“গুগল ম্যাপে সার্চ করলেই দেখা যায় সুতারমুড়া
বাজার থেকে চিতরামবাড়ি যাওয়ার পথে স্থানীয়
মনাইখর চার্চের ঢিল ছোড়া দূরত্বে থাকা রাবার বাগান সংলগ্ন এলাকায় বিশাল গাঁজা গাছের প্লট।”
ডেস্ক রিপোর্টার, ১০ জানুয়ারি।।
গোটা রাজ্যেই গাঁজা চাষ এখন কুটির শিল্পের রূপ নিয়েছে। পুলিশের পর্দার আড়ালে গাঁজা চাষ করার জন্য চাষীরা বেছে নিয়েছে রাজ্যের পাহাড়ি অঞ্চলগুলিতে। এলাকার জনজাতি অংশের মানুষ পাহাড়ের গায়ে ব্যাপক ভাবে করছে গাঁজা চাষ। প্রত্যন্ত অঞ্চল হওয়ার কারণে সংশ্লিষ্ট জায়গাগুলিতে পৌঁছে না পুলিশও। তাই নির্দ্ধিধায় তারা করছে গাঁজা চাষ। তার জ্বলন্ত দৃষ্টান্ত বিশ্রামগঞ্জ থানার সুতারমুড়ার গগন সর্দার পাড়া। এডিসির এই অঞ্চলে গোটা পাহাড় জুড়ে এখনো মাথা চাড়া দিয়ে উঠেছে কয়েক লক্ষ গাঁজা গাছ।
সম্প্রতি বিশালগড় মহকুমা পুলিশ আধিকারিক আইপিএস বিকাশ-সেন্থিয়ার নেতৃত্বে গগন সর্দার পাড়ার একাংশ সহ চিতরামবাড়ি, সোনামুড়ার উত্তর কলমচৌড়াতে অভিযান চালিয়ে ১৫ লক্ষ গাঁজা গাছ ধংস করা হয়েছে। কিন্তু কোনো এক রহস্য জনক কারণে বা পুলিশের কাছে তথ্য না থাকার কারণে গগন সর্দার পাড়ার অপর অংশে এখনো আকাশ মুখী কয়েক লক্ষ গাঁজা গাছ।

গুগল ম্যাপে সার্চ করলেই দেখা যায় সুতারমুড়া
বাজার থেকে চিতরামবাড়ি যাওয়ার পথে স্থানীয়
মনাইখর চার্চের ঢিল ছোড়া দূরত্বে থাকা রাবার বাগান সংলগ্ন এলাকায় বিশাল গাঁজা গাছের প্লট। অভিযোগ, স্থানীয় জনজাতি অংশের মানুষ বিশাল এলাকা জুড়ে নির্ভয়ে করছে গাঁজা চাষ।

কিন্তু খবর নেই রাজ্য পুলিশের কাছে। এক্ষেত্রে চূড়ান্ত ব্যর্থ রাজ্যের গোয়েন্দা। শেষ পর্যন্ত পুলিশ গগন সর্দার পাড়াতে গাঁজা গাছ ধংসের অভিযান চালাবে? নাকি জনজাতি ভিত্তিক একটি রাজনৈতিক দলের নেতাদের আঙ্গুলি হেলনে চোখে চশমা পরে থাকবেন, এটা বলবে সময়েই। এটা প্রমাণিত রাজ্যের এডিসি এলাকাগুলিতে বন দপ্তরের জমি দখল করে চলছে গাঁজা চাষ। গোটা র্যাকেটের সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছেন বিভিন্ন্ রাজনৈতিক দলের নেতৃত্ব সহ পুলিশের একাংশ।

