টানা তিন সপ্তাহের মধ্যে এইগুলি বাংলাদেশে হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষের উপর আক্রমণের পঞ্চম ও ষষ্ঠ ঘটনা। বাংলাদেশ জুড়ে ক্রমাগত অশান্তি ও প্রতিবাদের মধ্যে আইন-শৃঙ্খলার চরম অবনতি উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষ।
ডেস্ক রিপোর্টার, ৬ জানুয়ারি।। ইউনূসের বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের উপর নৃশংসতার শেষ নেই। এক হিন্দু বিধবাকে গণ-ধর্ষণের ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই ফের সামনে এলো আরো দুইটি হাড়হিম করা হৃদয়বিদারক ঘটনা। সোমবার রাতে পদ্মাপাড়ে আবারো খুন দুই নিরীহ হিন্দু বাঙালি যুবক। প্রথম ঘটনা যশোরে। সেখানে দুষ্কৃতীরা খুব সামনে থেকে গুলি করে হত্যা করে রানা প্রতাপ বৈরাগীকে। তিনি ছিলেন যশোর জেলার কেশবপুর উপজেলার আরুয়া গ্রামের বাসিন্দা। ঘটনা যশোরের মণিরামপুর উপজেলার ১৭ নম্বর ওয়ার্ডের কপিলা বাজারে। পরের ঘটনা নরসিংদিতে। সেখানেও রাত ১১টা নাগাদ হিন্দু যুবক মনি চক্রবর্তীকে দুষ্কৃতীরা দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হামলা করে। এবং ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।
অজ্ঞাত-পরিচয় আততায়ীরা এসে তাঁকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়। একাধিক বুলেটের আঘাতে ঝাঁঝরা হয়ে যায় রানা প্রতাপের দেহ।
যশোরের ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় পুলিশের দাবী, সোমবার সন্ধ্যায় বাজারে এসেছিলেন রানা প্রতাপ বৈরাগী । তখনই অজ্ঞাত-পরিচয় আততায়ীরা এসে তাঁকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়। একাধিক বুলেটের আঘাতে ঝাঁঝরা হয়ে যায় রানা প্রতাপের দেহ। সঙ্গে সঙ্গেই রক্তাক্ত রানা প্রতাপ মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। এবং ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। এই ঘটনার পর এলাকায় চরম বিশৃঙ্খলা ছড়িয়ে পড়ে। আতঙ্কিত হয়ে পড়েন স্থানীয় বাসিন্দারা। বিশেষ ভাবে হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকজন। ঘটনাস্থলে ছুটে যায় মণিরামপুর থানার পুলিশ।এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
সোমবার রাত ১১টা নাগাদ নরসিংদিতে খুন করা হয় মনি চক্রবর্তীকে।
বাংলাদেশে বসবাসকারী হিন্দুদের মনে রানা প্রতাপ বৈরাগীর মৃত্যুর আতঙ্কের মধ্যেই ফের ছড়িয়ে পড়ে আরো এক আতঙ্ক। সোমবার রাত ১১টা নাগাদ নর সিংদিতে খুন করা হয় মনি চক্রবর্তী। সে একজন মুদি দোকানের মালিক। দোকান বন্ধ করে মোটর সাইকেলে বাড়ি ফেরার পথে দুষ্কৃতীরা তাকে হামলা করে। এবং ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।
মনি চক্রবর্তী ( নরসিংদি)
প্রসঙ্গত, টানা তিন সপ্তাহের মধ্যে এইগুলি বাংলাদেশে হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষের উপর আক্রমণের পঞ্চম ও ষষ্ঠ ঘটনা। বাংলাদেশ জুড়ে ক্রমাগত অশান্তি ও প্রতিবাদের মধ্যে আইন-শৃঙ্খলার চরম অবনতি উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষ।
ভারত বিরোধী ছাত্রনেতা ওসমান হাদির খুনকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশে ফের পরিকল্পিত নৈরাজ্য তৈরির চেষ্টা চলছে।
ভারত বিরোধী ছাত্রনেতা ওসমান হাদির খুনকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশে ফের পরিকল্পিত নৈরাজ্য তৈরির চেষ্টা চলছে। দেশটির সাধারণ নির্বাচন যতই এগিয়ে আসছে, ততই অবনতি হচ্ছে পরিস্থিতি! তাণ্ডব, ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগের পাশাপাশি, মাথাচাড়া দিয়েছে ভারত বিরোধী জিগির। সেই সঙ্গে ফের আক্রমণ শুরু হয়েছে হিন্দুদের উপর ।
রাজবাড়ি এলাকায় অমৃত মণ্ডল ওরফে সম্রাট নামে এক যুবককে পিটিয়ে খুন করেছে দুষ্কৃতীরা।
ময়মনসিংহে দীপু দাসকে নৃশংসভাবে পিটিয়ে খুনের পর, মৃতদেহ প্রকাশ্যে পোড়ান হয়েছে। রাজবাড়ি এলাকায় অমৃত মণ্ডল ওরফে সম্রাট নামে এক যুবককে পিটিয়ে খুন করেছে দুষ্কৃতীরা। শরীয়তপুরে খুন করা হয়েছে হিন্দু ব্যবসায়ী খোকন দাসকে।চট্টগ্রামে হিন্দুদের ঘরবাড়ি জ্বালিয়ে দেওয়া হয়েছে।বরিশালের ফিরোজ পুরেও একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি হয়েছে।আনোয়ারায় চারটি মন্দিরে হামলা করেছে মৌলবাদী শক্তি। এখানেই শেষ নয়, হিন্দু বিধবা মহিলাকে মৌলবাদী শক্তির চাইরা করেছে গণ-ধর্ষণ।