“সম্প্রতি ফরিদাবাদে ধৃত ডাক্তার মডিউলের ঠেক থেকে উদ্ধারকৃত অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট বাজেয়াপ্ত করে রাখা ছিল নওগাম থানাতেই। থানার অন্দরে এই বিস্ফোরক পরীক্ষা করছিলেন ফরেন্সিক সদস্য এবং পুলিশ।উপস্থিত ছিলেন একজন ম্যাজিস্ট্রেটও ।তখনই বিস্ফোরণ ঘটে। “
ডেস্ক রিপোর্টার,১৫ নভেম্বর।।
শুক্রবার গভীর রাতে ভয়াবহ বিস্ফোরণে কেঁপে উঠেছে কাশ্মীরের নওগাম থানা সহ আশপাশ এলাকা। বিস্ফোরণে মৃত্যু হয়েছে নয়জন পুলিশ কর্মীর । আহতের সংখ্যা ৩০ জনেরও বেশি।শনিবার সাংবাদিক বৈঠক করে একথা জনিয়েছেন জম্মু – কাশ্মীরের ডিজিপি নলিন প্রভাত।
কাশ্মীর পুলিশের মহানির্দেশক নলিন প্রভাতের কথায়, সম্প্রতি ফরিদাবাদে ধৃত ডাক্তার মডিউলের ঠেক থেকে উদ্ধারকৃত অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট বাজেয়াপ্ত করে রাখা ছিল নওগাম থানাতেই। থানার অন্দরে এই বিস্ফোরক পরীক্ষা করছিলেন ফরেন্সিক সদস্য এবং পুলিশ।উপস্থিত ছিলেন একজন ম্যাজিস্ট্রেটও ।তখনই বিস্ফোরণ ঘটে।
তবে এটি কোনও সন্ত্রাসবাসী হামলা নয়, বরং দুর্ঘটনা। তাতেই অন্তত ৯ জনের মৃত্যু হয়। মৃতরা সকলেই নিরাপত্তাকর্মী। এদিকে ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকে পড়া লোকজনকে সরিয়ে নেওয়ার কাজ অব্যাহত রয়েছে। এই আবহে মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
সিসিটিভি ফুটেজে দেখা গিয়েছে, বিস্ফোরণ থানা চত্বরে ছড়িয়ে পড়েছে। ঘন ধোঁয়া ও আগুনের শিখায় এলাকায় বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয় লোকজন জানিয়েছেন, বিস্ফোরণের তীব্রতা এতটাই ছিল যে ৩০০ ফুট দূরে পর্যন্ত দেহাংশ ছিটকে পড়ে। এদিকে আহতদের অনেকের অবস্থা আশঙ্কাজনক এবং উদ্ধারকারীরা ধ্বংসস্তূপের মধ্যে নিখোঁজ ব্যক্তিদের সন্ধান করছেন। প্রসঙ্গত, এই নওগাম থানা থেকেই দিল্লি বিস্ফোরণ কাণ্ডের গোটা সূত্র তদন্ত করে বের করা হয়েছিল।

