সরস্বতী পুজো দিন দুপুরে পুজা দেখত বেরিয়েছিলেন কৈলাসহরের মণ্ডল সভাপতি প্রীতম ঘোষ। স্থানীয় কাতল দিঘীপাড়াতে আসতেই দুষ্কৃতীরা দা, ভুজালি সহ ধারালো অস্ত্র নিয়ে মণ্ডল সভাপতির উপর হামলা করে বলে অভিযোগ। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে আসে পুলিশ। পরিস্হিতি নিয়ন্ত্রণ করতে পুলিশ শূন্যে চার রাউন্ড গুলি ছোঁড়ে। এবং দুষ্কৃতীদের হাত থেকে কোনো রকমে মণ্ডল সভাপতি প্রীতম ঘোষকে উদ্ধার করে।
কৈলাসহর ডেস্ক, ২৪ জানুয়ারি।।
মণ্ডল সভাপতিকে হামলার জের ধরে তপ্ত কৈলাসহর বিজেপির সংসার। কৈলাসহরের মণ্ডল সভাপতি প্রীতম ঘোষ আক্রান্ত হওয়ার ২৪ ঘণ্টা অতিক্রান্ত হলেও পুলিশ এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেফতার করতে পারেনি। এই হামলার নেপথ্যে যে বিজেপির অপর গোষ্ঠী তাতে কোনো সন্দেহ নেই। মণ্ডল সভাপতি হামলাকারীদের নাম দিয়েই থানায় দায়ের করেছেন মামলা। ইতিমধ্যে এই ঘটনা নিয়ে বিচার বিশ্লেষণে বসেছে বিজেপির কুশাভাউ ভবনের নেতৃত্ব।
সরস্বতী পুজো দিন দুপুরে পুজা দেখত বেরিয়েছিলেন কৈলাসহরের মণ্ডল সভাপতি প্রীতমo ঘোষ। স্থানীয় কাতল দিঘীপাড়াতে আসতেই দুষ্কৃতীরা দা, ভুজালি সহ ধারালো অস্ত্র নিয়ে মণ্ডল সভাপতির উপর হামলা করে বলে অভিযোগ। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে আসে পুলিশ। পরিস্হিতি নিয়ন্ত্রণ করতে পুলিশ শূন্যে চার রাউন্ড গুলি ছোঁড়ে। এবং দুষ্কৃতীদের হাত থেকে কোনো রকমে মণ্ডল সভাপতি প্রীতম ঘোষকে উদ্ধার করে।
আক্রান্ত মণ্ডল সভাপতি প্রীতম ঘোষের বক্তব্য, কিছু লোকজন সনাতনীদের সরস্বতী পুজোর সমস্যা তৈরি করছিল। খবর পেয়ে তিনি ছুটে যেতেই দুষ্কৃতীরা তার উপর হামলা করে। ঘুরপথে মণ্ডল সভাপতি প্রীতম ঘোষ ইঙ্গিত করেন দলের সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের এক নেতাকে ।
মণ্ডল সভাপতি প্রীতম ঘোষ স্পষ্ট ভাবেই বলেন, ” ওরা বাংলাদেশেও হিন্দুদের উপর অত্যাচার করছে তবে এখানে তা সম্ভব হবে না। সরস্বতী পূজাকে বানচাল করার চেষ্টা করছে তারা।” প্রীতম ঘোষের বক্তব্য থেকে সাধারণ মানুষের কাছে ঘটনার নেপথ্যে থাকা একটা চিত্র ফুটে উঠেছে। তবে এটাও বাস্তব এই ঘটনার পেছনে নিগোসিয়েশন বাণিজ্যের ভাগ বাটোয়ারাও একটা ফ্যাক্টর। মণ্ডল সভাপতি প্রীতম ঘোষ এখন দলের শীর্ষ নেতৃত্ব ও সাধারণ মানুষের সহানুভূতি পাওয়ার জন্য বাংলাদেশে হিন্দু নির্যাতনের বিষয়টিকে ট্রাম কার্ড করছেন বলেও গুঞ্জন গোটা কৈলাসহরে।

