“বিহারের কিষানগঞ্জ, পশ্চিমবঙ্গের উত্তর দিনাজপুরের চোপড়া এবং অসমের ধুবড়ি- এই তিনটি জায়গায় ভারত নতুন করে তিনটি সামরিক ঘাঁটি তৈরি করেছে। প্রতিটি ঘাঁটিতে নূন্যতম আটশ থেকে নয়শ জওয়ান থাকবে। দাবি, দেশের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের।”

ডেস্ক রিপোর্টার, ২ ডিসেম্বর।।
      “চিকেন’স নেক” – কৌশলগত ভাবে ভারতের গুরুত্ব পূর্ন অংশ। ২২ কিলোমিটার দৈর্ঘ্যের এই “চিকেনস নেক” উত্তর পূর্বাঞ্চলের সাত রাজ্যকে দেশের মূল ভূখণ্ডের সঙ্গে যুক্ত করে রেখেছে। বরাবর এই “চিকেনস নেক”- র উপর নজর চীনের। এখন ঢাকার আতসকাঁচেও “চিকেনস নেক”। চলতি বছরে ভারত ভূ-খন্ডের এই অংশ নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য করেছিলেন বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন প্রধান মুহম্মদ ইউনূস। আন্তর্জাতিক মঞ্চে ইউনূসের এই মন্তব্যের পর পশ্চিমবাংলার শিলিগুড়ি করিডোর শক্তিশালী করতে বড় পদক্ষেপ নেয় ভারত। সংশ্লিষ্ট অঞ্চলে ভারত তিনটি সামরিক ঘাঁটি তৈরি করে নিজেদের অবস্থান শক্ত করেছে। একই সঙ্গে চিন – বাংলাদেশ দুই প্রতিবেশীকে নয়াদিল্লি দিয়েছে কড়া বার্তা।

তিন মিলিটারি বেসে প্যারা স্পেশাল ফোর্স, গোয়েন্দা ইউনিট ও আরডিএফ বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে।

  বিহারের কিষানগঞ্জ, পশ্চিমবঙ্গের উত্তর দিনাজপুরের চোপড়া এবং অসমের ধুবড়ি- এই তিনটি জায়গায় ভারত নতুন করে তিনটি সামরিক ঘাঁটি তৈরি করেছে। প্রতিটি ঘাঁটিতে নূন্যতম আটশ থেকে নয়শ জওয়ান থাকবে। দাবি, দেশের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের।শিলিগুড়ি করিডোরকে নিশিদ্র নিরাপত্তার মধ্যে আবদ্ধ করতে তিন মিলিটারি বেসে প্যারা স্পেশাল ফোর্স, গোয়েন্দা ইউনিট ও আরডিএফ বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে।


প্রসঙ্গত, ‘চিকেন’স নেক’ করিডর থেকে অসমের ধুবড়ির দূরত্ব ২২২-২৪০ কিলোমিটার, পশ্চিমবাংলার চোপড়া থেকে দূরত্ব ৫২ কিলোমিটার, বিহারের কিষাণগঞ্জ থেকে দূরত্ব ১৫২-১৮০ কিলোমিটার।  পশ্চিমবঙ্গের উত্তর দিনাজপুরের চোপড়া সামরিক ঘাঁটি বাংলাদেশ সীমান্তের দূরত্ব এক কিলোমিটারের কম।


চোপড়া ঘাঁটি থেকে বাংলাদেশের উপর সহজেই নজরদারি করতে পারবে ভারতীয় সেনা।

চোপড়া ঘাঁটি থেকে বাংলাদেশের উপর সহজেই নজরদারি করতে পারবে ভারতীয় সেনা। প্রয়োজনে প্রতিবেশী দেশে দ্রুত সামারিক হামলাও চালাতে পারবে ভারত।বাংলাদেশের প্রতি এটাই ভারতের কূটনৈতিক বার্তা বলেই মনে করছে আন্তর্জাতিক মহল ।


Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *