স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম এর সভাপতিত্বে প্রথম অধিবেশনের দ্বিতীয় দিনের বৈঠক শুরু হয়। রোববার থেকে সংসদে রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর আনিত ধন্যবাদ প্রস্তাবের ওপর আলোচনা শুরু হয়। পরে অধিবেশনের কার্যক্রম ২৯ মার্চ বিকেল ৩টা পর্যন্ত মুলতবি ঘোষণা করেন স্পিকার।
#সমীরণ রায়#
_______________
ঢাকা, ১৫ মার্চ।।
অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময় জারি করা ১৩৩টি অধ্যাদেশ অধিকতর যাচাই-বাছাই ও পর্যালোচনার জন্য বিশেষ সংসদীয় কমিটিতে পাঠিয়েছে জাতীয় সংসদ। রোববার সংসদ অধিবেশনে আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামানের প্রস্তাবের প্রেক্ষিতে এই অধ্যাদেশগুলো পর্যালোচনার জন্য সংসদীয় কমিটিতে পাঠানো হয়। যাচাই-বাছাই প্রক্রিয়া শেষ করে আগামী ২ এপ্রিলের মধ্যে কমিটিকে তাদের প্রতিবেদন জমা দেওয়ার জন্য নির্দেশনা দেওয়া হয়।
স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম এর সভাপতিত্বে প্রথম অধিবেশনের দ্বিতীয় দিনের বৈঠক শুরু হয়। রোববার থেকে সংসদে রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর আনিত ধন্যবাদ প্রস্তাবের ওপর আলোচনা শুরু হয়। পরে অধিবেশনের কার্যক্রম ২৯ মার্চ বিকেল ৩টা পর্যন্ত মুলতবি ঘোষণা করেন স্পিকার।
সংসদের হেডফোন নিয়ে জামায়াত এমপির ক্ষোভ: জাতীয় সংসদের সাউন্ড সিস্টেম ও হেডফোন নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন জামায়াতের সংসদ সদস্য শাহজাহান চৌধুরী। রোববার সংসদে অনির্ধারিত আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি বলেন, আমাদের হাউজে সাউন্ড সিস্টেম এত বড় বোঝা, মাথার ওপর দিয়ে সংসদে এক ঘণ্টা দুই ঘণ্টা বসা সবার জন্য কষ্টকর। তিনি হেডফোন দেখিয়ে স্পিকারকে বলেন, ‘এখন এতবড় বোঝা মনে হয় এটা। একটা বাজেট করেছিল, আর সেখান থেকে লুটপাট বাহিনীরা একটা বিল করে খাওয়ার জন্য এ ব্যবস্থাটা করেছেন।’
সংসদ সদস্য শাহাজাহান বলেন, আমি এর আগে আরও দু’বার সংসদে এসেছি, কিন্তু এত বড় একটা (হেডফোন দেখিয়ে) বোঝা মাথার ওপর দিয়ে এক-দুই ঘণ্টা বসা সবার জন্য কষ্টকর হচ্ছে। এটা ছাড়া যাতে করে একটা সাউন্ড সিস্টেম হয়। ১৯৯১ সালের সংসদে এটা ছাড়াই সংসদ চালিয়েছি। ২০০১ সালেও চার দলীয় সরকারের সময়েও হয়েছে। সাউন্ড সিস্টেমটা সুন্দর করার জন্য একটি সাধারণ হেডফোন দিলে আমরা শুনতে পাই। কিন্তু এতবড় বোঝার দরকার নেই। হেডফোন ছাড়াও সংসদের সাউন্ড সিস্টেমটা আধুনিকায়ন করলে খুশি হবো।

