রাজনীতিকদের বক্তব্য, বাস্তব অর্থে সাব্রুমের প্রাক্তন বিধায়ক শঙ্কর রায় এখন রাজনৈতিক ভাবে দেওলিয়া হয়ে গিয়েছেন। তার সঙ্গে কোনো লোকজন নেই। আবুলতাবুল কথাবার্তা বলে তিনি প্রচারে থেকে শীর্ষ নেতৃত্বকে বুঝানোর চেষ্টা করছেন, সাব্রুম রাজনীতির জমিনে এখনো তার মাটি অনেক শক্ত।
ডেস্ক রিপোর্টার , ৮ এপ্রিল।। স্বশাসিত জেলা পরিষদ নির্বাচন নিয়ে প্রতিদিন উষ্ণতা বাড়ছে পাহাড় রাজনীতির। সম্প্রতি সাব্রুমে এডিসির ২৭ পূর্ব মুহুরীপুর-ভুরাতলী আসনের হার্বাতলী এডিসি ভিলেজের নলছড়ি পাড়াতে বিজেপির প্রচার গাড়িতে হামলা করেছিলো দুষ্কৃতীরা। ভাজপা নেতৃত্বের অভিযোগ করে বলেছিলেন, এই ঘটনার পেছনে দায়ী তিপ্রামথা। এরপর থেকেই পূর্ব মুহুরীপুর-ভুরাতলীতে রাজনীতির পারদ আরো ঊর্ধ্বমুখে ধাবিত হয়। শেষ পর্যন্ত একটি নিছক পারিবারিক ঘটনাকে রাজনৈতিক মোড় দেওয়ার চেষ্টা করে বিপাকে পড়ে যান সাব্রুম কেন্দ্রের প্রাক্তন বিধায়ক তথা বিজেপি নেতা শঙ্কর রায়। খবর অনুযায়ী, হার্বাতলী এডিসি ভিলেজের কৌশল চন্দ্র পাড়ার বাসিন্দার রবীন্দ্র ত্রিপুরা। তার দুই ছেলের মধ্যে পারিবারিক সম্পত্তি নিয়ে ঝামেলা হয়।ছোট ছেলে মৌরিন ত্রিপুরাকে মারধর করে তার দাদা বিজয় ত্রিপুরা সহ পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা। এটা কোনো রাজনৈতিক সংঘর্ষ নয়। স্পষ্ট করেছে ত্রিপুরা পরিবার।
স্থানীয় তিপ্রামথার লোকজনের অভিযোগ, অনর্থক ভাবে ত্রিপুরা পরিবারের দুই ছেলের মারামারির ঘটনাকে রাজনৈতিক রং দেন বিজেপি নেতা শঙ্কর রায়। এমনকি তিনি বলেন, মথার প্রার্থী দেবজিত ত্রিপুরার নির্দেশেই চলে হামলা। কিন্তু শঙ্কর রায়ের এই ডাহা মিথ্যা কথা মুহূর্তেই ভাইরাল হয়ে যায় সমাজ মাধ্যমে। এর প্রেক্ষিতে মথার প্রার্থী দেবজিত ত্রিপুরা স্পষ্ট করেই বলেন, ঘোলা জলে মাছ ধরার চেষ্টা করছেন জন বিচ্ছিন্ন শঙ্কর রায়। তিনি বাকা পথে সস্তা রাজনীতি শুরু করেছেন। এটা কোনো ভাবেই কাম্য নয়।
ঘোলা জলে মাছ ধরার চেষ্টা করছেন জন বিচ্ছিন্ন শঙ্কর রায়।
ইতিমধ্যে মৌরিন ও তার দাদা বিজয় সাব্রুম থানায় গিয়েও পুলিশকে জানিয়েছেন, তাদের পারিবারিক ঝামেলাকে রাজনৈতিক রং দেওয়ার ব্লু প্রিন্ট তৈরি করেছেন বিজেপি নেতা শঙ্কর রায়। তারা এই সংক্রান্ত বিষয়ে সংশ্লিষ্ট থানায় মীমাংসা পত্র জমা করেন।
সাব্রুম রাজনীতিতে শঙ্কর রায় এখন অন্ত:সার শূন্য।
রাজনীতিকদের বক্তব্য, বাস্তব অর্থে সাব্রুমের প্রাক্তন বিধায়ক শঙ্কর রায় এখন রাজনৈতিক ভাবে দেওলিয়া হয়ে গিয়েছেন। তার সঙ্গে কোনো লোকজন নেই। আবুলতাবুল কথাবার্তা বলে তিনি প্রচারে থেকে শীর্ষ নেতৃত্বকে বুঝানোর চেষ্টা করছেন, সাব্রুম রাজনীতির জমিনে এখনো তার মাটি অনেক শক্ত। বিজেপি কর্মীদের বক্তব্য, কাক যখন সাবান লুকিয়ে রাখে,তখন কাক মনে করে কেউ দেখে নি। ঠিক একই অবস্থা হয়েছে শঙ্কর রায়ের। কুশাভাউ ভবনের শীর্ষ নেতৃত্ব জানেন,” সাব্রুম রাজনীতিতে শঙ্কর রায় এখন অন্ত:সার শূন্য। তিনি ভুগছেন রাজনৈতিক দেউলিয়াপনায়।”