ভানুপদ নামের কাটাকে দূরে ঠেলে দিতে গেলে তাঁর বিরুদ্ধে তুলে ধরতে হবে কৃত্রিম ব্যার্থতার চার্জশিট।তাই করলেন উত্তর জেলার শাসক দলের বুড়ো নেতা।
বিজেপির বুড়ো নেতা (প্রতীকী ছবি)
আশঙ্কা ২৮- র নির্বাচনে ভারতীয় জনতা পার্টির রাজ্য নেতৃত্ব ধর্মনগর কেন্দ্র থেকে ভানুপদ চক্রবর্তীকে টিকিট দিতে পারে।ধর্মনগর রাজনীতিতে দিনের পর দিন এই জনশ্রুতি তীব্র হচ্ছে। এবং বিস্তার লাভ করছে।আর তাতেই নাকি মাথা ঘুরে যাচ্ছে বিজেপির ধর্মনগর কেন্দ্রের রাজনীতিকদের।
ভানুপদ চক্রবর্তী যদি দোষী হন, তাহলে নর্দান ডিআইজি নিজেও দায়ী
ডেস্ক রিপোর্টার ,২৩ নভেম্বর।। অতি সম্প্রতি উওর জেলার পানিসাগর পেঁকুছড়া কাণ্ডের পর জেলার তৎকালীন এসপি ভানুপদ চক্রবর্তীকে ক্লোজ করেছিলো আরক্ষা দপ্তর।” স্বরাষ্ট্র দপ্তরের অঘোষিত ব্যাখা ছিলো, ভানুপদ চক্রবর্তীর ব্যর্থতার জন্যই কদমতলা ও পানিসাগরে পর পর দুইটি সাম্প্রদায়িক হিংসার ঘটনা ঘটেছে। এই ব্যর্থতার জন্যই ভানুপদ চক্রবর্তীকে “নির্বাসন” দিয়েছে দপ্তর।” যদিও স্বরাষ্ট্র দপ্তর ভানু পদ চক্রবর্তীকে ক্লোজ করা সংক্রান্ত নোটিশে আনুষ্ঠানিকভাবে এ কথা বলিনি। বাস্তব অর্থে দপ্তরের এই যুক্তি কতটা সত্যি? তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন খোদ উত্তর জেলার মানুষ।
বিজ্ঞাপন (ICA/C-2555/24)
উত্তর জেলার মানুষের বক্তব্য, গোটা জেলাতে এসপি ভানুপদ চক্রবর্তীর জন প্রিয়তা নিয়ে চিন্তার ভাঁজ পড়ে গেছে শাসক দলের কয়েকজন নেতার। উত্তর জেলার অঘোষিত ক্যাপিটাল ধর্মনগরে ভানুপদ চক্রবর্তীর জনপ্রিয়তা আতঙ্ক গ্রাস করেছে শাসক দলের স্থানীয় নেতাদের।আশঙ্কা ২৮- র নির্বাচনে ভারতীয় জনতা পার্টির রাজ্য নেতৃত্ব ধর্মনগর কেন্দ্র থেকে ভানুপদ চক্রবর্তীকে টিকিট দিতে পারে।
পেঁকুছড়ার এই শিব মন্দির ভাঙ্গা কেন্দ্র করে উত্তপ্ত হয়েছিল পরিস্থিতি (ফাইল – ছবি)
ধর্মনগর রাজনীতিতে দিনের পর দিন এই জনশ্রুতি তীব্র হচ্ছে। এবং বিস্তার লাভ করছে।আর তাতেই নাকি মাথা ঘুরে যাচ্ছে বিজেপির ধর্মনগর কেন্দ্রের রাজনীতিকদের। গুঞ্জন যখন প্রকট আকার ধারণ করতে শুরু করেছে, তখনই ভানুপদ চক্রবর্তীর বিরুদ্ধে বড়সড় ষড়যন্ত্র করেছে উত্তর জেলার বিজেপির জনবিচ্ছিন্ন নেতারা।
পেঁকুছড়ায় ভানুপদ চক্রবর্তীর নেতৃত্বে পুলিশি টহল ( ফাইল – ছবি)
সার্বিক ভাবে একজন পুলিশ অফিসার হিসাবেও সাধারণ মানুষের কাছে ভানুপদ চক্রবর্তীর টিআরপি গগন চুম্বি।
পুলিশ সদর দপ্তর সূত্রে, ভানুপদ চক্রবর্তী উত্তর জেলাতে ভালো কাজ করছিলেন।তার নেট ওয়ার্ক ছিলো খুব শক্তিশালী। এই নেট ওয়ার্ক কাজে লাগিয়ে মাদক কারবারের বড় বড় চালান আটক করতে সক্ষম হয়েছিলেন তিনি।সার্বিক ভাবে একজন পুলিশ অফিসার হিসাবেও সাধারণ মানুষের কাছে ভানুপদ চক্রবর্তীর টিআরপি গগন চুম্বি। কদমতলা ও পানি সাগরের পেকু ছড়ার ঘটনায় কোনো ভাবেই ভানুপদ চক্রবর্তী একক ভাবে দায়ী নয়।
(ফাইল ছবি)
পুলিশ কর্মীদের বক্তব্য, ভানুপদ চক্রবর্তী যদি দোষী হন, তাহলে নর্দান ডিআইজি নিজেও দায়ী। ভানুপদ চক্রবর্তীকে উত্তরের এসপি চেয়ার থেকে সরিয়ে ধলাই জেলার এসপি অবিনাশ রাইকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।এক্ষেত্রে ভানুপদ চক্রবর্তী থেকে আরো বেশি ব্যর্থ অবিনাশ কুমার।কারণ আইপিএস অবিনাশ কুমারের দায়িত্বে থাকা কালীন ধলাই জেলার গণ্ডাছড়াতে ধাও ধাও করে জ্বলে উঠেছিল আগুন। তারপরও একজন ব্যর্থ এসপিকে কেন উত্তর জেলায় তড়িঘড়ি অতিরিক্ত দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল? উঠছে প্রশ্ন। এখন অবশ্যই তাকে দেওয়া হয়েছে পূর্ণ দায়িত্ব।
আইপিএস অবিনাশ কুমার রাই (এসপি,ধলাই)
রাজনীতির পড়ন্ত বেলায় বুড়ো হাড়ের ভেলকি দেখালেন ধর্ম নগরের শাসক দলের নেতা।এবং কুপোকাত দিলেন দক্ষ আইপিএস ভানুপদ চক্রবর্তীকে।
উত্তর জেলার পুলিশ কর্মীদের আক্ষেপ ,অনৈতিক ভাবে আইপিএস ভানুপদ চক্রবর্তীকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে।নেপথ্যে কাজ করেছে উত্তর জেলার শাসক দলের মস্ত বড় নেতার মস্তিষ্ক । রাজনীতির পড়ন্ত বেলায় তিনিও বুড়ো হাড়ের ভেলকি দেখালেন। এবং কুপোকাত দিলেন দক্ষ আইপিএস ভানুপদ চক্রবর্তীকে।
রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের কথায়, বুড়ো নেতা বিলক্ষণ বুঝে গিয়েছেন, ভানুপদ চক্রবর্তীকে বদনাম করতে না পারলে ২৮- র বিধানসভা নির্বাচনে তাঁর টিকিট পাওয়া কষ্টকর হয়ে উঠবে।
।।বিজ্ঞাপন।।
তাই আগেই ভানুপদ নামের কাটাকে দূরে ঠেলে দিতে গেলে তাঁর বিরুদ্ধে তুলে ধরতে হবে কৃত্রিম ব্যার্থতার চার্জশিট। তাই করলেন উত্তর জেলার শাসক দলের এই বুড়ো নেতা।এবং উত্তর জেলা থেকেই ভানুপদ চক্রবর্তীকে সরিয়ে দেওয়ার জন্য অনুপুঙ্খ ভাবে রচনা করেছেন কালো স্ক্রিপ্টও ।