“এটা ত্রিপুরার জন্য নিঃসন্দেহে লজ্জার।আগরতলা ব্যতীত রাজ্যের অন্যান্য জায়গাতে হওয়া ট্যুরিজম প্রমো ফেস্টেও একই নিয়ম ছিলো। অর্থাৎ ঘুরিয়ে ফিরিয়ে গোটা রাজ্যের মানুষের, বিশেষ করে যুব সম্প্রদায়ের আধার কার্ডের নম্বর হাতিয়ে নিয়েছে পর্যটন নিগম। এই সমস্ত আধার কার্ডের নম্বর ডিজিটাল মাফিয়াদের হাতে লাগলে কতটা ভয়ঙ্কর হতে পারে পরিস্হিতি? এটা কেউ অনুমান করছে না।”

ডেস্ক রিপোর্টার, ১২ ডিসেম্বর।।
      গায়ক জুবিন নৌটিয়ালের অনুষ্ঠানের টিকিট সংগ্রহ করতে গিয়ে সাধারন নিজেদের ব্যক্তিগত তথ্য ফাঁস করেছে পর্যটন নিগমের কাছে। আধার কার্ড দেখিয়ে নিলো টিকিট। নিগম কি পারবে সাধারন মানুষের আধার কার্ডের নম্বরের নিরাপত্তা দিতে? আধার কার্ডের সঙ্গে লিংক থাকে মানুষের মোবাইল নম্বর, ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট সহ অন্যান্য প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট।।  মানুষের আধার কার্ডের নম্বর লিখে রাখা নিগমের খাতা ডিজিটাল মাফিয়াদের হাতে লাগলেই সর্বনাশ। খালি হয়ে যাবে অতি উৎসাহীদের ব্যাংক একাউন্ট। তখন এই সমস্ত মানুষকে কে দেবে ডিজিটাল নিরাপত্তা ?ছিঃ ছিঃ। ভূ- ভারতেরও এমন ঘটনা বেনজির।


এটা ত্রিপুরার জন্য নিঃসন্দেহে লজ্জার।আগরতলা ব্যতীত রাজ্যের অন্যান্য জায়গাতে হওয়া ট্যুরিজম প্রমো ফেস্টেও একই নিয়ম ছিলো। অর্থাৎ ঘুরিয়ে ফিরিয়ে গোটা রাজ্যের মানুষের, বিশেষ করে যুব সম্প্রদায়ের আধার কার্ডের নম্বর হাতিয়ে নিয়েছে পর্যটন নিগম। এই সমস্ত আধার কার্ডের নম্বর ডিজিটাল মাফিয়াদের হাতে লাগলে কতটা ভয়ঙ্কর হতে পারে পরিস্হিতি? এটা কেউ অনুমান করছে না।


রাজ্যের মানুষ প্রশ্ন তুলেছেন, যে রাজ্য আজও বেকার সমস্যায় জর্জরিত, সেই রাজ্যে কোটি কোটি টাকায় ট্যুরিজম প্রমো ফেস্ট কার স্বার্থে? বহিঃ রাজ্যের গায়কদের দিয়ে কোটি টাকার মঞ্চ বানিয়ে ঘণ্টা দুয়েক মানুষকে গান শুনালেই কি পর্যটনের উন্নতি হয়ে যাবে? মানুষ ভিড় জমাবে রাজ্যের পর্যটন কেন্দ্র গুলিতে! এটা ভাবা ভুল। বাস্তবে এটা কিছুই হবে না। বিলক্ষণ জানেন দপ্তরের “ইন্টেলেকচুয়াল ” মন্ত্রী সুশান্ত চৌধুরী সহ তাঁর দপ্তরের পারিষদ বর্গরা। তাহলে পর্যটন প্রমো ফেস্টের নামে সাধারণ মানুষের টেক্সের টাকার নোট কেন উড়ছে গোটা রাজ্যে? কে বা কারা এই নোট দিয়ে ভর্তি করছে পকেট?


Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *