অজ্ঞাত পরিচয় ওই ব্যাক্তির পরনে ছিল খাকি শার্ট ও নীল রঙ্গের লুঙ্গি। স্থানীয়দের কেউ কেউ মনে করছেন, মৃতদেহটি লাকড়ি সংগ্রহ করতে আসা কারও হতে পারে। আবার অন্যদের ধারণা, এটি কোনো জুমিয়ার মৃতদেহ হতে পারে।
তেলিয়ামুড়া ডেস্ক, ২৭ ফেব্রুয়ারি:
তেলিয়ামুড়া অম্পি পার্শ্ববর্তী খাসিয়ামঙ্গল বি.এস.এফ ক্যাম্প সংলগ্ন একটি জুম খেতের টংঘরে অজ্ঞাত পরিচয় এক ব্যাক্তির পঁচাগলা ঝুলন্ত মৃতদেহ উদ্ধার’কে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। মৃতদেহটি পঁচা অবস্থায় পাওয়া যায় এবং পুলিশের প্রাথমিক অনুমান অনুযায়ী ওই ব্যাক্তির বয়স ৫০ থেকে ৫৫ বছর হতে পারে।
অজ্ঞাত পরিচয় ওই ব্যাক্তির পরনে ছিল খাকি শার্ট ও নীল রঙ্গের লুঙ্গি। স্থানীয়দের কেউ কেউ মনে করছেন, মৃতদেহটি লাকড়ি সংগ্রহ করতে আসা কারও হতে পারে। আবার অন্যদের ধারণা, এটি কোনো জুমিয়ার মৃতদেহ হতে পারে।
খবর পেয়ে তেলিয়ামুড়া থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মৃতদেহ উদ্ধার করে তেলিয়ামুড়া মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যায়। এবং ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।
তেলিয়ামুড়া থানার এ.এস.আই নেপাল মুন্ডার মতে, মৃতদেহটি আনুমানিক আট থেকে নয় দিন পুরনো। তবে প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে—টংঘরে বসা অবস্থায় কেউ কিভাবে গলায় গামছা পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করতে পারে? আত্মহত্যা নাকি পরিকল্পিত খুন, তা স্পষ্ট হবে বিস্তারিত তদন্তের পরেই।
গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয় হলো, কিছুদিন পরেই জুমের জমি আগুন দিয়ে পরিষ্কার করার সময় আসছে। আর মৃতদেহের কাছাকাছি একগুচ্ছ শুকনো লাকড়ি পড়ে থাকতে দেখা গেছে। ফলে প্রশ্ন উঠছে—অজ্ঞাত পরিচয় ওই ব্যাক্তি আসলে জুমিয়া ছিলেন নাকি লাকড়ি সংগ্রহ করতে গিয়েছিলেন? আর তাঁর মৃত্যু কীভাবে ঘটল, তা এখনও রহস্যে ঘেরা।
স্থানীয়দের মধ্যে নানা জল্পনা শুরু হয়েছে। কেউ মনে করছেন এটি আত্মহত্যা, আবার কেউ সন্দেহ করছেন পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড।
এই রহস্যজনক মৃত্যুর পেছনের আসল কারণ উদ্ঘাটনে পুলিশি তদন্তই এখন ভরসা। এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়ালেও পরিস্থিতি আপাতত নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। জনসাধারণের চোখ এখন তদন্তের ফলাফলের দিকে।

