সংবাদ জগতের দৌলতে যারা বুদ্ধিজীবীর খাতায় নাম লিখিয়েছেন তারাও গভীর তপস্যায় মগ্ন ! জেলায় জেলায় সাংবাদিকরা প্রতিবাদ জানাচ্ছেন। আগরতলা শহরে প্রতিবাদ হচ্ছে। সুদীপ-শান্তনু হত্যার পর যেমনটা হয়েছিল রাজ্যজুড়ে, তারই প্রাথমিক ঝলক কিন্তু দেখা যাচ্ছে সর্বত্র । পরিকল্পনা চলছে দিল্লি যাওয়ার। আসন্ন বিধানসভা অধিবেশনের আগে জল কোথায় গিয়ে গড়ায় তাই এবার দেখার পালা।
ডেস্ক রিপোর্টার, ২৪ ফেব্রুয়ারি।।
প্রবল জনমতের চাপে ও মুখ্যমন্ত্রীসহ প্রশাসনের সদিচ্ছায় শেষ পর্যন্ত ত্রিপুরা পুলিশ বর্গী-হুঙ্কারের বিরুদ্ধে মামলা গ্রহণ করলেও রামপ্রসাদী বর্গী তাণ্ডবের ভয়ে “ন যজো ন তোস্থূ” অর্থাৎ ন্যূনতম অ্যাকশন না নিয়ে “ঘুম পাড়ালো, পাড়া জুড়ালো, বর্গী এলো দেশে”- গান গাইতে ব্যস্ত! রামপ্রসাদী সাকরেদ গাজা-ফেন্সি কিংপিংয়ের আসামিরা আদালত চত্বরে গিয়ে ওকালতনামা সই করে আসলেও টিকি পর্যন্ত স্পর্শ করেনি করিৎকর্মা পুলিশ। আর উগ্র-রঞ্জিতের ক্ষেত্রে তো পোয়াবারো ! এখন পর্যন্ত মামলাটুকু গ্রহণ করেনি ত্রিপুরার তালপাতার সেপাইরা ! সংবাদ জগতের দৌলতে যারা বুদ্ধিজীবীর খাতায় নাম লিখিয়েছেন তারাও গভীর তপস্যায় মগ্ন ! জেলায় জেলায় সাংবাদিকরা প্রতিবাদ জানাচ্ছেন। আগরতলা শহরে প্রতিবাদ হচ্ছে। সুদীপ-শান্তনু হত্যার পর যেমনটা হয়েছিল রাজ্যজুড়ে, তারই প্রাথমিক ঝলক কিন্তু দেখা যাচ্ছে সর্বত্র । পরিকল্পনা চলছে দিল্লি যাওয়ার। আসন্ন বিধানসভা অধিবেশনের আগে জল কোথায় গিয়ে গড়ায় তাই এবার দেখার পালা। উগ্র আর বর্গির ভয়ে খাগি কি সেই ঘুমিয়েই থাকবে? সমাজের বুদ্ধিজীবীরা কি এখনো জুড়িয়েই রইবে? তাহলে খাজনা দিবে কিসে? কিভাবে রক্ষিত হবে সমাজের গণতন্ত্র? তবে গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভ কিন্তু চুপ করে বসে নেই। তাই সাধু সাবধান।

