কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ বলেন, এই দেশে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর যে অধিকার, সংশ্লিষ্ট তিন দেশ থেকে আসা শরণার্থীদেরও একই অধিকার ভরতে। রাজনীতির জন্য তাদেরকে স্বাধীনতার পর থেকে নাগরিকত্ব থেকে বঞ্চিত রাখা হয়েছিলো। বিভিন্ন সময়ে হিন্দু, বৌদ্ধ, জৈন, শিখ সম্প্রদায়ের লোকজন ভারতে এসেছেন । কারণ এই ভারত ভূ – খন্ড তাদেরও।
ডেস্ক রিপোর্টার, ৭ মার্চ।। “বাংলাদেশ – পাকিস্তান – আফগানিস্তান থেকে আসা শরণার্থীরা ভারতীয় নাগরিক। দেশের ভাগের পর তারা কংগ্রেসের রাজনীতির বলি হয়েছেন।” – বক্তা দেশের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী অমিত শাহ। শনিবার উত্তরাখণ্ড সফরে এসে একথা বলেছেন তিনি।মোদী সরকারের সিএএ-র মাধ্যমে পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের ১৬২ জনকে উত্তরাখণ্ডের হরিদ্বারে নাগরিকত্ব প্রদান অনুষ্ঠানে দিতে অমিত শাহ এসেছিলেন উত্তরাখণ্ডে।
কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ স্পষ্ট করেই বলেছেন, বাংলাদেশ, পাকিস্তান ও আফগানিস্তান থেকে বিভিন্ন সময়ে শরণার্থীরা এ দেশে এসেছেন। নিজেদের ধর্ম রক্ষা, মা, বোনের সম্মান বাঁচাতে প্রাণ হাতে নিয়ে তারা এসেছেন ভারতেই।কিন্তু তারা প্রত্যেকেই ভারতের নাগরিক। দেশ ভাগের পর রাজনীতির কারণে এই সমস্ত লোকজনকে সংশ্লিষ্ট দেশগুলিতে পড়ে থাকতে হয়েছে। তাদেরকে বিদেশী বলে আখ্যা দেওয়া হয়েছে। এটা ঠিক নয়। রাজনীতির কায়েমী স্বার্থের জন্য দেশের লোকজনকে পিঠে বিদেশীর তকমা লাগাতে হয়েছিল। শেষ পর্যন্ত তারা নিপীড়ন সহ্য করতে না পেরে চলে এসেছেন ভারতে।কারণ ভারতই হলো তাদের ” রুট”।
বিভিন্ন সময়ে হিন্দু, বৌদ্ধ, জৈন, শিখ সম্প্রদায়ের লোকজন ভারতে এসেছেন । কারণ এই ভারত ভূ – খন্ড তাদেরও।
কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ বলেন, এই দেশে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর যে অধিকার, সংশ্লিষ্ট তিন দেশ থেকে আসা শরণার্থীদেরও একই অধিকার ভরতে। রাজনীতির জন্য তাদেরকে স্বাধীনতার পর থেকে নাগরিকত্ব থেকে বঞ্চিত রাখা হয়েছিলো। বিভিন্ন সময়ে হিন্দু, বৌদ্ধ, জৈন, শিখ সম্প্রদায়ের লোকজন ভারতে এসেছেন । কারণ এই ভারত ভূ – খন্ড তাদেরও।
রাহুল বাবা তুমি চিৎকার করতে থাকো। কোনো কাজ হবে না। নরেন্দ্র মোদী সরকার শরণার্থীদের নাগরিকত্ব দেবেই।
সংশ্লিষ্ট তিন দেশ থেকে আসা শরণার্থীদের সিএএর মাধ্যমে নাগরিকত্ব দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে মোদী সরকার। সরকার নিজের সিদ্ধান্তে অটল। কংগ্রেস সাংসদ রাহুল গান্ধীকে কটাক্ষ করে অমিত শাহ বলেন, ” রাহুল বাবা তুমি চিৎকার করতে থাকো। কোনো কাজ হবে না। নরেন্দ্র মোদী সরকার শরণার্থীদের নাগরিকত্ব দেবেই। কেউ আটকাতে পারবে না।