তেলিয়ামুড়া ডেস্ক, ১১ ডিসেম্বর।।
ঔষধের উপর ভারত সরকারের জি.এস.টি’র ছাড়, বিশেষ করে জীবন দায়ী ওষুধের উপর ভুক্তভোগী’রা সঠিক ভাবে জি.এস.টি’র ছাড় পাচ্ছে কিনা তা খতিয়ে দেখতে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় তেলিয়ামুড়া মহকুমার বিভিন্ন ঔষধের দোকানে চারজনের এক প্রতিনিধি দল অভিযান চালায়। এই প্রতিনিধি দলে ছিলেন ত্রিপুরা ড্রাগ কন্ট্রোল দপ্তরের ডেপুটি ড্রাগ কন্ট্রোলার সুব্রত দাস, খোয়াই জেলার ড্রাগ ইন্সপেক্টর অজয় মগ, ড্রাগ ইন্সপেক্টর অভিজিৎ দাস সহ দিবাকর পাল। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় তেলিয়ামুড়ার বেশ কিছু ফার্মেসি অর্থাৎ ঔষধের দোকানে অভিযান করে এই প্রতিনিধি দল এবং সেখানে ভুক্তভোগীরা যাতে করে ঔষধের জি.এস.টি’র উপর ভারত সরকার যেই ছাড় দিয়েছে, তাতে অতীতের তুলনায় কম দামে যাতে সাধারণ মানুষ ঔষধ ক্রয়ের সুবিধা পায় সেই নিয়ে আলোচনা করেন ঔষধের দোকানগুলির মালিকদের সঙ্গে। ঔষধের দোকানগুলিতে কিছু কিছু গড়মিল পাওয়া গেলেও বেশির ভাগই ঠিক ছিল বলে জানায় ডেপুটি ড্রাগ কন্ট্রোলার সুব্রত দাস, তিনি আরো বলেন জনগণের সুবিধা এবং জি.এস.টি’র ছাড় প্রত্যেকের পাওয়া উচিত, কিছু কিছু অভিযোগ ছিল কিছু দোকানদার ভুক্তভোগীদের ছাড় দিচ্ছিল না, সেজন্যই এদিনের এই অভিযান, তিনি আরো বলেন কিছুদিন পূর্বে বহিরাজ্যে কয়েকজন শিশু মৃত্যু হয়েছিল কফ সিরাপ সেবনের ফলে, তাই এখন দু বছরের শিশুদের যাতে করে কোন ধরনের কফ সিরাপ না দেওয়া হয় এবং পাঁচ বছরের নিচে শিশুদের না দেওয়া ভালো এরকমই এক ঘোষণা দিয়ে যান প্রতিনিধি দলের সদস্যরা।।

