ডেস্ক রিপোর্টার, ২৮ মার্চ।।
সমস্ত জল্পনা কল্পনার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে আমতলী থানার পুলিশের হাতে গ্রেফতার ওএনজিসির জুনিয়র ফায়ারম্যান। তার নাম দ্বীপ গোলাপ দাস।এই ঘটনায় আমতলী থানার পুলিশ ২৫/২০২৬ নম্বর অনুযায়ী ১২৬(২),১১৭(২),৩০৫(২),৩৫১(৩), এবং পক্সো আইনে মামলা নথিভুক্ত করে।
খবর অনুযায়ী, গত ২৩ শে মার্চ আমতলী থানার অন্তর্গত ওএনজিসি কলোনি এলাকার ৮ বছরের এক নাবালিকা মেয়ে খেলতে খেলতে ওএনজিসির জুনিয়র ফায়ারম্যান পদে কর্মরত দ্বীপ গোলাপ দাস ওরফে ডেভিডের ব্যক্তিগত গাড়িতে রং লাগিয়ে দেয়। এরপর দ্বীপ গোলাপ দাস ওরফে ডেভিড উত্তেজিত হয়ে নাবালিকা মেয়েটির গলা টিপে ধরে এবং নাবালিকাটিকে মারধর করে বলে অভিযোগ। এই ঘটনার পর নাবালিকা মেয়েটির পরিবারের পক্ষ থেকে আমতলী থানায় অভিযুক্ত দ্বীপ গোলাপ দাস ওরফে ডেভিডের বিরুদ্ধে লিখিত মামলা দায়ের করে। ঘটনার পর নাবালিকা মেয়েটিকে হাঁপানিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়।হাসপাতালের মেডিকেল রিপোর্টে উল্লেখ করা হয় নাবালিকা মেয়েটির গলা টিপে ধরা হয় এবং তার পায়ের হাঁটুতেও আঘাত করা হয়।নাবালিকা মেয়েটির পরিবার ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও সঠিক বিচারের আশায় রাজ্য শিশু সুরক্ষা ও অধিকার কমিশনেও লিখিত অভিযোগ জানায়। এরপরেই ঘটনার জল ঘোলা হতে থাকে। একটি নাবালিকা মেয়ের সাথে এই ধরনের ঘটনায় রাজ্য পুলিশ কমিশনের প্রাক্তন সদস্যা ডঃ এইচ কেরল ডিসুজাও স্পষ্টভাবে অভিযুক্ত ডেভিডকে গ্রেফতারের দাবি তুলেন। এরপর থেকেই আমতলী থানার পুলিশের মধ্যে তোড়জোড় শুরু হয়। এবং শেষ পর্যন্ত দ্বীপ গোলাপকে জালে তুলে।

