বাংলাদেশের নবনিযুক্ত ডিজিএফআই মহাপরিচালক মেজর জেনারেল কায়সার রশিদ চৌধুরী ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থা র-এর প্রধান পরাগ জৈন এবং মিলিটারি ইন্টেলিজেন্সের ডিজি লেফটেন্যান্ট জেনারেল আর এস রমনের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক করেন।

ডেস্ক রিপোর্টার, ১১ মার্চ।।
          ভারত – বাংলাদেশের সম্পর্কের বরফ গলতে শুরু করেছে। তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপি সরকার বাংলাদেশের ক্ষমতায় বসেই ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক সু – দৃঢ় করতে চাইছে ঢাকা। প্রতিবেশী ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক শক্তপোক্ত করতে চলতি মাসের গোড়াতে ভারত সফরে আসেন বাংলাদেশের শীর্ষ প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা সংস্থা ডিরেক্টরেট জেনারেল অফ ফোর্সেস ইন্টেলিজেন্সের (ডিজিএফআই) প্রধান মেজর জেনারেল কায়সার রশিদ চৌধুরী।
     জাতীয় সংবাদ মাধ্যমের খবর অনুযায়ী, বাংলাদেশের নবনিযুক্ত ডিজিএফআই মহাপরিচালক মেজর জেনারেল কায়সার রশিদ চৌধুরী ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থা র-এর প্রধান পরাগ জৈন এবং মিলিটারি ইন্টেলিজেন্সের ডিজি লেফটেন্যান্ট জেনারেল আর এস রমনের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক করেন। গত ১লা মার্চ ডিজিএফআই প্রধান ভারত সফরে এসেছিলেন। তিনি ৩ মার্চ পর্যন্ত অবস্থান করেছিলেন দিল্লিতে।

ডিজিএফআই প্রধান কায়সার রশিদ চৌধুরী

গত ২ রা মার্চ ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থা র-এর প্রধান পরাগ জৈনের সঙ্গে ডিজিএফআই প্রধান  যোগ দিয়েছিলেন একটি  ব্যক্তিগত নৈশভোজে। এই সময় দুই দেশের গোয়েন্দা প্রধানদের মধ্যে বিনিময় হয় নানান গোয়েন্দা তথ্য।


হাইকমিশনার রিয়াজ হামিদুল্লা পরিদর্শন করেছেন ভারতীয় সেনার যুদ্ধ কলেজে।

ইতিমধ্যে ভারতে নিযুক্ত বাংলাদেশি হাইকমিশনার রিয়াজ হামিদুল্লা পরিদর্শন করেছেন ভারতীয় সেনার যুদ্ধ কলেজে। মধ্যপ্রদেশের মহউ-তে অবস্থিত এই কলেজে গিয়ে সেনা, নৌবাহিনী এবং বায়ুসেনা একাধিক অফিসারের সঙ্গে কথাবার্তা বলেন রিয়াজ। ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক নিয়ে সেখানে সামরিক অফিসারদের সঙ্গে তাঁর আলোচনা হয় বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশি হাইকমিশনার। মহউ-তে সেনার কলেজে রিজায় হামিদুল্লাকে স্বাগত জানান লেফটেন্যান্ট জেনারেল হরজিৎ সিং সাহি।

।বাংলাদেশি হাইকমিশনার রিয়াজ হামিদুল্লা ।

ভারত – বাংলাদেশের সম্পর্ক যে আরো গভীর হচ্ছে তার প্রমাণ দিয়েছে পশ্চিম বাংলার পুলিশ।

ভারত – বাংলাদেশের সম্পর্ক যে আরো গভীর হচ্ছে তার প্রমাণ দিয়েছে পশ্চিম বাংলার পুলিশ। সম্প্রতি পশ্চিমবাংলার বনগাঁও থেকে বাংলাদেশের যুব নেতা তথা ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক ওসমান হাদির খুনের সঙ্গে জড়িত দুই অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে। সব মিলিয়ে ভারত – বাংলাদেশের মধ্যে অবনতি হওয়া সম্পর্ক আরো জোরদার হচ্ছে বলেই মনে করছেন দুই দেশের কূটনীতিকরা।
    


Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *