ডেস্ক রিপোর্টার,৫ নভেম্বর।।
বিহারের বিধানসভা নির্বাচনে কে জয়ী হবে, তা জানা যাবে আগামী ১৪ নভেম্ভর। তার আগেই অবশ্য ভোটের সম্ভাব্য ফল জানাল ফলোদীর কুখ্যাত সাট্টা বাজার। রাজস্থানের এই সাট্টা বাজারের রাজনৈতিক পূর্বাভাস অধিকাংশ ক্ষেত্রেই মিলে যায়। তাই এই ফলাফলের কোনও বৈজ্ঞানিক ভিত্তি বা ব্যাখ্যা না-থাকলেও ফলোদীর সাট্টা বাজারের কী বলছে, সে দিকে নজর রাখে দেশের রাজনৈতিক মহল।
ফলোদীর সাট্টা বাজার মনে করছে, এ বার বিহারে ফের এনডিএ-ই ক্ষমতায় আসতে চলেছে। এনডিএ-র সমর্থনেই বাজি ধরার পরিমাণ বেশি। সাট্টা বাজারের দাবি, ২৪৩ আসনের বিহারে ১২৮ থেকে ১৩৪টি আসন জিততে পারে বিজেপি, নীতীশ কুমারের জেডিইউ, চিরাগ পাসওয়ানের এলজেপি আর-এর জোট। সরকার গঠনের জন্য বিহারে জাদু সংখ্যা ১২২টি আসন। সাট্টা বাজারের দাবি মোতাবেক, ওই জাদুসংখ্যার চেয়ে বেশ কয়েকটি আসন বেশি পেতে পারে এনডিএ।
অন্য দিকে, ৯৩ থেকে ৯৯টি আসন পেয়েই বিরোধী জোট ‘মহাগঠবন্ধন’-কে সন্তুষ্ট থাকতে হবে বলে দাবি সাট্টা বাজারের জুয়াড়িদের। তাঁদের অনুমান, ১৪৩টি আসনে লড়াই করে ৬৯ থেকে ৭১টি আসন পেতে পারে লালুপ্রসাদ যাদবের দল আরজেডি। বাজি ধরার অঙ্কের নিরিখে কংগ্রেসের খারাপ ফলের ইঙ্গিত মিলেছে। জুয়াড়িদের ধারণা অনুযায়ী, ১০১টি আসনে লড়াই করে ৬৬ থেকে ৬৮টি বিধানসভা কেন্দ্রে জয়ী হতে পারে বিজেপি। সমান সংখ্যক আসনে লড়াই করে নীতীশের দলের ঝুলিতে যেতে পারে ৫৪ থেকে ৫৬টি আসন। মুখ্যমন্ত্রী হিসাবেও নীতীশ কুমার প্রতিদ্বন্দ্বীদের তুলনায় এগিয়ে বলে দাবি সাট্টা বাজারের।
ফলোদী রাজস্থানের ছোট একটি শহর। জোধপুর থেকে সড়কপথে এর দূরত্ব ১৪২ কিলোমিটার। ফলোদী মূলত প্লাস্টার অফ প্যারিস কারখানার জন্য বিখ্যাত। তবে তার চেয়েও বিখ্যাত সাট্টা বাজারের জন্য। ভারতে বহু সাট্টা বাজার থাকলেও ফলোদীর গুরুত্ব এখানেই যে, এই সাট্টা বাজারেই রাজনৈতিক পূর্বানুমান করে অর্থ বিনিয়োগ করা হয়। লোকসভা কিংবা বিধানসভা নির্বাচনের ক্ষেত্রে কোনও দলের জয় বা পরাজয়ের সম্ভাবনা কতটা, তা যাচাই করে নিয়েই এই বিনিয়োগ হয়। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই এই পূর্বাভাস মিলেও যায়।

