সোমবার সকালে উত্তর জেলার চুরাইবাড়ি থানার অন্তর্গত পূর্ব ফুলবাড়ি গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার বাসিন্দা আব্দুল জলিলের মেয়ে সাজনা বেগম গরু চরাতে গিয়ে নিখোঁজ হয়ে যায়। জন্মগতভাবে সাজনা বধির (কানে শুনতে পায় না) এবং মানসিকভাবে ভারসাম্যহীন। এই ঘটনার পর সজনার পরিবারের পক্ষ থেকে স্থানীয় থানায় মিসিং ডায়েরি করা হয়।
কৈলাসহর ডেস্ক, ৪ ফেব্রুয়ারি।।
নিখোঁজ হওয়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই পরিবারের কাছে ফিরে এলো মানসিকভাবে ভারসাম্যহীন এক যুবতী। কুমারঘাট থানার পুলিশ ও কৈলাসহর ‘ওয়ান স্টপ সেন্টার’-র যৌথ প্রচেষ্টায় মুখে হাসি ফুটল উত্তর জেলার পূর্ব ফুলবাড়ি গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার এক পরিবারের। সোমবার নিখোঁজ হওয়া সাজনা বেগমকে বুধবার তার বাবার হাতে তুলে দেওয়া হলো।
সোমবার সকালে উত্তর জেলার চুরাইবাড়ি থানার অন্তর্গত পূর্ব ফুলবাড়ি গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার বাসিন্দা আব্দুল জলিলের মেয়ে সাজনা বেগম গরু চরাতে গিয়ে নিখোঁজ হয়ে যায়। জন্মগতভাবে সাজনা বধির (কানে শুনতে পায় না) এবং মানসিকভাবে ভারসাম্যহীন। এই ঘটনার পর সজনার পরিবারের পক্ষ থেকে স্থানীয় থানায় মিসিং ডায়েরি করা হয়।
এদিন রাতেই প্রাপ্ত খবরের ভিত্তিতে কুমারঘাট রেল স্টেশন সংলগ্ন এলাকা থেকে তাকে উদ্ধার করে কুমারঘাট থানার পুলিশ। মেয়েটির শারীরিক ও মানসিক অবস্থা বিবেচনা করে রাতেই তাকে কৈলাসহর ‘ওয়ান স্টপ সেন্টার’-এর হেফাজতে পাঠানো হয়। ওয়ান স্টপ সেন্টার কর্তৃপক্ষের তৎপরতায় ও সংবাদ মাধ্যমে খবর পৌঁছানোর পর সাজনার পরিবার তার সন্ধান পায়। বুধবার দুপুরে কৈলাসহর ওয়ান স্টপ সেন্টারে এসে পৌঁছান সাজনার বাবা আব্দুল জলিল। সমস্ত আইনি প্রক্রিয়া শেষে সাজনাকে তার বাবার হাতে তুলে দেওয়া হয়। পরিবারের বক্তব্য অনুযায়ী, এর আগেও একবার নিখোঁজ হয়েছিল সাজনা। তখন দীর্ঘ ৭ মাস নিখোঁজ ছিলো। এর পর তাকে খোঁজে পাওয়া গিয়েছিল।

