সেটা আমরা এখনো কিছু বলতে পারছি না। এটা অন্য একটা দেশের আদালতের ব্যাপার। মাত্র এই ঘটনা ঘটেছে। আমরা কূটনীতির মাধ্যমে চেষ্টা করছি কনস্যুলার অ্যাকসেস পেতে। আমাদের নিয়ম মানতে হবে এবং সেটাই আমরা করছি। আমাদের অপেক্ষা করতে হবে। তারা পরবর্তীতে কী পদক্ষেপ নেয় সে পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে। – শামা ওবায়েদ
#সমীরণ রায়#
_______________
ঢাকা,৯ মার্চ।।
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ জানিয়েছেন, ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শহীদ শরিফ ওসমান বিন হাদি হত্যাকাণ্ডের প্রধান আসামি ফয়সাল করিম মাসুদ ও তার সহযোগী আলমগীর হোসেনের সঙ্গে সাক্ষাতের জন্য আবেদন (কনস্যুলার অ্যাকসেস চাওয়া) করা হয়েছে।
সোমবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে প্রতিমন্ত্রী এ তথ্য জানান।
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, গত রোববার আমরা জানতে পেরেছি, ভারতের কলকাতায় পুলিশ দুজন ব্যক্তিকে হাদি হত্যাকাণ্ডের সন্দেহভাজন হিসেবে আটক করেছে। তাদের সম্ভবত ১৪ দিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়েছে। ইতোমধ্যে কলকাতার উপ-হাইককমিশন যোগাযোগ করেছে, ভারতের কাছ থেকে কনস্যুলার অ্যাকসেস আমরা চেয়েছি।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, আমাদের কাছে যে তথ্য সেটা এখনো যথেষ্ট নয়। সম্পূর্ণ তথ্য পাওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে। আমরা ভারতের কাছে তা পাওয়া মাত্রই সামনের দিকে এগোতে পারব। অবশ্যই ভারতের সঙ্গে আমাদের বন্দি বিনিময় চুক্তি আছে, যদি এই আসামিরা শনাক্ত হয়, হাদি হত্যাকাণ্ডের বিচার আমরা সবাই চাই।
হত্যাকারীদের কত দ্রুত ফিরিয়ে আনা যেতে পারে—এমন প্রশ্নে প্রতিমন্ত্রী বলেন, সেটা আমরা এখনো কিছু বলতে পারছি না। এটা অন্য একটা দেশের আদালতের ব্যাপার। মাত্র এই ঘটনা ঘটেছে। আমরা কূটনীতির মাধ্যমে চেষ্টা করছি কনস্যুলার অ্যাকসেস পেতে। আমাদের নিয়ম মানতে হবে এবং সেটাই আমরা করছি। আমাদের অপেক্ষা করতে হবে। তারা পরবর্তীতে কী পদক্ষেপ নেয় সে পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে। আমরা আশা করছি যে, ভারত আমাদের সে ব্যাপারে সহযোগিতা করবে। কনস্যুলার অ্যাকসেস পাওয়ার পর পরিচয় শনাক্ত করতে পারলে এবং সত্যতা যাচাই করলে আমরা পরবর্তী পদক্ষেপ নিতে পারব।
ভারত সরকারের সঙ্গে এ নিয়ে যোগাযোগ হয়েছে কিনা—জানতে চাইলে শামা ওবায়েদ বলেন, কলকাতা উপ-হাইককমিশন থেকে যোগাযোগ করেছে, সেভাবেই যোগাযোগ হচ্ছে। এখনো কোনো উত্তর পাইনি। আমরা সেটার জন্য অপেক্ষা করছি।

