জেলা শাসক বিশাল কুমার স্পষ্ট ভাবেই জানিয়ে দিয়েছেন, ২০২৪ সালের ভয়াবহ বন্যায় ক্ষতি গ্রস্থ হয়েছিল নদীর বাঁধ। এই বাঁধ সারাইয়ের প্রয়োজন। তাই নদীর পাড়ে বসবাসকারী লোকজনকে উঠে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছে প্রশাসন। এর আগেও নদীর পাড়ে বসবাসকারী ১৯ পরিবারকে তুলে দেওয়া হয়েছে। তবে তাদের যথাযথ পুনর্বাসন দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।
ডেস্ক রিপোর্টার,২৭ জানুয়ারি।
আতঙ্কের প্রহর গুনছে আগরতলার প্রতাগগড় ব্রিজ লাগোয়া হাওড়া নদীর পাড়ে বসবাসকারী লোকজন। হাওড়া নদীর বাধ পুন:নির্মাণের জন্য নদীর পাড়ে বসবাসকারী লোকজনকে উঠে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছে প্রশাসন। বাস্তুচুত্য হওয়ার ভয়ে নদীর পাড়ে গড়ে উঠা জনবসতির লোকজন দ্বারস্থ হয়েছে পশ্চিম জেলার জেলা শাসক বিশাল কুমারের সঙ্গে। মঙ্গলবার তারা জেলা শাসকের সঙ্গে করেছে বৈঠক।
জেলা শাসক বিশাল কুমার স্পষ্ট ভাবেই জানিয়ে দিয়েছেন, ২০২৪ সালের ভয়াবহ বন্যায় ক্ষতি গ্রস্থ হয়েছিল নদীর বাঁধ। এই বাঁধ সারাইয়ের প্রয়োজন। তাই নদীর পাড়ে বসবাসকারী লোকজনকে উঠে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছে প্রশাসন। এর আগেও নদীর পাড়ে বসবাসকারী ১৯ পরিবারকে তুলে দেওয়া হয়েছে। তবে তাদের যথাযথ পুনর্বাসন দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।

রাজ্য সরকারের এই সিদ্ধান্তে আতঙ্ক গ্রস্থ নদীর পাড়ে থাকা লোকজন। কারণ তাদের থাকবে না মাথা গুঁজার ঠাঁই।একই সুরে কথা বললেন জেলা শাসকের অফিসে আসা অন্যান্য মহিলারাও। তাদের চোখে মুখেও আতঙ্কের ছাপ।
তবে আগরতলা শহরকে বন্যার প্রকোপ থেকে বাঁচানোর জন্য নদীর পাড়ের মানুষকেও নিরাপদ স্থানে নিয়ে যাওয়া আবশ্যক। নদীর পাড়ে তারা বসবাস করলে, থাকবে ঝুঁকি। তাই সার্বিক ভাবে সমস্ত কিছু মাথায় রেখেই নদীর পড়ে থাকা মানুষকে অন্যত্র সরিয়ে নিয়ে যাওয়াও সরকারের কর্তব্যের মধ্যেই পড়ে। তার জন্য লোকজনকে দিতে হবে পুনর্বাসন।

