হুমকির খবর পেয়েই পুলিশ এবং নিরাপত্তা সংস্থাগুলি বিধানসভা এবং লালকেল্লার আশেপাশের অঞ্চলগুলি ঘিরে ফেলে। সেখানে তল্লাশি অভিযান চালানো হয়। তবে এখন পর্যন্ত কোথাও থেকে কোনও সন্দেহজনক জিনিস উদ্ধার করা হয়নি। দিল্লি পুলিশ এই “হুমকি ইমেলে”র উৎসের অনুসন্ধান করছে।
ডেস্ক রিপোর্টার, ২৩ ফেব্রুয়ারি।।
বাংলা এবং তামিলনাড়ু থেকে বাংলাদেশি জঙ্গি গ্রেফতারের খবর প্রকাশ্যে আসার একদিন পরই দিল্লিতে ধারাবাহিক বোমা বিস্ফোরণের হুমকি। সোমবার সকালে দিল্লি বিধানসভা ও লালকেল্লা উড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দিয়ে ইমেলটি পাঠানো হয় ধৌলা কুয়ানের অ্যামি পাবলিক স্কুলে।
ইমেলে বলা হয় , ” সোমবার সকাল ৯টা ১১ মিনিটে এই গুরুত্বপূর্ণ জায়গাগুলিতে বোমা বিস্ফোরন হবে।”
হুমকির খবর পাওয়ার সাথে সাথেই স্কুল কর্তৃপক্ষ তৎক্ষণাৎ দিল্লি উত্তর জেলা পুলিশকে খবর দেয়। তবে পরে জানা যায় এই হুমকি ভুয়ো।

তবে হুমকির খবর পেয়েই পুলিশ এবং নিরাপত্তা সংস্থাগুলি বিধানসভা এবং লালকেল্লার আশেপাশের অঞ্চলগুলি ঘিরে ফেলে। সেখানে তল্লাশি অভিযান চালানো হয়। তবে এখন পর্যন্ত কোথাও থেকে কোনও সন্দেহজনক জিনিস উদ্ধার করা হয়নি। দিল্লি পুলিশ এই “হুমকি ইমেলে”র উৎসের অনুসন্ধান করছে। এর আগে গত কয়েক সপ্তাহে রাজধানীর অনেক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানেই এই ধরনের ভুয়ো হুমকি ফোন ও ইমেল এসেছেছিলো। সম্প্রতি পশ্চিমবাংলা ও তামিলনাড়ু থেকে গ্রেপ্তার হওয়া লস্করের বাংলাদেশী জঙ্গি মডিউলের টার্গেট ছিল দিল্লিতে মন্দির হামলা।এই আবহে সার্বিক ভাবে দিল্লির নিরাপত্তা বৃদ্ধি করা হয়েছে।

হুমকির পর দিল্লির স্পর্শকাতর এলাকায় ব্যাপক হারে আধাসামরিক বাহিনী ও পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। দিল্লিতে প্রবেশকারী প্রতিটি গাড়িতে তল্লাশি চালানো হচ্ছে এবং পরিত্যক্ত গাড়িগুলির উপর বিশেষ নজর রাখা হচ্ছে। নিরাপত্তা কর্মীরা সিসিটিভি ক্যামেরার মাধ্যমে শহরের প্রতিটি এলাকার উপর রিয়েল টাইম নজর রাখছেন। সাধারণ নাগরিক ও দোকানদারদের সতর্ক করার জন্য পুলিশ প্রশাসন বাজার ও আবাসিক কল্যাণ সমিতিগুলির সঙ্গে সমন্বয় বৈঠক করছে। এছাড়া হোটেল, গেস্ট হাউস, শপিং মল এবং সিনেমা হলগুলিতেও ব্যাপক ভাবে যাচাই অভিযান চালানো হচ্ছে। মোবাইলের সিম কার্ড ব্যবসায়ী ও রাসায়নিক দোকানগুলোতেও তল্লাশি চালানো হচ্ছে। বাড়ি ঘরের ভাড়াটিয়া, গৃহকর্মী এবং ব্যক্তিগত নিরাপত্তারক্ষীদের ব্যাকগ্রাউন্ড ভেরিফিকেশন জোরদার করেছে দিল্লি পুলিশ।( এইচটিবি)

