যার মস্তিষ্কে পঞ্চবটি বাজার, গৌরাঙ্গ টিলা শরণার্থী শিবির, পালস পোলিও কর্মীদের ওপর নৃশংসতা ইত্যাদি অসংখ্য রক্তের নেশা, এক আত্মসমর্পণ করলেই কি সেই নেশা উধাও হয়ে যায়? যদিও সেই অর্থে আত্মসমর্পণ পর্যন্ত করেননি উগ্র রঞ্জিত।
ডেস্ক রিপোর্টার, ২৪ ফেব্রুয়ারি।।
আত্মসমর্পণ করলেই অতীত মুছে যায় না । স্বভাব পাল্টানো একটি সামাজিক প্রক্রিয়া, আর আত্মসমর্পণ হলো প্রশাসনিক। আত্মসমর্পণ করলে না হয় সরকারের খাতায় লেখা হয়ে গেল স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসার কথা, কিন্তু যার মস্তিষ্কে পঞ্চবটি বাজার, গৌরাঙ্গ টিলা শরণার্থী শিবির, পালস পোলিও কর্মীদের ওপর নৃশংসতা ইত্যাদি অসংখ্য রক্তের নেশা, এক আত্মসমর্পণ করলেই কি সেই নেশা উধাও হয়ে যায়? যদিও সেই অর্থে আত্মসমর্পণ পর্যন্ত করেননি উগ্র রঞ্জিত। উপরন্তু রাজ পরিবারের সদস্যের বদান্যতায় তিনি আজ বিধায়ক। স্বভাব যায়না মলে। রাজ পরিবারের সদস্যের সাথে তাল মিলিয়ে সম্প্রীতি বিনষ্টের কূটকৌশল। আগরতলা দখলের পরিকল্পনা। প্রকাশ্যে হুংকার।

আগরতলার মালিক কে? আগরতলায় যেসব জমিতে রাজ্যের জনজাতিরা বসবাস করেন, এই সেই জমির পর্চা-দলিল তাদের নামে রয়েছে। বাকি অংশগুলোতে যারা বসবাস করেন, সেই সকল অউপজাতি মানুষের নামে দলিল পর্চা রয়েছে। দেশের কোন আইনের বলে রঞ্জিত দেববর্মারা বলছেন সমগ্র আগরতলার মালিক তিপ্রসা? দেশে কি আইন কানুন বলে কিছু নেই! নাকি পুরনো অভ্যাস ছাড়তে পারে না? উগ্র রঞ্জিতের সম্প্রীতি বিনষ্টের অপচেষ্টার প্রসঙ্গে যখন কোনো সংবাদ মাধ্যম প্রশ্ন তুলে উগ্র রঞ্জিতের নাগরিকত্ব নিয়ে, তখনই শুরু হয়ে যায় সংবাদমাধ্যমের বিরুদ্ধে হুমকি আর কুৎসা। সংবাদ মাধ্যম যখন প্রশ্ন করে আপনার চ্যানেফা সফল কোন পাসপোর্ট দিয়ে হয়েছিল? সেই পাসপোর্টটা জনসমক্ষে এনে দিলেই তো দুধকা দুধ পানি কা পানি হয়ে যায়। তখনও উগ্র রঞ্জিত চালায় কুৎসা। আসলে বিড়াল যদি বলে মাছ খাব না তাহলে, তা ভণ্ডামি ছাড়া আর কিছু নয়। স্বভাব তো কক্ষনো যাবেনা। তবে সাধু সাবধান। রাজ্যের জাতি-জনজাতি অংশের মানুষ এখন অনেক বেশি সচেতন। এবার আর হালে পানি মিলবে না উগ্র রঞ্জিতের।

