ন কোনওদিনই পূর্ণ হবে না।’ অমিত শাহের দাবি, ফের ভোটে ভরাডুবি হতে চলেছে কংগ্রেসের। দিল্লির শেষ তিনটি বিধানসভা ভোটে কংগ্রেস খাতা খুলতে পারেনি। রাজধানীর আগামী তিনটি ভোটেও সেই হালই হবে তাদের।
অন্যদিকে, বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি নিতিন নবীন ১৯৮৪ সালের শিখবিরোধী দাঙ্গার ঘটনায় কংগ্রেস এবং রাহুল গান্ধীকে নিশানা করেছেন। তিনি বলেন, আজ রাহুল গান্ধীর উচিত ছিল শিখ সম্প্রদায়ের কাছে ক্ষমা চাওয়া, কিন্তু তার পরিবর্তে তিনি প্রতিবাদের পথ বেছে নিয়েছেন। রবিবার হরিয়ানার রোহতকে ‘গণতন্ত্র বাঁচাও, ভিড়তন্ত্র হটাও’ পদযাত্রার নেতৃত্ব দিয়েছেন তিনি। সেখান থেকেই বিরোধীদের উদ্দেশে নিতিন নবীন প্রশ্ন তোলেন, ‘দেশের ১৪০ কোটি মানুষের ওপর আপনাদের (কংগ্রেসের) কোনও আস্থা নেই। তাহলে আপনারা কার ওপর ভরসা করেন? ৩ কোটি অনুপ্রবেশকারীর ওপর! আমি আপনাকে জিজ্ঞাসা করছি, রাহুল গান্ধী: আপনার আসল উদ্দেশ ঠিক কী? কেন আপনি গণতন্ত্রকে চ্যালেঞ্জ করছেন?'( এইচটিবি)
বিদেশ
Bangladesh News: বাংলাদেশে শ্রমিক আন্দোলন,মিরপুর-গাজীপুরে গ্রেপ্তার ৪৯, ভাঙচুর-অগ্নিসংযোগে অস্থির শিল্পাঞ্চল।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, গাজীপুরের কোনাবাড়ি, শফিপুর, পল্লীবিদ্যুৎসহ আশপাশের এলাকায় শ্রমিকরা সকাল থেকে রাস্তায় ছিল। বিভিন্ন স্থানে শ্রমিক-পুলিশ দফায় দফায় সংঘর্ষ হয়েছে। দুপুরের দিকে রণক্ষেত্রে রূপ নেয় এসব এলাকা। উত্তেজিত শ্রমিকরা আগুন দিয়েছে পুলিশ বক্সে, ভাঙচুর করা হয়েছে কয়েকটি গাড়িও। ফলে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে প্রায় ছয় ঘণ্টা যান চলাচল বন্ধ ছিল।
#সমীরণ রায়#
__________________
ঢাকা ডেস্ক,১ লা নভেম্বর।।
ন্যূনতম মজুরিসহ বিভিন্ন দাবিতে তৈরি পোশাক শ্রমিকদের আন্দোলনের মধ্যে ঢাকার মিরপুর, সাভার ও আশুলিয়া এবং গাজীপুর শিল্পাঞ্চল অশান্ত হয়ে ওঠেছে। ৩০ হাজার টাকা ন্যূনতম মজুরির দাবিতে ধারাবাহিক আন্দোলনের মধ্যে রোববার সকাল থেকে শিল্পাঞ্চলগুলোতে শ্রমিকরা কাজ বন্ধ রেখে রাস্তায় নেমে এসে অবরোধ তৈরি করেন। এ সময় ঢাকার মিরপুর ও গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলার বিভিন্ন স্থানে পুলিশের সঙ্গে শ্রমিকদের সংঘর্ষ, ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া, ভাঙচুর, লাঠিপেটা ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে। বিরূপ পরিস্থিতির মধ্যে রোববার মিরপুর, সাভার, আশুলিয়া ও গাজীপুর শিল্পাঞ্চলের তিন শতাধিক কারখানায় ছুটি ঘোষণা করতে বাধ্য হয় কর্তৃপক্ষ। এর মধ্যে সাভার ও আশুলিয়ায় ১৭৭টি এবং গাজীপুরে শতাধিক কারখানায় একদিনের জন্য ছুটি ঘোষণা করা হয় বলে শিল্প পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। অসন্তোষের মধ্যে মিরপুরে ২৯ জন এবং গাজীপুরে ২০ জনকে গ্রেপ্তারের তথ্য জানিয়েছে পুলিশ। দুপুরে ১১ জনকে গ্রেপ্তার করার কথা জানান ডিবির মিরপুর বিভাগের উপকমিশনার মোহাম্মদ রাকিব খান। পরে ডিএমপির মিরপুর বিভাগ আরও ১৭ জনকে আটক করেছে বলে জানিয়েছেন এ বিভাগের উপকমিশনার আবু নাসের রিকাবদার। বিকালে ডিএমপির মিরপুর বিভাগ থেকে সব শেষ তথ্যে বলা হয়, সারা দিনে মোট ২৯ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
অপরদিকে, শিল্প পুলিশ-২ গাজীপুর শিল্পাঞ্চলের পুলিশ সুপার মো. মুমিনুল ইসলাম ভূঁইয়া বলেন, শ্রমিক অসন্তোষের মধ্যে ২০ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। শ্রমিকদের সড়ক অবরোধের কারণে ঢাকা-টাঙ্গাইল এবং ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের স্থানে স্থানে যানবাহন চলাচল বাধাগ্রস্ত হয়েছে। কোথাও কোথাও পুলিশ লাঠিপেটা, কাঁদুনে গ্যাস ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার চেষ্টা করে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, গাজীপুরের কোনাবাড়ি, শফিপুর, পল্লীবিদ্যুৎসহ আশপাশের এলাকায় শ্রমিকরা সকাল থেকে রাস্তায় ছিল। বিভিন্ন স্থানে শ্রমিক-পুলিশ দফায় দফায় সংঘর্ষ হয়েছে। দুপুরের দিকে রণক্ষেত্রে রূপ নেয় এসব এলাকা। উত্তেজিত শ্রমিকরা আগুন দিয়েছে পুলিশ বক্সে, ভাঙচুর করা হয়েছে কয়েকটি গাড়িও। ফলে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে প্রায় ছয় ঘণ্টা যান চলাচল বন্ধ ছিল।

পুলিশ জানায়, আন্দোলনের একপর্যায়ে কোনাবাড়ী ফ্লাইওভারের নিচে থাকা পুলিশ বক্সে আগুন দেওয়া হয়। শ্রমিক অসন্তোষের কারণে চন্দ্রা, পল্লীবিদ্যুৎ, সফিপুর, মৌচাক, কোনাবাড়ী ও কাশিমপুর এলাকার অধিকাংশ কারখানায় ছুটি ঘোষণা করে কর্তৃপক্ষ।
এদিকে, ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে যানচলাচল বন্ধ থাকায় চরম দুর্ভোগে পড়েন যাত্রী ও পরিবহন চালকরা। পরে পুলিশ, বিজিবিসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে টিয়ার সেল ও সাউন্ড গ্রেনেড ছুঁড়ে মহাসড়কের বিভিন্ন পয়েন্ট থেকে শ্রমিকদের সরিয়ে নিলে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।
গাজীপুর শিল্প পুলিশের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ আমজাদ হোসাইন বলেন, শ্রমিকরা রোববার বিকাল ৩টার দিকে মহাসড়ক ছেড়ে চলে যাওয়ার পর যানবাহন চলাচল শুরু হয়। আশপাশের পরিস্থিতিও স্বাভাবিক আছে। পুলিশসহ বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন। এ ছাড়া বিকালে কয়েকটি কারখানার শ্রমিক মিলে ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের হেমায়েতপুরে সড়ক অবরোধ করেছেন। এ কারণে ওই পথে যান চলাচলে সমস্যা হচ্ছে বলে শিল্প পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়।
মিরপুর ১০ নম্বর গোলচত্বর থেকে শুরু হওয়া বিক্ষোভ পরে মিরপুর ১১, ১২ ও আশপাশের এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে। বেলা সাড়ে ১১টার দিকে শ্রমিকদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ শুরু হয়, যা চলে প্রায় দুপুর ২টা পর্যন্ত। এ সময় মিরপুরের বিভিন্ন সড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। সাধারণ মানুষ, যাত্রী, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের ভোগান্তিতে পড়তে হয়। দুপুরের দিকে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হলে মিরপুর ১০, মিরপুর ১১ ও পল্লবী মেট্রোরেল স্টেশন সাময়িকভাবে বন্ধ করে দেওয়া হয়। ফলে সড়ক ও রেল—দুই পথেই যোগাযোগ ব্যাহত হয়।
এদিকে, আন্দোলনের মধ্যে রোববার সকালে সচিবালয়ে সংবাদ সম্মেলনে পোশাক শ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন মজুরি বোর্ড গঠনের ঘোষণা দেন শ্রমমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী। পরে দুপুর ১টার দিকে তিনি প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। এ সময় পোশাকশিল্পে চলমান শ্রমিক অসন্তোষ ও সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করেন তিনি। এরই ধারাবাহিকতায় সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে মন্ত্রী ও উপদেষ্টাদের সঙ্গে বৈঠকে বসেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। রোববার সন্ধ্যায় সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সভাকক্ষে এ বৈঠক হয়। এসময় পোশাক কারখানায় উৎপাদন অব্যাহত রাখার ঘোষণা দেন তিনি।





