ফটিকরায়ের সাইদার পাড়া গ্রাম পঞ্চায়েতের শিমুলতলী গ্রামে মুসলিম সম্প্রদায়ের লোকজনের বসবাস। এখানে আছে একটি মসজিদ। অভিযোগ, শনিবার ভোরে একদল দুষ্কৃতী শিমুলতলী গ্রামে হামলা করে।দুষ্কৃতীরা প্রকাশ্যে গ্রামে প্রবেশ করে বাড়ি – ঘরে আক্রমণ করে। নির্বিচারে করে ভাঙচুর। এরপরে বাড়িঘরে আগুন ধরিয়ে দেয়। বাদ যায় নি সংখ্যালঘুদের দোকানপাট। শেষ পর্যন্ত সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ধর্মীয়স্থান ” মসজিদ”।

ডেস্ক রিপোর্টার, ১০ জানুয়ারি।।
          ওপার  বাংলাদেশের রেশ আঁচড়ে পড়েছে রাজ্যে। বাংলাদেশে হিন্দু সংখ্যালঘুদের নির্যাতনের প্রেক্ষিতে রাজ্যেও আক্রান্ত মুসলিম সম্প্রদায়ের সংখ্যালঘুরা! একেবারে বাংলাদেশের হিন্দু নির্যাতনের প্রতিচ্ছবি ত্রিপুরার ফটিকরায়ের সংখ্যালঘুদের ভাগ্যেও। তবে রাজ্যের উভয় সম্প্রদায়ের মানুষের মধ্যে যেন শান্তি – সম্প্রীতির চিড় না ধরে তার জন্য প্রশাসনকে শক্তহাতে পরিস্থিতি সামাল দেওয়া দরকার বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।


ফটিকরায়ের সাইদার পাড়া গ্রাম পঞ্চায়েতের শিমুলতলী গ্রামে মুসলিম সম্প্রদায়ের লোকজনের বসবাস। এখানে আছে একটি মসজিদ। অভিযোগ, শনিবার ভোরে একদল দুষ্কৃতী শিমুলতলী গ্রামে হামলা করে।দুষ্কৃতীরা প্রকাশ্যে গ্রামে প্রবেশ করে বাড়ি – ঘরে আক্রমণ করে। নির্বিচারে করে ভাঙচুর। এরপরে বাড়িঘরে আগুন ধরিয়ে দেয়। বাদ যায় নি সংখ্যালঘুদের দোকানপাট। শেষ পর্যন্ত সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ধর্মীয়স্থান ” মসজিদ”। দুষ্কৃতীরা মসজিদে ঢুকে নির্বিচারে ভাংচুর চালায়। আতঙ্কে বাড়ি – ঘর থেকে লোকজন বেরিয়ে এসে। এবং নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে দৌড়ঝাঁপ করে।


খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে যায় পুলিশ। কিন্তু এর আগেই অপরেশন শেষ করে দুষ্কৃতীরা নিরাপদে গা ঢাকা দেয়। এদিন সকালে স্থানীয় শাসক দলের নেতারাও। পরিস্হিতি এমন জায়গায় পৌঁছেছে, যে কোনো সময় আরো বড় ঘটনা সংঘটিত হতে পারে।প্রশাসন সতর্ক না হলে, বিপদের ভয়াবহতার আগুনের লেলিহান শিখা হতে পারে গগন চুম্বি। এমন আশঙ্কা করছেন স্থানীয় শুভ বুদ্ধি সম্পন্ন মানুষ।


Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *