“শহরের পশ্চিম থানা এলাকার বর্ডার গোল চক্কর এলাকার নিরাপত্তা ব্যবস্থা এখন বেআব্রু। দিন – রাতে দুষ্কৃতীদের আতঙ্কের প্রহর গুনছে সাধারণ মানুষ। এই কারণেই বর্ডার এলাকার লোকজন সরাসরি দ্বারস্থ হয়েছে থানায়।শনিবার সকালে বর্ডার এলাকার সাধারণ মানুষ তাদের ক্ষোভ জানাতে ঢুকে পড়ে পশ্চিম থানায়।”
ডেস্ক রিপোর্টার,৮ নভেম্বর।। ভেঙে পড়েছে আগরতলার পশ্চিম থানার থানার ওসি রানা চ্যাটার্জীর নেতৃত্বাধীন পুলিশ বাহিনী। পশ্চিম থানা এলাকার নিরাপত্তা ব্যবস্থার কঙ্কালসার ক্রমশ খসে পড়েছে। শুধু মাত্র পুলিশের তোলাবাজির কারণে। এর ফলে ভেঙে পড়ছে “কমরেড” ওসি রানার থানা এলাকার নিরাপত্তা ব্যবস্থা। থানায় এসে তার প্রমাণ দিয়েছে সাধারণ মানুষ।
শহরের পশ্চিম থানা এলাকার বর্ডার গোলচক্কর এলাকার নিরাপত্তা ব্যবস্থা এখন বেআব্রু।
শহরের পশ্চিম থানা এলাকার বর্ডার গোলচক্কর এলাকার নিরাপত্তা ব্যবস্থা এখন বেআব্রু। দিন – রাতে দুষ্কৃতীদের আতঙ্কের প্রহর গুনছে সাধারণ মানুষ। এই কারণেই বর্ডার এলাকার লোকজন সরাসরি দ্বারস্থ হয়েছে থানায়।শনিবার সকালে বর্ডার এলাকার সাধারণ মানুষ তাদের ক্ষোভ জানাতে ঢুকে পড়ে পশ্চিম থানায়। স্থানীয় যুবক কাজী রাজীব মিয়া অভিযোগ করেন, ভেঙে পড়েছে বর্ডার গোল চক্কর এলাকার বাজারের নিরাপত্তা। মানুষ বের হতে পারছে না বাড়িঘর থেকে।নিয়মিত তাদের পড়তে হয় দুষ্কৃতীদের হুমকির মুখে।
রাজীব অভিযোগ করেন এই এলাকার যুবক অর্ঘ্যজিৎ ওরফে তীর্থ সহ আরো কয়েকজন বর্ডার এলাকায় নিজস্ব শাসন কায়েম করেছে। আতঙ্কগ্রস্থ রাজীব মিয়া জানিয়েছেন, শনিবার সকালেও এলাকার এক প্রতিবাদী যুবককে পিস্তল উঁচিয়ে গিয়েছে অর্ঘ্যজিৎ ওরফে তীর্থ সহ তার লোকজন। অল্পতে রক্ষা পায় সেই যুবক।
এই ঘটনা থেকে প্রমাণিত রাজনৈতিক নেতাদের পায়ে ধরে ( লোকমুখে শোনা যায়) পূর্ব থানা থেকে পশ্চিম থানায় ট্রান্সফার হওয়া ইন্সপেক্টর রানা চ্যাটার্জির নেতৃত্বে শহরের পুলিশ কতটা ফ্লপ?
এই ঘটনা থেকে প্রমাণিত রাজনৈতিক নেতাদের পায়ে ধরে ( লোকমুখে শোনা যায়) পূর্ব থানা থেকে পশ্চিম থানায় ট্রান্সফার হওয়া ইন্সপেক্টর রানা চ্যাটার্জির নেতৃত্বে শহরের পুলিশ কতটা ফ্লপ? দীপাবলিতে পশ্চিম থানার কোয়ার্টারে কোনো কোনো মাদক কারবারীরা এসেছিল? তাও আবার থানার পাশের রাস্তা দিয়ে। কে করেছিলেন নিমন্ত্রণ? সব তথ্য সামনে নিয়ে আসবে “জনতার মশাল” । তোলা আদায়ে ব্যস্ত থানা পুলিশ কিভাবে রক্ষা করবে শহরের আইন – শৃঙ্খলা? জনমনে উঠছে প্রশ্ন।