প্রশ্ন হচ্ছে, রাজধানী সংলগ্ন শ্রীনগর থানা এলাকায় রাতের আধারে দুষ্কৃতীরা গাড়িতে করে লাশ জঙ্গলে নিয়ে পুড়িয়ে দিলেও শীত ঘুমে পুলিশ। শ্রীনগর থানা এলাকায় বহু জায়গায় রয়েছে পুলিশ নাকা। তাছাড়া আছে পুলিশের টহল। ভর জঙ্গলে দুষ্কৃতীরা লাশ আগুনে পুড়লেও আঁচ করতে পারে নি শ্রীনগর থানার পুলিশ। ছিঃ, ছিঃ। এটাই কি সু – শাসনের স্বরাষ্ট্র দপ্তর?
ডেস্ক রিপোর্টার,৫ জানুয়ারি।।
বেআব্রু কনকনে শীতের রাতের শহরের পুলিশি নিরাপত্তা ব্যবস্থা। দুষ্কৃতীরা বছর ২৫- র এক মহিলাকে ধর্ষনের পর খুন করে। এবং প্রমাণ লোপাটের জন্য তার শরীরে আগুন ধরিয়ে দেয়। সোমবার সকালে মহিলার অগ্নিদগ্ধ মৃতদেহ উদ্ধার করা হয় শ্রীনগর থানার কালিটিলা এলাকার রঞ্জিত সাহার রাবার বাগান থেকে। এখন পর্যন্ত পুলিশ মহিলার পরিচয় জানতে পারে নি। পুলিশ মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য পাঠিয়ে দেয় হাসপাতাল মর্গে।
কালিটিলার স্থানীয় যুবক জানিয়েছেন, সোমবার সকাল ছয়টা নাগাদ সে রাবার বাগানে আসেন। তখনই জঙ্গলে আগুনে পুড়া মৃতদেহটি দেখতে পান। সঙ্গে সঙ্গে খবর দেন পুলিশকে।

খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে যায় শ্রীনগর থানার পুলিশ ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ধ্রুবনাথ। পুলিশ জরুরি তলবে ঘটনাস্থলে নিয়ে যায় ফরেনসিক টিম ও স্নিফার ডগ। শেষে মৃতদাহ উদ্ধার করে নিয়ে আসে হাসপাতালে। তদন্তকারী পুলিশের প্রাথমিক ধারণা মহিলাকে অন্য কোথাও খুন করে দুষ্কৃতীরা নিয়ে এসেছে রাবার বাগানে। এখানে মহিলার শরীরে পেট্রোল বা কোনো দাহ্য পদার্থ দিয়ে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়, প্রমাণ লোপাটের জন্য। জানিয়েছেন শ্রীনগর থানার ওসি।
প্রশ্ন হচ্ছে, রাজধানী সংলগ্ন শ্রীনগর থানা এলাকায় রাতের আধারে দুষ্কৃতীরা গাড়িতে করে লাশ জঙ্গলে নিয়ে পুড়িয়ে দিলেও শীত ঘুমে পুলিশ। শ্রীনগর থানা এলাকায় বহু জায়গায় রয়েছে পুলিশ নাকা। তাছাড়া আছে পুলিশের টহল। ভর জঙ্গলে দুষ্কৃতীরা লাশ আগুনে পুড়লেও আঁচ করতে পারে নি শ্রীনগর থানার পুলিশ। ছিঃ, ছিঃ। এটাই কি সু – শাসনের স্বরাষ্ট্র দপ্তর?

