বর্তমানে ত্রিপুরা গ্রামীণ ব্যাংক রাজ্যে এক শক্তিশালী উপস্থিতি নিয়ে এগিয়ে চলেছে—১৫০টি শাখা, ১২টি আল্ট্রা স্মল ব্রাঞ্চ এবং ৪৭৬টি কাস্টমার সার্ভিস পয়েন্ট নিয়ে, যা সমগোত্রীয় অন্যান্য ব্যাংকের তুলনায় একে অনন্য অবস্থানে পৌঁছে দিয়েছে।
ডেস্ক রিপোর্টার,আগরতলা।।
ত্রিপুরা গ্রামীণ ব্যাঙ্ক ( টিজিবি) অত্যাধুনিক, আল্ট্রা-মডার্ন এটিএম ই–লবি উদ্বোধন করলো সিধাই
মোহনপুরে। এই এটিএম প্রযুক্তিনির্ভর ও গ্রাহক কেন্দ্রিক ব্যাঙ্কিং যাত্রায় আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে চিহ্নিত হল। ১৫ জানুয়ারি এর শুভ উদ্বোধন করেন রাজ্যের কৃষি ও কৃষক কল্যাণমন্ত্রী রতন লাল নাথ। সার্বিকভাবে গোটা রাজ্যে ‘ ব্যাঙ্কের শাখা’র সংখ্যার নিরিখে দুই জাতীয় ব্যাঙ্ক এসবিআই ও পিএনবিকে লেখচিত্রের পেছনে ফেলে শীর্ষে ত্রিপুরা গ্রামীণ ব্যাঙ্ক।

এটিএম ই–লবির পাশেই ত্রিপুরা গ্রামীণ ব্যাংকের একটি কাস্টমার সার্ভিস পয়েন্ট’ র ( সিএসপি ) উদ্বোধন করা হয়।
এই এটিএম “ই–লবি” ২৪×৭ নিরাপদ, নিরবচ্ছিন্ন ও ডিজিটাল ব্যাঙ্কিং পরিষেবা প্রদানের জন্য পরিকল্পিত, যা ত্রিপুরা গ্রামীণ ব্যাঙ্ক রাজ্যের প্রতিটি প্রান্তে বিশ্বমানের ব্যাঙ্কিং পরিকাঠামো পৌঁছে দেওয়ার অঙ্গীকারকে আরও সুদৃঢ় করে। এর পাশাপাশি, এটিএম ই–লবির পাশেই ত্রিপুরা গ্রামীণ ব্যাংকের একটি কাস্টমার সার্ভিস পয়েন্ট’ র ( সিএসপি ) উদ্বোধন করা হয়। সিধাই মোহনপুর বাজার এলাকার কেন্দ্র স্থলে অবস্থিত।

মন্ত্রী রতন লাল নাথ রাজ্যের প্রত্যন্ত অঞ্চলের প্রতিটি কোনায় ব্যাঙ্কিং পরিষেবা সম্প্রসারণে জন্য ত্রিপুরা গ্রামীণ ব্যাংকের প্রচেষ্টার ভূয়সী প্রশংসা করেন। শুধু তাই নয়, তিনি ওই সিএসপি কেন্দ্রে বিজনেস করেসপন্ডেন্ট (বিসি) সুবিধার মাধ্যমে তাৎক্ষণিকভাবে নিজেই একটি ব্যাংক অ্যাকাউন্টও খোলেন।
বর্তমানে গোটা রাজ্যে গ্রামীণ ব্যাংকের মোট শাখা ১৫০টি ।
বর্তমানে ত্রিপুরা গ্রামীণ ব্যাঙ্ক রাজ্যে এক শক্তিশালী উপস্থিতি নিয়ে এগিয়ে চলেছে—১৫০টি শাখা, ১২টি আল্ট্রা স্মল ব্রাঞ্চ এবং ৪৭৬টি কাস্টমার সার্ভিস পয়েন্ট নিয়ে, যা সমগোত্রীয় অন্যান্য ব্যাংকের তুলনায় একে অনন্য অবস্থানে পৌঁছে দিয়েছে। সর্বশেষ এসএলবিসি- র রিপোর্ট অনুযায়ী, সর্বাধিক শাখা নেটওয়ার্কের নিরিখে ত্রিপুরা গ্রামীণ ব্যাঙ্ক রাজ্যে প্রথম স্থানে রয়েছে ১৫০টি শাখা নিয়ে। দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া( এস বি আই)।তাদের মোট শাখা ৭৯টি। এবং ৭০টি শাখা নিয়ে তৃতীয় স্থানে পাঞ্জাব ন্যাশনাল ব্যাংক( পিএনবি)।

এই কারণেই ত্রিপুরা গ্রামীণ ব্যাঙ্ককে “রাজ্যের নিজস্ব ব্যাঙ্ক ” হিসেবে গণ্য করা হয়।
মন্ত্রী রতন লাল নাথ ত্রিপুরা গ্রামীণ ব্যাংকের চেয়ারম্যানকে গত ৩–৪ বছরে ব্যাংকের সার্বিক রূপ ও পরিষেবায় আমূল পরিবর্তন আনার জন্য বিশেষভাবে সাধুবাদ জানান। বর্তমানে ইন্টারনেট ব্যাংকিং সুবিধা থেকে শুরু করে আধুনিক পরিকাঠামো—সব ক্ষেত্রেই ত্রিপুরা গ্রামীণ ব্যাঙ্ক অন্যান্য জাতীয়কৃত ব্যাংকের সমতুল্য হয়ে উঠেছে। এই কারণেই ত্রিপুরা গ্রামীণ ব্যাঙ্ককে “রাজ্যের নিজস্ব
ব্যাঙ্ক ” হিসেবে গণ্য করা হয়।

বর্তমানে রাজ্যে ত্রিপুরা গ্রামীণ ব্যাংকের গ্রাহক সংখ্যা ৩১ লক্ষেরও বেশি।
বর্তমানে রাজ্যে ত্রিপুরা গ্রামীণ ব্যাংকের গ্রাহক সংখ্যা ৩১ লক্ষেরও বেশি, যা একে অন্যান্য ব্যাংকের তুলনায় এক বিশাল ও শক্তিশালী ব্যাংকে পরিণত করেছে। সিধাই মোহনপুর এটিএম সহ বর্তমানে ত্রিপুরা গ্রামীণ ব্যাংকের রাজ্যজুড়ে মোট ৪০টি এটিএম কার্যকর রয়েছে। এটিএম কাউন্টারের সংখ্যার বিচারে ত্রিপুরা গ্রামীণ ব্যাঙ্ক রাজ্যে তৃতীয় স্থানে রয়েছে। প্রথম ও দ্বিতীয় স্থানে যথাক্রমে স্টেট ব্যাংক অব ইন্ডিয়া ও পাঞ্জাব ন্যাশনাল ব্যাঙ্ক।
বর্তমানে সমস্ত এটিএম ই–লবিতে স্বয়ংক্রিয় পাসবুক প্রিন্টিং মেশিন সংযুক্ত করা হয়েছে।

একসময় এটিএম পরিষেবা ত্রিপুরা গ্রামীণ ব্যাংকের জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ ছিল, কিন্তু আজ সেই পরিস্থিতি সম্পূর্ণভাবে বদলে গেছে। বর্তমানে সমস্ত এটিএম ই–লবিতে স্বয়ংক্রিয় পাসবুক প্রিন্টিং মেশিন সংযুক্ত করা হয়েছে, যা ব্যাঙ্ককে আরও আধুনিক ও আকর্ষণীয় রূপ দিয়েছে। এর ফলে গ্রাহকদের আর শাখার ভেতরে লাইনে দাঁড়িয়ে পাসবুক প্রিন্ট করাতে হবে না। এটিএম ই–লবিতেই সহজে ও দ্রুত এই পরিষেবা পাওয়া যাবে। এতে ব্যাংকের গ্রাহকদের জন্য পরিষেবা আরও সুবিধাজনক ও সময় সাশ্রয়ী হয়ে উঠেছে।

