যুক্তরাষ্ট্র থেকে সম্প্রতি আরোপিত ৩৭ শতাংশ রিফিফোকাল ট্যারিফের ফলে সৃষ্ট বাণিজ্যিক অনিশ্চয়তা নিরসণ করতে সরকার ৬ বিলিয়ন বাণিজ্য ঘাটতি কমানোর উদ্দেশ্যে অন্যান্য আমদানি উদারীকরণসহ ২৫টি বোয়িং উড়োজাহাজ ক্রয়ের প্রস্তাব করে। ৮ বিলিয়ন ডলার রপ্তানির সঙ্গে সরাসরি ৫-৭ লাখ জনবলের কর্মসংস্থান জড়িত।
ঢাকা ডেস্ক,৯ ফেব্রুয়ারি।।
বাংলাদেশের জাতীয় নির্বাচনের মাত্র চারদিন বাকী থাকতেই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে ২৫টি বোয়িং উড়োজাহাজ কিনবে ইউনূস সরকার। ইতোমধ্যে প্রতিবেশী দেশগুলো শত শত বোয়িং ক্রয়ের চুক্তি সম্পাদন করেছে জানিয়ে উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দিন সাংবাদিকদের বলেন, এ বাস্তবতায় বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স নেটওয়ার্ক ও বহর সম্প্রসারণের জন্য একটি দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা অনুমোদন করেছে। এর ধারাবাহিকতায় উড়োজাহাজ ক্রয়ের জন্য বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স বোয়িং এবং এয়ারবাসের কাছ থেকে প্রস্তাব গ্রহণ ও পর্যালোচনা কার্যক্রম শুরু করে। উভয় কোম্পানির কাছ থেকে পাওয়া প্রস্তাবের ভিত্তিতে অ্যানালাইসিস সম্পন্ন হয়েছে। বর্তমানে বোয়িংয়ের সঙ্গে নেগোসিয়েশন কার্যক্রম চলমান রয়েছে। তবে কোনো কোনো গণমাধ্যম উড়োজাহাজ ক্রয়ের বিষয়টি তড়িঘড়ি করে সম্পাদিত হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছে। প্রকৃতপক্ষে ২০২৪ সালে শুরু হওয়া উড়োজাহাজ ক্রয়ের কার্যক্রম এখন পর্যন্ত চলমান রয়েছে। শেখ বশির উদ্দিন বলেন, বর্তমানে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স মাত্র ১৯টি উড়োজাহাজ দিয়ে ফ্লাইট পরিচালনা করছে। আগামী ২০৩০ সালের মধ্যে আরও ৪টি (দুটি ড্যাশ-৮ ও দুটি বোয়িং ৭৩৭-৮০০) উড়োজাহাজ অবসরে যাবে। সে কারণে বিমান বহরে নতুন উড়োজাহাজ সংযোজন করা না হলে বিদ্যমান রুটগুলোতে সুষ্ঠুভাবে ফ্লাইট পরিচালনা যেমন ব্যাহত হবে, তেমনি নতুন রুটে ফ্লাইট পরিচালনাও সম্ভব হবে না। তার মত যুক্তরাষ্ট্র থেকে সম্প্রতি আরোপিত ৩৭ শতাংশ রিফিফোকাল ট্যারিফের ফলে সৃষ্ট বাণিজ্যিক অনিশ্চয়তা নিরসণ করতে সরকার ৬ বিলিয়ন বাণিজ্য ঘাটতি কমানোর উদ্দেশ্যে অন্যান্য আমদানি উদারীকরণসহ ২৫টি বোয়িং উড়োজাহাজ ক্রয়ের প্রস্তাব করে। ৮ বিলিয়ন ডলার রপ্তানির সঙ্গে সরাসরি ৫-৭ লাখ জনবলের কর্মসংস্থান জড়িত।
উপদেষ্টা জানান, বলেন, যুক্তরাষ্ট্র থেকে সম্প্রতি আরোপিত ৩৭ শতাংশ রিফিফোকাল ট্যারিফের ফলে সৃষ্ট বাণিজ্যিক অনিশ্চয়তা নিরসণ করতে সরকার ৬ বিলিয়ন বাণিজ্য ঘাটতি কমানোর উদ্দেশ্যে অন্যান্য আমদানি উদারীকরণসহ ২৫টি বোয়িং উড়োজাহাজ ক্রয়ের প্রস্তাব করে। ৮ বিলিয়ন ডলার রপ্তানির সঙ্গে সরাসরি ৫-৭ লাখ জনবলের কর্মসংস্থান জড়িত।
ইতোমধ্যে প্রতিবেশী দেশগুলো শত শত বোয়িং ক্রয়ের চুক্তি সম্পাদন করেছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, এ বাস্তবতায় বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স নেটওয়ার্ক ও বহর সম্প্রসারণের জন্য একটি দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা অনুমোদন করে। এর ধারাবাহিকতায় উড়োজাহাজ ক্রয়ের জন্য বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স বোয়িং এবং এয়ারবাসের কাছ থেকে প্রস্তাব গ্রহণ ও পর্যালোচনা কার্যক্রম শুরু করে। উভয় কোম্পানির কাছ থেকে পাওয়া প্রস্তাবের ভিত্তিতে অ্যানালাইসিস সম্পন্ন হয়েছে। বর্তমানে বোয়িংয়ের সঙ্গে নেগোসিয়েশন কার্যক্রম চলমান রয়েছে। তবে কোনো কোনো গণমাধ্যম উড়োজাহাজ ক্রয়ের বিষয়টি তড়িঘড়ি করে সম্পাদিত হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছে। প্রকৃতপক্ষে ২০২৪ সালে শুরু হওয়া উড়োজাহাজ ক্রয়ের কার্যক্রম এখন পর্যন্ত চলমান রয়েছে।

