গত বছর খানেক আগেই কৈলাসহরের ভারত – বাংলাদেশ সীমান্তের মনু নদীর পার্শ্ববর্তী শ্মশান ঘাট এলাকায় রাস্তা নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। স্থানীয় লোকজনের চলাফেরার জন্যই এই রাস্তা। কেন্দ্রিয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের অনুমতি ক্রমেই শুরু হয়েছিল রাস্তা নির্মাণের কাজ। তখন বাংলাদেশের পক্ষ থেকে রাস্তা নির্মাণে বাঁধা দেওয়া হয়েছিল। তখন বন্ধ ছিলো রাস্তার কাজ।

ডেস্ক রিপোর্টার, ১৪ জানুয়ারি।।
          ঊনকোটি জেলার কৈলাসহরের বাংলাদেশ সীমান্তে বিজিবির বাঁধায় ফের আটকে গেলো রাস্তা নির্মাণ। এই ঘটনা কেন্দ্র করে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে কৈলাসহরের ভারত – বাংলাদেশ সীমান্তে। ভারতীয় সীমান্তরক্ষীর সঙ্গে দুর্ব্যবহার করেছে ওপারের বিজিবি। যদিও  বিএসএফের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ” পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে সমস্যার সমাধান করা হবে”।
            গত বছর খানেক আগেই কৈলাসহরের ভারত – বাংলাদেশ সীমান্তের মনু নদীর পার্শ্ববর্তী শ্মশান ঘাট এলাকায় রাস্তা নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। স্থানীয় লোকজনের চলাফেরার জন্যই এই রাস্তা। কেন্দ্রিয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের অনুমতি ক্রমেই শুরু হয়েছিল রাস্তা নির্মাণের কাজ। তখন বাংলাদেশের পক্ষ থেকে রাস্তা নির্মাণে বাঁধা দেওয়া হয়েছিল। তখন বন্ধ ছিলো রাস্তার কাজ।

কৈলাসহর সীমান্তে রাস্তা নির্মাণ।

সম্প্রতি, কেন্দ্রিয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক পুনরায় এই রাস্তা নির্মাণের সবুজ সঙ্কেত দেয়। নির্দেশ অনুযায়ী বাসিন্দাদের চাহিদার কথা মাথায় রেখে ফের রাস্তা নির্মাণের কাজ শুরু হয়। তখনও একেই ভূমিকায় দেখা যায় বাংলাদেশের বিজিবিকে। রাস্তা নির্মাণের জন্য সীমান্তে গাড়ি থেকে ইট ফেলতেই তেড়েফুড়ে আসে ইউনূসের চামচা বাহিনী। তারা রাস্তা নির্মান আটকাতে উত্তেজিত হয়ে ওঠে। ছেড়ে কথা বলে নি ভারতের সীমান্ত সুরক্ষায় কর্তব্যরত বীর বিএসএফ জওয়ানরা।
বাংলাদেশের বিজিবি সদস্যরা দাবী করে, আন্তর্জাতিক সীমান্ত আইন অনুযায়ী, ” সীমান্তের ১৫০ গজের মধ্যে কোনও ধরনের নির্মাণ কাজ করা যাবে না।” শেষ পর্যন্ত ভারতীয় সীমান্ত রক্ষী বাহিনীর নির্দেশে দায়িত্ব প্রাপ্ত ঠিকাদার রাস্তা নির্মাণের কাজ বন্ধ রাখেন। রাস্তা নির্মাণের দায়িত্বে থাকা ঠিকাদার আব্দুল মান্নান জানিয়েছেন, ” দীর্ঘ দিন কাজ বন্ধ থাকার পর পুনরায় শুরু হয়েছিল রাস্তা নির্মাণ। এই রাস্তা স্থানীয় লোকজনের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ন।মানুষের চলাফেরা সহ শ্মশানঘাটে মৃতদেহ নিয়ে যাওয়ার জন্য একমাত্র রাস্তা। কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ এই রাস্তা নির্মাণে বাঁধা দিয়েছে বাংলাদেশের বিজিবি।”
          
                   
                    


Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *