রাজ্যের এক ছাত্রী তার উচ্চ শিক্ষার জন্য গিয়েছিল গুরগ্রামে। স্থানীয় জিডি গোয়েঙ্কা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হয়। একটি ডেটিং অ্যাপের মাধ্যমে ছাত্রীর সঙ্গে পরিচয় হয় শিবম নামে যুবকের। এক সময় তারা এক সঙ্গেই থাকতো। কিন্তু হঠাৎ করেই শিবমের মাথায় থেকে প্রেমের ভূত চলে যায়। মেয়েটির সঙ্গে দুরত্ব বাড়াতে থাকে।
ডেস্ক রিপোর্টার, ২৩ ফেব্রুয়ারি।।
রাজ্যের ১৯ বছর বয়সী এক ছাত্রীকে অকথ্য নির্যাতন তার প্রেমিকের। পুলিশ অভিযুক্ত যুবককে গ্রেফতার করেছে। তার নাম শিবম। ঘটনা গুরগ্রামে। এই ঘটনায় প্রচন্ড ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী প্রতিমা ভৌমিক। অভিযুক্ত যুবককে এনকাউন্টারের দাবী করেছেন তিনি। এই বিষয় নিয়ে তিপ্রামথার প্রতিষ্ঠাতা প্রদ্যুৎ কিশোরও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অভিযুক্ত যুবকের কঠোর শাস্তির দাবী করেছেন।

রাজ্যের এক ছাত্রী তার উচ্চ শিক্ষার জন্য গিয়েছিল গুরগ্রামে। স্থানীয় জিডি গোয়েঙ্কা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হয়। একটি ডেটিং অ্যাপের মাধ্যমে ছাত্রীর সঙ্গে পরিচয় হয় শিবম নামে যুবকের। এক সময় তারা এক সঙ্গেই থাকতো। কিন্তু হঠাৎ করেই শিবমের মাথায় থেকে প্রেমের ভূত চলে যায়। মেয়েটির সঙ্গে দুরত্ব বাড়াতে থাকে।
এই নিয়ে তাদের মধ্যে বাকবিতণ্ডাও হয়েছে। এরপরেই শিবম তার প্রেমিকার উপর আক্রমণ করে। তার হামলার ধরণ ছিলো সম্পূর্ণ আলাদা। মেয়েটিকে টানা তিন দিন ঘরের মধ্যে বেঁধে রেখে অত্যাচার শুরু করে। শিবমের নৃশংসতা ছিলো একেবারে চূড়ান্ত পর্যায়ে। মেয়েটির গোপনাঙ্গে স্যানিটাইজার ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেয় পাষণ্ড শিবম। গোটা শরীরে সিগারেটের ছ্যাঁকা লাগিয়ে দেয়। ছাত্রীর মাথায় বোতল দিয়ে আঘাত করে।
মেয়ের জবান বন্দী অনুযায়ী অভিযুক্ত শিবমকে গ্রেফতার করে গুরগ্রামের পুলিশ।
শেষ পর্যন্ত মেয়ের আত্ম চিৎকারে আশপাশের লোকজন তাকে উদ্ধার করে। এবং হাসপাতালে ভর্তি করিয়ে দেয়। মেয়ের জবান বন্দী অনুযায়ী অভিযুক্ত শিবমকে গ্রেফতার করে গুরগ্রামের পুলিশ। বর্তমানে মেয়েটি দিল্লির সফদরজং হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। খবর পেয়ে রাজ্যের নির্যাতিতা মেয়েটিকে হাসপাতালে গিয়ে দেখে আসেন প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী প্রতিমা ভৌমিক। তিনি মেয়েটির সঙ্গে কথা বলেন। কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর কাছে নির্যাতনের সমস্ত কাহিনী তুলে ধরে নির্যাতিতা। প্রতিমা ভৌমিক দিল্লিতে সাংবাদিকদের বলেন, ” অভিযুক্ত শিবমের অপরাধ এতটাই নৃশংসতা ছিলো তাকে উচিত এনকাউন্টার করা। এই ধরনের অপরাধীদের গ্রেফতার করে কোনো লাভ নেই।”

