যেদিন বিধায়ক রামপ্রসাদের হুংকারে হতভম্ব রাজ্যের গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভ, তারপরের দিন সকালেই ত্রিপুরা ওয়ার্কিং জার্নালিস্ট’ র নাম করে সংগঠনের  দন্ডমুন্ডের কর্তারা রাম প্রসাদ পালকে নিয়ে আসলেন তাদের সম্মেলনে। দন্ডমুন্ডের কর্তা বিজয় পালের সুস্পষ্ট জবাব  “এটা আমাদের সংগঠনের সিদ্ধান্ত। বিধায়ক রাম প্রসাদ ও সম্পাদকের ঘটনা তাদের ব্যক্তিগত। এই বিষয়ে ঢুকবে না সংগঠন।”

ডেস্ক রিপোর্ট,১৯ ফেব্রুয়ারি।।
         ইতিহাসের পাতায় পলাশীর যুদ্ধে বিশ্বাসঘাতকের তালিকায় মীরজাফর, জগৎ শেঠ  উমিচাঁদদের সাথে ঘসেটি বেগম আরেকটি নিন্দিত নাম। সমাজের সেই সকল বিশ্বাসঘাতকতার ধারাবাহিকতা আজও থেমে নেই। রাজ্যে চলমান রামপ্রসাদী হুংকার ও উগ্ররঞ্জিতো বিধায়কী কুৎসা পর্বে ত্রিপুরা ওয়ার্কিং জার্নালিস্ট এসোসিয়েশন নামে সাংবাদিকদের একটি সংগঠনের নাম করে ফেনসিডিল মাফিয়াদের বিজয় রথের পাল তুলতে ময়দানে অবতীর্ণ আজকের ঘসেটি বেগমরা।
            আমরা সহজ কয়েকটি প্রশ্ন উত্থাপন করতে চাই।  কোনো শাসক দলীয়  রাজনৈতিক নেতার নেতিবাচক কাজকর্মের বিরুদ্ধে সংবাদ পরিবেশন করা কি গর্হিত অপরাধ? কোনো উগ্র বিধায়কের বৈধ কাগজপত্র সংক্রান্ত সংবাদ পরিবেশন করলে কি গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভের দায়িত্ব পালন করা হয় না?
  তাদের বিরুদ্ধে সংবাদ পরিবেশিত হলে তারা যদি হুমকি দেয় কিংবা কুৎসা ছড়ায়, তাহলে সেই হুমকি বা কুৎসা কি করে ব্যক্তিগত হয়ে যায় ?

এই সমস্ত ঘটনা নিয়ে সংবাদমাধ্যমের একটি ক্ষুদ্র অংশ যখন এইগুলোকে ব্যক্তিগত ঝামেলা বলে হুংকার প্রদানকারী বিধায়ক, কুৎসা রটনাকারী উগ্র-এমএল’র বিজয় রথে পাল তুলতে চেষ্টা করেন, তখন  তাদের ভূমিকা হয়  পলাশীর যুদ্ধের বিশ্বাসঘাতক  ঘসেটি বেগমের মতো।


এই সমস্ত ঘটনা নিয়ে সংবাদমাধ্যমের একটি ক্ষুদ্র অংশ যখন এইগুলোকে ব্যক্তিগত ঝামেলা বলে হুংকার প্রদানকারী বিধায়ক, কুৎসা রটনাকারী উগ্র-এমএল’র বিজয় রথে পাল তুলতে চেষ্টা করেন, তখন  তাদের ভূমিকা হয়  পলাশীর যুদ্ধের বিশ্বাসঘাতক  ঘসেটি বেগমের মতো।
    যেদিন বিধায়ক রামপ্রসাদের হুংকারে হতভম্ব রাজ্যের গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভ, তারপরের দিন সকালেই ত্রিপুরা ওয়ার্কিং জার্নালিস্ট’ র নাম করে
সংগঠনের  দন্ডমুন্ডের কর্তারা রাম প্রসাদ পালকে
নিয়ে আসলেন তাদের সম্মেলনে। দন্ডমুন্ডের কর্তা বিজয় পালের সুস্পষ্ট জবাব  “এটা আমাদের সংগঠনের সিদ্ধান্ত। বিধায়ক রাম প্রসাদ ও সম্পাদকের ঘটনা তাদের ব্যক্তিগত। এই বিষয়ে ঢুকবে না সংগঠন।”
      রামপ্রসাদের বিজয় রথের পাল তুলতে সংগঠনের সিদ্ধান্ত বলে যে চালিয়ে দিলেন সংগঠনের সভাপতি বিজয় পাল। কিন্তু সংগঠনের এই সিদ্ধান্ত কত জন সদস্য জানতেন, যে তাদের সন্মেলনে চলবে বিধায়ক রাম প্রসাদের গান?
              বাস্তব অর্থে রামপ্রসাদী কাঞ্চন মূল্যের প্রান্তরে সাংবাদিকদের কলুষিত করার ফন্দিটা বেশ ভালই এঁটেছেন এই রাজ্যের সংবাদ জগতের মিস্টার ঘসেটি বেগম।  তৃতীয় প্রশ্ন, মিস্টার ঘসেটি বেগম সেই পুরনো আমলের কাসুন্দি ঘাটলেন। বিধায়ক রামপ্রসাদের হুংকার আর উগ্র বিধায়কের কুৎসা নাকি মালিক শ্রেণীর ঝামেলা। এর পেছনে নাকি ব্যক্তিগত লাভের প্রশ্ন জড়িয়ে আছে।
            রাজ্যের সংবাদ জগতের মিস্টার ঘসেটি বেগম বিজয় আজও সেই পুরনো দলীয় মতাদর্শের বস্তাপচা ফিরিস্তি শোনাচ্ছেন। যদিও তিনিও একটি পত্রিকার মালিক, তথাপি সব জেনেশুনে বিষ পান করার মতো আসল সত্যটাকে গাজার টাকায় ঢেকে দিতে চাইছেন। ত্রিপুরা রাজ্যের প্রতিটি সংবাদ মাধ্যমের যারা মালিক তারা প্রত্যেকেই সাংবাদিকও বটে। এডিটর তো ভিন্ন গ্রহ থেকে আনা হয় না। সাংবাদিক না হলে এডিটর হবে কি করে? আর যখন একজন এডিটরের বিরুদ্ধে রামপ্রসাদী হুংকার চলে, উগ্র-বিধায়কী কুৎসা চাউর হয় তখনো সেটা সংবাদমাধ্যমের উপর আক্রমণ হিসেবে গণ্য হয় না!! সত্যি সেলুকাস বিচিত্র এই দেশ! রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী যখন সংবাদ মাধ্যমের বিরুদ্ধে রামপ্রসাদের হুংকার আর প্রাক্তন বৈরী নেতা তথা বিধায়ক রঞ্জিত দেববর্মার ছড়ানো
কুৎসার বিপরীতে চরম অবস্থান ব্যক্ত করেছেন, তখনও মিস্টার ঘসেটি বেগমরা গাজার টাকায় পুষ্ট। এই যুদ্ধে বড় বড় বিশ্বাসঘাতক তো রয়েছেই – মীরজাফর, জগৎ শেঠ, উমিচাঁদদের পাশাপাশি এবার ময়দানে অবতীর্ণ মিস্টার ঘসেটি বেগম। তবে পলাশীর যুদ্ধের পর ঘসেটি বেগমের পরিণতি ওটা জানা আছে তো? বিশ্বাসঘাতকদের ইতিহাস কখনো ক্ষমা করে না। আপাতত মিস্টার ঘসেটি বেগমদের জন্য বরাদ্দ থাকলো শুধুমাত্র ছিঃ।


Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *