শনিবার শহরের রবীন্দ্র ভবন প্রাঙ্গনে বিজেপির মহা যোগদান সভায় ভাষণ দিতে গিয়ে বলেন, ” ওরা বারবার চিৎকার করতে তিপ্রাসা চুক্তি কেন এখনো সম্পন্ন হয় নি? মুখ্যমন্ত্রীর কথায়, চুক্তি সম্পন্ন না হওয়ার পেছনে দায়ী ওরা নিজেরাই ( পড়ুন তিপ্রামথা) ।কারণ চুক্তি ভঙ্গ করেছে তারা।
ডেস্ক রিপোর্টার,১৩ ডিসেম্বর।।
একে বারে প্রকাশ্যে চলে এলো রাজ্যের শাসক গোষ্ঠীর দুই শরিক বিজেপি ও তিপ্রামথার সংঘাত। কোনো ধরনের রাগডাক রাগঢাক না করেই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ডাঃ মানিক সাহা তীব্র আক্রমণ করেছেন শরিক বন্ধু তিপ্রামথাকে। তবে রাজনৈতিক সৌজন্যতার জন্য মুখ্যমন্ত্রী শরিক দলের নাম মুখে উচ্চারণ করেন নি।
শনিবার শহরের রবীন্দ্র ভবন প্রাঙ্গনে বিজেপির মহা যোগদান সভায় ভাষণ দিতে গিয়ে বলেন, ” ওরা বারবার চিৎকার করতে তিপ্রাসা চুক্তি কেন এখনো সম্পন্ন হয় নি? মুখ্যমন্ত্রীর কথায়, চুক্তি সম্পন্ন না হওয়ার পেছনে দায়ী ওরা নিজেরাই ( পড়ুন তিপ্রামথা) ।কারণ চুক্তি ভঙ্গ করেছে তারা। কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারের সঙ্গে করা চুক্তিতে স্পষ্ট ভাবে লেখা ছিলো, চুক্তি হওয়ার ছয় মাসের মধ্যে তারা সরকারের বিরুদ্ধে কোনো আন্দোলন করতে পারবে না। কিন্তু চুক্তির পর থেকেই ধারাবাহিক ভাবে তারা আন্দোলন শুরু করেছে। এখনো চলছে। স্বাভাবিক ভাবেই তারাই প্রথমে চুক্তি ভেঙেছে। আর এখন বলছে, কেন্দ্রীয় সরকার তিপ্রাসা চুক্তি সম্পন্ন করে নি। মুখ্যমন্ত্রী পরিষ্কার করেই বলেন, বিজেপি তিপ্রাসাদের উন্নয়ন চায়। তারা তিপ্রাসা চুক্তির সঙ্গে একমত। কিন্তু তিপ্রামথা চুক্তি ভঙ্গ করার কারণেই বিষয়টি ঝুলে আছে এখন পর্যন্ত।
মুখ্যমন্ত্রী বলেন, পাহাড়ের মানুষের সঙ্গে প্রতারণা করেছে তিপ্রামথা। তারা পাহাড়ে কোনো উন্নয়ন করে নি। এডিসি অঞ্চলে বিজেপির মিছিল, সভা থাকলেই শাসক দলের নেতা কর্মীদের হুমকি – হুজ্জুতি দেয় তারা। মুখ্যমন্ত্রীর সটান বক্তব্য, গুন্ডামি করা রাজনীতি করার দিন শেষ। রাজনীতি করতে হবে গনতান্ত্রিক পদ্ধতিতে।
মুখ্যমন্ত্রীর ভাষায় বিজেপি সরকার রাজ্যে নতুন ত্রিপুরা গঠন করবে। তাতেও থাকবে থানসা। এটা হবে রাজ্যের জাতি – জনজাতি – মণিপুরী – সংখ্যালঘুদের থানসা। তবেই এগিয়ে যাবে ত্রিপুরা। এখানে কোনো নির্দিষ্ট জাতি গোষ্ঠীর থানসা চলবে না।
এদিনের বিজেপির মহা যোগদান সভায় রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা ১৭০০ পরিবারের ৫ হাজার ভোটার বিজেপিতে যোগদান করেছে।নবাগতদের হাতে দলীয় পতাকা তুলে দিয়েছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ডাঃ মানিক সাহা।

